সম্পাদকীয়-১
বাজারের ৯৮ ভাগ শাকসবজি ও ৭০ ভাগ খাবারে কীটনাশক ডিজিটাল বা স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে চাইলে আগে স্মার্ট খাবারের ব্যবস্থা করতে হবে
, ২৯ রবীউল আউওয়াল শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ২৫ রবি’, ১৩৯৩ শামসী সন , ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ খ্রি:, ০৯ আশ্বিন, ১৪৩২ ফসলী সন, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) সম্পাদকীয়
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
সার আর কীটনাশক দেয়া ফলমূল, সবজিতে এখন বাংলাদেশের বাজার সয়লাব। সেগুলো দেখতে সুন্দর, সহজে পচে না, আকার, আকৃতি একেবারে ক্রেতার মন মতো হয়। ফলে ক্রেতা সেটা কেনেন এবং খুশি মনে খান।
মানবদেহের সহ্য ক্ষমতা অনেক বেশি। তাই কীটনাশক আর মাত্রাতিরিক্ত সার ব্যবহার করে উৎপাদিত সবজি বা ফলমূল খাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তার প্রভাবটা তেমন একটা বোঝা যায় না। তবে দীর্ঘমেয়াদে ক্যানসার থেকে শুরু করে নানা মারাত্মক রোগ হতে পারে কীটনাশকযুক্ত খাবার খাওয়ায়। তাই সময় এসেছে দ্বিতীয়বার ভাবার।
প্রাপ্ত তথ্যে জানা গেছে, বর্তমানে বাজারের ৭০ শতাংশ খাবারেই ক্ষতিকর কীটনাশক ব্যবহার করা হচ্ছে। কীটনাশক ব্যবহারে প্রাণঘাতী হয়ে উঠছে কৃষিপণ্য। এর মাধ্যমে ঘরে-বাইরে ডেকে আনা হচ্ছে সর্বনাশ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সবজি, ফলসহ কৃষিপণ্যগুলোতে কীটনাশক ব্যবহার বায়ু, পানি, মাটি, সব ক্ষেত্রেই দূষণ বাড়াচ্ছে। এর ভয়াবহ প্রভাব পড়ছে পরিবেশ ও মানুষের দেহে। অপর দিকে কীটনাশক জমিতে দেয়ার ফলে শস্যের উপকারী পোকা-মাকড় শেষ হওয়ার পথে। এর ফলে তা কৃষিমাঠ থেকে ঘর পর্যন্ত মানুষের সর্বনাশ ডেকে আনছে।
গবেষণায় দেখা গেছে, উচ্চবিষযুক্ত ১২টি কীটনাশকের প্রভাবে গত ৫০ বছরে পুরুষ ও মহিলার সন্তান উৎপাদনক্ষমতা শতকরা ৪২ ভাগ কমে গেছে। মানুষের রক্ত, গোশতপেশি ও মায়ের দুধে কীটনাশক পাওয়া গেছে। কীটনাশকের প্রভাবে বিকলাঙ্গ শিশু জন্ম নিচ্ছে। কিডনি, হৃদরোগ, ডায়াবেটিস, লিভার, পিত্ত, পাকস্থলীর রোগের অন্যতম প্রধান কারণও অতিমাত্রায় কীটনাশকের ব্যবহার।
প্রায় ৯৮ ভাগ শাকসবজিতেই বালাইনাশক প্রয়োগ করা হয়। বলা যায়, কৃষিপণ্যে উৎপাদন থেকে শুরু করে বাজারজাত পর্যন্ত প্রত্যেক পর্যায়ে বিষ মেশানো হচ্ছে। ফলে কৃষি খাদ্যপণ্যে ব্যাপক হারে বিষাক্ত রাসায়নিকের অস্তিত্ব পাওয়া যাচ্ছে। কীটনাশক প্রয়োগে ১৫ থেকে ২১ দিন পর্যন্ত সবজিতে বিষাক্ততা থাকে; যা রান্নার তাপেও নষ্ট হয় না। কিন্তু দেখা যায় বালাইনাশক প্রয়োগের ২-৩ দিন পরই শাকসবজি সংগ্রহ করে বাজারজাত করা হয়। ফলে বিষাক্ত শাকসবজি নিয়মিত খেতে বাধ্য হচ্ছে সাধারণ মানুষ।
প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, বর্তমানে দেশে ৪৫ হাজার ১৭২ টন রাসায়নিক দ্রব্য ফসলে ব্যবহার হচ্ছে। এ পরিমাণ গত ১০ বছরের চার গুণ।
জনস্বাস্থ্যের দিক বিবেচনা করে এবং জমির উর্বরতা ও পরিবেশ রক্ষায় রাসায়নিক কীটনাশকের ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা উচিত। কারণ স্মার্ট জনস্বাস্থ্য তৈরী করতে না পারলে স্মার্ট বাংলাদেশ গড়া কখনও সম্ভব নয়। একথা সরকারকে স্মার্টলি বুঝাতে ও হ্যান্ডেলিং করতে হবে ইনশাআল্লাহ।
এসব কীটনাশক ব্যবহারের ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে কৃষকদের অবহিত করতে হবে এবং সচেতনতা বাড়াতে হবে। কৃষককে প্রাকৃতিক উপায়ে বালাইনাশক তৈরি করে কৃষিজমিতে ব্যবহারে উদ্বুদ্ধ করতে হবে। প্রয়োজনে প্রাকৃতিকভাবে বালাইনাশক কীভাবে তৈরি করতে হয় তার প্রশিক্ষণ দিতে হবে। কৃষকের ফসল উৎপাদনে কৃষি কর্মকর্তাদের মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের সহযোগিতা প্রদান করতে হবে, যাতে কৃষক প্রাকৃতিকভাবে পুষ্টিসমৃদ্ধ ফসল উৎপাদন করতে পারে। পরিশেষে, সব ধরনের কীটনাশকের উৎপাদন, বিপণন ও বিক্রিতে তদারকি বাড়াতে হবে এবং এসবের যত্রতত্র বিক্রি বন্ধ করতে হবে। কৃষককে বোঝাতে হবে মানবদেহ ও জীববৈচিত্রের জন্য এসব কীটনাশক কতটা ক্ষতিকর। এসব কীটনাশক ছাড়াও যে সুন্দর ও পুষ্টিকর ফসল উৎপাদন সম্ভব তা প্রচার করতে হবে ইনশাআল্লাহ।
