কিন্তু সে হাবশী একটা জাহেল, একটা মূর্খ। যার মধ্যে আল্লাহভীতি নেই, খোদাভীতি নেই, কোন পরওয়া নেই। সে আমার কাছ থেকে বাচ্চাটাকে টেনে নিয়ে সমুদ্রের মধ্যে নিক্ষেপ করল। যখন বাচ্চাটাকে ফেলে দিল, তখন আমি দেখলাম আমার তো আর কোন উপায় নেই। আমি দোয়া করলাম, মহান আল্লাহ পাক আপনি তো হেফাজতের মালিক, আপনার ভয়েতো আমি পাপ থেকে বিরত থাকতে চাই, আপনি আমাকে হেফাজত করুন। বলার সাথে সাথে দেখা গেল একটা বড় মাছ উঠে আসল। সেটা এসে সেই হাবশীকে কামড় দিয়ে অর্থাৎ মুখে নিয়ে সমুদ্রের তলে চলে গেল। সে নিখোঁজ হয়ে গেল, আমি বেঁচে গেলাম। আমি ভাসতে ভাসতে সমুদ্রের কিনারে আসলা বাকি অংশ পড়ুন...
স্বয়ং মহান আল্লাহ পাক তিনি নিজেই উনার মাঝে ফানা ও বাক্বা:
স্বয়ং যিনি খ্বাালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার দায়িমী ক্বিবলা হচ্ছেন উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব মাহবূব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি। মহান আল্লাহ পাক তিনি দায়িমীভাবে উনার প্রতি রুজু হয়ে রয়েছেন এবং উনার মুহব্বত মুবারক-এ ফানা হয়ে উনার প্রতি দায়িমীভাবে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ছলাত মুবারক পেশ করে যাচ্ছেন, উনার সম্মানার্থে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করে যাচ্ছেন। সুবহানাল্লা বাকি অংশ পড়ুন...
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ৬২তম বৎসর মুবারক (আনুষ্ঠানিকভাবে মহাসম্মানিত নুবুওওয়াত এবং রিসালাত মুবারক প্রকাশের ২২তম বছর, মহাসম্মানিত হিজরত মুবারক উনার ৯ম ও ১০ম বছর):
* ৯ম হিজরী শরীফ উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ২০শে সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিশ শুহূরিল আ’যম শরীফ ইয়াওমুস সাব্ত শরীফ (শনিবার) সিবতু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদুনা হযরত আস সাদিস আলাইহিস সালাম তিনি মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বরকতময় বিছালী শান মুবারক প্রকাশ করেন। সুবহানাল্লাহ! তিনি দুনিয়ার যমীনে মাত্র ১১ দিন মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র অবস্থান মুবারক কর বাকি অংশ পড়ুন...
৯১ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র অনামিকা আঙ্গুল মুবারক نُوْرُ النَّصِيْرِ مُبَارَكٌ নূরুন নাছীর মুবারক (সাহায্য)
৯২ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কনিষ্ঠা আঙ্গুল মুবারক نُوْرُ الْمَبْرُوْرِ مُبَارَكٌ নূরুল মাব্রূর মুবারক (পবিত্র)
৯৩ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র চোখ উনার মণি মুবারক نُوْرُ الْفَرْحَةِ مُبَارَكٌ নূরুল র্ফাহাহ্ মুবারক (খুশি)
বাকি অংশ পড়ুন...
৮ম মাস হচ্ছে شعبان শা’বান: شعبان শব্দটিتشعب القبائل হতে উৎকলিত। شعبان অর্থ ছড়িয়ে পড়া। আরবরা এই মাসে নানা উদ্দেশ্যে বাড়ী হতে বের হয়ে বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে পড়তেন, এজন্যই এ মাসকে شعبان ‘শা’বান’ নামে অভিহিত করা হয়েছে। شعبان শব্দের বহুবচন হচ্ছে شعابين ও شعبانات
৯ম মাস হচ্ছে رمضان রমাদ্বান: অর্থাৎ গ্রীষ্ম বা গরমের মাস। আরবদেশে এই মাসে অত্যধিক গরম পড়তো বলে এ মাসকে رمضان ‘রমাদ্বান’ নামে অভিহিত করা হয়েছে। رمضت الفصال অর্থাৎ অতিশয় পিপাসার কারণে গবাদি পশুর বাছুর গরম হয়ে যাওয়া। رمضان শব্দের বহুবচন হচ্ছে رماضين- رمضانات ও ارمضة।
হযরত শায়েখ সাখাবী রহমতুল্লাহি আলাইহি ত বাকি অংশ পড়ুন...
‘শাজরা’ ও ‘সিলসিলা’ দুটি শব্দই আরবী। এর আভিধানিক অর্থ যথাক্রমে বৃক্ষ (গাছ) ও শিকল। আর ইসলামী পরিভাষায় এর অর্থ মাশায়িখে তরীক্বত উনাদের মুবারক নামসমূহের তরতীব; যা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পর্যন্ত পৌঁছেছে।
একজন মুরীদের জন্য তার মুর্শিদ ক্বিবলা উনার “শাজরা শরীফ বা সিলসিলা” সম্বন্ধে অবগত হওয়া অবশ্য কর্তব্য।
মহান আল্লাহ পাক উনার ওলী হযরত কারামত আলী জৌনপুরী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি উনার ‘মুরাদুল মুরীদীন’ কিতাবে এ প্রসঙ্গে লিখেছেন, “যে ব্যক্তি মুরীদ হয়েও তার মুর্শিদ ক্বিবলা উন বাকি অংশ পড়ুন...
