SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%সুওয়াল%' OR titleBn LIKE '%সুওয়াল%' OR descriptionEn LIKE '%সুওয়াল%' OR descriptionBn LIKE '%সুওয়াল%' OR slug LIKE '%সুওয়াল%' OR metaTag LIKE '%সুওয়াল%' OR metaDescription LIKE '%সুওয়াল%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
সুওয়াল: রাজারবাগ শরীফ সিলসিলা ভুক্তদেরকে সম্মানিত মীলাদ শরীফ পাঠকালে ছলাত শরীফ বলার সময় নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নাম মুবারক না বলে লক্বব মুবারক যথা রসূলিল্লাহ ও হাবীবিল্লাহ বলে থাকেন। আর অন্য যারা মীলাদ শরীফ পড়েন উনারা সরাসরি নাম মুবারক বলেন।
আবার সালাম পেশ করার সময় আপনারা আসসালামু আলাইকুম ইয়া রসূলাল্লাহ, আসসালামু আলাইকুম ইয়া নাবিয়্যাল্লাহ, আসসালামু আলাইকুম ইয়া হাবীবাল্লাহ বলেন। আর অন্যরা ইয়া নাবী সালামু আলাইকা, ইয়া রসূল সালামু আলাইকা, ইয়া হাবীব সালামু আলাইকা বলে থাকেন।
স বাকি অংশ পড়ুন...
সুওয়াল:
যে ব্যক্তি সূরা ফাতিহা পড়বে না, তার নামায হবে না। বুখারী শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত উক্ত হাদীছ শরীফ উনার উদ্ধৃতি উল্লেখ করে কেউ কেউ বলে থাকে যে, ইমামের পিছনে মুক্তাদীকেও সূরা ফাতিহা শরীফ পাঠ করতে হবে। ইহা কতটুকু সঠিক?
জাওয়াব: (১ম অংশ)
বুখারী শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত উক্ত পবিত্র হাদীছ শরীফখানা মূলত অন্যান্য মাযহাবের দলীল। অর্থাৎ অন্যান্য মাযহাবের ফতওয়া হচ্ছে ইমামের পিছনে মুক্তাদীকেও পবিত্র সূরা ফাতিহা শরীফ পাঠ করতে হবে। আর আমাদের হানাফী মাযহাব উনার ফতওয়া হচ্ছে ইমামের পিছনে মুক্তাদী শুধুমাত্র সূরা ফাতিহা শরীফই নয়, মূলত কোনো বাকি অংশ পড়ুন...
খলীফাতুল মুসলিমীন, সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূকে আ’যম আলাইহিস সালাম উনাকে স্বয়ং সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি খাছভাবে ফায়েজে ইত্তেহাদী মুবারক দান করেছেন খাছভাবে। যা খলীফাতুল মুসলিমীন সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূকে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার বেমেছাল শান-মান, ফযীলত ও বুযূর্গী মুবারক উনার বহিঃপ্রকাশ।
হযরত ইবনে উমর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্ল বাকি অংশ পড়ুন...
اَلْـحَاصِلُ (উপসংহার)
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, রহমাতুল্লিল আলামীন মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার সম্মানার্থে সৃষ্টির ইতিহাসে এই প্রথম সমস্ত কায়িনাতবাসীসহ আমরা ‘পবিত্র কুদরত মুবারক’ সম্পর্কে এক বিশেষ নিয়ামত ও নিসবতপূর্ণ ইলিম মুবারক লাভ করতে পারলাম। যা সৃষ্টির কারো জানা ছিলো না, কুল কায়িনাতের কারো জানা ছিলো না।
উল্লেখ্য যে, ‘পবিত্র কুদরত মুবারক’ উনার বিষয়টি ‘ইস্তাওয়া’ থেকেও অনেক কঠিন। বাকি অংশ পড়ুন...
