SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%সন্তুষ্টি%' OR titleBn LIKE '%সন্তুষ্টি%' OR descriptionEn LIKE '%সন্তুষ্টি%' OR descriptionBn LIKE '%সন্তুষ্টি%' OR slug LIKE '%সন্তুষ্টি%' OR metaTag LIKE '%সন্তুষ্টি%' OR metaDescription LIKE '%সন্তুষ্টি%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
وَاللّٰهُ يَخْتَصُّ بِرَحْمَتِهٖ مَنْ يَشَاءُ
অর্থ: “মহান আল্লাহ পাক তিনি যাকে চান উনাকে রহমত মুবারক দ্বারা খাছ করে নেন।” (পবিত্র সূরা বাক্বারাহ শরীফ, পবিত্র আয়াত শরীফ: ১০৫)
এই মহাসম্মানিত আয়াত শরীফ উনার হাক্বীক্বী ও পরিপূর্ণ মিছদাক্ব হচ্ছেন সাইয়্যিদাতুন নিসা, মুত্বহ্হার, মুত্বহ্হির, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি। কেননা মহান আল্লাহ পাক তিনি সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনাকে আখাছ্ছুল খাছ মহাসম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম হিসেবে মনোনীত করেই সৃষ্ বাকি অংশ পড়ুন...
(১)
যিনি তইয়্যিবা, ত্বাহিরা, সাইয়্যিদাতুন নিসা, ফক্বীহাতুন নিসা, আহলে বাইতে রসূল, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম। তিনিই হচ্ছেন মুহসিনীন নেককার মু’মিনা। পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
إِنَّ رَحْمَتَ اللَّـهِ قَرِيبٌ مِّنَ الْمُحْسِنِينَ ﴿٥٦﴾
অর্থ : নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক উনার রহমত মুহসীন তথা ওলীআল্লাহগণ উনাদের কাছেই রয়েছেন। (পবিত্র সূরা আ’রাফ : আয়াত শরীফ ৫৬)
পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে আরো ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
أَلَا إِنَّ أَوْلِيَاءَ اللَّـهِ لَا خَوْفٌ عَلَيْهِمْ وَلَا هُمْ يَحْزَنُونَ ﴿٦٢﴾ الَّذِينَ آمَنُوا وَكَانُوا يَتَّقُونَ বাকি অংশ পড়ুন...
আল-ইহসান প্রতিবেদন:
ছহিবাতু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, হাবীবাতুল্লাহ, ছহিবায়ে নিয়ামত, রহমতুল্লিল আলামীন, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “আর আপনি তাদেরকে সম্মানিত আইয়্যামুল্লাহ শরীফ তথা মহান আল্লাহ পাক উনার বিশেষ বিশেষ দিন মুবারক সম্পর্র্কে স্মরণ করিয়ে দিন, জানিয়ে দিন। সুবহানাল্লাহ! নিশ্চয়ই এই বিশেষ দিন মুব বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ اُمِّ الْمُوْمِنِيْنَ الثَّالِثَةِ الصِّدِّيْقَةِ عَلَيْهَا السَّلَامُ اَنَّهَا كَانَتْ قَدْ اِتَّخَذْتُ عَلٰى سَهْوَةٍ لَّهَا سِتْرًا فِيْهِ تَمَاثِيْلُ فَهَتَكَهُ النَّبِىُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ
অর্থ: সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ ছিদ্দীক্বাহ আলাইহাস সালাম উনার থেকে অপর একটি বর্ণনা মুবারক-এ এসেছে যে, একবার তিনি পবিত্র হুজরা শরীফ উনার জানালা মুবারকে একটি পর্দা মুবারক ঝুলিয়েছিলেন, যাতে প্রাণীর ছবি ছিলো। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি পর্দাটিকে ছিঁড়ে ফেললেন। (মিশ বাকি অংশ পড়ুন...
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
(১)
মহান আল্লাহ পাক উনার প্রতি এবং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করা যেভাবে ঈমান; অনুরূপভাবে হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের প্রতি বিশ্বা বাকি অংশ পড়ুন...
তাই প্রত্যেকের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে-
নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ‘ফালইয়াফরহূ শরীফ’ সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ হাক্বীক্বীভাবে অনন্তকালব্যাপী পালন করার এবং জারী করার কোশেশে মশগূল থাকা।
আল-ইহসান প্রতিবেদন:
ছাহিবাতু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, হাবীবাতুল্লাহ, ছাহিবায়ে নেয়ামত, রহমাতুল্লিল আলামীন, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি কুরআন শরীফে ইরশাদ মুবারক করেন-
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لَا تَتَّخِذُوا عَدُوِّيْ وَعَدُوَّكُمْ أَوْلِيَاءَ تُلْقُوْنَ إِلَيْهِمْ بِالْمَوَدَّةِ وَقَدْ كَفَرُوْا بِمَا جَاءَكُمْ مِّنَ الْحَقِّ يُخْرِجُوْنَ الرَّسُوْلَ وَإِيَّاكُمْ ۙ أَنْ تُؤْمِنُوْا بِاللهِ رَبِّكُمْ إِنْ كُنْتُمْ خَرَجْتُمْ جِهَادًا فِيْ سَبِيْلِيْ وَابْتِغَاءَ مَرْضَاتِيْ ۚ تُسِرُّوْنَ إِلَيْهِمْ بِالْمَوَدَّةِ وَأَنَا أَعْلَمُ بِمَا أَخْفَيْتُمْ وَمَا أَعْلَنتُمْ ۚ وَمَنْ يَفْعَلْهُ مِنكُمْ فَقَدْ ضَلَّ سَوَاءَ السَّبِيْلِ.
