বিশ্ববিখ্যাত তাফসীর উনার ইবারতগুলো থেকে বুঝা যাচ্ছে যে, হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা সত্যের মাপকাঠি। উনাদেরকে পবিত্র ঈমান ও আমলের ব্যাপারে অনুসরণ করা মূলত: মহান আল্লাহ পাক উনার ও উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের নির্দেশ মুবারক। চার মাযহাবের ইমামগণ উনাদেরকে উত্তমভাবে অনুসরণ করতেন এবং উনাদের আলোকেই নিজ নিজ মাযহাবকে অকাট্য দলীলের মাধ্যমে ছাবিত করেছেন। এজন্য মাযহাবের অনুসরণ করার অর্থই হলো উনাদেরকে অনুসরণ করা। সুবহানাল্লাহ! আর ইহাই ‘আত-তাকলীদুশ শারয় বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র মক্কা শরীফ উনার কাফির সমাজ যখন অহংকার ও অবিশ্বাসে অন্ধ হয়ে সত্যকে অস্বীকার করছিলো, তখন মহান আল্লাহ পাক তিনি প্রকাশ করেছিলেন এমন এক পবিত্র ই’জায শরীফ, যা আকাশ ও পৃথিবীকে একসাথে সাক্ষী বানিয়ে দেয়। সে পবিত্র ই’জায শরীফই আজ আমরা বর্ণনা করছি।
হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। পবিত্র মক্কা শরীফ উনার আকাশ যখন গভীর রাতে জ্যোৎস্নায় ছেয়ে গিয়েছিলো। পূর্ণ চাঁদ তার সমস্ত সৌন্দর্য আর দীপ্তি নিয়ে আকাশম-লে বিরাজ করছিলো। ঠিক সেই সময় কুফর ও অহংকারে অন্ধ মুশরিকদের একটি বিরাট দল পরস্পর একস্থানে এক বাকি অংশ পড়ুন...
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
সমাজ জীবনে সাধারণ মুসলমান তো বটেই, কার্যক্ষেত্রে আলিম দাবিদারদের মাঝেও পবিত্র কুরআন শরীফ নিয়ে ফিকিরের প্রবণতা তথা এর হাক্বীক্বত উপলব্ধির চেতনা খুবই কম পরিলক্ষিত হয়। এই উদাসীনতার দিকে নির্দেশ করে মহান আল্লাহ্ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “তারা কি পবিত্র কুরআন শরীফ সম্পর্কে ফিকি বাকি অংশ পড়ুন...












