ইরাক, লিবিয়ার মতই আমেরিকান লুটতরাজের আরেক ভূমি হতে চলছে নাইজেরিয়া।
খ্রিস্টান নিধনের নামে একের পর এক মুসলিম দেশ দখল হলে
কোটি কোটি মুসলিম শহীদের জন্য তো সবার আগে আমেরিকা দখলে
বিশ্ব মুসলিমের উদ্যমী হওয়া উচিত ইনশাআল্লাহ।
নাইজেরিয়া পশ্চিম আফ্রিকার আটলান্টিক মহাসাগরীয় উপকূলে অবস্থিত একটি সার্বভৌম রাষ্ট্র। এর পূর্ণ সরকারি নাম নাইজেরিয়া যুক্তরাষ্ট্রীয় প্রজাতন্ত্র। এর পশ্চিম সীমান্তে বেনিন, উত্তরে নাইজার বা নিজে, উত্তর-পূর্বে চাদ, পূর্বে ক্যামেরুন এবং দক্ষিণে আটলান্টিক মহাসাগর তথা গিনি উপসাগর।
এর আয়তন ৯,২৩,৭৬৮ বর্গকিলোমিট বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
বিশে^ পাট উৎপাদনে বাংলাদেশ দ্বিতীয় স্থানে থাকলেও এর রপ্তানি ও উৎপাদন দুটোই কমেছে। তবে চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম ৬ মাসে আগের সময়ের চেয়ে পাট ও পাটজাত পণ্যের রপ্তানি বেড়েছে। এ রপ্তানিতে ‘আশার আলো’ দেখছেন বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম।
গত বৃহস্পতিবার এক সংবাদ সম্মেলনে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর তথ্যমতে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জুলাই থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রথম ছয় মাসে বিগত সময়ের চেয়ে পাট ও পাটজাত পণ্যের রপ্তানি বেড়েছে। এ সময়ে রপ্তানি হয়েছে ৪১৮ দশমিক ৬৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা গত অর্থবছরে বাকি অংশ পড়ুন...
মোঘল স্থাপত্য শিল্পের এক ঐতিহাসিক নিদর্শন চট্টগ্রামের কদম মুবারক শাহী জামে মসজিদ। এই মসজিদের গঠন, অবকাঠামো, নির্মাণশৈলী, কারুকার্য আকৃষ্ট করে সকলকেই।
জানা যায়, মোঘল শাসক মুহম্মদ শাহ্র শাসনামলে তার নির্দেশে প্রথম মোতোয়াল্লি মুহম্মদ ইয়াসিন খান ১৭১৯ খ্রিস্টাব্দে এই মসজিদ নির্মাণকাজ শুরু করেন। ১৭২৩ সালে নির্মাণ শেষ হয়।
তিনি পবিত্র মদিনা শরীফ থেকে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত কদম মুবারকের ছাপ সম্বলিত পাথর সংগ্রহ করে এনেছিলেন। সেই থেকে মসজিদটির নাম হয়- কদম মুবারক মসজিদ। ন বাকি অংশ পড়ুন...
