SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%স্বরণ%' OR titleBn LIKE '%স্বরণ%' OR descriptionEn LIKE '%স্বরণ%' OR descriptionBn LIKE '%স্বরণ%' OR slug LIKE '%স্বরণ%' OR metaTag LIKE '%স্বরণ%' OR metaDescription LIKE '%স্বরণ%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, সাবধান! আমার হযরত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনারা হলেন তোমাদের জন্য হযরত নূহ আলাইহিস সালাম উনার কিশতির ন্যায়। যে তাতে আরোহন করবে, সে রক্ষা পাবে। আর যে তা হতে পশ্চাতে থাকবে সে ধ্বংস হবে।”
এই মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ মুবারক উনার মূলনীতি আকড়ে ধরাই মুসলিম মননে একটি লালিত স্বপ্ন। আর এই স্বপ্ন বাস্তবায়নে ইতিহাসে যারাই কোশেশ করেছেন, উনারাই হয়েছেন কামিয়াব এবং চিরস্বরণীয়। বিশেষ করে মুসলিম ইতিহাসে যতগুলো সালতানাত প্রতিষ্ঠিত হয়েছে সেগুলো সবই এই মহানিয়ামতপূর্ণ নীতি মুবার বাকি অংশ পড়ুন...
৭) শুরুতে খানা খাওয়ার দু‘আ মুবারক ভুলে গেলে-
(স্মরণ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে) যেন বলে-
بِسْمِ اللّٰهِ اَوَّلهٗ وَاٰخِرهٗ.
অর্থ: “খাবারের শুরুতে মহান আল্লাহ পাক উনার সম্মানিত নাম মুবারক এবং শেষেও মহান আল্লাহ পাক উনার সম্মানিত নাম মুবারক স্বরণ করে শুরু করছি।”
৮) তিন আঙুলে খাওয়া: সম্ভব হলে তিন আঙুল দিয়ে খাবার খাওয়া। প্রয়োজনে অতিরিক্ত আঙ্গুল ব্যবহার করা যেতে পারে।
৯) পেট পুরে আহার না করা: পেট পূর্ণ করে না খেয়ে পেটের এক-তৃতীয়াংশ খাবার, এক-তৃতীয়াংশ পানি এবং এক-তৃতীয়াংশ খালি রাখা খাছ সুন্নত মুবারক।
১০) খাবারের দোষত্রুটি বর্ণনা না করা: কোনো খাবারের দোষতà§ বাকি অংশ পড়ুন...
খাবার খাওয়ার আদব সম্পর্কে পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
أَنَّهُ سَمِعَ حَضْرَتْ عُمَرَ بْنَ أَبِي سَلَمَةَ رَضِيَ اللهُ تَعَالٰي عَنْهُ يَقُولُ كُنْتُ غُلاَمًا فِي حَجْرِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَكَانَتْ يَدِي تَطِيشُ فِي الصَّحْفَةِ فَقَالَ لِي رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَا غُلاَمُ، سَمِّ اللَّهَ وَكُلْ بِيَمِينِكَ وَكُلْ مِمَّا يَلِيكَ فَمَا زَالَتْ تِلْكَ طِعْمَتِي بَعْدُ
অর্থ: হযরত উমর ইবনে আবূ সালামা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমি ছোট হিসাবে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ত বাকি অংশ পড়ুন...
(৬ষ্ঠ পর্ব)
আবার নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে পাঠানো হইছে-
لِتُؤْمِنُوا بِاللَّهِ وَرَسُولِهِ
যেন তোমরা ঈমান আনতে পারো যিনি খলিক, যিনি মালিক, রব মহান আল্লাহ পাক উনার প্রতি এবং যিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি। ঈমান আনাটা, উনার খেদমত মুবারক আনজাম দেয়া, ছানা-ছিফত করা, তা’যীম তাকরীম মুবারক করা, সবটাই। আর উনার যে বিষয়গুলি, এ বিষয়গুলি সব সময় আনজাম দেয়া।
এখন আমাদেরকে শ্রেষ্ঠ উম্মত করা হইছে-
كُنْتُمْ خَيْرَ أُمَّةٍ أُخْرِجَتْ لِلنَّاسِ تَأْمُرُونَ بِالْمَعْرُوفِ وَتَنْهَوْ বাকি অংশ পড়ুন...
(৪র্থ পর্ব)
৪
কাজেই যিনি খালিক, যিনি মালিক, রব মহান আল্লাহ পাক উনার স্বরণটা সবসময় দায়েমী হইলো। তাইলে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার স্বরণটা গেলো কোথায়? উনাকে তো স্বরণ করতে হবে। উনার স্বরণ মুবারক হচ্ছে এই সুন্নত মুবারক ইত্তেবা করার মাধ্যম দিয়ে সুবহানাল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!
একদম মাথার তালু থেকে পায়ের তলা, হায়াত থেকে মউত দায়েমীভাবে ২৪ ঘন্টা। এটা করতে হবে। এটা তো হায়াতের পূর্বে করে, হায়াতের পরেও করে মানুষ। একটা সন্তান জন্মগ্রহণ করলে তার মধ্যে সমস্ত সুন্নত মুবারক জারি করা বাকি অংশ পড়ুন...
