বক চয় এমন একটি সবজি বা শাক যা, দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় ভীষণ জনপ্রিয়। এটিকে চাইনিজ বাঁধাকপিও বলা হয়। এটি শাক হিসেবে রান্না করে খাওয়া হয় বিশেষত ভাজি, ভর্তা, কিংবা স্যুপ হিসেবে। বক চয় সহজলভ্য এবং রান্না করাও সহজ। এটি কেবল সুস্বাদুই নয়, বরং স্বাস্থ্যের জন্যও অত্যন্ত উপকারী যেটি অনেকেই জানে না। তাই আজ আমরা জানবো বক চয়ের উপকারিতা-
রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি:
বক চয় মূলতঃ প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন, খনিজ উপাদানে সমৃদ্ধ এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ফাইটোনিউট্রিয়েন্ট সমৃদ্ধ, এতে উপস্থিত উচ্চমাত্রার ভিটামিন সি এবং অন্যান্য অ্যান্টিঅক্সি বাকি অংশ পড়ুন...
কিতাবে বর্ণিত রয়েছে, একবার এক ব্যক্তি পবিত্র মদীনা শরীফ উনার মধ্যে অবস্থান করে দই খাচ্ছিল। দই খেয়ে সে সমালোচনা করে বলেছিলো, মদীনা শরীফ উনার ‘দই টক’। নাউযুবিল্লাহ! সেই রাত্রিতে উক্ত ব্যক্তি স্বপ্নে দেখলো, স্বয়ং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করছেন, “হে ব্যক্তি, তুমি আমার পবিত্র মদীনা শরীফ উনার দইকে টক বলার ধৃষ্টতা দেখালে। তুমি এখনই আমার পবিত্র মদীনা শরীফ থেকে বের হয়ে যাও।”
অর্থাৎ পবিত্র মদীনা শরীফ উনার মধ্যে প্রস্তুতকৃত দই পবিত্র মদীনা শরীফ উনার প্রতিনিধিত্ব করে, যে কার বাকি অংশ পড়ুন...
বাংলাদেশে প্রাকৃতিক দুর্যোগে সামষ্টিক ক্ষতি নিয়ে তেমন কোনো গবেষণার কথা জানা যায় না। তবে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও) কিছুদিন আগে ৩০ বছরের ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে ‘দ্য ইম্পেক্ট অব ডিজাস্টার এগ্রিকালচার অ্যান্ড ফুড সিকিউরিটি’ শীর্ষক একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।
প্রতিবেদনে বাংলাদেশের ক্ষতি সম্পর্কে বলা হয়।
বোরোতে দুর্যোগের কারণে ২০ থেকে ৭০ শতাংশ পর্যন্ত ক্ষতি হয়। তা ছাড়া আমন-আউশেরও ক্ষতি হয়। বিশেষ করে উত্তরাঞ্চলে তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়ায় বোরো ফসল কম হচ্ছে।
বাংলাদেশের বর্তমান অর্থনৈতিক যে অবস্থান সেখানে ২৫ শতাংশ খাদ্য আম বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
দেশে শিক্ষার্থীদের আত্মহত্যার প্রবণতা উদ্বেগজনক হারে বেড়েছে। ২০২৫ সালে সারাদেশে স্কুল, কলেজ, বিশ^বিদ্যালয় ও মাদরাসার ৪০৩ শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছে। এরমধ্যে দুই-তৃতীয়াংশই ১৩ থেকে ১৯ বছর বয়সী, অর্থাৎ কিশোর-কিশোরী। তাদের আত্মহননের পেছনে হতাশা ও অভিমান সবচেয়ে বড় কারণ হিসেবে উঠে এসেছে।
গতকাল ইয়াওমুস সাবত (শনিবার) আঁচল ফাউন্ডেশন আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য তুলে ধরা হয়। দেশের ১৬৫টি স্থানীয় ও জাতীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত আত্মহত্যা সংক্রান্ত প্রতিবেদন বিশ্লেষণ করে এ সমীক্ষা প্রকাশ করা হয়।
সমীক্ষায় দেখা যায়, ৪০৩ বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
জুমার নামাজ আদায় করতে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। নামাজ শেষে মসজিদ থেকে বের হতেই তিনি পড়েন একঝাঁক কৌতূহলী শিশুর মাঝে। রাজধানীর নৌবাহিনী সদরদপ্তর মসজিদ প্রাঙ্গণে তখন তৈরি হয় ভিন্ন এক আবহ। কোনো প্রটোকলের আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং আন্তরিকতা আর ¯েœহের উষ্ণতা।
গতকাল জুমুয়াবার জুমার নামাজ শেষে নেভি হেডকোয়ার্টার মসজিদের সামনে শিশুদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর মিশে যাওয়ার একটি এখন রীতিমতো আলোচিত।
মসজিদ চত্বরে প্রধানমন্ত্রীকে দেখা মাত্রই একদল শিশু-কিশোর তাকে ঘিরে ধরে। শিশুদের চোখেমুখে তখন বিস্ময় আর আনন্দ। বাকি অংশ পড়ুন...
