(গত ১৩ মুহররম শরীফের পর)
সুলত্বানুল আরিফীন, মুজাদ্দিদে যামান, আল্লামা হযরত ইমাম জালালুদ্দীন সুয়ূতী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি লিখেন-
قالت حضرت ام الـمؤمنين الثالثة الصديقة عليها السلام لما مرض ابى اوصى ان يوتى به قبر النبى صلى الله عليه وسلم ويستأذن له ويقال هذا ابو بكر الصديق عليه السلام يدفن عندك يا رسول الله صلى الله عليه وسلم فان اذن لكم فادفنون وان لم يؤذن لكم فاذهبوا بى الى البقيع فاتى به الى الباب فقيل هذا ابو بكر الصديق عليه السلام قد اشتهى ان يدفن عند رسول الله صلى الله عليه وسلم وقد اوصانا فان اذن لنا دخلنا وان لم يؤذن لنا انصرفنا فنودينا ادخلوا وكرامة سمعنا كلاما ولم نر احدا.
وقال حضرت على كرمه الله وجهه عليه السلام فى رواية اخرى رأيت الباب قد فتح فسمعت قائلا يقول ادخلوا الحبيب الى حبيبه فان الحبي বাকি অংশ পড়ুন...
উল্লেখ্য যে, ইলমে তাছাওউফ বা তরীক্বতের সব কিতাবেই তিন প্রকার সম্মানিত নিসবত মুবারক হাছিলের কথা বলা হয়। (এক) ফানা ফিশ শায়েখ, (দুই) ফানা ফির রসূল, (তিন) ফানা ফিল্লাহ।
কাজেই, সালিক বা মুরীদের জন্য ফরজ হচ্ছে, সম্মানিত শায়েখ উনার প্রতি সর্বোচ্চ বিশুদ্ধ আক্বীদাহ এবং সর্বোত্তম হুসনে যন মুবারক পোষণ করা অর্থাৎ নূরে মুজাস্সাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পরেই সম্মানিত শায়েখ বা মুর্শিদ ক্বিবলা উনাকে সবচেয়ে শ্রেষ্ঠ মনে করা। তবেই তার পক্ষে অতি সহজে সম্মানিত নি‘য়ামত মুবারক হাছিল করে মঞ্জিলে মাক্বছূদে পৌঁছ বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ عُمَرَ عَلَيْهِ السَّلَامُ عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَا يـَخْلُوَنَّ رَجُلٌ بِاَمْرَأَةٍ اِلَّا ثَالِثُهَا الشَّيْطَانُ
অর্থ: “সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি বর্ণনা করেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, (মহান আল্লাহ পাক উনার কসম!) কোনো পুরুষ কোনো নারীর সাথে একাকী হলেই শয়তান এসে তাদের তৃতীয় ব্যক্তি হয়। অর্থাৎ তাদের উভয়কেই গুনাহের কাজে লিপ্ত করার জন্য ওয়াসওয়াসা দিতে থাকে। ” নাউযুবিল্লাহ! (তিরমিযী শরীফ)
বাকি অংশ পড়ুন...
এরপর মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
وَقُلْ لِلْمُؤْمِنَاتِ يَغْضُضْنَ مِنْ أَبْصَارِهِنَّ
এরপর মহান আল্লাহ পাক তিনি যারা মু’মিন মুসলমান নারী রয়েছেন, মহিলা রয়েছেন তাদেরকে উল্লেখ করে বলেন, হে মহিলারা! তোমরা তোমাদের দৃষ্টিকে অবনত রাখো। وَيَحْفَظْنَ فُرُوجَهُنَّ তোমাদের লজ্জাস্থানকে তোমরা হিফাযত করো।
وَلَا يُبْدِينَ زِينَتَهُنَّ إِلَّا مَا ظَهَرَ مِنْهَا
তোমরা তোমাদের সৌন্দর্য প্রদর্শন করো না, প্রকাশ করো না। তবে অবশ্য যেটা আপছেআপ বের হয়ে যায় সেটা ব্যতীত।
وَلْيَضْرِبْنَ بِخُمُرِهِنَّ عَلَى جُيُوبِهِنَّ
তোমরা অবশ্যই ওড়না বা আবরণ মাথার উপর থেকে সীনা পযর্ন্ত ঢেলে দিবে। বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত ইমাম খত্তাবী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন-
لَا اَعْلَمُ اَحَدًا مِّنَ الْمُسْلِمِيْنَ اخْتَلَفَ فِـىْ وُجُوْبِ قَتْلِهٖ اِذَا كَانَ مُسْلِمًا
অর্থ: “আমি এমন কোনো মুসলমান পাইনি, যিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে গাল-মন্দকারীর ক্বতল অর্থাৎ মৃত্যুদ- আবশ্যক হওয়ার ব্যাপারে মতবিরোধ করেছেন, যদি সে মুসলমান হয়ে থাকে। ” সুবহানাল্লাহ! (ফাতাওয়ায়ে বায্যাযিয়্যাহ)
বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের সুস্পষ্ট বর্ণনা দ্বারা খেলাধুলাকে হারাম ঘোষণা করা হয়েছে। যেমন মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
وَمَا خَلَقْنَا السَّمَاءَ وَالْأَرْضَ وَمَا بَيْنَهُمَا لَاعِبِينَ
অর্থ: আমি আসমান ও যমীন এবং এতদুভয়ের মধ্যে যা কিছু আছে তা ক্রীড়াচ্ছলে অর্থাৎ খেলাধুলার উদ্দেশ্যে সৃষ্টি করিনি। (পবিত্র সূরা আম্বিয়া শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ১৬)
এবং পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার বিখ্যাত ও বিশুদ্ধ কিতাব ‘মুস্তাদরাক লিল হাকিম শরীফ ’উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সা বাকি অংশ পড়ুন...