(৩য় পর্ব)
আর দরুদ শরীফের যে বিষয়টা, এটাতো আমরা সবসময় বলে থাকি, অনেক ফযীলত। চারজন ফেরেশতা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার কাছে এসেছিলেন, উনারা চারটা বিষয় আরজু নিয়ে, যে কুরআন শরীফে আল্লাহ পাক নাযিল করেছেন-
وَاللهُ وَرَسُولُهُ أَحَقُّ أَنْ يُرْضُوهُ إِنْ كَانُوا مُؤْمِنِينَ
এখানে যিনি খালিক, যিনি মালিক, যিনি রব, মহান আল্লাহ পাক তিনি স্পষ্ট্য বলে দিচ্ছেন; ইরশাদ মুবারক করেন, যারা মো’মেন দাবি করে তাদের জন্য দায়িত্ব হচ্ছে, কর্তব্য হচ্ছে, হক হচ্ছে- যিনি খালিক, যিনি মালিক, যিনি রব, মহান আল্লাহ পাক যিনি নূরে মুজাসসাম হাবী বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র আখেরী চাহার শোম্বাহ শরীফ ছিলো হযরত আহলু বাইতি রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের খুশির দিন। হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুমগণও সেদিন খুশি প্রকাশ করেছিলেন। শুধু তাই নয় স্বয়ং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি খুশি হয়েছিলেন। পক্ষান্তরে কাফির, মুনাফিকদের দুঃখ-কষ্টের দিন। তারা এদিন খুশি প্রকাশ করতে পারেনি। তারা তাদের কলুষিত অন্তরে অনুভব করেছিলো কষ্ট।
উল্লেখ্য যে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র ও বরকতময় স্ বাকি অংশ পড়ুন...
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুজ জামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, সম্মানিত শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে মুসলমান উনাদের জন্য কোনো অবস্থাতেই সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনাকে বাদ দিয়ে সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার খেলা বাকি অংশ পড়ুন...
মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, হযরত ইবনুল মুনকাদির রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার আযাদকৃত গোলাম হযরত সাফিনা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি রোম এলাকায় মুসলিম সেনাদল হতে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছিলেন অথবা শত্রুরা উনাকে বন্দী করে ফেলেছিল। অতঃপর তিনি শত্রুর কবল হতে সংগোপনে মুক্ত হয়ে মুসলিম সেনা দলের অনুসন্ধান করতে লাগলেন। এমন সময় হঠাৎ তিনি একটি সিংহের সম্মুখীন হলেন। তখন তিনি সিংহটিকে লক্ষ্য করে বললেন: হে আবু বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
ফ্রান্স, ইতালি, যুক্তরাজ্য, স্পেন, গ্রিস, জার্মানি, বেলজিয়াম, নেদারল্যান্ডসহ গোটা ইউরোপজুড়ে চলছে তীব্র তাপদাহ। গরমের দাপটে অসহায় হয়ে পড়েছে কট্টর ইসলাম ও মুসলিমবিদ্বেষী দেশগুলো। বিশেষ করে দক্ষিণ ও মধ্য ইউরোপের দেশগুলো সবচেয়ে বেশী উষ্ক আবহাওয়ার সম্মুখীন হয়েছে। তাপপ্রবাহের কবলে পড়ে চরম পরিস্থিতি পার করছে ওই অঞ্চলের কোটি কোটি অধিবাসী। এতে অতীতের সব রেকর্ড ভেঙে গেছে, ব্যাহত হচ্ছে বিদ্যুৎ উৎপাদন এবং অবকাঠামোও ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। সেই সাথে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে মৃতের সংখ্যাও।ফ্রান্সে মৃত্যু ছাড়িয়েছে ১ বাকি অংশ পড়ুন...
তিনি বললেন, আচ্ছা এখানে ফায়সালা শেষ হলো, অতঃপর চলেন মহাসম্মানিত মদীনা শরীফ উনার মধ্যে। উনাকে নিয়ে গেলেন। হযরত খাজা উছমান হারূনী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি মহাসম্মানিত মদীনা শরীফ উনার মধ্যে গিয়ে মহাসম্মানিত মহাপবিত্র রওজা শরীফ উনার পাশে দাঁড়ালেন। আর হযরত খাজা ছাহেব রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি মাথা নিচু করে দাঁড়িয়েছিলেন। উনার মাথাটা সম্পূর্ণ উনার পা-নূরুদ দারাজাত মুবারক উনার দিকে দাঁড়ায়েছিলেন। তিনি চুপ হয়ে রয়েছেন কোন কথা নাই উনার। উনার শায়েখ সালাম দিলেন এবং বললেন ইয়া রসূলাল্লাহ, ইয়া হাবীবাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! বাকি অংশ পড়ুন...