আলু রফতানীতে কমপক্ষে লাখো কোটি টাকা আয় সম্ভব
আলুর জাতের মান বৃদ্ধি এবং হিমাগার স্থাপনসহ রফতানীর ক্ষেত্রে সব বাধা দূর করে
সরকারকে যথাযথ পৃষ্ঠপোষকতা করতে হবে।
এক কাপ চায়ের দাম ১০ টাকা। অথচ এক কেজি আলু বিক্রি হচ্ছে ৮ থেকে ৯ টাকায়। এমন বৈপরীত্যে হতাশ সারাদেশের আলুচাষিরা। উৎপাদন খরচই যেখানে ওঠে না, সেখানে লাভ তো দূরের কথা। লোকসানের বোঝা টানতেই হাঁপিয়ে উঠেছেন কৃষকেরা। গত বছরের ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে না উঠতেই এবারও একই শঙ্কা ঘিরে ধরেছে তাদের।
অথচ আলুর ভালো ফলন হয়েছে। কিন্তু বাজারদর নেমে গেছে উৎপাদন খরচের নিচে। এতে চাষিরা বড় ধরনের ল বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
নতুন সরকারের ১৮০ দিনের কর্মসূচিতে এনার্জি বা জ্বালানিকে সর্বোচ্চ মনোযোগ দেওয়ার তাগিদ দিয়েছেন শিল্পোদ্যোক্তারা। তারা বলেছেন, কারখানা প্রতিষ্ঠা করলেও বিদ্যুৎ-গ্যাসের অভাবে উৎপাদন করা সম্ভব হয় না। একইসঙ্গে শিল্পকারখানা বান্ধব ব্যাংকনীতি গ্রহণেরও দাবি জানিয়েছেন তারা।
গতকাল ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) রাজধানীর মহাখালীর ব্র্যাক ইন-এ ‘সিপিডি-ডেইলি স্টার আয়োজিত সংলাপে বক্তারা এসব দাবি তুলে ধরেন।
সংলাপে বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের (বিটিএমএ) সভাপতি শওকত আজিজ রাসেল বলেন, নতুন সরকার ১৮০ দিনের করণীয় বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
আসন্ন ঈদকে সামনে রেখে শিল্প-কারখানার শ্রমিকদের বেতন আগামী ৭ কর্মদিবসের মধ্যে দেয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। একইসঙ্গে ঈদের বোনাস যেন আগামী ১২ মার্চের মধ্যে পরিশোধ করা হয়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মালিকপক্ষকে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিতে বলেছেন তিনি।
গতকাল ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) ঢাকায় সিরডাপ ইন্টারন্যাশনাল সেন্টারে এক বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
এসময় শ্রমমন্ত্রী বলেন, আসন্ন ঈদকে সামনে রেখে শিল্প-কারখানার শ্রমিকদের বেতন আগামী ৭ কর্মদিব বাকি অংশ পড়ুন...
মানুষের দৈনন্দিন জীবনে কাগজ অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। আধুনিক সভ্যতার বিকাশে যার ভূমিকা অপরিসীম। আর মুসলমানদের হাতেই সূচনা হয় আধুনিক কাগজশিল্পের।
ইতিহাসমতে, বাগদাদে কাগজ উৎপাদন শুরু হলে তা সর্বসাধারণের নাগালে আসে এবং কাগজের বহুল ব্যবহার শুরু হয়। মুসলমানরাই আফ্রিকা ও ইউরোপ মহাদেশের মানুষকে কাগজের ব্যবহার শিখিয়েছে।
আব্বাসীয় শাসক আল-মানসুর সর্বপ্রথম সালতানাতের সব কাজে কাগজ ব্যবহারের নির্দেশ দেন। বাদশাহ হারুনুর রশিদের সময় ৭৯৪ সালে বাগদাদে মতান্তরে সমরকান্দে মুসলমান বিশ্বের প্রথম কাগজের কল প্রতিষ্ঠিত হয়। হারুনুর রশিদ তার প্ বাকি অংশ পড়ুন...
এই তথাকথিত বাণিজ্যচুক্তির মাধ্যমে কার্যত বাংলাদেশের অর্থনীতি, বাণিজ্য, এমনকি পররাষ্ট্রনীতির ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিরঙ্কুশ আধিপত্য প্রতিষ্ঠার আয়োজন করা হয়েছে।
শিল্প, কৃষি, জ্বালানি থেকে শুরু করে দেশের সব খাতকে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যিক স্বার্থের অধীন করে ফেলা হয়েছে;
বাংলাদেশকে যুক্তরাষ্ট্রের ভূরাজনৈতিক প্রকল্পে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছে, তৃতীয় কোনো দেশের সঙ্গে সম্পর্ক তৈরির ক্ষেত্রে বাংলাদেশের হাত-পা বেঁধে দেওয়া হয়েছে।
ফলে এককথায় এটি জাতীয় স্বার্থবিরোধী এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘনকারী একটি চুক্তি।
চুক্ত বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাধার মুখে পড়ে ইউরোপের বাজার দখলে নিতে মূল্য ছাড় দিচ্ছে চীন। এর ফলে প্রধান বাজারে প্রতিযোগিতার মুখে পড়েছে বাংলাদেশ। তাতে কমছে প্রবৃদ্ধি, বাড়ছে ঝুঁকি।
উদ্যোক্তা নেতারা বলছেন, এ অবস্থা তৈরি পোশাক শিল্পের জন্য বাড়তি ঝুঁকি তৈরি করছে। প্রস্তুতির অভাব হলে সংকট ঘনীভূত হবে।
বাংলাদেশের উদ্যোক্তারা বলছেন, পোশাকের দাম আর কমানো সম্ভব না। সময়ের সঙ্গে উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি পাচ্ছে। ট্রেড ইউনিয়ন নিবন্ধন ইস্যুসহ বিদ্যুৎ, গ্যাস, পরিবহন, বন্দর সমস্যার মত সমস্যা পোশাক শিল্পের লিড টাইম বাড়াবে, তাতে উৎপ বাকি অংশ পড়ুন...
