মহাসম্মানিত হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَن حَضْرَتْ ابْنِ عُمَرَ رَضِيَ اللَّهُ تَعَالٰى عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَنْ تَشَبَّهَ بِقَوْمٍ فَهُوَ مِنْهُمْ
অর্থ: “হযরত ইবনে উমর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, যে ব্যক্তি যেই সম্প্রদায়ের সাথে মিল রাখবে, অনুরসণ-অনুকরণ করবে, সে তাদেরই দলভুক্ত হবে। অর্থাৎ তার হাশর-নশর তাদের সাথেই হবে। ” নাঊযুবিল্লাহ! (আবূ দাঊদ শরীফ, আহমদ শরীফ, মুসনাদে বাযযার, আল মু’জামুল আও বাকি অংশ পড়ুন...
মুসলমানদের চিরশত্রু ইহুদী, নাসারা, হিন্দু, বৌদ্ধসহ সমস্ত কাফির, বেদ্বীন, বদদ্বীনরা ছলে, বলে, কৌশলে মুসলমানদের জাহিরী-বাতিনী তথা সর্বোত ক্ষতি সাধনে তৎপর। যার বাস্তবতা দেখতে পাই আমাদের দেশেও। এদেশ থেকে ইসলামী অনুশাসন, তাহযীব-তামাদ্দুন উঠিয়ে দিয়ে মুসলমানদেরকে কোনঠাসা করার লক্ষ্যে এই কাফির গোষ্ঠী কখনো মিডিয়াকে, কখনো শাসক শ্রেণীকে এবং কখনো আদালতকে ব্যবহার করে তাদের স্বার্থ উদ্ধার করে যাচ্ছে। এমনকি শাসক শ্রেণী কোন বিষয়ে সম্মত না হলে, আনুগত্যতা না দেখালে তাদের পরিবর্তনেও সা¤্রাজ্যবাদীরা দেশের আদালতকে ব্যবহার করছে।
তাই, বর্ত বাকি অংশ পড়ুন...
বালাকোটের জিহাদ ও হযরত সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরেলবী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার শাহাদাত মুবারক:
স্মরণ থাকা জরুরী যে, সিদুঁর যুদ্ধে এই মুনাফিক সর্দারদের মধ্যে ইয়ার মুহম্মদ খানের প্ররোচনাতেই হযরত সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরেলবী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার খাদ্যে বিষ মিশ্রিত করা হয়েছিলো। তাদের বিশ্বাসঘাতকতার কারণে সেখানে শত শত মুজাহিদদের অকাতরে প্রাণ দিতে হয়েছিলো। তারও একমাত্র কারণ ছিলো এই পাঠান মুনাফিক সর্দারগণ। আর ধোঁকাবাজ সুলতান নজফ খানের কারসাজিতেই শের সিংহ তার বাহিনীসহ বালাকোটে এসে পৌঁছে। নতুবা কোন অবস্থাতেই বালাকোটে মুজা বাকি অংশ পড়ুন...
নারী-পুরুষ উভয়ের পবিত্রতা রক্ষার অতীব কার্যকর উপায় হচ্ছে পর্দার হুকুম। এই হুকুম অনুসরণের মাধ্যমেই হৃদয়-মনের পবিত্রতা অর্জন করা সম্ভব। পর্দার এই সুফলের কথা স্বয়ং মহান আল্লাহ পাক তিনি নিজেই ঘোষণা করেছেন পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে।
ذَلِكُمْ أَطْهَرُ لِقُلُوبِكُمْ وَقُلُوبِهِنَّ
অর্থ: “পর্দার হুকুম তোমাদের ও তাদের অন্তরের জন্য অধিকতর পবিত্রতার কারণ। (পবিত্র সূরা আহযাব শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ৫৩)
অর্থাৎ মানবসমাজকে পবিত্র ও পঙ্কিলতামুক্ত রাখতে পর্দার কোনো বিকল্প নেই।
বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি বলেন-
وَلَا يَضْرِبْنَ بِأَرْجُلِهِنَّ
তোমরা এমনভাবে হেঁটো না, এমনভাবে তোমরা পা ফেলো না,
لِيُعْلَمَ مَا يُخْفِينَ مِنْ زِينَتِهِنَّ
তোমাদের পদাঘাতের কারণে, হাঁটার কারণে তোমাদের যে সৌন্দর্য রয়েছে, যেটা গোপন সৌন্দর্য, যেটা প্রকাশ করা নিষিদ্ধ, সে সৌন্দর্য প্রকাশ হয়ে পড়ে, এমনভাবে তোমরা হেঁটো না।
وَتُوبُوا إِلَى اللهِ جَمِيعًا أَيُّهَ الْمُؤْمِنُونَ لَعَلَّكُمْ تُفْلِحُونَ
এরপর মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন যে, ‘হে মু’মিন বান্দা যারা রয়েছ! তোমরা প্রত্যেকেই ইস্তিগফার-তওবা করো মহান আল্লাহ পাক উনার কাছে। অবশ্যই তোমরা কামিয়াবী হাছিল করবে। ’
এর ব্ বাকি অংশ পড়ুন...