সুওয়াল:
কুরআন শরীফ উনার কোন তরজমা করার সময় মূল আরবীর সাথে কিছু যোগ বা বাদ দেয়া অন্যায়। অথচ সূরা ইউনুস শরীফ উনার ৫৭ ও ৫৮নং আয়াত শরীফদ্বয় উনাদের তরজমা বর্ণনায় উক্ত কাজটিই উদ্দেশ্যমূলকভাবে করা হয়েছে। (এ বিষয়টি নিয়ে জানতে আগ্রহী। )
জাওয়াব:
পবিত্র কুরআন শরীফ উনার অর্থ বর্ণনায় সবক্ষেত্রে শাব্দিক বা আভিধানিক অর্থের উপর ভিত্তি করে অর্থ করা যাবে না, করলে তা শুদ্ধ হবে না। উদাহরণস্বরূপ সূরা হিজর শরীফ উনার ৯৯নং পবিত্র আয়াত শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
واعبد ربك حتى ياتيك اليقين
অর্থ: তুমি তোমার মহান রব তা’য়ালা উনার ইবাদত করো ইয়াক্বীন (বিশ বাকি অংশ পড়ুন...
খ্বালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি মহাপবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেছেন-
فَاِنْ اٰمَنُوْا بِـمِثْلِ مَا اٰمَنْتُمْ بِهِ فَقَدِ اهْتَدَوْا.
অর্থাৎ হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা যেরূপ সম্মানিত ঈমান মুবারক এনেছেন তদ্রƒপ যদি তোমরা সম্মানিত ঈমান মুবারক গ্রহণ করতে পারো তাহলে তোমরা হিদায়েত মুবারক লাভ করতে পারবে। (পবিত্র সূরা বাক্বারাহ শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ১৩৭)
এ লিখনীতে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহ বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি মহাপবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন-
قُلْ إِن كَانَ آبَاؤُكُمْ وَأَبْنَآؤُكُمْ وَإِخْوَانُكُمْ وَأَزْوَاجُكُمْ وَعَشِيرَتُكُمْ وَأَمْوَالٌ اقْتَرَفْتُمُوهَا وَتِجَارَةٌ تَخْشَوْنَ كَسَادَهَا وَمَسَاكِنُ تَرْضَوْنَهَا أَحَبَّ إِلَيْكُم مِّنَ اللّهِ وَرَسُولِهِ وَجِهَادٍ فِي سَبِيلِهِ فَتَرَبَّصُوا حَتَّى يَأْتِيَ اللّهُ بِأَمْرِهِ وَاللّهُ لاَ يَهْدِي الْقَوْمَ الْفَاسِقِينَ [التوبة: ২৪].
অর্থ : (আয় মহাসম্মানিত হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!) আপনি বলুন, তোমাদের নিকট যদি মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার মহাসম্মানিত রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের পথে জিহাদ করার চেয়ে বেশি প্র বাকি অংশ পড়ুন...
অনেকেই আছেন যারা ঘন ঘন সব কিছু ভুলে যান। একে হেলাফেলা করার সুযোগ নেই, কারণ স্মৃতিশক্তি দুর্বল হলে জীবনের নানা ক্ষেত্রে তার নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। এ কারণে ছোটবেলা থেকেই স্মৃতিশক্তি বাড়াতে বাদাম খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।
কাঠবাদাম এবং আখরোট-এই দুই ধরনের বাদামই শরীর ও মস্তিষ্কের জন্য উপকারী। তবে প্রশ্ন উঠতে পারে, স্মৃতিশক্তি বাড়াতে কোনটি বেশি কার্যকর?
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কাঠবাদাম ও আখরোট-উভয়েই উপকারি হলেও আখরোটে রয়েছে দ্বিগুণ পরিমাণ ওমেগা-থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড, যা স্মৃতিশক্তি বাড়াতে আরও বেশি কার্যকর। ওমেগা থ্রি মস্তিষ্কের স্নায়ুক বাকি অংশ পড়ুন...












