SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%হাদীছ%' OR titleBn LIKE '%হাদীছ%' OR descriptionEn LIKE '%হাদীছ%' OR descriptionBn LIKE '%হাদীছ%' OR slug LIKE '%হাদীছ%' OR metaTag LIKE '%হাদীছ%' OR metaDescription LIKE '%হাদীছ%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
আল-ইহসান প্রতিবেদন:
ছাহিবাতু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, হাবীবাতুল্লাহ, ছাহিবায়ে নেয়ামত, রহমাতুল্লিল আলামীন, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, পবিত্র হাদীছ শরীফে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, হযরত আবূ মুসা আশয়া’রী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুব বাকি অংশ পড়ুন...
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুয যামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, মহাপবিত্র হাদীছে কুদসী শরীফ উনার মধ্যে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, আমার মহাসম্মানিত হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্ল বাকি অংশ পড়ুন...
ইমামের সাথে মুক্তাদীর নামায আদায় করার নিয়ম
ইমামের সাথে মুক্তাদীর নামায আদায় করার ক্ষেত্রে কয়েকটি ছূরত রয়েছে।
(১) ইমামের সাথে সাথে রুকূ, সিজদা ইত্যাদি প্রতিটি রোকন আদায় করবে।
(২) ইমাম সাহেবের সাথে মুক্তাদী রুকূ, সিজদা ইত্যাদি রোকন আদায় করবে তবে সাথে সাথে শামিল না হয়ে কিছুক্ষণ দেরী করে শামিল হয়ে আদায় করবে। আর অবশ্যই মুক্তাদী প্রত্যেক রোকনেই ইমাম সাহেবের সাথে শামিল থাকবে।
(৩) মুক্তাদী-ইমাম সাহেবের আগে আগে রুকূ, সিজদা ইত্যাদি রোকন সমূহ আদায় করার জন্য রুকূ, সিজদাতে যাবে, তবে শর্ত হচ্ছে ইমাম সাহেব যখন রুকূ, সিজদা করতে যাবে তখন মুক্তা বাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত হযরত দুধ মাতা আলাইহিন্নাস সালাম
বিভিন্ন কিতাবের বর্ণনা অনুযায়ী নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত হযরত দুধ মাতা আলাইহিন্নাস সালাম উনারা ছিলেন মোট ৬ জন। উনারা হচ্ছেন-
২. সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুর রদ্বা‘আহ্ আছ ছানিয়াহ্ আলাইহাস সালাম (সাইয়্যিদাতুনা হযরত হালীমাহ্ সা’দিয়্যাহ্ আলাইহাস সালাম): সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুর রদ্বা‘আহ্ আছ ছানিয়াহ্ আলাইহাস সালাম তিনি সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুর রদ বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত জাবির রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু, হযরত হাসান বছরী রহমতুল্লাহি আলাইহি, আত্বা, আবুল্ আলিয়াহ ও মুজাহিদ রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনারা বলেন, উলিল্ আমর হচ্ছেন- হযরত উলামা তথা আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম। এ মতটি হযরত ইমাম মালিক রহমতুল্লাহি আলাইহি উনারা পছন্দ করেছেন।
হযরত মাইমূন, মুক্বাতিল ও কালবী রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনারা বলেন, উনারা হলেন সেনাপতি। অথবা হযরত আহলু বাইত শরীফ উনাদের ইমাম আলাইহিমুস্ সালাম উনারা, অথবা এককভাবে হযরত ইমামুল আউওয়াল আলাইহিস সালাম।
প্রকাশ্য কথা হলো, প্রত্যেক ঐ অভিভাবক যিনি সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন কর বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে রয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ اِبْنِ عُمَرَ رَضِىَ اللّٰهُ تَـعَالٰى عَنْهُ يَـقُوْلُ مَا قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي الْإِزَارِ فَـهُوَ فِي الْقَمِيْصِ
অর্থ: হযরত ইবনে উমর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, লুঙ্গি যেমন নিছফে সাক্ব পর্যন্ত পরিধান করতে হবে, তদ্রুপ জামাও নিছফে সাক্ব পর্যন্ত পরিধান করতে হবে। (আবূ দাউদ শরীফ, মু’জামুল আওসাত, শুয়াবুল ঈমান ৮/২২০)
মূলত, ক্বমীছ বা জামা ও ইযার বা লুঙ্গি সমান সমান হতে পারে আবার বাকি অংশ পড়ুন...
