আর মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার শান-মান মুবারকে বলা হচ্ছে-
وَرِضْوَانٌ مِّنَ اللهِ أَكْبَرُ
যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক উনার রেজামন্দি ও সন্তুষ্টি মুবারক সবচাইতে বড়। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!
এখন উম্মতদেরকে বলা হলো, তোমাদের জন্য ফরযে আইন, যেহেতু তোমরা ঈমানদার দাবি করো, মু’মিন দাবি করো। এখানে মু’মিন মাত্র বলা হয়েছে। মু’মিনের অনেক স্তর, কোথায় নবী, কোথায় রসূল এরপর কোথায় মহাসম্মানিত হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লা বাকি অংশ পড়ুন...
সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আস সাবিয়াহ আলাইহাস সালাম উনার সম্মানার্থে এই পর্দা মুবারক পাওয়া গেল এবং সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ ছিদ্দীক্বাহ আলাইহাস সালাম উনার সম্মানার্থে এই বিষয়টা জানা গেল। উনাদের কাউকে গ্রহণ করা জায়িয নেই এবং কল্পনা করাটাও জায়িয নেই। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! এবং সমষ্টিগতভাবে উনাদের সকলের উছীলা মুবারকে জানা গেল যে, উনাদের কাছে কিছু চাইতে গেলে সেটা পর্দার আড়াল থেকে চাইতে হবে এবং শুধু পর্দার আড়াল থেকে চাইতে হবে তা নয়, অন্তরে কোন চু-চেরা কীল-কাল য বাকি অংশ পড়ুন...
অর্থাৎ এখানে হযরত আনাস বিন মালিক রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু যিনি খাদিমে রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। তিনি বলেন, আমি এখানে উপস্থিত ছিলাম। সকলের খাবার শেষ হয়ে গেল, কয়েকজন ছাহাবী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা বসে আলোচনা করতেছিলেন। আর তখনও পর্দার আয়াত শরীফ নাযিল হয়নি, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আস সাবিয়াহ আলাইহাস সালাম তিনি বিপরীত পাশে সেই মহাসম্মানিত হুজরা শরীফ উনার দিকে চেহারা মুবারক করে বসে ছিলেন। কিন্তু কয়েকজন ছাহাবী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা এখানে বসে আলোচনা করতেছিলেন। মহাসম্মানিত মহ বাকি অংশ পড়ুন...
যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, বিশেষ করে পর্দার যে বিষয়টা।
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لَا تَدْخُلُوا بُيُوتَ النَّبِيِّ إِلَّا أَنْ يُّؤْذَنَ لَكُمْ إِلٰى طَعَامٍ غَيْرَ نَاظِرِينَ إِنَاهُ وَلٰكِنْ إِذَا دُعِيتُمْ فَادْخُلُوا فَإِذَا طَعِمْتُمْ فَانتَشِرُوا وَلَا مُسْتَأْنِسِينَ لِحَدِيثٍ
পর্দার জন্য মোট সরাসরি সাতখানা পবিত্র আয়াত শরীফ নাযিল করেছেন যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ তিনি। তারমধ্যে তিনখানা হচ্ছেন পবিত্র সূরা নূর শরীফে, চারখানা পবিত্র সূরা আহযাব শরীফে। এসব পর্দার মূল পবিত্র আয়াত শরীফ। এ পবিত্র আয়াত শরীফ উনার শানে নুযূলে বাকি অংশ পড়ুন...
এরপর আরো ফায়সালা মুবারক করলেন যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি-
وكَفٰى بِاللهِ حَسِيبًا.
“তোমাদেরকে এজন্য হিসাব-নিকাশ দিতে হবে না। এ বিষয় তোমাদেরকে জবাবদিহী করতে হবে না।”
অর্থাৎ যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি এ বিষয় ফায়সালাকারী। এ বিষয় উনাকে জবাবদিহী করতে হবে না। যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ফায়সালা মুবারক করলেন, তোমরা এখানে কথা বলতে আসো কেন? যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি বলে দিলেন তোমাদেরকে এ বিষয় জবাবদিহীতা করতে হবে না। তিনি ফায়সালা মুবারক কর বাকি অংশ পড়ুন...
এজন্য সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আস সাবিয়াহ আলাইহাস সালাম তিনি বলেন-
وَلَاشَاهِدٌ وَّلَا وَلِيٌ
‘আমার নিসবাতুল আযীম শরীফে কোন শাহিদ, সাক্ষীর প্রয়োজন হয়নি এবং কোন ওলীরও প্রয়োজন হয়নি। সুবহানাল্লাহ! যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি আমার সাক্ষী এবং ওলী। ’ সুবহানাল্লাহ!
