মহান আল্লাহ পাক তিনি এখানে বলেছেন, “নামায কায়িম করুন আপনারা। ”
اَلصَّلَاةُ عِمَادُ الدِّينِ، فَمَنْ أَقَامَهَا فَقَدْ أَقَامَ الدِّينَ، وَمَنْ تَركَهَا فَقَدْ هَدَمَ الدِّينَ
অর্থ : নামায হচ্ছে সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার খুঁটি। যে নামায কায়িম রাখলো, সে দ্বীন ইসলাম উনাকে কায়িম রাখলো। যে নামায উনাকে তরক করে দিল, সে দ্বীন ইসলাম উনাকে ধ্বংস করে দিল।
مِفْتَاحُ الْجَنَّةِ اَلصَّلَاةُ
অর্থ : নামায হচ্ছে জান্নাতের চাবি।
কাজেই আপনারা নামায কায়িম রাখুন এবং আরো মহান আল্লাহ পাক তিনি আমভাবে সকলের জন্য বলেছেন-
أَقِيمُوا الصَّلاَةَ
অর্থ : প্রত্যেকেই তোমরা নামায কায়িম রাখ বা আদায় করো এবং বাকি অংশ পড়ুন...
কুফরী আমলের পরিণতি হলো, হাশর-নশর কাফির-মুশরিকদের সাথে হবে
দলীল
কিতাবে বর্ণিত রয়েছেন,
عَنْ حَضْرَتْ عَبْدِ اللهِ بْنِ عَمْرٍو رَضِىَ اللهُ تَـعَالـٰى عَنْهُ قَالَ مَنْ مَّرَّ بِـبِلَادِ الْاَعَاجِمِ فَصَنَعَ نَـيْـرُوْزَهُمْ وَمِهِرْجَانَـهُمْ وَتَشَبَّهَ بِـهِمْ حَتّٰـى يَـمُوْتَ وَهُوَ كَذٰلِكَ حُشِرَ مَعَهُمْ يَـوْمَ الْقِيَامَةِ
“হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আমর রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, যে বা যারা অনারবদের (কাফির-মুশরিকদের) ভূখ- দিয়ে অতিক্রম করে তাদের নওরোয ও মেহেরজান পালন করবে, (পূজা করবে) এবং তাদের সাথে সামঞ্জস্য-সাদৃশ্যতা অবলম্বন করবে, এমনকি এই অবস্থায় সে মারা যাবে; বাকি অংশ পড়ুন...
৮৮ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বৃদ্ধাঙ্গুল মুবারক نُوْرُ الْـخُلْدِ مُبَارَكٌ নূরুল খুল্দ মুবারক (স্থায়ী)
৮৯ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র শাহাদাত আঙ্গুল মুবারক نُوْرُ الصِّدْقِ مُبَارَكٌ নূরুছ ছিদ্ক্ব মুবারক (সত্যবাদিতা)
৯০ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মধ্যমা আঙ্গুল মুবারক نُوْرُ الْـخَيْرِ مُبَارَكٌ নূরুল খইর মুবারক (ভালাই, ভাল)
বাকি অংশ পড়ুন...
সাইয়্যিদুনা হযরত ছিদ্দীক্বে আকবর আলাইহিস সালাম উনার মহাসম্মানিত আমল মুবারক
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ইত্তিবা’ অর্থাৎ অনুসরণ মুবারক করেই সাইয়্যিদুনা হযরত ছিদ্দীক্বে আকবর আলাইহিস সালাম তিনি প্রতি বছর নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বরকতময় বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশের দিন অর্থাৎ সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিশ শুহূরিল আ’যম শরীফ উনার সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ (মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ১২ই রবীউল আউওয়াল শরীফ) সাইয়্ বাকি অংশ পড়ুন...
সাইয়্যিদুনা হযরত ছিদ্দীক্বে আকবর আলাইহিস সালাম উনার মহাসম্মানিত আমল মুবারক
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ইত্তিবা’ অর্থাৎ অনুসরণ মুবারক করেই সাইয়্যিদুনা হযরত ছিদ্দীক্বে আকবর আলাইহিস সালাম তিনি প্রতি বছর নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বরকতময় বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশের দিন অর্থাৎ সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিশ শুহূরিল আ’যম শরীফ উনার সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ (মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ১২ই রবীউল আউওয়াল শরীফ) সাইয়্ বাকি অংশ পড়ুন...
সাইয়্যিদুল আউলিয়া, মাহবূবে সুবহানী, কুতুবে রব্বানী, হযরত বড়পীর ছাহিব রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার মুরীদানগণের মর্যাদা:
শায়েখ আবুল কাসেম ওমর রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বর্ণনা করেন, সাইয়্যিদুনা হযরত বড়পীর ছাহিব রহমতুল্লাহি আলাইহি উনাকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিলো, যদি কোন ব্যক্তি আপনাকে মুহব্বতের সাথে স্মরণ করে, কিন্তু আপনার মুরীদ হওয়ার সৌভাগ্য না হয় কিংবা আপনার থেকে খিলাফতের খেরকা (জামা) না পায়, সে কি আপনার সহানুভূতি তথা ফায়েজ-তাওয়াজ্জুহ লাভকারী লোকদের অন্তর্ভুক্ত হবে?
