SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%সেনাক্যাম্প%' OR titleBn LIKE '%সেনাক্যাম্প%' OR descriptionEn LIKE '%সেনাক্যাম্প%' OR descriptionBn LIKE '%সেনাক্যাম্প%' OR slug LIKE '%সেনাক্যাম্প%' OR metaTag LIKE '%সেনাক্যাম্প%' OR metaDescription LIKE '%সেনাক্যাম্প%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
"" মন্তব্য কলাম""
পার্বত্য চট্টগ্রাম, বাংলাদেশের অবিচ্ছেদ্য অংশ ও খোদায়ী দানে অপরূপ সৌন্দর্যের পার্বত্যভূমি। এই খোদায়ী নিয়ামত আজ জাতীয় নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্বের জন্য এক গুরুতর সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রাকৃতিক শোভার আড়ালে গড়ে উঠেছে সন্ত্রাসী কার্যক্রম, অস্ত্র মজুত এবং পৃথক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার অপচেষ্টা। এই অঞ্চলের ভৌগোলিক অবস্থান-ভারতের মিজোরাম, ত্রিপুরা ও মিয়ানমারের সীমান্তবর্তী-এবং দুর্গম পাহাড়-জঙ্গল এটিকে উপজাতি সন্ত্রাসী ও বিচ্ছিন্নতাবাদী নৃগোষ্ঠীদের দেশবিরোধী কার্যক্রমের জন্য অভয়ারণ্য করে তুলেছে। সম্প্রতি বিদà§ বাকি অংশ পড়ুন...
গতকাল বাদ জুমুয়া রাজধানীর মালিবাগ মোড়ের ফাল ইয়াফরাহু চত্ত্বরে ‘ইনসাফ কায়েমকারী ছাত্র-শ্রমিক-জনতা’র উদ্যোগে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে বক্তারা বলেন, ৯৮ ভাগ মুসলমানের বাংলাদেশে কোনো কুফরী আদর্শ বা সংস্কৃতি, বিধর্মী কাফির-মুশরিকদের তোষণ এবং দ্বীন-বিরোধী চক্রান্ত মেনে নেওয়া হবে না। সৎ কাজের আদেশ ও অসৎ কাজের নিষেধের ঈমানী দায়িত্ব পালনের লক্ষ্যে মহাসমাবেশ থেকে সরকার ও জাতির উদ্দেশ্যে ১২ দফা সুনির্দিষ্ট দাবি পেশ করা হচ্ছে:
১. সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় সারাবছর সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ পালন ও বিরোধীতাকারী- মাঠবাকি অংশ পড়ুন...
গত জুমুয়াবার দেশের স্বাধীনতা, অর্থনৈতিক সার্বভৌমত্ব ও পবিত্র দ্বীন ইসলামের চেতনা রক্ষার্থে সরকারের প্রতি দাবী জানিয়ে ‘ইনসাফ কায়েমকারী ছাত্র-শ্রমিক-জনতা’র পক্ষ থেকে প্রতিবাদী সমাবেশ করা হয়েছে।
বিগত কথিত অন্তর্বর্তী সরকার প্রধান লাওওয়াত্ব সুদখোর ইউনূসসহ সংশ্লিষ্টদের দেশবিরোধী কর্মকা-, বিদেশীদের কাছে জাতীয় সম্পদ তুলে দেয়ার ষড়যন্ত্র এবং তার ধারাবাহিকতায় ইউনুসের সমগ্রোত্রীয়দের দ্বারা সামরিক দাসত্বমূলক চুক্তি করার অপচেষ্টা, শিক্ষা ব্যবস্থার বিজাতীয়করণ এবং সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলিম জনগণের দ্বীনী অনুভূতির প্রতি অবজ্ঞা দেশà§ বাকি অংশ পড়ুন...