আপনাকে ছেড়ে আমি
কোথায় মা দিব পাড়ি
ক্ষমা করে দিন মোরে ঠাই
সন্তান তো স্রেফ আপনারি
ভুল তো হয় অজস্র অপার
আপনি দয়াল দীশারী
আপনি মুখ ফিরিয়ে নিলে
কোথায় যাব ফেরারী
দুই জাহানেই নিঃস্ব আমি
শূন্যতায় গুমরে মরি
কাছে ডেকে দিন মিটায় দিন
হৃদয়ের আহাজারি
শাস্তি যতই দিন মানি সব
তবু চাই না যুদায়ী
কভু দূরে চলে গেলে
বিরহে যাব মরি
গালিজে পূর্ণ কালো দিল
হায় কিভাবে কি করি
নিরুপায় দুই হাত তুলেছি
নিন গো মা আপন করি
হাজারো বাহানায় হরদম
নিবেদনে ভিখারি
গোলামীর নথিতে করুন
এই অভাগার নামজারি
বাকি অংশ পড়ুন...
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন-
অর্থ: যে ব্যক্তি আমার একটি মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক হেফাযত করবেন, আঁকড়িয়ে ধরবেন, আমল করবেন, যিনি খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি উনাকে ৪টি স্বভাব মুবারক দ্বারা সম্মানিত করবেন। সুবহানাল্লাহ! আর তা হচ্ছে-
১. নেককারদের অন্তরে উনার প্রতি মহব্বত পয়দা করে দিবেন।
২. পাপীদের অন্তরে উনার প্রতি রোব বা ভীতি সৃষ্টি করে দিবেন।
৩. উনার রিযিক্বে প্রাচুর্যতা দান কর বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাস সতর্ক করে বলেছে, যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করে দখলদার ইসরাইল গাজায় আগ্রাসন চালিয়ে যাচ্ছে, আর এ অবস্থায় তারা নীরব থাকবে না। একইসঙ্গে চলমান এ আগ্রাসনের জন্য দখলদার ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রকে দায়ী করেছে স্বাধীনতাকামী সংগঠনটি।
সংবাদমাধ্যম আল মায়াদিন বলছে, হামাস নিশ্চিত করেছে যে প্রতিরোধ বাহিনী ইসরাইলকে নতুন কোনো হুমকি চাপিয়ে দিতে দেবে না।
সংগঠনটি সতর্ক করে দিয়েছে, সাম্প্রতিক হামলাগুলো গাজা যুদ্ধবিরতি চুক্তির মারাত্মক লঙ্ঘন।
এক সরকারি বিবৃতিতে হামাস জানায়, গাজা উপত্যকায় ইসরা বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
ইসরায়েলি সন্ত্রাসী সেনাদের মধ্যে আত্মহত্যার প্রবণতা আরও বেড়েছে। বিষয়টি নিয়ে ইসরায়েলি বিশেষজ্ঞরাও উদ্বেগ লুকিয়ে রাখতে পারেনি।
হাগাই হার্মিস একজন মনোরোগ বিশেষজ্ঞ এবং প্রতিষ্ঠাতা “ফর লাইফ” অ্যাসোসিয়েশন জানিয়েছে, “ইসরায়েলি সেনাবাহিনীতে সরকারি আত্মহত্যার পরিসংখ্যান অনেক বেশি।” প্রতি বছর ৫০০ থেকে ৭০০ জন আত্মহত্যা করে, যার পরিসংখ্যান মিডিয়া থেকে গোপন রাখা হয়।
সামরিক চাকরির সময় তার ছেলের আত্মহত্যার কথা উল্লেখ করে সে জোর দিয়ে বলেছে, আত্মহত্যা প্রতিরোধের অন্যতম প্রধান সমাধান হল ইসরায়েলি সেনাবাহিনী এবং সমাজ বাকি অংশ পড়ুন...
ফরিদপুর সংবাদদাতা:
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনায় দুর্নীতিমুক্ত দেশ গড়তে সরকার কার্যকর পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হয়েছে- অভিযোগ তুলে ফরিদপুরে জুলাই যোদ্ধাদের গেজেট থেকে স্বেচ্ছায় নাম প্রত্যাহারের আবেদন করেছেন আবরার নাদিম ইতু নামের এক যোদ্ধা। গতকাল বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) ফরিদপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে নাম প্রত্যাহারের এ আবেদন করেন তিনি। এ সময় জেলা প্রশাসকের পক্ষে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সোহরাব হোসেন তার আবেদন গ্রহণ করেন।
জেলা প্রশাসক কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, আবেদনে জুলাই যোদ্ধাদের সরকারি গেজেট, মাসিক ভাতাসহ সব সুয বাকি অংশ পড়ুন...