অর্থ: হে মু’মিনগণ! তোমরা আমার ও তোমাদের শত্রুদেরকে বন্ধু বা অভিভাবক হিসেবে গ্রহণ করো না। তোমরা তাদের প্রতি মুহব্বত ঢেলে দাও অর্থাৎ তোমরা বাকি অংশ পড়ুন...
৩২। কামিল শায়েখ উনার সন্তুষ্টি-অসন্তুষ্টি উভয়ের মধ্যে নিজের খায়ের বরকত জানবে।
মাহবুবে ইলাহী, হযরত খাজা নিজামুদ্দীন আউলিয়া রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি আরো বলেন, “সবকিছু বিসর্জন দিয়ে মুর্শিদ কিবলা উনার দরবার শরীফে এলাম কিন্তু ‘অমুকের নিকট একটি বিশুদ্ধ কপি দেখেছি’ এই উক্তি আমাকে আজ এই অবস্থায় পৌঁছে দিলো। আমার সবকিছুই ধুলিসাৎ হয়ে গেলো। আমি অবশ্য বলতে পারতাম, “হুযূর! এখানে আমার এমন কি জঘন্য অপরাধ হয়েছে যে, তা ক্ষমার অযোগ্য?” আমি তো শুধু এতটুকুই প্রকাশ করেছি যে, “অমুকের নিকট একটি বিশুদ্ধ কপি আছে, তা দেখেছি মাত্র।” কিন্তু আমি তা বলতে বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের সম্পর্কে ইরশাদ মুবারক করেন-
قُل لَّا اَسْأَلُكُمْ عَلَيْهِ اَجْرًا اِلَّا الْمَوَدَّةَ فِي الْقُرْبٰى
অর্থ: “হে আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি (উম্মতদেরকে) বলুন, আমি তোমাদের নিকট কোন বিনিময় চাই না, তোমাদের পক্ষে বিনিময় দেয়াও সম্ভব নয় এবং এর চিন্তা-ফিকির করাটাও কুফরীর অন্তর্ভুক্ত। তবে উম্মতকে যেহেতু নাজাত লাভ করতে হবে সেজন্য তাদের দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে, তারা যেন হযরত আহলু বাইত শরীফ ও আওলাদুর রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে মুহব্বত করে।” (পবিত্র সূরা শূরা শরীফ: পবিত্র বাকি অংশ পড়ুন...
সম্মানিত খুলাফা ও মুরীদান:
“রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ হযরত মুর্শিদ কিবলা আলাইহিস সালাম তিনি মূলতঃ মাদারজাদ ওলী। তাই শুরু থেকেই উনার অসংখ্য কারামত প্রকাশিত হয়েছে। শিশু অবস্থা থেকেই তিনি মহান আল্লাহ পাক উনার ঘোষিত ছাদিকীন। মূলতঃ শরীয়তের একটি উসূল হলো-
النبى نبيا ولو كان صبيا الولى وليا ولوكان صبيا
অর্থ: যিনি নবী তিনি শিশু অবস্থায়ও নবী, যিনি ওলীআল্লাহ তিনি শিশু অবস্থা থেকেই ওলীআল্লাহ। (শরহে আকাঈদুন্ নাসাফী, আল বাইয়্যিনাত শরীফ)
ইমামুল আইম্মাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে আ’যম, মহান আল্লাহ পাক উনার লক্ষ্যস্থল ওলীআল্লাহ, রাজারবাগ শরীফ উনার হযরত বাকি অংশ পড়ুন...
৩২। কামিল শায়েখ উনার সন্তুষ্টি-অসন্তুষ্টি উভয়ের মধ্যে নিজের খায়ের বরকত জানবে।
উল্লেখ্য যে, কামিল শায়েখ উনার ছোহবত মুবারক ইখতিয়ার থেকে দূরে সরিয়ে দেয়ার জন্য শয়তানী ওয়াসওয়াসা আসা স্বাভাবিক। কিন্তু সেদিকে ধাবিত হওয়া যাবে না। বরং সর্বদা কামিল শায়েখ উনার সন্তুষ্টি তালাশের কোশেশে লিপ্ত থাকতে হবে।
মহান আল্লাহ পাক ও উনার হাবীব, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মা’রিফাত-মুহব্বত, সন্তুষ্টি-রেজামন্দি মুবারক হাছিলের বুনিয়াদ বা ভিত্তি হচ্ছে- “স্বীয় মুর বাকি অংশ পড়ুন...












