SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%শেফা%' OR titleBn LIKE '%শেফা%' OR descriptionEn LIKE '%শেফা%' OR descriptionBn LIKE '%শেফা%' OR slug LIKE '%শেফা%' OR metaTag LIKE '%শেফা%' OR metaDescription LIKE '%শেফা%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
(৮ম পর্ব)
যে এক দিরহাম খরচ করলে, কে কতটুকু লাভ করবে সেটা তিনি বন্টন করে দিচ্ছেন। কী? এক লাল সোনার পাহাড়। আল্লাহ পাক উনার রাস্তায় ইয়াতিমদের ভরণ-পোষণের জন্যে খরচ করা। সুবহানা মামদূহ মুর্শিদ কিবলা আলাইহিস সালাম!
এখন ওয়াকেয়া তো অনেকগুলো হয়ে যাচ্ছে মনে রাখতে পারবেন? যে সংক্ষেপে বলি- একবার দূর্ভিক্ষ দেখা গেলো এক বুযূর্গ ব্যক্তি তিনি অনেক খরচ করতেন সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ উপলক্ষ্যে। দুর্ভিক্ষের সময় এখন বিভিন্ন লোকজন বিভিন্ন কিছু বলছে। যে দুর্ভিক্ষের সময় এখন সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিশ শুহূর, শাহরুল আ’যম শরীফ মাস আসছেন তিনি প্রস্তুতি নিচ্ বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে কালোজিরার অনেক উপকারিতা বর্ণিত রয়েছে । এ প্রসঙ্গে পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ أَبِي هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ أَنَّ رَسُولَ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ مَا مِنْ دَاءٍ إِلَّا فِي الْحَبَّةِ السَّوْدَاء مِنْهُ شِفَاءٌ إِلَّا السَّامَ.
অর্থ: “হযরত আবূ হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, মৃত্যু ছাড়া এমন কোন রোগ নেই কালোজিরায় যার আরোগ্য নেই।” (মুসলিম শরীফ : কিতাবুস সালাম : পবিত্র হা বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে কালোজিরার অনেক উপকারিতা বর্ণিত রয়েছে । এ প্রসঙ্গে পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ أَبِي هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ أَنَّ رَسُوْلَ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ مَا مِنْ دَاءٍ إِلَّا فِي الْحَبَّةِ السَّوْدَاءِ مِنْهُ شِفَاءٌ إِلَّا السَّامَ.
অর্থ: “হযরত আবূ হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, মৃত্যু ছাড়া এমন কোন রোগ নেই কালোজিরায় যার আরোগ্য নেই।” (মুসলিম শরীফ : কিতাবুস সালাম : পবিত্র বাকি অংশ পড়ুন...
সাতক্ষীরা সংবাদদাতা:
এক সময় সাতক্ষীরার উপকূলীয় জনপদ আশাশুনি ও শ্যামনগরের গ্রামগুলো ছিল আম, কাঁঠাল, জাম ইত্যাদি জাতের ফলগাছে সমৃদ্ধ। বাড়ির আঙিনায় দেখা মিলতো আম, জাম, জামরুল, কাঁঠাল, লিচু, পেয়ারা, সফেদা, বিলম্বি, জলপাই, কুল, করমচা ও নারকেল গাছ।
কিন্তু গত দুই দশকে ঘূর্ণিঝড় ও নদীর বেড়িবাঁধ ভেঙে লোকালয়ে লবণাক্ত পানি প্রবেশ করায় মাটির ক্রমবর্ধমান লবণাক্ততা বদলে দিয়েছে সেই চিত্র। অনেক এলাকায় বিলুপ্তির পথে চলে গেছে পরিচিত ফলগাছের বহু জাত।
যেখানে আম, কাঁঠাল কিংবা লিচু টিকতে পারছে না, সেখানে নতুন করে জায়গা করে নিচ্ছে তাল, নারকেল, তেঁতুল, বাকি অংশ পড়ুন...
যমযমের পানি ক্ষুধার্তের খাদ্য ও রোগের শেফা:
এ প্রসঙ্গে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ أَبِي ذَرٍّ رَضِيَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُ أَنَّ رَسُوْلَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ذَكَرَا زَمْزَمَ فَقَالَ إِنَّهَا مُبَارَكَةٌ إِنَّهَا طَعَامُ طُعْمٍ وَشِفَاءُ سُقْمٍ.
অর্থ: “হযরত আবূ যর গিফারী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। নিশ্চয়ই নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, নিশ্চয়ই যমযমের পানি বরকতপূর্ণ। তা তৃপ্তিকর খাদ্য এবং রোগ নিরাময়ের ঔষধ।” (মু’জামুছ ছগীর বাকি অংশ পড়ুন...