টাঙ্গাইল সংবাদদাতা:
দেলদুয়ারের বাঁশের তৈরি হস্তশিল্পের চাহিদা ব্যাপক। শত বছর ধরে ঐতিহ্যবাহী এই শিল্পে কাজ করছেন স্থানীয় বেশ কয়েকটি গ্রামের দেড় হাজারেরও বেশি মানুষ। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সরকারি সহযোগিতায় ব্যবসার পরিধি বাড়ানোর পাশাপাশি বৈদেশিক মুদ্রা আয়েরও সুযোগ রয়েছে।
টাঙ্গাইল দেলদুয়ারের বর্ণী গ্রামের নুরুন্নবী নামের এক উদ্যোক্তা পারিবারিকভাবে শিখেছেন বাঁশের তৈরি বিভিন্ন হস্তশিল্প তৈরির কাজ।
তার দাবি, উৎপাদিত হস্তশিল্পের পণ্য বিদেশে রপ্তানি করে আয় করছেন বৈদেশিক মুদ্রা। সেই সাথে সরকারের সদিচ্ছায় বিভিন্ন ধরনের প্রশি বাকি অংশ পড়ুন...
বিগত সরকারের আমলে জিডিপিকে যেভাবে ফুলিয়ে-ফাঁপিয়ে দেখানো হয়েছে সেভাবে অর্থনীতিতে বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান ও শিল্প উৎপাদন বাড়েনি। সমসাময়িক প্রতিযোগী অর্থনীতিগুলোর তুলনায় বিনিয়োগ, রফতানি, মানবসম্পদ উন্নয়ন, বিদেশী বিনিয়োগ ও ব্যবসার পরিবেশসহ বিভিন্ন সূচকেই পিছিয়ে বাংলাদেশ। সরকারের পরিসংখ্যান যদি সঠিক হতো তাহলে এসব সূচকে বাংলাদেশ এতটা পিছিয়ে থাকার কথা নয়। তবে বিগত সরকার জিডিপির আকার ও প্রবৃদ্ধি বাড়িয়ে দেখালেও মূল্যস্ফীতি কমিয়ে দেখিয়েছে। ফলে সঠিক তথ্যের অভাবে চাহিদা ও বাজার নিয়ন্ত্রণসহ অর্থনীতির ব্যবস্থাপনাগত সব ক্ষেত্রেই বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদ শেষ হওয়ার ঠিক আগে যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে কিছুটা শুল্ক কমানোর সুবিধা পাওয়ার অজুহাতে একটি বড় ও বিতর্কিত বাণিজ্য চুক্তিতে সই করেছে ইউনূসের সরকার। তবে শুধু শুল্ক কমানোই নয়, এই চুক্তির সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ও কৌশলগত শর্তও যুক্ত হয়েছে।
গত ৯ ফেব্রুয়ারি সই হওয়া ‘এগ্রিমেন্ট অন রেসিপ্রোকাল ট্রেড’ শুধু শুল্ক কমানোর চুক্তি নয়। এর মাধ্যমে এমন বাধ্যবাধকতা তৈরি হয়েছে, যার ফলে বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা, জ্বালানি, বাণিজ্য ও ডিজিটাল খাতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাব বাড়বে।
চুক্তিতে বলা হয়েছে, ব বাকি অংশ পড়ুন...












