SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%সৈন্য%' OR titleBn LIKE '%সৈন্য%' OR descriptionEn LIKE '%সৈন্য%' OR descriptionBn LIKE '%সৈন্য%' OR slug LIKE '%সৈন্য%' OR metaTag LIKE '%সৈন্য%' OR metaDescription LIKE '%সৈন্য%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
আধুনিক যুদ্ধকৌশন কেবল আকাশ বা স্থলভাগের সমীকরণ দিয়ে নির্ধারিত হয় না। স্যাটেলাইট সাইডেড মিসাইল ড্রোন কনস্টেলেশন এবং দূরপাল্লার প্রিসিশন গাইডেড মারণাস্ত্রের (চএগ) এই যুগে, একটি বৃহৎ বাহিনীর টিকে থাকা এবং পাল্টা আঘাত হানার সক্ষমতা নির্ভর করে তার সারভাইভেবিলিটি টিকে থাকার কৌশলের ওপর। বাংলাদেশের সামগ্রিক প্রতিরক্ষা বাহিনী, রিজার্ভ এবং আধাসামরিক বাহিনী মিলিয়ে যদি ৫০ লক্ষাধিক সদস্যের একটি বিশাল সমন্বিত বহরকে বিন্যস্ত করতে হয়, তবে তাদের জন্য একটি দেশব্যাপী, কৌশলগত এবং উচ্চপ্রযুক্তিসম্পন্ন ভূগর্ভস্থ বাংকার নেটওয়ার্ক গড়ে তোল বাকি অংশ পড়ুন...
কি পরিমান প্রয়োজন :
৫০ লক্ষ (৫ মিলিয়ন) সৈন্যের একটি বিশাল বাহিনীর জন্য অ্যান্টি-ট্যাংক গাইডেড মিসাইল ও লঞ্চারের প্রয়োজনীয়তা হিসাব করতে হবে আন্তর্জাতিক সামরিক মতবাদ (মিলিটারী ডকট্রিন) এবং পদাতিক ব্যাটালিয়নের স্ট্যান্ডার্ড কাঠামো অনুযায়ী।
সাধারণত, আধুনিক সামরিক বাহিনীতে প্রতি ৮০০ থেকে ১,০০০ জন সৈন্য নিয়ে একটি পদাতিক ব্যাটালিয়ন গঠিত হয়। সেই হিসাবে, ৫০ লক্ষ বাহিনীর মধ্যে যদি আনুমানিক ৬০% সরাসরি যুদ্ধক্ষেত্রের পদাতিক বা কমব্যাট ফোর্স হয়, তবে মোট ব্যাটালিয়নের সংখ্যা দাঁড়ায় প্রায় ৩,০০০ থেকে ৩,৫০০টি।
একটি স্ট্যান্ডার্ড থার্ড-জে বাকি অংশ পড়ুন...
সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছালিছ আলাইহিস সালাম তিনি ইয়াযীদ লা’নতুল্লাহি আলাইহি বাহিনীর সামনে গিয়ে বললেন, “দেখ! আমি কে? আমি হলাম জান্নাতের যুবক উনাদের সাইয়্যিদ। আমি হলাম সেই হযরত ইমামুছ ছালিছ আলাইহিস সালাম, যাঁকে নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি চুম্বন মুবারক করতেন এবং ইরশাদ মুবারক করতেন, ইনি আমার ফুল মুবারক। আমি হলাম সেই হযরত ইমামুছ ছালিছ আলাইহিস সালাম, যাঁর সম্মানিতা আম্মাজান সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম। আমি হলাম সেই হযরত ইমামুছ ছালিছ আলা বাকি অংশ পড়ুন...