খ. অভ্যন্তরীণ যোগাযোগ করিডোর ও সাপ্লাই রুট :
সীমান্ত সড়ক সংলগ্ন এলাকা: নির্মাণাধীন সীমান্ত সড়কের প্রতি ১০ থেকে ১৫ কিলোমিটার অন্তর অন্তর ছোট ও মাঝারি আকারের ক্যাম্প স্থাপন করতে হবে, যাতে প্রকৌশল ব্যাটালিয়ন ও পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়।
নদী ও নৌপথ ভিত্তিক চৌকি:
কাপ্তাই হ্রদ এবং সাঙ্গু, মাতামুহুরী ও ফেনী নদীর অববাহিকাগুলোতে ফ্লোটিং বা ওয়াটার-বেসড সেনাক্যাম্প স্থাপন করা জরুরি, কারণ বিচ্ছিন্নতাবাদীরা প্রায়শই যাতায়াতের জন্য নৌপথ ব্যবহার করে।
গ. উপজাতীয় গোষ্ঠীদের অভয়ারণ্য ও পাহাড়ি জঙ্গল :
থানচির গহীন অরণ্য খাগড়াছড়ির পানছà§ বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
বাংলাদেশে চলমান ‘রাজনৈতিক অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে’ পশ্চিমবঙ্গের উত্তর দিনাজপুর জেলায় ‘অতি স্বল্প সময়ে’ একটি নতুন সামরিক ঘাঁটি চালু করেছে ভারতীয় সেনাবাহিনী।
পাশাপাশি, বাংলাদেশের সঙ্গে সীমান্ত প্রতিরক্ষা জোরদারে আসাম রাজ্যের ধুবরিতে একটি নতুন সামরিক স্টেশনও গড়ে তোলা হচ্ছে।
গতকাল ৭ নভেম্বর (জুমুয়াবার) এক প্রতিবেদনে এ খবর দিয়েছে ভারতের স্থানীয় সংবাদমাধ্যম ডেকান ক্রনিকল।
প্রতিবেদনে বলা হয়, গত বৃহস্পতিবার ভারতীয় সেনাবাহিনীর পূর্বাঞ্চলীয় সেনা কমান্ডার লে জে তিওয়ারি উত্তর দিনাজপুরের চোপড়ায় নবগঠিত ঘà বাকি অংশ পড়ুন...
খাগড়াছড়ি সংবাদদাতা:
পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কর্তাব্যক্তিদের নীতিগত অস্পষ্টতা ও প্রশাসনিক দুর্বলতার সুযোগে পাহাড়ে নানা অপকর্ম ঘটিয়ে চলেছে আঞ্চলিক সশস্ত্র সন্ত্রাসী সংগঠন ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্র্যাটিক ফ্রন্ট (ইউপিডিএফ)।
গত সেপ্টেম্বর মাসে তাদের গুলিতে তিনজন নিহত হওয়ার পর নড়েচড়ে বসে নিরাপত্তা বাহিনী। এতে নতুন করে মাথাব্যথা শুরু হয়েছে ইউপিডিএফের। শুরু করেছে টালবাহানা। সেনাবাহিনীর অস্থায়ী ক্যাম্প ঠেকাতে মরিয়া হয়ে উঠেছে তারা। এ ক্ষেত্রে পরিকল্পিতভাবে নারী ও শিশুদেরকে ‘মানবঢাল’ হিসেবে ব্য বাকি অংশ পড়ুন...
গত ২১শে এপ্রিল সন্ত্রাসী সন্তু লারমার নাতি জাতিসংঘ অধিবেশনে, বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব, সেনাবাহিনী এবং বাংলাদেশীদের বিরুদ্ধে চরম ষড়যন্ত্রমূলক বক্তব্য দিয়েছে
বাংলাদেশী উপজাতিদের আদিবাসী দাবী করে সংবিধান বিরোধী ও রাষ্ট্রদ্রোহী অপরাধ করেছে
বিশেষ করে পার্বত্য এলাকা থেকে বাঙালীদেরই তাড়িয়ে দেয়ার জোর দাবী তুলেছে।
সরকারের প্রচ্ছন্ন সহযোগিতায় ওরা স্বাধীন জুমল্যান্ড গড়ার ষড়যন্ত্রে বিভোর কিনা? সমালোচক মহলে সে প্রশ্ন জোরদার হচ্ছে
জাতিসংঘের আদিবাসী ঘোষণাপত্র ২০০৭- স্বাক্ষর করেনি বাংলাদেশ।
পার্বত্য জেলার ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠীরা বাকি অংশ পড়ুন...
