SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%হারিয়েছেন%' OR titleBn LIKE '%হারিয়েছেন%' OR descriptionEn LIKE '%হারিয়েছেন%' OR descriptionBn LIKE '%হারিয়েছেন%' OR slug LIKE '%হারিয়েছেন%' OR metaTag LIKE '%হারিয়েছেন%' OR metaDescription LIKE '%হারিয়েছেন%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
নিজস্ব সংবাদদাতা:
কার্যাদেশের ঘাটতি, মালিকদের আর্থিক সংকট, শ্রম অসন্তোষ এবং দীর্ঘস্থায়ী জ্বালানি সংকটের কারণে গত দুই বছরে দেশের ৪৫৭টি শিল্পপ্রতিষ্ঠান স্থায়ীভাবে বন্ধ হয়ে গেছে। এতে চাকরি হারিয়েছেন হাজার হাজার শ্রমিক।
শিল্প সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বৈশি^ক চাহিদা হ্রাস, ভূরাজনৈতিক অস্থিরতা এবং দেশের অভ্যন্তরীণ নানা সংকট শিল্প খাতকে বড় ধরনের চাপে ফেলেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বন্ধ হয়ে যাওয়া ৪৫৭টি কারখানার মধ্যে ৩৯৮টিই গাজীপুর, আশুলিয়া ও চট্টগ্রামের শিল্পাঞ্চলে অবস্থিত। সর্বশেষ গত মঙ্গলবার গাজীপুরের ইউনিক ডিজাইনার্স লি বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
বিশে^র অন্যতম পানিবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশ বাংলাদেশ আগের চেয়ে অনেক দ্রুত গতিতে উত্তপ্ত হয়ে উঠছে। আবহাওয়া ও স্বাস্থ্যসংক্রান্ত আন্তর্জাতিক উপাত্ত বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, বাংলাদেশে মানুষের শরীরের জন্য অসহনীয় ও বিপজ্জনক তাপমাত্রা বা ‘হিট ইনডেক্স’ (অনুভূত তাপমাত্রা) থাকার দিন গত ২০ বছরে প্রায় তিনগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে।
২০০০ সালে যেখানে বছরে অনুভূত তাপমাত্রা ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি ছিল মাত্র ৪৬ দিন, ২০২৪ সালে তা একলাফে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১২০ দিনে। শতাংশের হিসাবে এই বৃদ্ধির হার ১৬৩। কম্বোডিয়া ছাড়া বিশে^র আর কোনো দেশে ত বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
গত এক মাসে (মে) সারাদেশে ৬৪টি রাজনৈতিক সহিংসতার ঘটনায় ৫ জন নিহত এবং ২৮৯ জন আহত হয়েছেন। একই সময়ে মব সহিংসতা ও গণপিটুনির ৬৬টি ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন ৩১ জন। এছাড়া নারী ও শিশু নির্যাতনের শিকার হয়েছেন ৩০৫ জন এবং নির্যাতন ও হয়রানির শিকার হয়েছেন ৭৮ জন সাংবাদিক।
গতকাল জুমুয়াবার হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটি (এইচআরএসএস) প্রকাশিত মে-২০২৬-এর মানবাধিকার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে।
প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, মে মাসে রাজনৈতিক সহিংসতার ঘটনা ও হতাহতের সংখ্যা এপ্রিলের তুলনায় কমেছে। মে মাসে ৬৪টি র বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
গত এক মাসে (মে) সারাদেশে ৬৪টি রাজনৈতিক সহিংসতার ঘটনায় ৫ জন নিহত এবং ২৮৯ জন আহত হয়েছেন। একই সময়ে মব সহিংসতা ও গণপিটুনির ৬৬টি ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন ৩১ জন। এছাড়া নারী ও শিশু নির্যাতনের শিকার হয়েছেন ৩০৫ জন এবং নির্যাতন ও হয়রানির শিকার হয়েছেন ৭৮ জন সাংবাদিক।
গতকাল জুমুয়াবার হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটি (এইচআরএসএস) প্রকাশিত মে-২০২৬-এর মানবাধিকার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে।