ছহিবে সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ মুর্র্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার নেক ছোহবত মুবারক-এ কেবলমাত্র তা লাভ করা সম্ভব। খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদেরকে তা নছীব করুন। আমীন!
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছানিয়াহ আলাইহাস সালাম উনার মহাপবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
২০ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
সাধারণ প্রসব প্রক্রিয়ায় সরকারের শুভবুদ্ধি তখন শুদ্ধ হবে যখন সিজার সিন্ডিকেটকে সরকার শক্ত হাতে নির্মূল করতে পারবে
১৯ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
৬০ হাজার কোটিতেও ঢুকছে বন্যার পানি বছরে ক্ষয়ক্ষতি প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকা
১৮ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পের রফতানির সম্ভাবনার সব বাধা দূর করে সোনালী সমৃদ্ধি এনে সর্বনাশা ঋণের খপ্পর থেকে দেশকে বাচাতে সরকারকে সক্রিয় হতে হবে।
১৭ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
সব সরকারের আমলেই নেয়া পানিবদ্ধতা নিরসনের সব টাকা পানিতেই যায়।
১৬ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
বাংলাদেশ-ইন্দোনেশিয়ার হালাল পণ্যের বাণিজ্য সম্প্রসারণে সর্বোচ্চ সাড়া দিতে হবে
১৫ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
চায়ের কাঙ্খিত উৎপাদন বৃদ্ধিতে অন্য সব ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি সমতলেও চায়ের উৎপাদন বৃদ্ধি করতে হবে।
১৪ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
কিন্তু বর্তমান সরকার জনগণের মালিকানা থেকে অন্যায্যভাবে সেবককে বাড়তি অর্থ দিচ্ছে। বেতন-ভাতা বাড়াচ্ছে ১৪০%। এই বৈষম্য ও অন্যায় সরকারের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বিরোধী।
১৩ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
সাইয়্যিদু শাবাবী আহলিল জান্নাহ, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমাম সিবতু রসূল আছ ছানী আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
১২ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আল আশিরাহ আলাইহাস সালাম উনার মহাসম্মানিত নিসবাতুল আযীম শরীফ দিবস। সুবহানাল্লাহ! ও সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আস সাদিসাহ আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ! সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুর রবি মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র শাহাদাতী শান মুবারক তথা পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ! এবং মুজাদ্দিদে যামান সাইয়্যিদুনা হযরত আবূ বকর ছিদ্দীক্বী ফুরফুরাবী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
১১ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
ব্যর্থ ও.আই.সির বিপরীতে মুসলিম দেশগুলো নিয়ে সামরিক জোট গঠনের জন্য ইরানের আহবানকে গুরুত্বের সাথে সাড়া দিতে হবে।
১০ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
মসজিদুল আকসাকে পুরো মুসলমান শূন্য করতে চাচ্ছে ইহুদী-খ্রীষ্টানরা
১০ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার)