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, রহমাতুল্লিল আলামীন মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি ১৪৪২ হিজরী শরীফ উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ২রা রজবুল হারাম শরীফ লাইলাতু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আইয়্যাম শরীফ (লাইলাতুল ইছনাইনিল আযীম শরীফ অর্থাৎ সোমবার রাত) মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ‘ফালইয়াফরহূ শরীফ’ সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ মাহফিল মুবারক-এ ইরশাদ মুবারক করেন, “যেমন একটা ঘটনা। এটা আসলে তোমাদের আক্বীদ বাকি অংশ পড়ুন...
ইবরাহীম আল-ফাযারী:
কতিপয় ঐতিহাসিক বলেন, ‘যখন তার ফাঁসির কাষ্ঠ উপরে উত্তোলন করা হলো এবং তার থেকে ফাঁসি কার্যকরী ব্যক্তিদের হাত সরে গেলো, হঠাৎ কাষ্ঠ নরাধমটার চেহারা কিবলার দিক থেকে ফিরিয়ে দিলো। ঠিক তখনই কোথা থেকে দৌড়ে এসে একটি কুকুর নরাধমটার দেহ থেকে দরদর করে বেয়ে পড়া জমাট রক্তে মুখ লাগিয়ে চপচপ করে তা পান করে নিলো!
এই ঘটনাটি উপস্থিত সকলের জন্য মহান আল্লাহ পাক উনার পক্ষ থেকে এক বিরাট নিদর্শন ছিলো। এটা দেখে সকলেই ‘আল্লাহু আকবর’ বলে তাকবীর ধ্বনি দিয়ে আকাশ-বাতাস প্রকম্পিত করে তুললো। তখন কাযী ইয়াহইয়া বিন উমর বলেন- নূরে মুজাসসাম হাবীব বাকি অংশ পড়ুন...
উল্লেখ্য, মুনাফিক সর্দার উবাই বিন সুলূল সে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে বললো, পবিত্র মদীনা শরীফে থেকেই আমাদের জিহাদ করা হবে উত্তম। মুনাফিক সর্দার জোরালোভাবে পবিত্র মদীনা শরীফে অবস্থান করা ও পবিত্র মদীনা শরীফ উনার বাইরে বেরিয়ে জিহাদ না করার প্রতি জোর দিতে থাকে। নাউযুবিল্লাহ!
কিন্তু পরবর্তীতে মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র মদীনা শরীফ উনার বাইরে গিয়ে জিহাদ করার জন্য বললেন। এতে উবাই বিন সুলূল সে জিহাদে না যাওয়ার বিষয়ে নানান চূ-চেরা কিল-কাল করতে লাগলো। নাউযুবিল্লাহ! মূলত নূরে মুজাসসাম বাকি অংশ পড়ুন...