(ধারাবাহিক পর্ব- ০৬)
উল্লেখিত চারটি হাদীছের প্রথম তিনটি সনদের দিক থেকেই বাতিল প্রমাণিত হলো। আর শেষের হাদীছটির সনদ সর্বোচ্চ দুর্বল বলা যেতে পারে। কিন্তু ইবনে কাইয়্যুমের বক্তব্য অনুযায়ী এটার সনদও প্রমাণিত নয়।
তবে সনদের দিক থেকে এটা দুর্বল হলেও মতনের দিক থেকে পুরাই বানোয়াট, মিথ্যা, জাল হাদীছের অন্তর্ভুক্ত। কারণ উল্লেখিত হাদীছগুলো পবিত্র কুরআন শরীফ ও ছহীহ হাদীছ শরীফ উনাদের সম্পূর্ণ খিলাফ। নাঊযুবিল্লাহ!
আরেকটা বিষয় হচ্ছে- গরুর দুধ সম্পর্কে মূল যে বর্ণনা রয়েছে সেখানে ‘গরুর গোশতে রোগ আছে’ এই অংশটা নেই। আর সেই বর্ণনাটাকে সকলেই বাকি অংশ পড়ুন...
(ধারাবাহিক পর্ব- ০৪)
তৃতীয় বর্ণনা:
এটা বর্ণনা করেছেন হযরত ইবনে আদী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি-
حَدَّثَنَا عَبد اللَّهِ بْنُ مُحَمد بْنِ يَاسِينَ، حَدَّثَنا مُحَمد بْنُ مُعَاوِيَةَ الأنماطي، حَدَّثَنا مُحَمد بْنُ زِيَادٍ الطَّحَانُ عَنْ مَيْمُونٍ، عنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رضى الله تعالى عنه قَال قَال رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ سَمْنُ الْبَقَرِ وَأَلْبَانُهَا شفاء ولحومها داء.
অর্থ: (হযরত ইবনে আদী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন,) আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আব্দুল্লাহ ইবনে মুহম্মদ ইবনে ইয়াসীন, তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহম্মদ ইবনে মুআবিয়াহ আনমাত্বী, তিনি বলেন, আমাদের নিকট মুহম্মদ ইবনে যিয়াদ আ বাকি অংশ পড়ুন...
(ধারাবাহিক পর্ব- ০১)
মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব মাহবূব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানার্থে বান্দা-বান্দীদেরকে অসংখ্য-অগণিত নিয়ামত মুবারক দান করেছেন। তারমধ্যে বিশেষ এক নিয়ামত হচ্ছে গরুর গোশত। গরুর গোশত মহান আল্লাহ পাক তিনি মুসলিম উম্মাহর জন্য হালাল করেছেন।
মহান আল্লাহ পাক উনার নৈকট্য হাছিলের অন্যতম একটি মাধ্যম হচ্ছে পবিত্র কুরবানী। আর এই পবিত্র কুরবানীর পশু সমূহের মধ্যে অন্যতম হলো গরু। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি বাকি অংশ পড়ুন...
হিজামা করার স্থানসমূহ-
হযরত আবূ কাবশাহ আনছারী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উনার মহাসম্মানিত মহাপবিত্র নূরুল হুদা মুবারক (মহাসম্মানিত মহাপবিত্র মাথা মুবারক) উনার মাঝখানে এবং দুই মহাসম্মানিত মহাপবিত্র কাঁধ মুবারক উনার মাঝে হিজামা করতেন এবং ইরশাদ মুবারক করতেন, যে ব্যক্তি নিজ শরীরের এ অংশে হিজামা করাবে, সে তার কোন রোগের চিকিৎসা না করালেও কোন ক্ষতি হবে না।
হযরত জাবির রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বর্ণনা করেন, নূরে মুজাসসাম বাকি অংশ পড়ুন...
খাবারের মধ্যে ফুঁক দেওয়া অনেক রোগ পয়দা হওয়ার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি কোন খাবার ঠান্ডা করতে মহাসম্মানিত ফুঁ মুবারক দিতেন না। যদিও উনি মহাসম্মানিত ফুঁ মুবারক দিলে সেই খাবার হতো সর্বশ্রেষ্ঠ নেয়ামতপূর্ণ, বরকতময় ও সেই খাবার গ্রহণকারী পেতেন রুহানী ও জিসমানী শেফা। তথাপি তিনি উম্মতকে শিক্ষা দেয়ার জন্য কোন খাবারে মহাসম্মানিত ফুঁ মুবারক দেননি।
হযরত ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত, সাই বাকি অংশ পড়ুন...
ময়মনসিংহ সংবাদদাতা:
ভালুকায় বকেয়া বেতন, ঈদ বোনাস ও বাৎসরিক ছুটির টাকা পরিশোধের দাবিতে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন শেফার্ড (গ্রুপ) জিন্স লিমিটেড কারখানার শ্রমিকরা। এতে সড়কে প্রায় ৫০ কিলোমিটার যানজট সৃষ্টি হয়েছে। একপর্যায়ে লাঠিচার্জ করে বিক্ষোভকারীদের মহাসড়ক থেকে সরিয়ে দেয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
গতকাল ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) শ্রমিকরা মহাসড়কে অবস্থান নিয়ে অবরোধ কর্মসূচি পালন করেন। পরে প্রায় সোয়া ২টা পর্যন্ত মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করতে থকেন তারা। অবরোধের ফলে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের দুই পাশে যান বাকি অংশ পড়ুন...












