SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%সমূহ%' OR titleBn LIKE '%সমূহ%' OR descriptionEn LIKE '%সমূহ%' OR descriptionBn LIKE '%সমূহ%' OR slug LIKE '%সমূহ%' OR metaTag LIKE '%সমূহ%' OR metaDescription LIKE '%সমূহ%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুয যামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র নামায পড়ার তরতীব বা ধারাবাহিক বর্ণনা
পবিত্র নামায আদায় করার ইচ্ছা করলে, প্রথম পবিত্র নামাযের জন্য সোজা হয়ে দাঁড়াতে হবে। দাঁড়ানোর সময় পাদ্বয়ের মাঝখানে চার আঙ্গুল হতে এক বিঘত পরিমাণ ফাঁক রেখে দাঁড়াতে হবে। স্বাস্থ্যের কারণে এক বিঘত ব্যবধানের মধ্যে দাঁড়ানো সম্ভব না হলে যেভাবে দাঁড়ালে আসান বা সহজ হয় সেভাবে দাঁড়াবে।
পবিত্র নামাযের নিয়ত করে দু’হাত উঠিয়ে দু’টি বৃদ্ধাঙ্গুলি দ্বারা দু’কানের লতি স্পর্শ করবে, মাথা সোজা রাখবে। স্ত্রীলোক হলে তার অঙ্গুলিগুলোর অগ্রভাগকে দু’কাঁধের বরাবর উঠাবে। দু’হাত উঠাবার সময় অঙ্গুলিগুলোকে বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
قُلْ إِنَّمَا حَرَّمَ رَبِّيَ الْفَوَاحِشَ مَا ظَهَرَ مِنْهَا وَمَا بَطَنَ وَالإِثْمَ وَالْبَغْيَ بِغَيْرِ الْحَقِّ وَأَن تُشْرِكُواْ بِاللّهِ مَا لَمْ يُنَزِّلْ بِهِ سُلْطَانًا وَأَن تَقُولُواْ عَلَى اللّهِ مَا لاَ تَعْلَمُونَ
অর্থ: আমার সম্মানিত হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি বলে দিন, আমার রব তায়ালা তিনি সমস্ত প্রকার অশ্লীল বিষয়সমূহ হারাম করেছেন সেটা প্রকাশ্য হোক এবং অপ্রকাশ্য হোক। আর হারাম করেছেন সমস্ত গুনাহের কাজ, অন্যায়-অত্যাচার। মহান আল্লাহ পাক উনার সাথে এমন বস্তুকে শরীক করা, তিনি যার কোন সনদ বা দলীল নাযিল করেননি। আর মহান আল্লাহ পাক বাকি অংশ পড়ুন...
৩১। শায়েখ বা মুর্শিদ কিবলা উনার শান-মান, মর্যাদা-মর্তবার খেলাফ কোন কাজ-কর্ম, কথা-বার্তা, আচার-আচরণ কিংবা অন্য কোন বিরুপ মন্তব্য করবে না।
কেননা তা ফায়েজ-তাওয়াজ্জুহ হাছিলের ক্ষেত্রে বিরাট অন্তরায়। কোন কোন ক্ষেত্রে ঈমান ও আমল বিনষ্টের কারণও বটে। যেমনিভাবে হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের বেলায় ঈমান ধ্বংসের কারণ তথা কুফরী এবং মুনাফিকীর অন্তর্ভুক্ত।
সীরতে ইবনে হিশামসহ অন্যান্য সীরাত গ্রন্থসমূহে উল্লেখ আছে যে, ৯ম হিজরীতে তাবুকের জিহাদ সংঘটিত হয়। এ জিহাদে যাওয়ার পথে এক স্থানে সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন ন বাকি অংশ পড়ুন...