(১ম পর্ব)
সারাদিন রোযা রেখে ইফতারী রোযাদারদের জন্য অধীর আগ্রহ এবং খুশির বিষয়। সাধারণভাবে প্রত্যেক রোযাদারই চায় ইফতারীতে একটু ভালো খেতে। তবে ইফতারীতে অধিকাংশ রোযাদারই মুখরোচক ইফতারী পছন্দ করে। কিন্তু দুঃখজনক হলো যে- এসব মুখরোচক খাবারের সবটুকুই মারাত্মকভাবে স্বাস্থ্যহানিকর ও ভেজালযুক্ত।
ইফতারীতে হরেক রকম রং ব্যবহার করা হয়। ইফতারীর প্রায় সবগুলো সামগ্রী যেমন পেঁয়াজু, ছোলা, আলুর চপ, গোশতের চপ, কাবাব, কাটলেট, তেহারি, হালিম, জিলিপি, বিভিন্ন সিরাপ বা পাউডার দিয়ে ঘরে তৈরি শরবত, বাজারে বিক্রিত প্যাকেটজাত হরেক নামের তথাকথিত আমের বা বাকি অংশ পড়ুন...
গ্রামবাংলার মেঠো পথে গরুর গাড়ি কিংবা ঘোড়ার গাড়ির দৃশ্য নতুন কিছু নয়। কিন্তু তাই বলে ‘ছাগলের গাড়ি’? শুনতে অবাক লাগলেও এমনই এক অভিনব ও চাঞ্চল্যকর যানের দেখা মিলেছে লালমনিরহাটে। গত ১২ ফেব্রুয়ারি দুর্গাপুর দিঘলটারী এলাকার স্থানীয়রা অবাক হয়ে দেখেন, ছাগল দিব্যি টেনে নিয়ে যাচ্ছে ছোট্ট একটি গাড়ি, আর তাতে বসে আছে যাত্রী আসনে শিশুরা।
লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলার দুর্গাপুর দিঘলটারী এলাকার তরুণ খোরশেদ আলম। পেশাগত ব্যস্ততার পাশাপাশি সন্তানদের সময় দিতে একটু বেশীই পছন্দ করেন। বাড়িতে পালন করেন দুটি ছাগল। কিন্তু সমস্যা হলো, সন্তানদের বাকি অংশ পড়ুন...
১৯৭৯ সালে চীনে এক সন্তান নীতি চালু করা হয়। এর লক্ষ্য ছিল জন্মহার কমানো এবং জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার কমানো। দীর্ঘদিন ধরে কার্যত জোর করে এই নীতি মানতে বাধ্য করা হত। জোর করে গর্ভপাত করানো হতো। ভ্রুণ নষ্ট করানো হতো। এক সন্তানের বেশি সন্তান জন্ম নিলে সেই সন্তানকে বহিরাগত বলা হতো। নীতি ভঙ্গের কারণে জরিমানা দিতে হতো। সেটা পরিশোধ না করলে ঘর খালি করে জিনিসপত্র বা পোষাপ্রাণী নিয়ে যাওয়া হতো। অনেক সময় গ্রেফতারও করা হতো।
পরবর্তীতে ২০১৬ সালে এক সন্তান নীতি বাতিল করা হয়। এর বদলে দুই সন্তানের জন্মে ছাড় দেয়া হয়। কিন্তু গত কয়েক বছর ধরে সেই নীতিও প বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
তিন দশকের মধ্যে যুক্তরাজ্যে ‘অতিদরিদ্র’ বাসিন্দার সংখ্যা সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। দেশটিতে বর্তমানে প্রায় ৬৮ লাখ বাসিন্দা ‘অতিদারিদ্রের’ ভেতর বসবাস করছে বলে এক গবেষণায় উঠে এসেছে। সম্প্রতি এক গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ পায়।
যুক্তরাজ্যে ‘জেআরএফ’ তাদের গবেষণা প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুক্তরাজ্যে মোট দারিদ্রের হার ১৯৯৪-৯৫ সালে ২৪ শতাংশ থেকে সামান্য কমে ২০২৩-২৪ সালে ২১ শতাংশ হয়েছে। তবে ‘অতিদারিদ্র্য’ মানুষের সংখ্যা ৮ শতাংশ থেকে বেড়ে ১০ শতাংশ হয়েছে। এর অর্থ, বর্তমানে দেশটিতে দরিদ্র মানুষের মধ্যে প্রায় অর্ধেকই ‘অ বাকি অংশ পড়ুন...