সুওয়াল: রাজারবাগ শরীফ সিলসিলা ভুক্তদেরকে সম্মানিত মীলাদ শরীফ পাঠকালে ছলাত শরীফ বলার সময় নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নাম মুবারক না বলে লক্বব মুবারক যথা রসূলিল্লাহ ও হাবীবিল্লাহ বলে থাকেন। আর অন্য যারা মীলাদ শরীফ পড়েন উনারা সরাসরি নাম মুবারক বলেন।
আবার সালাম পেশ করার সময় আপনারা আসসালামু আলাইকুম ইয়া রসূলাল্লাহ, আসসালামু আলাইকুম ইয়া নাবিয়্যাল্লাহ, আসসালামু আলাইকুম ইয়া হাবীবাল্লাহ বলেন। আর অন্যরা ইয়া নাবী সালামু আলাইকা, ইয়া রসূল সালামু আলাইকা, ইয়া হাবীব সালামু আলাইকা বলে থাকেন।
স বাকি অংশ পড়ুন...
সুওয়াল:
কেউ কেউ পবিত্র সূরা কাহাফ শরীফ উনার ১১০ নং আয়াত শরীফ এবং পবিত্র সূরা হামীম সাজদাহ শরীফ উনার ৬ নং আয়াত শরীফ-
قل انـما انا بشر مثلكم يوحى الى
দলীল হিসেবে গ্রহণ করে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে অন্যান্য মানুষের মতো বলতে চায়। তাদের বক্তব্য কতটুকু গ্রহণযোগ্য?
জাওয়াব: (২য় অংশ)
পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে অন্যত্র ইরশাদ মুবারক হয়েছে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
ينساء النبى لستن كاحد من النساء
অর্থ: হে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম! আপনারা অন্য কোন মহিলাদের মতো নন। (পবিত্র সূর বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র কুদরত মুবারক উনার কাইফিয়্যাত মুবারক সম্পর্কে কল্পনাতীত বেমেছাল খোদায়ী ইলিম মুবারক বিতরণ:
মহান আল্লাহ পাক তিনি সমস্ত হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের থেকে ওয়াদা মুবারক নিলেন। যিনি খ্বালিক্ব¡ মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
وَاِذْ اَخَذَ اللهُ مِيْثَاقَ النَّبِـيّٖنَ لَمَاۤ اٰتَيْتُكُمْ مِّنْ كِتٰبٍ وَّحِكْمَةٍ ثُـمَّ جَآءَكُمْ رَسُوْلٌ مُّصَدِّقٌ لِّـمَا مَعَكُمْ لَتُؤْمِنُنَّ بِهٖ وَلَتَنْصُرُنَّهٗ قَالَ ءَاَقْرَرْتُـمْ وَاَخَذْتُـمْ عَلـٰى ذٰلِكُمْ اِصْرِىْ قَالُوْاۤ اَقْرَرْنَا قَالَ فَاشْهَدُوْا وَاَنَا مَعَكُمْ مِّنَ الشّٰهِدِيْنَ. فَمَنْ تَوَلّٰـى بَعْدَ ذٰلِكَ فَاُولٰٓـئِكَ هُمُ الْفٰسِقُوْنَ
বাকি অংশ পড়ুন...
সুওয়াল: রাজারবাগ শরীফ সিলসিলা ভুক্তদেরকে সম্মানিত মীলাদ শরীফ পাঠকালে ছলাত শরীফ বলার সময় নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নাম মুবারক না বলে লক্বব মুবারক যথা রসূলিল্লাহ ও হাবীবিল্লাহ বলে থাকেন। আর অন্য যারা মীলাদ শরীফ পড়েন উনারা সরাসরি নাম মুবারক বলেন।
আবার সালাম পেশ করার সময় আপনারা আসসালামু আলাইকুম ইয়া রসূলাল্লাহ, আসসালামু আলাইকুম ইয়া নাবিয়্যাল্লাহ, আসসালামু আলাইকুম ইয়া হাবীবাল্লাহ বলেন। আর অন্যরা ইয়া নাবী সালামু আলাইকা, ইয়া রসূল সালামু আলাইকা, ইয়া হাবীব সালামু আলাইকা বলে থাকেন।
স বাকি অংশ পড়ুন...