সাইয়্যিদুনা হযরত বড়পীর ছাহিব রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, ‘যে ব্যক বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র সূরা তওবা শরীফ উনার ৩৬নং পবিত্র আয়াত শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন-
إِنَّ عِدَّةَ الشُّهُوْرِ عِنْدَ اللهِ اثْنَا عَشَرَ شَهْرًا فِيْ كِتَابِ اللّٰهِ يَوْمَ خَلَقَ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضَ مِنْهَا أَرْبَعَةٌ حُرُمٌ
অর্থ : নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট আসমান এবং যমিন সৃষ্টির শুরু থেকে মহান আল্লাহ পাক উনার কিতাবে গণনা হিসেবে মাসের সংখ্যা বারোটি। তন্মধ্যে চারটি হচ্ছে হারাম অর্থাৎ সম্মানিত মাস।
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে,
وَعَنْ حَضْرَتْ أَبِيْ بَكْرَةَ رَضِيَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ عَنِ النَّبيِّ قَالَ إِنَّ الزَّمَانَ قَدِ اسْتَدَارَ كَهَيْئَتِه বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ عَمَّارِ بْنِ يَاسِرٍ رَضِىَ اللهُ تَعَالَي عَنْهُ ، عَنْ رَّسُولِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: ثَلَاثَةٌ لَا يَدْخُلُونَ الْجَنَّةَ أَبَدًا: اَلدَّيُّوثُ مِنَ الرِّجَالِ، وَالرَّجُلَةُ مِنَ النِّسَاءِ، وَمُدْمِنُ الْخَمْرِ.
অর্থ: হযরত আম্মার বিন ইয়াসার রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, তিন ব্যক্তি কখনই জান্নাতে প্রবেশ করবে না-
(১) দাইয়ূছ (যে পুরুষ নিজে পর্দা করে না এবং তার অধীনস্থ মহিলাদের পর্দা করায় না। )
(২) ঐ সকল মহিলা বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফে ইরশাদ মুবারক করেন-
إِنَّ الْكَافِرِيْنَ كَانُوْا لَكُمْ عَدُوًّا مُّبِيْنًا
অর্থ: হে ঈমানদাররা! নিশ্চয়ই কাফিররা তোমাদের প্রকাশ্য শত্রু। (পবিত্র সূরা নিসা শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ১০১)
বাকি অংশ পড়ুন...
(১৭) একদিন হযরত হাতেম আছেম রহমতুল্লাহি আলাইহি উনাকে উনার শায়েখ হযরত শাক্বীক বলখী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি জিজ্ঞেস করলেন, “আপনি কতদিন ধরে আমার এখানে আছেন”? তিনি উত্তর দিলেন, “৩৩ বৎসর”। হযরত শাক্বীক বলখী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি আবার জিজ্ঞেস করলেন, “এত বৎসরে আপনি আমার থেকে কতটুকু শিক্ষা লাভ করেছেন”? তিনি বললেন, “এই ৩৩ বৎসরে আমি মাত্র ৮টি মাসয়ালা শিখেছি”।
হযরত শাক্বীক বলখী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি আফসুস করে বললেন, “আফসুস, এত বৎসরে আপনি মাত্র ৮টি মাসয়ালা শিখলেন। ” হযরত হাতেম রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বললেন, “জী হুযূর! সত্যিই আমি মাত্ বাকি অংশ পড়ুন...
আবূ লাহাবের ভয়াবহ পরিণতি:
তখন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করলেন, আমি যদি তোমাদের বলি যে, শত্রুসৈন্য উপত্যকায় এসে পড়েছে, তারা তোমাদের উপর অতর্কিত আক্রমণ করতে উদ্যত, তোমরা কি আমাকে বিশ্বাস করবে? তারা একবাক্যে বললো, হ্যাঁ আমরা আপনাকে সর্বদা সত্য পেয়েছি। আমরা বিশ্বাস করি। তখন তিনি ইরশাদ মুবারক করলেন-
فَإِنِّي نَذِيرٌ لَكُمْ بَيْنَ يَدَيْ عَذَابٍ شَدِيْدٍ
‘আমি তোমাদের সম্মুখে কঠিন শাস্তির ভয় প্রদর্শন করছি। ’ এটা শুনে আবূ লাহাব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
হামাসের বীর যোদ্ধাদের সমর্থনে ইয়েমেনের হুথিরা দুটি পৃথক অভিযান পরিচালনা করেছেন। তারা পূর্ব আল-কুদসে আল-আকসা মসজিদ প্রাঙ্গণে ইসরায়েলের নির্মম অপবিত্রতার প্রতিশোধ নেয়ার দাবিও করেছে।
হুথির মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইয়াহিয়া সারি বলেছেন, ইয়েমেনি বাহিনী লদ শহরের উত্তরে অবস্থিত বেন গুরিয়ন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রতিশোধমূলক হামলা চালিয়েছে। একটি দেশীয় প্রযুক্তিতে নির্মিত ফিলিস্তিন-২ হাইপারসনিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে এই হামলা চালানো হয়।
তারা তেল আবিবের পূর্বে একটি কৌশলগত অবস্থানে স্থা বাকি অংশ পড়ুন...