ইহুদীসংঘের তথাকথিত মানবাধিকার সনদের পরিচিতি:
ক্রিমিনোলজি (অপরাধ বিজ্ঞান) এর আলোকে, মানুষ মূলত একটি জটিল সত্তা যার আচরণ বিভিন্ন কারণ দ্বারা প্রভাবিত হয়।
ক্রিমিনোলজির প্রধান কথা হলো কিছু মানুষের মধ্যে আগ্রাসী বা আত্মনিয়ন্ত্রণে দুর্বলতা দেখা যেতে পারে, যা তাদের অপরাধ করার প্রবণতাকে বাড়িয়ে তোলে।
অথচ মানবাধিকার সনদে এই আত্মনিয়ন্ত্রণ বা নফস নিয়ন্ত্রণের এবং শয়তানের কুমন্ত্রনা থেকে বেঁচে থাকার কোনো কথা, সংজ্ঞা, ব্যাখ্যা বা আলোচনা নেই।
বরং ইহুদীসংঘের তথাকথিত সনদ অনুযায়ী নফস ও শয়তানের খেয়াল খুশি মত চলা এবং চলতে দেয়া অর্থাৎ পবি বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র কুরআন শরীফ তিলাওয়াত : প্রতি হরফে রয়েছে কমপক্ষে দশ নেকী
পবিত্র কুরআন শরীফ তিলাওয়াতের গুরুত্ব-ফযীলত অতুলনীয়। মহান আল্লাহ পাক উনার পক্ষ থেকে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি এই সম্মানিত কিতাব মুবারক নাযিল হয়। সমস্ত আসমানী কিতাব মুবারকের সাইয়্যিদ বা প্রধান হলেন, পবিত্র কুরআন শরীফ। কায়িনাতের মাঝে পবিত্র কুরআন শরীফ শরীফ-ই মহান কিতাব মুবারক, যার তিলাওয়াতে রয়েছে প্রতিটি হরফে হরফে নেকী। সুবহানাল্লাহ!
হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসঊদ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বলেন, নূরে মুজাসস বাকি অংশ পড়ুন...
কামিল শায়েখ বা মুর্শিদ কিবলা উনার ব্যবহৃত কোন বস্ত্র কিংবা অন্য কোন দ্রব্য পেলে তা তাবারুক বা বরকতময় মনে করে তার যথাযথ তা’যীম-তাকরীম করবে এবং ওজুসহকারে ব্যবহার করে তার হক আদায় করবে।
একবার মুজাদ্দিদে মিল্লাত ওয়াদ দ্বীন, হযরত ইমাম আহমদ ইবনে হাম্বল রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি খুশি হয়ে এক ব্যক্তিকে একটি জিনিস দান করেছিলেন। বস্তুটি তেমন মূল্যবান ছিলো না। তবুও অন্য এক ব্যক্তি উনার নিকট হতে তা অধিক মূল্যে ক্রয় করতে চাইলো। সেই ব্যক্তি বললো, “ভাই! আপনার ঐ জিনিসটি আমাকে দিন। আমি আপনাকে তার দ্বিগুণ মূল্য দিবো।” প্রথম ব্যক্তি বললো, “দ্বিগ বাকি অংশ পড়ুন...
‘ইনসাফ কায়েমকারী ছাত্র-শ্রমিক-জনতা’ ‘ইনসাফ কায়েমকারী ছাত্র-শ্রমিক-জনতা’র উদ্যোগে গতকাল ইয়াওমুল জুমুয়াবার এক বিশাল মহাসমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে সৎ কাজের আদেশ ও অসৎ কাজের নিষেধের ঈমানী দায়িত্ব পালনে মহাসমাবেশ থেকে সরকারের প্রতি নি¤েœাক্ত দাবিসমূহ উত্থাপন করা হয়:
১. রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ (১২ই রবীউল আউওয়াল শরীফ) পালন:
সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় পবিত্র ১২ই রবীউল আউওয়াল শরীফ পালন করতে হবে। সাইয়্যিদুশ শুহুর পবিত্র রবীউল আউওয়াল শরীফ মাসজুড়ে সরকারি ছুটি ঘোষণা, সর্বোচ্চ বাজেট বরাদ্দ বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
وَمِنَ النَّاسِ مَنْ يَشْتَرِيْ لَهْوَ الْحَدِيْثِ لِيُضِلَّ عَنْ سَبِيْلِ اللهِ بِغَيْرِ عِلْمٍ وَّيَتَّخِذَهَا هُزُوًا ۚ أُولٰئِكَ لَهُمْ عَذَابٌ مُّهِيْنٌ.