সুওয়াল:
কেউ কেউ পবিত্র সূরা কাহাফ শরীফ উনার ১১০ নং আয়াত শরীফ এবং পবিত্র সূরা হামীম সাজদাহ শরীফ উনার ৬ নং আয়াত শরীফ-
قل انـما انا بشر مثلكم يوحى الى
দলীল হিসেবে গ্রহণ করে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে অন্যান্য মানুষের মতো বলতে চায়। তাদের বক্তব্য কতটুকু গ্রহণযোগ্য?
জাওয়াব: (১ম অংশ)
নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে যারা অন্যান্য মানুষের মতো বলতে চায় তারা মূলত আশাদ্দুদ দরজার জাহিল ও পথভ্রষ্ট। নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া বাকি অংশ পড়ুন...
সুওয়াল:
তাকবীরে তাশরীক কাকে বলে এবং কতবার বলতে হয়?
জাওয়াব:
পবিত্র যিলহজ্জ মাসের ৯ তারিখ ফজর থেকে ১৩ তারিখ আছর পর্যন্ত মোট ২৩ ওয়াক্ত ফরয নামাযের পর যে তাকবীর পাঠ করা হয় তাকেই তাকবীরে তাশরীক বলে। জামায়াতে বা একাকী, মুসাফির অথবা মুকীম, শহর অথবা গ্রামে প্রত্যেককেই প্রতি ফরয নামাযের পর উক্ত তাকবীর পাঠ করতে হবে।
“দুররুল মুখতার” কিতাবে উল্লেখ আছে যে, “তাকবীরে তাশরীক” একবার বলা ওয়াজিব, তবে যদি (কেউ) একাধিকবার বলে, তাহলে তা ফযীলতের কারণ হবে। আর “ফতওয়ায়ে শামী” কিতাবে উল্লেখ আছে-
وقيل ثلاث مرات
অর্থ: কেউ কেউ বলেছেন (তাকবীরে তাশ্রীক) তিনবার।” “গ বাকি অংশ পড়ুন...
আল-ইহসান প্রতিবেদন:
ছাহিবাতু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, হাবীবাতুল্লাহ, ছাহিবায়ে নেয়ামত, রহমাতুল্লিল আলামীন, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, ঈদুল আদ্বহা উনার রাত্রি জাগ্রত থেকে ইবাদত-বন্দেগী, তাসবীহ-তাহলীল, কুরআন শরীফ তিলাওয়াত, দরুদ শরীফ, মীলাদ শরীফ পাঠ ও দোয়া করতে হবে। কেননা সম্মানিত হাদীছ শরীফে বর্ণিত রয়েছে- “নিশ্চয়ই পাঁচ রাত্রিতে দোয়া নিশ্চিতভাবে কবুল হয়। ( বাকি অংশ পড়ুন...
সুওয়াল:
বোরকা কেমন হওয়া উচিত?
জাওয়াব:
বোরকা কালো হওয়াই উচিৎ। কারণ বোরকা পরিধান করা হয়ে থাকে বেগানা বা পরপুরুষের সাথে পর্দা রক্ষা করার জন্য এবং পরপুরুষের নিকট যাতে সৌন্দর্য প্রকাশিত না হয় সেজন্য। কালো ব্যতীত অন্য রংয়ের কাপড় পরিধানে সৌন্দর্য প্রকাশিত হয়, সেজন্য শুধুমাত্র কালো রঙের বোরকা পরিধান করাই আবশ্যক।
সুওয়াল:
পাতলা ও চিপা পোশাক পরিধান করা কতটুকু ঠিক?
জাওয়াব:
যেসব পাতলা ও চিপা পোশাক পরিধান করলে শরীর দেখা যায় তা পরিধান করা জায়িয নেই। এমন ধরনের পোশাক পরিধান করা উচিৎ যেন শরীর দেখা না যায়। কারণ পোশাক পরিধানের উদ্দেশ্যই হচ্ছ বাকি অংশ পড়ুন...