হিজরী ৬১ সন, পবিত্র মুহররমুল হারাম শরীফ মাস উনার ৯ তারিখ দিবাগত রাত অর্থাৎ দশ তারিখ রাত্রি বেলা সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছালিছ মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উনার সম্মানিত সফর সঙ্গী উনাদের সবাইকে একত্রিত করলেন এবং বললেন, আমার প্রিয় সাথীরা! আমি আপনাদের সকলের প্রতি আন্তরিকভাবে সন্তুষ্ট। আমি আপনাদেরকে অনুমতি মুবারক দিচ্ছি যে, আজ রাতে আপনারা যে যেদিকে পারেন চলে যান। এসব ইয়াযীদ লা’নতুল্লাহি আলাইহি বাহিনীর লোকেরা আমার পবিত্র রক্ত পিপাসু। এরা একমাত্র আমার পবিত্র রক্তেই পরিতৃপ্ত হবে। আপনারা চলে যা বাকি অংশ পড়ুন...
সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছালিছ মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যখন দেখলেন যে, পানি বন্ধ করে দেয়া হয়েছে, তখন তিনি ঘোড়ায় সওয়ার হয়ে ইয়াযীদ লা’নতুল্লাহি আলাইহির সৈন্য বাহিনীর নিকট গেলেন এবং তাদের সামনে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য মুবারক রাখলেন। তিনি তাদেরকে পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের মাধ্যমে বুঝালেন, যুলুম-অত্যাচার থেকে বিরত থাকো, রক্ত দ্বারা তোমাদের হাতকে রঞ্জিত কর না। জেনে শুনে কোন মু’মিন উনাকে কতল বা শহীদ করা মানে জাহান্নামকে নিজের ঠিকানায় পরিণত করা। আমি হলাম যিনি তোমাদের মহাসম্মান বাকি অংশ পড়ুন...
সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছালিছ মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যখন ইয়াযীদ লা’নতুল্লাহি আলাইহির বাহিনীকে সরাসরি জানিয়ে দিলেন যে, “তোমাদের পক্ষ থেকে যে ব্যবস্থাই তোমরা নাও না কেন আমি কিছুতেই ইয়াযীদ লা’নতুল্লাহি আলাইহির হাতে বাইয়াত গ্রহণ করবো না এবং করতে পারিনা” তখন ইয়াযীদ লা’নতুল্লাহি আলাইহি বাহিনীর মনোভাব এত জঘন্য রূপ ধারণ করলো যে, তারা সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছালিছ মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ও উনার প্রিয়জন উনাদের জন্য ফোরাত নদীর পানি বন্ধ করে দিলো। নাঊযু বাকি অংশ পড়ুন...
* প্রতিরক্ষার ডিজিটাল বর্ম: ৫০ লক্ষ বাহিনীর একক কমান্ড ও সামরিক স্যাটেলাইট নেটওয়ার্কের অপরিহার্য রোডম্যাপ :
একবিংশ শতাব্দীর আধুনিক যুদ্ধক্ষেত্রে বিজয়ের প্রধান শর্ত কেবল সৈন্যসংখ্যা বা ভারী যুদ্ধাস্ত্র নয়; বরং যুদ্ধক্ষেত্রের আসল নিয়ন্ত্রণ লুকিয়ে থাকে তথ্যপ্রযুক্তির শ্রেষ্ঠত্ব এবং নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগ ব্যবস্থার ওপর। নেটওয়ার্ক-সেন্ট্রিক ওয়ারফেয়ার বা তথ্য-প্রযুক্তিনির্ভর যুদ্ধকৌশলের এই যুগে যেকোনো বাহিনীর জন্য ‘লজিস্টিকস ও কমিউনিকেশন’ হলো মূল ¯œায়ুকেন্দ্র। বিশেষ করে, দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় একটি বিশাল বাহিনীকে একক বাকি অংশ পড়ুন...
(১)
লোকটি সিরিয়ার অধিবাসী। যুদ্ধের ময়দানে তার গর্জন ছিলো সিংহের মতো। এমনকি এক হাজার অশ্বারোহীর চেয়েও তার চিৎকার ছিলো ভয়ঙ্কর। তার জ্বালাময়ী ভাষণে সৈন্যরা যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তো। সে খলীফাতুল মুসলিমীন, সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূকে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার পক্ষে কাজ করতো, কিন্তু খলীফাতুল মুসলিমীন, হযরত ফারূকে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি কয়েকদিন উনাকে দেখতে না পেয়ে জিজ্ঞেস করলেন, অমুকের ছেলে অমুক কোথায়?