সুওয়াল: জনৈক ওহাবী মালানার বক্তব্য হচ্ছে, দিবস পালন করা জায়িয নেই। এ বক্তব্য কতটুকু শরীয়তসম্মত?
জাওয়াব (৩য় অংশ):
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে আরো ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ اِبْنِ عَبَّاسٍ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ قَالَ قَدِمَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ الْمَدِيْنَةَ فَرَاَى الْيَهُوْدَ تَصُوْمُ يَوْمَ عَاشُورَاءَ فَقَالَ مَا هٰذَا. قَالُوْا هٰذَا يَوْمٌ صَالِحٌ هٰذَا يَوْمٌ نَـجَّى اللهُ بَنِـيْ اِسْرَائِيْلَ مِنْ عَدُوِّهِمْ فَصَامَهٗ مُوْسٰى عَلَيْهِ السَّلَامُ. قَالَ فَاَنَا اَحَقُّ بِـمُوْسٰى عَلَيْهِ السَّلَامُ مِنْكُمْ (نَـحْنُ اَحَقُّ بِـمُوْسٰى عَلَيْهِ السَّلَامُ مِنْكُمْ.) فَصَامَهٗ وَاَمَرَ بِصِيَامِهٖ.
অর্থ : হযরত বাকি অংশ পড়ুন...
“হযরত আবূ দারদা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বলেন, সাইয়্যিদুল মুরসালীন ইমামুল মুরসালীন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ক্বিয়ামতের দিন ঐ ব্যক্তি সবচেয়ে কঠিন শাস্তি ভোগ করবে, যে তার ইলিমের দ্বারা উপকৃত হয়নি।” (দারেমী শরীফ)
অতএব, যারা ইলিম অনুযায়ী আমল করবে না অর্থাৎ যারা জানে ছবি তোলা হারাম, তারপরও ছবি তোলে। যারা জানে গণতন্ত্র-হরতাল ইত্যাদি হারাম বা বিজাতীয় পন্থা, তারপরও তারা দ্বীন ইসলামের নামে গণতন্ত্র চর্চা করে। মূলতঃ উপরোক্ত হাদীছ শরীফের মিছদাক তারাই অর্থাৎ তার বাকি অংশ পড়ুন...
(৩য় পর্ব)
পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের মাঝে পবিত্র দুরূদ শরীফ উনার যেমন অসংখ্য ফযীলত মুবারক বর্ণনা করা হয়েছে। ঠিক বাস্তবেও পবিত্র দুরূদ শরীফ উনার বিস্ময়কর অনেক ঘটনা সংঘটিত হয়েছে। নিম্নে সেখান থেকে কতিপয় ঘটনা বর্ণনা করা হলো-
(২) অনুরুপ আরো একটি ঘটনা:
উক্ত যুবক বললেন, হে হযরত সুফিয়ান ছাওরী রহমতুল্লাহি আলাইহি! আপনি মহান আল্লাহ পাক উনাকে উনার প্রকৃত পরিচয়ে চিনতে পারেন নি। তখন হযরত সুফিয়ান রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বললেন, তাহলে আপনি কীভাবে উনাকে চিনেছেন? যুবক বললেন, আমি মহান আল্লাহ পাক উনাকে চিনেছি আমার ইচ্ছাশক্তি ও বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে কালোজিরার অনেক উপকারিতা বর্ণিত রয়েছে । এ প্রসঙ্গে পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ أَبِي هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُ أَنَّ رَسُولَ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ مَا من داء إلا في الحبَّةِ السَّوْدَاء مِنْهُ شِفَاء إِلَّا السَّامَ
অর্থ: “হযরত আবূ হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, মৃত্যু ছাড়া এমন কোন রোগ নেই কালোজিরায় যার আরোগ্য নেই।” (মুসলিম শরীফ : কিতাবুস সালাম : পবিত্র হাদীছ শরীফ বাকি অংশ পড়ুন...