প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, মে মাসে রাজনৈতিক সহিংসতার ঘটনা ও হতাহতের সংখ্যা এপ্রিলের তুলনায় কমেছে। মে মাসে ৬৪টি র বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
২১ মে থেকে ২ জুন পর্যন্ত, ঈদুল আজহার আগে ও পরে ১৩ দিনে দেশে ২৯২টি সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন ২৮১ জন, আহত হয়েছেন ৮৩৭ জন। অর্থাৎ প্রতিদিন গড়ে প্রাণ হারিয়েছেন প্রায় ২২ জন।
ঈদযাত্রা শেষে সড়ক দুর্ঘটনার এই প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে রোড সেফটি ফাউন্ডেশন।
প্রতিবেদনে বলা হয়, মোট প্রাণহানির প্রায় অর্ধেকই মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায়। ১৪১টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন ১২৪ জন, যা মোট নিহতের ৪৪ শতাংশেরও বেশি। এছাড়া নিহতদের মধ্যে ৩৪ জন নারী, ৪৮ জন শিশু এবং ৩৭ জন পথচারী রয়েছেন।
বিভাগভিত্তিক হিসাবে সবচেয়ে বেশি দুর্ঘটনা ও প্রাণহ বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
২১ মে থেকে ২ জুন পর্যন্ত, ঈদুল আজহার আগে ও পরে ১৩ দিনে দেশে ২৯২টি সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন ২৮১ জন, আহত হয়েছেন ৮৩৭ জন। অর্থাৎ প্রতিদিন গড়ে প্রাণ হারিয়েছেন প্রায় ২২ জন।
ঈদযাত্রা শেষে সড়ক দুর্ঘটনার এই প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে রোড সেফটি ফাউন্ডেশন।
প্রতিবেদনে বলা হয়, মোট প্রাণহানির প্রায় অর্ধেকই মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায়। ১৪১টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন ১২৪ জন, যা মোট নিহতের ৪৪ শতাংশেরও বেশি। এছাড়া নিহতদের মধ্যে ৩৪ জন নারী, ৪৮ জন শিশু এবং ৩৭ জন পথচারী রয়েছেন।
বিভাগভিত্তিক হিসাবে সবচেয়ে বেশি দুর্ঘটনা ও প্রাণহ বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
দেশের সড়কগুলোতে প্রায় প্রতিদিনই প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। তবে প্রতিবছর ঈদ এলেই যেন সড়কগুলো আরও বেশি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে। এবারের ঈদুল আজহার যাত্রাতেও দেশের বিভিন্ন স্থানে ঘটেছে একের পর এক দুর্ঘটনা। বিশৃঙ্খল সড়ক ব্যবস্থা ও বেপরোয়া গতি ফিরতি যাত্রা নিয়ে নতুন করে শঙ্কা তৈরি করছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, লোক দেখানো অভিযানে এ সংকটের সমাধান সম্ভব নয়, সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে জবাবদিহিতার আওতায় আনতে হবে।
ঈদযাত্রায় টাঙ্গাইলে সামান্য অর্থ সাশ্রয়ের আশায় ঝুঁকি নিয়ে রডবাহী ট্রাকে চড়ে প্রাণ হারিয়েছেন ১৫ শ্রমিক। অন্যদিকে, বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
দেশের সড়কগুলোতে প্রায় প্রতিদিনই প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। তবে প্রতিবছর ঈদ এলেই যেন সড়কগুলো আরও বেশি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে। এবারের ঈদুল আজহার যাত্রাতেও দেশের বিভিন্ন স্থানে ঘটেছে একের পর এক দুর্ঘটনা। বিশৃঙ্খল সড়ক ব্যবস্থা ও বেপরোয়া গতি ফিরতি যাত্রা নিয়ে নতুন করে শঙ্কা তৈরি করছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, লোক দেখানো অভিযানে এ সংকটের সমাধান সম্ভব নয়, সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে জবাবদিহিতার আওতায় আনতে হবে।
ঈদযাত্রায় টাঙ্গাইলে সামান্য অর্থ সাশ্রয়ের আশায় ঝুঁকি নিয়ে রডবাহী ট্রাকে চড়ে প্রাণ হারিয়েছেন ১৫ শ্রমিক। অন্যদিকে, বাকি অংশ পড়ুন...