বলা হলো, হে আমীরুল মু’মিনীন! সে নেশা পানে ব্যস্ত আছে।
এ সংবাদ শুনে খলীফাতুল মুসলিমীন, হযরত ফারূকে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি উনার পত্র লেখককে বাকি অংশ পড়ুন...
বাংলাদেশের জনসংখ্যার সূচক ৫১ কোটি ছুঁয়েছে, এমতাবস্থায় রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব রক্ষার সমীকরণটি আমূল বদলে যেতে বাধ্য। এমন এক অতি-ঘনবসতিপূর্ণ ভূখ-ে সীমানা ও অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতা অক্ষুণ্ণ রাখতে কমপক্ষে ৫০ লক্ষ সদস্যের এক সুবিশাল সামরিক বাহিনীর প্রয়োজনীয়তা অনস্বীকার্য হয়ে উঠেছে। তবে একবিংশ শতাব্দীর তৃতীয় দশকে দাঁড়িয়ে এই বিশাল বাহিনীকে কেবল লোহা, বারুদ আর সাঁজোয়া যানের প্রাচীন কাঠামোতে বন্দি রাখলে তা হবে এক ঐতিহাসিক আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত। আজকের যুদ্ধক্ষেত্র আর কেবল সীমান্তরেখায় সীমাবদ্ধ নেই; তা ছড়িয়ে পড়েছে অদৃশ্য, স্পর্শহী বাকি অংশ পড়ুন...
বর্তমানের ভূ-রাজনৈতিক মানচিত্রে ৫১ কোটি জনসংখ্যার বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা চিরাচরিত সামরিক কৌশল দিয়ে অসম্ভব। এই বিপুল জনগোষ্ঠীর সুরক্ষায় ৫০ লক্ষ সৈন্যের এক বিশাল বাহিনী গঠন করতে হবে, তবে তাদের শুধু সংখ্যার দিক থেকে নয়, বরং গুণগত দিক থেকে 'সুপার সোলজার' বা অতি-মানবীয় শক্তিসম্পন্ন করে তুলতে হবে। আধুনিক যুদ্ধক্ষেত্রে এত বড় বাহিনীর গতিশীলতা ও আত্মরক্ষা নিশ্চিত করার একমাত্র উপায় হলো- 'মিলিটারি এক্সোস্কেলিটন' প্রযুক্তির সংযোজন। আর এই ব্যয়বহুল ও উচ্চপ্রযুক্তিগত স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে পারে প্রতিরক্ষা শিল্পে উদীয়মান বাকি অংশ পড়ুন...
ভূমিকা : ভূরাজনীতি এবং সমরবিজ্ঞানের একটি মৌলিক নিয়ম হলো, একটি রাষ্ট্রের জনসংখ্যা, ভৌগোলিক গুরুত্ব এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি যত বাড়বে তার বাহ্যিক নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা বলয়কেও এত বেশি শক্তিশালী করতে হবে। বর্তমান বৈশি^ক প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ যখন তার ভূ-কৌশলগত অবস্থানকে কেন্দ্র করে পরাশক্তিগুলোর আকর্ষণের কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে তখন জনসংখ্যার সমীকরণ মাথায় রেখে সুদূরপ্রসারী প্রতিরক্ষা নীতি ঢেলে গাজানো আবশাক। ৫১ কোটি জনসংখ্যার জন্য এই ভূখ- এবং অর্থনৈতিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বঙ্গোপসাগরের একচেটিয়া নৌসীমা সুরক্ষায় নূন্যতম ৫ বাকি অংশ পড়ুন...












