মুসলমান মাত্রই পবিত্র বিদায় হজ্জ উনার কথায় আবেগতাড়িত হন। পবিত্র বিদায় হজ্জ উনার খুতবায় অনুপ্রাণিত হন। পবিত্র বিদায় হজ্জ উনার খুতবার প্রথমদিকেই বর্ণিত হয়েছে, “আজকের এদিন যেমন পবিত্র, তেমনি প্রতিটি মুসলমানের জান-মাল অনেক পবিত্র। ” আপন জান-মাল রক্ষার্থে মুসলমান যে যুদ্ধ করবে, তা জিহাদ বলে গণ্য হবে। প্রসঙ্গত, মুসলমানের জান-মাল রক্ষা করা যেমন ফরয, তেমনি তা রক্ষার জন্য জিহাদী যোগ্যতা অর্জন করাও জরুরী।
‘মুসলিম শরীফ’ ও ‘মুসনাদে আহমদ শরীফ’ উনাদের মধ্যে রয়েছে- হযরত সালমান ইবনে আকওয়া রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বর্ণনা করেন, “মহা বাকি অংশ পড়ুন...
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
শিশুরা সিসা বিষক্রিয়া দ্বারা সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হচ্ছে। এর প্রভাবে শিশুদের বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশ, শারীরিক বৃদ্ধি ও সামগ্রিক সুস্থতাকে ক্ষতিগ্রস্ত করে।
বাংলাদেশের জন্য একটি উদ্বেগজনক খবর দিয়েছে ইউনিসেফ। তারা বাকি অংশ পড়ুন...
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
শিক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস এবং হিন্দুত্ববাদী মতবাদ পাঠ্যপুস্তকে ঢুকিয়ে দেয়ার প্রেক্ষিতে পতিত সরকারের প্রতি ক্ষোভ ছিল তুঙ্গে।
দ্বীনদার মুসলমান মনে করেছিলেন যে, ইসলামী মহলের দাবীর প্রেক্ষিতে- শিক্ষাব্যবস্থা পূর্ণ বাকি অংশ পড়ুন...
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুয যামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “আমার সম্মানিত হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আমি আপনাকে প্রেরণ করেছি হাজির-নাযির, সু বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
رَضِىَ اللهُ عَنْهُمْ وَرَضُوْا عَنْهُ.
অর্থ: মহান আল্লাহ পাক তিনি হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের প্রতি সন্তুষ্ট। হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারাও মহান আল্লাহ পাক উনার প্রতি সন্তুষ্ট। (পবিত্র সূরা তওবা শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ১০০)
বাকি অংশ পড়ুন...
(২য় পর্বের পর)
‘তাফসীরে ইবনে আবী হাতিম’ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে-
يَقُوْلُ لَا تَسُمُّوْهُ اِذَا دَعَوْتُمُوْهُ يَا مُحَمَّدُ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَلَا تَقُوْلُوْا يَا اِبْنَ عَبْدِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَلكِنْ شَرَّفُوْهُ فَقُوْلُوْا يَا رَسُوْلَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَا نَبِىَّ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ
অর্থ: “মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, তোমরা যখন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সম্বোধন মুবারক করবে তখন উনার সম্মানিত নাম মুবারক ধরে এভাবে ইয়া মুহম্মদ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলে সম্বোধন করবে ন বাকি অংশ পড়ুন...
দ্বিতীয় সনদ:
(পূর্বে প্রকাশিতের পর)
অর্থাৎ হাদীছটা যে দূর্বল তা সম্পর্কে সবাই একমত। হযরত জুহাইরি রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেছেন, উনার পরিবারের কোনো এক নারী এটা হযরত মুলাইকাহ্ বিনতে আমর রহমতুল্লাহি আলাইহা থেকে শুনেছেন, কিন্তু তার নাম-পরিচয় কিছুই জানা নেই। তার উপর হযরত মুলাইকাহ্ বিনতে আমর রহমতুল্লাহি আলাইহা তিনি ছাহাবীয়াহ্ না তাবিয়াহ্ তা নিয়েও আছে ইখতিলাফ। হযরত ইমাম আবু দাউদ রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার মারাসীলে উল্লেখ করার থেকে বুঝা যায় হযরত মুলাইকাহ্ বিনতে আমর রহমতুল্লাহি আলাইহা তিনি তাবিয়াহ্। অতএব এটা মুরসাল বর্ণনা।
এখ বাকি অংশ পড়ুন...
এরপর যেটা বলা হয়েছে, তারা পর্দা ঢেলে দিবে।
وَلْيَضْرِبْنَ بِخُمُرِهِنَّ عَلَى جُيُوبِهِنَّ
তারা তাদের যে পর্দা রয়েছে বা বোরকা রয়েছে, সে কাপড়টা সিনা পর্যন্ত লম্বা করে দিবে বা ঢেলে দিবে। এর মধ্যে যেন কোন প্রকার ত্রুটি না হয়। কাপড় ছোট-খাট হলে, মুখ খুলে রাখবে তা নিষেধ করে দেয়া হয়েছে। যদিও কোন কোন মুফাস্সির, কোন কোন ব্যক্তি অনেকে বই লিখেছে, পর্দার বই প্রকাশ করেছে, সেখানে তারা লিখেছে সাধারণভাবে
وَلَا يُبْدِينَ زِينَتَهُنَّ إِلَّا مَا ظَهَرَ مِنْهَا
এর ব্যাখ্যায় তারা বলেছে, চেহারা, মুখ, হাতের কব্জি থেকে অতিরিক্ত আর পায়ের গীরা থেকে নীচে যা রয়েছে তা বের করা জায়িয রয়ে বাকি অংশ পড়ুন...
আবূ রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদুনা হযরত যাবীহুল্লাহ আলাইহিস সালাম:
উনার মাঝে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নূরে হাবীবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম দায়িমীভাবে জ্বলজ্বল করতেন:
কিতাবে আরো বর্ণিত রয়েছেন,
اِنَّ سَيِّدَنَـا حَضْرَتْ عَبْدَ اللهِ بْنَ عَبْدِ الْمُطَّلِبِ عَلَيْهِمَا السَّلَامُ كَانَ يُرٰى بَيْنَ عَيْنَيْهِ نُوْرُ النُّبُوَّةِ
অর্থ: “সাইয়্যিদুনা হযরত যাবীহুল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার সম্মানিত কপাল মুবারক উনার মাঝখানে ‘মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নূরুন নুবুওওয়াহ্ মুবারক অর্থাৎ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নূরে হাবীবী ছল্লাল্লাহু আলা বাকি অংশ পড়ুন...