কিশোরগঞ্জ সংবাদদাতা:
বছরের একমাত্র স্বপ্ন বোরো ধানের বাম্পার ফলন হয়েছিল। শুরুটা ভালো হওয়ায় কৃষকের চোখে মুখেও ছিল খুশির আমেজ। কিন্তু হঠাৎ কৃষকের স্বপ্নে নজর লাগে প্রকৃতির। বৃষ্টি আর উজানের ঢলে তলিয়ে যায় প্রায় ১৫ হাজার হেক্টর জমির বোরো ধান। নষ্ট হয় কিশোরগঞ্জের হাজার হাজার কৃষকের স্বপ্ন। ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ২৬০ কোটি টাকা। এনজিও ও মহাজনের কাছ থেকে চড়া সুদে ঋণ নিয়ে বোরো আবাদ করে তা হারিয়ে ফেলেছেন কৃষকরা। এ অবস্থায় কীভাবে ঋণ পরিশোধ করবেন, তা নিয়ে দিশেহারা তারা।
এমন সময়ে সরকারের পক্ষ থেকে মিলেছে কিছুটা স্বস্তির আশ^াস বাকি অংশ পড়ুন...
সুনামগঞ্জ সংবাদদাতা:
হাওরাঞ্চলে আগাম বন্যার ধাক্কা। তলিয়ে গেছে বিস্তীর্ণ চরাঞ্চল ও ফসলের জমি। গোখাদ্যের তীব্র সংকট।
বাধ্য হয়ে বাজার থেকে খড়, ভুসি ও অন্যান্য খাদ্য কিনতে হচ্ছে; যার দামও বেড়েছে কয়েক গুণ। ফলে কুরবানির ঈদ সামনে রেখে লালন-পালন করা গরু আগেভাগেই কম দামে বিক্রি করে দিতে বাধ্য হচ্ছেন কৃষক। এতে তাদের লাভের আশা অপূর্ণই থাকছে, উল্টো লোকসান গুনতে হচ্ছে অনেককে।
নেত্রকোনার মোহনগঞ্জ উপজেলার কৃষক নাসির। কুরবানির ঈদকে লক্ষ্য করে তিনি দুটি দেশী ষাঁড় লালন-পালন করেছিলেন। তবে এপ্রিলের মাঝামাঝির বন্যায় তার ধান তলিয়ে যায়। কোনো বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
সরকারী বা বেসরকারী পাটকল লবণ কিংবা চিংড়ি শিল্প কোন শিল্প কলকারখানায় এখন আর সাইরেন বাজে না। তবু আশায় বুক বেঁধেছে খুলনাঞ্চলের হাজার হাজার শ্রমিক পরিবার। ভৈরব আর রূপসার কোল ঘেঁষে গড়ে ওঠা শহরে গত শতকের ষাটের দশকে গড়ে উঠেছিল একের পর এক শিল্পপ্রতিষ্ঠান। ১৯৫২ সালে খালিশপুরে ক্রিসেন্ট ও পিপলস জুট মিলের হাত ধরে সূচিত হয়েছিল এই অঞ্চলের শিল্পের সোনালি অধ্যায়। এসব কারখানা খুলনাকে পরিণত করেছিল প্রাচ্যের ডান্ডিতে। এ ছাড়া স্বাধীনতার আগে ইস্টার্ন জুট মিল, আলিম জুট মিল, আফিল জুট মিল, মহসিন জুট মিল, সোনালী জুট মিল ও অ্যাজাক বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
সরকারী বা বেসরকারী পাটকল লবণ কিংবা চিংড়ি শিল্প কোন শিল্প কলকারখানায় এখন আর সাইরেন বাজে না। তবু আশায় বুক বেঁধেছে খুলনাঞ্চলের হাজার হাজার শ্রমিক পরিবার। ভৈরব আর রূপসার কোল ঘেঁষে গড়ে ওঠা শহরে গত শতকের ষাটের দশকে গড়ে উঠেছিল একের পর এক শিল্পপ্রতিষ্ঠান। ১৯৫২ সালে খালিশপুরে ক্রিসেন্ট ও পিপলস জুট মিলের হাত ধরে সূচিত হয়েছিল এই অঞ্চলের শিল্পের সোনালি অধ্যায়। এসব কারখানা খুলনাকে পরিণত করেছিল প্রাচ্যের ডান্ডিতে। এ ছাড়া স্বাধীনতার আগে ইস্টার্ন জুট মিল, আলিম জুট মিল, আফিল জুট মিল, মহসিন জুট মিল, সোনালী জুট মিল ও অ্যাজাক বাকি অংশ পড়ুন...












