SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%১২৪৭%' OR titleBn LIKE '%১২৪৭%' OR descriptionEn LIKE '%১২৪৭%' OR descriptionBn LIKE '%১২৪৭%' OR slug LIKE '%১২৪৭%' OR metaTag LIKE '%১২৪৭%' OR metaDescription LIKE '%১২৪৭%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
ভারতের মালদা জেলার পান্ডুয়াতে রয়েছে মুসলমানদের অনেক ঐতিহাসিক নিদর্শন। হারিয়ে যাওয়া যুগের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে এখানকার বিভিন্ন ইসলামিক স্থাপত্য। যেমন আদিনা মসজিদ, কুতুব শাহি মসজিদ, একলাখি মাজারসৌধ কিংবা বিভিন্ন আউলিয়ায়ে ক্বিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহি উনাদের মাজার শরীফ। বাংলা স্বাধীন সুলতান শামসউদ্দিন ইলিয়াস শাহ এখানে তাঁর রাজধানী স্থাপন করেছিলেন। ইলিয়াস শাহি বংশের বেশ কয়েকজন সুলতান শাসনকার্য চালাতেন এখান থেকেই। এই শহরের আরেক নাম ছিলো ফিরোজাবাদ, যে নাম সম্ভবত বাংলার আরেক সুলতান শামসউদ্দিন ফিরোজ শাহের থেকে এসেছে। টাঁক বাকি অংশ পড়ুন...
নাজাত (نجاة) আরবী শব্দ। শাব্দিক অর্থ মুক্তি লাভ করা, জান্নাত লাভ করা, রেযামন্দি মুবারক লাভ করা। যে নূর মুবারক লাভের মাধ্যমে মাখলুকাত জাহান্নাম হতে মুক্তি লাভ করে, জান্নাত লাভ করে, চিরস্থায়ী রেযামন্দি হাছিল করে, উনাকে নূরুন নাজাত মুবারক হিসেবে অভিহিত করা হয়। সাধারণ মানুষের ক্ষেত্রে যা দম বা রক্ত নামে অভিহিত হয়, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুবারক শানে তা ‘নূরুন নাজাত মুবারক’ নামে সম্বোধন করতে হবে। কেননা পবিত্র হাদীছ শরীফে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عن ابن عباس رَضِىَ اللهُ تَعَالـٰى عَنْه قال حجم النبي صلى الل বাকি অংশ পড়ুন...
ইরানে সেলজুক মৃৎপাত্র:
আব্বাসীয় শাসনপর্বের অষ্টম-দশম শতাব্দীতে মৃৎপাত্র ও টাইলসের বিভিন্ন প্রকারের ক্ষেত্রে যে বিকাশ ঘটেছিলো মেসোপটেমিয়া ও ইরানের উৎপাদন কেন্দ্রসমূহে তা পরবর্তী যুগপর্বে ভিন্ন ভিন্ন শাখা-প্রশাখায় পল্লবিত হয়ে নান্দনিক শিল্পে এক অভাবনীয় বিপ্লব সাধন করেছিলো। আর এরই ধারাবাহিকতায় সেলজুক তুর্কিদের ইরান বিজয় ইসলামী শিল্পকলার বিকাশ ও পুষ্টকরণে বিরাট ভূমিকা পালন করেছিলো।
একাদশ ও দ্বাদশ শতাব্দীর সেলজুক সুলতানগণ শিল্প, বিশেষ করে নান্দনিক শিল্পের বিরাট পৃষ্ঠপোষক ছিলেন এবং তারা তাদের দরবারে যেমন মার্ভ, নিশাপ বাকি অংশ পড়ুন...
সাইয়্যিদ মুহম্মদ নাসির উদ্দিন সিপাহসালার রহমতুল্লাহি আলাইহি। এই মুবারক নামের সাথে জড়িয়ে আছে বাংলার মুসলমানদের ইতিহাস-ঐতিহ্য। সিলেটের হযরত শাহ জালাল রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার অন্যতম সঙ্গী ছিলেন তিনি। হযরত শাহ জালাল রহমতুল্লাহি আলাইহি উনারই ফয়েজ মুবারকে সিলেটের অত্যাচারী শাসক গৌর গোবিন্দকে পরাজিত করেছিলেন তিনি।নসব মুবারক উনার দিক দিয়ে সাইয়্যিদ নাসির উদ্দিন সিপাহসালার রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি আওলাদে রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ছিলেন। তিনি খ্রিস্টাব্দ ১২৫০ সালে পবিত্র মদীনা শরীফে/অন্য সূত্রমতে পবিত্র বাগদাদ বাকি অংশ পড়ুন...
বিশ্বে যে সমস্ত ইসলামী নিদর্শন রয়েছে- তার অন্যতম হলো মসজিদ। বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকাকে বহির্বিশ্ব চেনে মসজিদের নগরী হিসেবে। রাজধানী ঢাকার বয়স ৪০০ বছর পেরিয়ে গেছে। কিন্তু মসজিদের নগরী হিসেবে ঢাকার বয়স আরও বেশি, ৫৬০ বছর। বর্তমানে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের আনাচে-কানাচে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে অনেক ইসলামিক নিদর্শন। বাঙালির ইতিহাস হাজার বছরের। এই দীর্ঘ সময়ে বাংলাকে শাসন করেছেন দেশি-বিদেশি অনেক শাসক। তখন নিজেদের প্রয়োজনেই তারা গড়েছেন অনেক ইসলামিক স্থাপনা। সময়ের ধারায় যা প্রতœসম্পদে পরিণত হয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম মসজিদ। যা ধারাবাহিক পর্বে বাকি অংশ পড়ুন...