অর্থ: “লোকদের মধ্যে কিছু এরূপ আছে যে, “লাহওয়াল হাদীছ” বা সঙ্গীত বা গান-বাজনা করে, এ কারণে যে, (লোকদেরকে) বিনা ইলিমে মহান আল্লাহ পাক উনার পথ হতে সরিয়ে দেয় এবং তা হাসি-ঠাট্টারূপে ব্যবহার করে। তাদের জন্য রয়েছে অপমানজনক শাস্তি।” (পবিত্র সূরা লুক্বমান শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ-৬)
অনুসরণীয় হযরত মুফাসসিরীনে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনারা উক্ত পবিত্র আয়াত শরীফ উনার ব্যাখ্যায় “গান-বা বাকি অংশ পড়ুন...
সম্মানিত গাযওয়াতুল হুদাইবিয়াহ বা হুদায়বিয়ার জিহাদ মুবারক:
সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার মাঝে যে সমস্ত জিহাদ বা যুদ্ধ সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার ইতিহাসে প্রসিদ্ধ ও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে আছে তন্মধ্যে গাযওয়াতুল হুদায়বিয়া বা হুদায়বিয়ার জিহাদ অন্যতম। সুবহানাল্লাহ! একেصُلْحُ الْهُدَيْبِيَةِ বা হুদায়বিয়ার সন্ধিও বলা হয়।
৬ষ্ঠ হিজরীর ১লা যিলক্বদ শরীফ ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম শরীফ সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আস সাদিসাহ আলাইহাস সালাম উনাকে সাথে নিয়ে স্বয়ং সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্ বাকি অংশ পড়ুন...
একজন তরীক্বতপন্থীর নিকট ‘শাজরা শরীফ’-এর গুরুত্ব অপরিসীম। এর দ্বারা প্রত্যেক মুরীদ তার মুর্শিদ ক্বিবলা উনার সিলসিলা কিভাবে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পর্যন্ত পৌঁছলো তা জানতে পারে।
‘শাজরা’ ও ‘সিলসিলা’ দুটি শব্দই আরবী। এর আভিধানিক অর্থ
যথাক্রমে বৃক্ষ (গাছ) ও শিকল। আর ইসলামী পরিভাষায় এর অর্থ মাশায়িখে তরীক্বতগণ উনাদের মুবারক নামসমূহের তরতীব; যা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পর্যন্ত পৌঁছেছে।
একজন মুরীদের জন্য তার মুর্শিদ ক্বিবলা উনা বাকি অংশ পড়ুন...
আব্বাসীয় ও মামলুক শাসনামলে:
ইতিহাসে দেখা যায়, উমাইয়াদের মতো আব্বাসীয় শাসকরাও ডাকব্যবস্থার উন্নয়নকে গুরুত্বের সঙ্গে নিয়ে সালতানাত পরিচালনার কাজে তা প্রধান নিয়ামক হিসেবে গ্রহণ করেছেন। আব্বাসীয় শাসক আবু জাফর মনসুর বলতেন, আমার ঘরে সবসময় চার প্রকার ব্যক্তির উপস্থিতি জরুরী। সবসময় তাদের দরকার হয় আমার।
জিজ্ঞেস করা হলো, তারা কারা? তিনি বললেন, তারা হলেন সালতানাতের ভিত্তি। তাদের অনুপস্থিতিতে সালতানাত অচল। ঠিক যেমন চৌকাঠের খুঁটি থাকে চারটি। একটি যদি অসম্পূর্ণ থাকে, তাহলে তা দুর্বল ও ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে যায়।
১. বিচারক: যিনি মহান বাকি অংশ পড়ুন...












