SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%হাশর-নশর%' OR titleBn LIKE '%হাশর-নশর%' OR descriptionEn LIKE '%হাশর-নশর%' OR descriptionBn LIKE '%হাশর-নশর%' OR slug LIKE '%হাশর-নশর%' OR metaTag LIKE '%হাশর-নশর%' OR metaDescription LIKE '%হাশর-নশর%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
সম্মানিত দ্বীন ইসলামে খেলাধুলা হারাম। সুতরাং এখন হারাম বিশ্বকাপের যে উন্মাদনা (পাগলামি) চলছে এবং তার স্রোতে মুসলমান নামধারীরা ভেসে বেড়াচ্ছে, তা সম্মানিত শরীয়ত অনুযায়ী কাট্টা হারাম ও কবীরা গুণাহ। যারা খেলাধুলা দেখছে, সমর্থন করছে, টাকা পয়সা খরচ করছে সবই হারাম ও কবীরা গুণাহ হচ্ছে। শুধু তাই নয় সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত অনুযায়ী এ সকল মুসলমানদের হাশর নশরও কাফেরদের সাথেই হবে। নাউযুবিল্লাহ!
এখন প্রশ্ন হচ্ছে- কাফির মুশরিকদের যে সকল দেশগুলোকে মুসলমান নামধারীরা সমর্থন জানাচ্ছে, তাদেরকে মহব্বত করছে, খেলোয়াড়দের প্রশংসা করছে, তারা কি দ্বী বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফে ইরশাদ হয়েছে, “যার সাথে মহব্বত, পরকালে তার হাশর-নশর তার সাথেই হবে।” (সহীহ বুখারী, হাদীছ নং- ৬১৬৯)
পৃথিবীর যেকোনো প্রান্তে বসে কোনো হারাম বা অন্যায় কাজ সমর্থন করার অর্থ হলো সেই পাপের অংশীদার হওয়া। ইসলামে কোনো অপরাধের প্রতি অন্তরের সন্তুষ্টি বা আসক্তিকেও অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়েছে। (সুনানে আবু দাউদ, হাদিস নং- ৪৩৪৫)
সম্মানিত দ্বীন ইসলামে খেলাধুলা হারাম। সুতরাং এখন হারাম বিশ্বকাপের যে উন্মাদনা (পাগলামি) চলছে এবং তার স্রোতে মুসলমান নামধারীরা ভেসে বেড়াচ্ছে, তা সম্মানিত শরীয়ত অনুযায়ী কাট্টা হারাম ও কবীরা গুণাহ। যা বাকি অংশ পড়ুন...
وَيُبَيِّنُ اللهُ لَكُمُ الآيَاتِ وَاللهُ عَلِيمٌ حَكِيمٌ
যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি সব হুকুম স্পষ্ট করে বর্ণনা করে দিলেন। তিনি সব জানেন, শুনেন। তিনি আলিম তিনি হাকীম। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!
যদি করো তাহলে কি হবে?
لُعِنُوا فِي الدُّنْيَا وَالآخِرَةِ
তাহলে কি হবে? ইহকাল পরকালে লা’নত বর্ষণ করা হবে। নাউযুবিল্লাহ!
وَلَهُمْ عَذَابٌ عَظِيمٌ
কঠিন শাস্তি তোমাদের জন্য রাখা হয়েছে। নাউযুবিল্লাহ!
ইবলিস সম্পর্কে বলা হয়েছে-
وَإِنَّ عَلَيْكَ لَعْنَتِي إِلَى يَوْمِ الدِّينِ
ইবলিস তোর জন্য অনন্তকালের জন্য লা’নত। এদেরও প্রতি অনন্ বাকি অংশ পড়ুন...
সর্বশ্রেষ্ঠ নেক আমল মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করার মাধ্যমে সর্বোচ্চ নৈকট্য ও সর্বশ্রেষ্ঠ মর্যাদা মুবারক লাভ:
কিতাবে বর্ণিত রয়েছেন,
فَاِذَا سَـمِعَ مِنْهُمْ قَوْلًا كَثِـيْـرًا فَـتَـرَدَّدَ وَجَاءَ اِلـٰى بَـيْـتِهٖ وَنَامَ مَعَ الْفِكْرِ اِذْ رَاٰى فِـى الْـحُلْمِ حَشْرًا وَنَشْرًا وَقَدْ قَامَ قِـيَامَةٌ وَيُـحَاسَبُ فِـيْهَا مِنْ كُلِّ وَاحِدٍ فَـيُسَاقُ هُنَاكَ اِلَـى الْـجَنَّةِ الْاَتْقِيَاءُ الْاَبْرارُ وَيُقَادُ اِلَـى النَّارِ الْاَشْقِيَاءُ الْفُجَّارُ فَخَافَتْ قَلْبُهٗ اِذْ جَاءَ النِّدَاءُ مِنْ حَوْلِهٖ اَدْخِلُوْا لِـهٰذَا الرَّجُلِ فِـى الْـجَنَّةِ فَاَدْخَلَهٗ فِـيْهَا فَرَاَى الْـحُوْرَ وَالْقُصُوْرَ وَالن বাকি অংশ পড়ুন...
মহাসম্মানিত হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَن حَضْرَتْ ابْنِ عُمَرَ رَضِيَ اللَّهُ تَعَالٰى عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَنْ تَشَبَّهَ بِقَوْمٍ فَهُوَ مِنْهُمْ
অর্থ: “হযরত ইবনে উমর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, যে ব্যক্তি যেই সম্প্রদায়ের সাথে মিল রাখবে, অনুরসণ-অনুকরণ করবে, সে তাদেরই দলভুক্ত হবে। অর্থাৎ তার হাশর-নশর তাদের সাথেই হবে।” নাঊযুবিল্লাহ! (আবূ দাঊদ শরীফ, আহমদ শরীফ, মুসনাদে বাযযার, আল মু’জামুল আওস বাকি অংশ পড়ুন...
ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ছাহিবে নেয়ামত, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, রহমাতুল্লিল আলামীন মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি ১৪৪৫ হিজরী শরীফ উনার ১৯শে রবীউছ ছানী শরীফ লাইলাতুস সাবত শরীফ (শনিবার রাতে) ইশরাদ মুবারক করেন, “যিনি খ্বাালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন,
قُلْ إِنْ كَانَ لِلرَّحْمَنِ وَلَدٌ فَأَنَا أَوَّلُ الْعَابِدِينَ
‘(আমার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব মাহবূব, নূরে বাকি অংশ পড়ুন...
আমরা মুসলমান। আমাদের সর্বক্ষেত্রে অনুসরণীয় হচ্ছেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি, মহাসম্মানি মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনারা ও হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা। কেননা, উনারাই হলেন সর্বোত্তম আদর্শ মুবারক। আহার করার ক্ষেত্রেও উনাদেরকেই অনুসরণ করতে হবে। অর্থাৎ মহাসম্মানিত সুন্নতী তরীক্বাহ মুবারকেই আহার করতে হবে।
দস্তরখানায় খাবার পড়ে গেলে তা উঠিয়ে খাওয়া খাছ সুন্নত মুবারক। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল বাকি অংশ পড়ুন...
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুজ জামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, পহেলা বৈশাখ সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো কাফির-মুশরিকদের অনুষ্ঠান। যা পালন করলে কুফরী শিরকী হয়ে থাকে। আর শিরক সম্পর্কে মহান আল্লাহ পাক তিনি স বাকি অংশ পড়ুন...