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে আরো ইরশাদ মুবারক হয়েছেন,
عَنْ حَضْرَتْ اَنَسِ بْنِ مَالِكٍ رَضِىَ اللهُ تَـعَالـٰى عَنْهُ قَالَ دَخَلَ عَلَـيْـنَا النَّبِـىُّ صَلَّى اللهُ عَلَـيْهِ وَسَلَّمَ فَـقَالَ عِنْدَنَا فَـعَرِقَ وَجَاءَتْ اُمِّىْ بِقَارُوْرَةٍ فَجَعَلَتْ تَسْلُتُ الْعَرَقَ فِـيْـهَا فَاسْتَـيْـقَظَ النَّبِـىُّ صَلَّى اللهُ عَلَـيْهِ وَسَلَّمَ فَـقَالَ يَا اُمَّ سُلَـيْمٍ رَضِىَ اللهُ تَـعَالـٰى عَنْـهَا مَا هٰذَا الَّذِىْ تَصْنَعِيْـنَ قَالَتْ هٰذَا عَرَقُكَ نَـجْعَلُهٗ فِـىْ طِـيْبِنَا وَهُوَ مِنْ اَطْـيَبِ الطِّـيْبِ
অর্থ: “হযরত আনাস বিন মালিক রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একবার নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ বাকি অংশ পড়ুন...
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বরকতময় নসবনামাহ মুবারক:
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আম্মাজান আলাইহাস সালাম উনার দিক থেকে
১. اُمُّ رَسُوْلِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ سَيّـِدَتُنَا حَضْرَتْ اٰمِنَةُ عَلَيْهَا السَّلَامُ উম্মু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদাতুনা হযরত আমিনা আলাইহাস সালাম।
২. وَهْبٌ عَلَيْهِ السَّلَامُ سَيّـِدُنَا حَضْرَتْ সাইয়্যিদুনা হযরত ওয়াহাব আলাইহিস সালাম।
৩. عَبْدُ مَنَافٍ عَلَيْهِ السَّلَامُ سَيّـِدُنَا حَضْرَتْ সাইয়্যিদুনা হযরত ‘আবদু মানাফ আলাইহিস সালাম।
৪. سَيّـِدُنَا حَضْرَتْ زُهْرَةُ عَلَيْهِ السَّلَامُ সাইয়্যিদুনা হযরত যুহ্রাহ আলাইহিস সাল বাকি অংশ পড়ুন...
৪৯ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র দৃষ্টি বা নযর মুবারক نُوْرُ السَّعَادَةِ مُبَارَكٌ নূরুস সা‘আদাত মুবারক
৫০ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মাথার তালু মুবারক نُوْرُ الشُّكُرِ مُبَارَكٌ নূরুশ শুকুর মুবারক
৫১ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র জিহ্বা মুবারক نُوْرُ الْاِيْـمَانِ مُبَارَكٌ নূরুল ঈমান মুবারক
বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
يَاأَيُّهَا النَّبِيُّ حَرِّضِ الْمُؤْمِنِينَ عَلَى الْقِتَالِ إِنْ يَكُنْ مِنْكُمْ عِشْرُونَ صَابِرُونَ يَغْلِبُوا مِائَتَيْنِ وَإِنْ يَكُنْ مِنْكُمْ مِائَةٌ يَغْلِبُوا أَلْفًا مِنَ الَّذِينَ كَفَرُوا بِأَنَّهُمْ قَوْمٌ لَا يَفْقَهُونَ.
অর্থ: আমার সম্মানিত হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি মু’মিনদেরকে জিহাদ করার জন্য উৎসাহিত করুন। আপনাদের মধ্যে যদি ২০ জন ধৈর্য্যশীল, দৃঢ়চিত্ত ব্যক্তি থাকেন, তাহলে আপনারা ২০০ কাফিরের মোকাবেলায় বিজয়ী হবেন। আর যদি আপনাদের মধ্যে ১০০ লোক থাকেন, তাহলে আপনারা ১০০০ কাফিরদের উপর বিজয়ী হবেন। কারণ তারা জ্ঞানহীন। (পবিত বাকি অংশ পড়ুন...
ডাকব্যবস্থা ছাড়াও ইসলামী শাসনের সময় যোগাযোগ এবং সতর্কবার্তা প্রদানের জন্য ছিলো আগুন জ্বালিয়ে সতর্ক করার মতো ব্যবস্থাও। নির্দিষ্ট কিছু পয়েন্ট ও স্থাপনা ছিলো, যেখানে রাতের বেলা আগুন জ্বালানো হতো এবং দিনের বেলা ধোঁয়া উত্তোলন করা হতো। এর জন্য কোনো এলাকায় পাহাড়ের চূড়ায়, আবার কোনো এলাকায় উচু ভবনের ওপর জায়গা নির্ধারণ করা হতো। প্রশাসনের কর্মকর্তা ও নিরাপত্তারক্ষীদের মাঝে এ ধরনের সংকেত আদান-প্রদানের রীতি প্রচলিত ছিলো। তৎকালীন সম্মানিত ইসলামী ভূখন্ডের এলভিরা ও রাহবা থেকে জাবাল দুর্গ পর্যন্ত এ সংকেতনামা বিস্তৃত ছিলো। ফলে ফোর বাকি অংশ পড়ুন...
(১ম অংশ)
মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার সূরা তওবা শরীফ উনার ১২০নং আয়াত শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন-
مَاكَانَ لِاَهْلِ الْمَدِيْنَةِ وَمَنْ حَوْلَهُمْ مِنَ الْاَعْرَابِ اَنْ يَتَخَلَّفُوْا عَنْ رَسُوْلِ اللهِ وَلَايَرْغَبُوْا بِاَنْفُسِهِمْ عَنْ نَفْسِه.
অর্থ: আরব, আযম কারো জন্য জায়েয হবে না শাহিদুন নবী নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার থেকে পিছিয়ে থাকা এবং উনার থেকে নিজেদেরকে বেশি প্রাধান্য দেয়া।
সুতরাং, সর্বক্ষেত্রে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে প্রাধান্য দি বাকি অংশ পড়ুন...