এখানে সুদান, মিশর, নাইজার থেকে মালী ও নীল নদের বিশদ বিবরণ দেন। আল ইদ্রিসী তিনি ভূগোল ও মানচিত্রের সাথে পৃথিবীর পরিধিও নির্ণয় করেন। উনার মান ২২৯০০ মাইল যা বর্তমান শুদ্ধ হিসাব থেকে মাত্র ৮ শতাংশ বিচ্যুত। চিকিৎসা শিক্ষার উপর ’কিতাবুল আদউইয়াতিল মুফরাদাহ’ ও ’কিতাবুল জামি লিছিফাতি আশতাতিন নাবাতাত’ লিখেন যাতে তিনি ভেষজ গাছের বিবরণ ও এ থেকে ঔষধের বিবরণ দিয়েছেন এবং এই বিবরণ তিনি ১২টি ভাষায় দিয়েছেন যা থেকে বোঝা যায় তিনি একজন বহুভাষাবিদ ব্যক্তিত্ব। তিনি প্রাণী ও প্রাণীবিজ্ঞানের উপরও কিতাব রচনা করেছিলেন।
আল ইদ্রিসী উনার কিতাব ‘নুজ বাকি অংশ পড়ুন...
চিত্র: ঐতিহাসিক তাজ-উল-মসজিদ
তাজ-উল-মসজিদ ভারতের মধ্যেপ্রদেশের ভূপালে অবস্থিত একটি বৃহৎ মসজিদ। প্রকৃতপক্ষে তাজ-উল-মসজিদ ভারতের সর্ববৃহৎ মসজিদ। এই মসজিদ এশিয়ার সর্ববৃহৎ মসজিদগুলোর অন্যতম। এটি হলো বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তর মসজিদ । ১৯০১ সালে এই মসজিদটি নির্মাণ করা হয়।
চিত্র: ঐতিহাসিক তাজ-উল-মসজিদের কারুকার্য
মোগল শাসক বাহাদুর শাহ জাফরের রাজত্বকালে ভূপালের নবাব শাহ জাহান বেগম (নবাব সৈয়দ সিদ্দিক হাসান খানের স্ত্রী) এই মসজিদটির নির্মাণকাজ শুরু করেছিল এবং তার কন্যা সুলতান জাহান বেগম নির্মাণের কাজ অব্যাহত রেখেছিলেন।
কয়েকধা বাকি অংশ পড়ুন...
চিত্র-: পবিত্র মসজিদে জুমুয়ার ঐতিহাসিক ছবি
আল জুমুয়া মসজিদ (আরবি: مسجد الجمعة), এছাড়াও মসজিদটি বনী সেলিম মসজিদ, আল গুবাইব মসজিদ বা আতিকাহ মসজিদ হিসাবে পরিচিত, মসজিদটি পবিত্র মদীনা শরীফ শহরে অবস্থিত। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এবং হযরত ছাহাবায়ে ক্বিরাম রাদ্বিয়াল্লাহু তা’য়ালা আনহুম উনারা পবিত্র মক্কা শরীফ থেকে পবিত্র মদিনা শরীফে হিজরত মুবারকের সময় প্রথমবারের মত এই স্থানে পবিত্র জুমার নামাজ আদায় করেছিলেন।
মসজিদের অবস্থানঃ
মসজিদটি পবিত্র মদিনা শরীফ শহরের দক্ষিণ-পশ্চিমে, ওয়াদি রানুন বাকি অংশ পড়ুন...
মার্কিন কর্নেল রাল্ফ পিটার ২০০৬ সালের “ট-ঝ অৎসবফ ঋড়ৎপবং ঔড়ঁৎহধষ”- এর জুন সংখ্যায় একটি মানচিত্র প্রকাশ করে। উক্ত মানচিত্রের শিরোনাম ছিল ‘বিস্তৃত মধ্যপ্রাচ্য প্ল্যান’। উক্ত প্ল্যানে যেসব মুসলিম দেশকে টুকরা টুকরা করার লক্ষ্য ঘোষণা করা হয়েছিল তা হলো-
১। সৌদি আরব:
সৌদি আরবের বর্তমান ভূখন্ড-কে পাঁচ ভাগে ভাগ করা হবে।
এর কিছু অংশ জর্দানের সাথে যোগ করে এৎবধঃবৎ ঔড়ৎফধহ,
কিছু অংশ ইয়েমেনকে দেয়া হবে,
কিছু অংশ কুয়েতকে দিয়ে
অবশিষ্ট অংশে দুইটি দেশ গঠন করা হবে।
একটি হলো মক্কা শরীফ ও মদীনা শরীফ নিয়ে ওংষধসরপ ঝধপৎবফ ঝঃধঃব।
অপরটির নাম হলো বাকি অংশ পড়ুন...
২২ ক্যারেট ১ ভরি সোনার দাম ১,০৬,৩৭৬ টাকা
২২ ক্যারেট ১ আনা সোনার দাম ৬,৬৪৯ টাকা
২১ ক্যারেট ১ ভরি সোনার দাম ১,০১,৫৩৫ টাকা
২১ ক্যারেট ১ আনা সোনার দাম ৬,৩৪৬ টাকা
২২ ক্যারেট ১ ভরি রূপার দাম ১,৭১৪ টাকা
২২ ক্যারেট ১ আনা রূপার দাম ১০৭ টাকা
বাকি অংশ পড়ুন...












