এখানে যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি বলে দিলেন, অবশ্যই আমি পাল্টিয়ে দিতাম। তাহলে তিনি পাল্টিয়ে দিয়েছেন কি? নাউযুবিল্লাহ! তাহলে দেখা যাচ্ছে উনাদের চেয়ে শ্রেষ্ঠতম ব্যক্তিত্ব আর কেউ নেই। যারজন্য উনারাই সেই মুসলমানিত্বের মাক্বাম, ঈমানের মাক্বাম, ক্বনিতিনের মাক্বাম, তওবার মাক্বাম, আবদিয়াতের মাক্বাম এবং ছমাদিয়াতের মাক্বাম প্রত্যেকটা মাক্বামের হাক্বীক্বী উনারা মালিক। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! তাহলে উনাদেরকে নিয়ে চূ-চেরা, কীলকাল করা, এতো কল্প গল্প এসব বানিয়ে মিথ্যা বলা এর ক বাকি অংশ পড়ুন...
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, রহমাতুল্লিল আলামীন মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি হযরত খুলাফায়ে রাশেদীন আলাইহিমুস সালাম উনাদের সম্মানিত নিসবত মুবারক সম্পর্কে ইরশাদ মুবারক করেন, “হযরত খুলাফায়ে রাশেদীন আলাইহিমুস সালাম উনাদের মূল নিসবত মুবারক তো নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে রয়েছেই। তারপরও সাইয়্যিদুনা হযরত ছিদ্দীক্বে আকবর আলাইহিস সালাম উনার বাকি অংশ পড়ুন...
উনারা কেমন হতেন? উনাদের ছিফত মুবারক কি হতো, সেটা বলে দিচ্ছেন।
مُسْلِمَاتٍ
উনারা মুসলমান। একদম খালিছ মুসলমান।
مُّؤْمِنَاتٍ
খালিছ মু’মিন, ঈমানদার। অর্থাৎ এমন মুসলমান যে, মুসলমানিত্বের চুড়ান্ত মাক্বামের মালিক উনারা। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!
وَلاَ تَمُوتُنَّ إِلاَّ وَأَنتُم مُّسْلِمُونَ
তোমরা মুসলমান না হয়ে ইন্তেকাল করো না, সেই মাক্বাম মুবারক।
مُسْلِمَاتٍ مُّؤْمِنَاتٍ
এমন মু’মিনীন, কেমন?
لاَ يُؤْمِنُ أَحَدُكُمْ حَتَّى أَكُونَ أَحَبَّ إِلَيْهِ مِنْ وَالِدِهِ وَوَلَدِهِ وَالنَّاسِ أَجْمَعِينَ.
এমন মু’মিন যে মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব ছল্লাল্লা বাকি অংশ পড়ুন...
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, রহমাতুল্লিল আলামীন মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি ১৪৪১ হিজরী শরীফ উনার পবিত্র ১৫ই যিলহজ্জ শরীফ লাইলাতুল খ¦মীস শরীফ (বৃহস্পতিবার রাত) মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ফালইয়াফরহূ শরীফ অর্থাৎ সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ মাহফিল মুবারক-এ ইরশাদ মুবারক করেন, “لِـيَـعْبُدُوْنِ (লিইয়া’বুদূন) থেকে لِـيُصَلُّوْنِ (লিইউছল্লূন) পর্যন্ত ৮টি মাক্বাম মুবারক রয়েছেন। সেগুলো হচ্ছেন-
১. لِـيَ বাকি অংশ পড়ুন...
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, রহমাতুল্লিল আলামীন মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “হযরত মুজাদ্দিদে আলফে ছানী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি ‘মকতূবাত শরীফ’-এ বলেছেন যে, উনার ফযীলত হচ্ছে হযরত খুলাফায়ে রাশেদীন আলাইহিমুস সালাম উনাদের পরে। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যখন হযরত মুজাদ্দিদে আলফে ছানী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনাকে আমার নিকট বাইয় বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত মীর্জা মাযহার জানজানান শহীদ রহমতুল্লাহি আলাইহি, যিনি মায়ের পেট থেকে ত্রিশ পারা পবিত্র কুরআন শরীফ উনার হাফেজ ছিলেন। কিতাবে লেখে- দু’জন ব্যক্তি মায়ের পেট থেকে ত্রিশ পারার হাফেজ হয়ে জন্ম গ্রহণ করেছেন। একজন হলেন- হযরত বখতিয়ার কাকী রহমতুল্লাহি আলাইহি, দ্বিতীয়জন হলেন- হযরত মীর্জা মাযহার জানজানান শহীদ রহমতুল্লাহি আলাইহি। যিনি বাদশাহ আলমগীরের আত্মীয় ছিলেন। তিনি ওলীয়ে মাদারযাদ, হাফেজে মাদারযাদ, বিরাট বুযুর্গ। তিনি উনার পীর ছাহেব হযরত নূর মুহম্মদ বাদায়ুনী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার কাছে রীতিমত যাওয়া-আসা করতেন। একদিন পীর ছাহেব বাকি অংশ পড়ুন...