বাংলাদেশী উপজাতিদের আদিবাসী দাবী করে সংবিধান বিরোধী ও রাষ্ট্রদ্রোহী অপরাধ করেছে
বিশেষ করে পার্বত্য এলাকা থেকে বাঙালীদেরই তাড়িয়ে দেয়ার জোর দাবী তুলেছে।
সরকারের প্রচ্ছন্ন সহযোগিতায় ওরা স্বাধীন জুমল্যান্ড গড়ার ষড়যন্ত্রে বিভোর কিনা? সমালোচক মহলে সে প্রশ্ন জোরদার হচ্ছে
জাতিসংঘের আদিবাসী ঘোষণাপত্র ২০০৭- স্বাক্ষর করেনি বাংলাদেশ।
পার্বত্য জেলার ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠীরা যে আদিবাসী নয় তাও ঐতিহাসিকভাবে প্রমাণিত।
ষড়যন্ত্রমূলকভাবে পরিস্থিতি ঘোলাটে করে জোরদার হচ্ছে আদিবাসী অপপ্রচার।
সঙ্গতকারণেই প্রত্যাহারকৃত ১৫৯টি সেনাক্যাঠবাকি অংশ পড়ুন...
সরকারের প্রচ্ছন্ন সহযোগিতায় ওরা স্বাধীন জুমল্যান্ড গড়ার ষড়যন্ত্রে বিভোর কিনা? সমালোচক মহলে সে প্রশ্ন জোরদার হচ্ছে
জাতিসংঘের আদিবাসী ঘোষণাপত্র ২০০৭- স্বাক্ষর করেনি বাংলাদেশ।
পার্বত্য জেলার ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠীরা যে আদিবাসী নয় তাও ঐতিহাসিকভাবে প্রমাণিত।
ষড়যন্ত্রমূলকভাবে পরিস্থিতি ঘোলাটে করে জোরদার হচ্ছে আদিবাসী অপপ্রচার।
সঙ্গতকারণেই প্রত্যাহারকৃত ১৫৯টি সেনাক্যাম্প পূন:স্থাপনই কেবল নয় বরং পার্বত্য এলাকায় সেনাক্যাম্প আরো বেশী স্থাপন করা জরুরী দরকার।
এবং বর্তমান গোয়েন্দা ব্যার্থতার বিপরীতে শক্তিশালী গোয়েন্দা নেটও বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
ভারতের প্রতিটি পাহাড়ে সেনার দাপট চলছে। কাশ্মীর, লাদাখ, নাগাল্যান্ড, আসাম কিংবা মণিপুর- সব জায়গাতেই সেনা ক্যাম্প, বাঙ্কার আর পাহাড়ের প্রতিটি গিরিপথে চেকপোস্ট চোখে পড়বে। শুধু কাশ্মীরেই সাত লাখ সেনা অবস্থান করছে। কেবল ভারত নয়, চীন, পাকিস্তান, নেপালেও রয়েছে সেনার উপস্থিতি।
অথচ বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রামে সেনা উপস্থিতি নিয়েই বারবার তোলা হচ্ছে প্রশ্ন। এখানে কয়েকটি সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর ছত্রছায়ায় কিছু পাহাড়ি নেতা প্রতিনিয়ত ‘সেনা হটাও’ সেøাগান দিচ্ছে। এতে যোগ দিচ্ছে দেশের তথাকথিত বামপন্থি ও সুশীল সমাজের কিছু অংঠবাকি অংশ পড়ুন...
বাংলাদেশী উপজাতিদের আদিবাসী দাবী করে সংবিধান বিরোধী ও রাষ্ট্রদ্রোহী অপরাধ করেছে
বিশেষ করে পার্বত্য এলাকা থেকে বাঙালীদেরই তাড়িয়ে দেয়ার জোর দাবী তুলেছে।
সরকারের প্রচ্ছন্ন সহযোগিতায় ওরা স্বাধীন জুমল্যান্ড গড়ার ষড়যন্ত্রে বিভোর কিনা? সমালোচক মহলে সে প্রশ্ন জোরদার হচ্ছে
জাতিসংঘের আদিবাসী ঘোষণাপত্র ২০০৭- স্বাক্ষর করেনি বাংলাদেশ।
পার্বত্য জেলার ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠীরা যে আদিবাসী নয় তাও ঐতিহাসিকভাবে প্রমাণিত।
ষড়যন্ত্রমূলকভাবে পরিস্থিতি ঘোলাটে করে জোরদার হচ্ছে আদিবাসী অপপ্রচার।
সঙ্গতকারণেই প্রত্যাহারকৃত ১৫৯টি সেনাক্যাঠবাকি অংশ পড়ুন...