زَوَّجْنَاكَهَا
“আমি আপনার নিসবাতুল আযীম শরীফ সম্পন্ন করে দিলাম। ” সুবহানাল্লাহ!
এটা হচ্ছে শুধু একটি শরীয়ত উনার হুকুম জারি করার জন্য। যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি বললেন, আমি আপনার সাথে উনার মহাসম্মানিত নিসবাতুল আযীম শরীফ সম্ বাকি অংশ পড়ুন...
এই বিষয় সম্পর্কে আরো অনেক পবিত্র হাদীছ শরীফ বর্ণিত রয়েছে। কাফির, মুশরিক, মুনাফিকরা বলে থাকে মানুষের ভয়ে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বিষয়টি চুপিয়ে রেখেছেন, বলেননি, পরে যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র আয়াত শরীফ নাযিলের মাধ্যমে তা প্রকাশ করে দিয়েছেন। নাউযুবিল্লাহ! এর পিছনে আরো আয়াত শরীফ রয়েছে। কাফির, মুশরিক, মুনাফিকদের অপপ্রচারের জবাব দিয়ে যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি বললেন, যে আমার প্রিয়তম হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনার সে বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
وَإِذْ تَقُولُ لِلَّذِي أَنْعَمَ اللهُ عَلَيْهِ وَأَنْعَمْتَ عَلَيْهِ أَمْسِكْ عَلَيْكَ زَوْجَكَ، وَاتَّقِ اللهَ وَتُخْفِي فِي نَفْسِكَ مَا اللهُ مُبْدِيهِ وَتَخْشَى النَّاسَ وَاللهُ أَحَقُّ أَن تَخْشَاهُ
“যখন আপনি মহাসম্মানিত হাবীব পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে বললেন। (কি বললেন?) যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি যে বিশেষ ব্যক্তিত্ব উনাকে নিয়ামত মুবারক দিয়েছেন, আপনিও উনাকে নিয়ামত মুবারক দিয়েছেন। আপনি আপনার মহাসম্মানিত আহলিয়া আলাইহাস সালাম উনাকে হিফাযতে রাখুন। (অর্থাৎ উনাকে তালাক্ব যেন তিনি না দেন বাকি অংশ পড়ুন...
স্বয়ং যিনি খ্বলিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
وَمَا يَنطِقُ عَنِ الْهَوٰى، إِنْ هُوَ إِلاَّ وَحْيٌ يُّوحٰى
“তিনি ওহী মুবারক ছাড়া কোন কথা বলেন না, কোন কাজ মুবারক করেন না, কোন সম্মতি মুবারকও দেন না। ” সুবহানাল্লাহ!
মহাসম্মানিত রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উনাদের দু’জনের মধ্যে সম্মানিত নিসবতে আযীম শরীফ উনার ব্যবস্থা গ্রহণ করলেন। সুবহানাল্লাহ! এ বিষয়টা যখন প্রথমতঃ সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আস সাবিয়াহ আলাইহাস সালাম তিনি এবং উনার ভাই হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে জা বাকি অংশ পড়ুন...
‘হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের শান-মান, মর্যাদা-মর্তবা মুবারকের কোন মেছাল নেই। উনারা মহাসম্মানিত মহাপবিত্র আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের অন্তর্ভুক্ত। সুবহানাল্লাহ! উনারা কারো মতো নন। এই বিষয়টা সকলকে ফিকির করতে হবে। জিন-ইনসান বুঝতে না পারার কারণে মহাসম্মানিত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের শান-মান প্রকাশ করতে পারেনি। উনাদের শান-মানের খিলাফ অনেকে বক্তব্য পেশ করেছে। নাউযুবিল্লাহ! যে বিষয়গুলো কাট্টা কুফরী, ঈমানহারা হওয়ার কারণ, জাহান্নামী হওয়ার কারণ। নাউযুবিল্লাহ!
যিনি খ¦লিক যিনি মালিক য বাকি অংশ পড়ুন...
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
(১)
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- মহান আল্লাহ পাক উনার নিদর্শন সম্বলিত দিবস মুবারকগুলোকে স্মরণ করিয়ে দিন সমস্ত কায়িনাতকে। নিশ্চয়ই এর মধ্যে ধৈর্যশীল ও শোকরগোযার বান্দা-বান্দীদের জন্য ইবরত ও নছীহত রয়েছে।” বাকি অংশ পড়ুন...