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, রহমাতুল্লিল আলামীন মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি ১৪৪১ হিজরী শরীফ উনার পবিত্র ৭ই যিলক্বদ শরীফ লাইলাতুল আরবিয়া শরীফ (বুধবার রাত) মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ উনার মাহফিল মুবারক-এ ইরশাদ মুবারক করেন, “কিতাবে মানুষ লিখে থাকে, ‘মহান আল্লাহ পাক তিনি হচ্ছেন اَحَدٌ ‘আহাদ’ আর নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লা বাকি অংশ পড়ুন...
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, রহমাতুল্লিল আলামীন মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি ১৪৪১ হিজরী শরীফ উনার পবিত্র ৬ই শা’বান শরীফ লাইলাতুল আরবিয়া শরীফ (বুধবার রাত) মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ উনার মাহফিল মুবারক-এ ইরশাদ মুবারক করেন- “নূরুর রবি‘আহ্ সাইয়্যিদাতুনা হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম উনার যে বিষয়টা তিনি যে বিচার চাইবেন। আমি উনাকে বলেছিলাম যিনি মহাসম্মানিত ও মহাপব বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত কালীমুল্লাহ আলাইহিস সালাম তিনি মহান আল্লাহ পাক উনাকে বললেন, আয় বারে এলাহী! আপনি আমাকে দীদার দিন, আমি আপনাকে দেখতে চাই। মহান আল্লাহ পাক তিনি বললেন, আপনি কখনই আমাকে দেখতে পারবেন না। বরং আপনি পাহাড়ের দিকে তাকান। যখন তাজাল্লা যাহির করবো, পাহাড়টা যদি তার স্বস্থানে স্থির থাকে, তাহলে আপনি আমাকে দেখতে পাবেন। অতঃপর মহান আল্লাহ পাক তিনি যখন পাহাড়ের উপর তাজাল্লা নিক্ষেপ করলেন, পাহাড়টা টুকরো টুকরো হয়ে গেলো এবং হযরত কালীমুল্লাহ আলাইহিস সালাম তিনি বেহুঁশ হয়ে পড়ে গেলেন।
এ প্রসঙ্গে আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, বাকি অংশ পড়ুন...
সম্মানিত রমাদ্বান শরীফ হচ্ছে শাহরুন আযীম’ অর্থাৎ সম্মানিত মহান মাস। এই সম্মানিত মাসে মহান আল্লাহ পাক তিনি আসমানের দরজাসমূহ খুলে দেন, জাহান্নামের দরজাসমূহ বন্ধ করে দেন, জাহান্নামের আযাব বন্ধ করে দেন, রহমতের দরজাসমূহ খুলে দেন এবং শয়তানকে শৃঙ্খলাবদ্ধ করে দেন। সুবহানাল্লাহ!
এই সম্মানিত মাস হচ্ছে তাক্বওয়া (আল্লাহ ভীতি) হাছিলের মাস। মহান আল্লাহ পাক তিনি এই সম্পর্কে ইরশাদ মুবারক করেন, “হে ঈমানদাররা! তোমাদের উপর রোযা ফরয করা হয়েছে। যেরূপ ফরয করা হয়েছিলো তোমাদের পূর্ববর্তী উম্মতদের উপর। এর মাধ্যমে তোমরা অবশ্যই তাক্বওয়া (আল্লাহভী বাকি অংশ পড়ুন...
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, রহমাতুল্লিল আলামীন মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি ১৪৪১ হিজরী শরীফ উনার পবিত্র ১লা রজবুল হারাম শরীফ লাইলাতুল আরবিয়া শরীফ (বুধবার রাত) মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ উনার মাহফিল মুবারক উনার সম্মানিত আলোচনা মুবারক-এ ইরশাদ মুবারক করেন, “নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হয বাকি অংশ পড়ুন...












