SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%শাহরুল%' OR titleBn LIKE '%শাহরুল%' OR descriptionEn LIKE '%শাহরুল%' OR descriptionBn LIKE '%শাহরুল%' OR slug LIKE '%শাহরুল%' OR metaTag LIKE '%শাহরুল%' OR metaDescription LIKE '%শাহরুল%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক:
ফুরফুরা শরীফের হযরত মুজাদ্দিদে যামান রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি হিজরী ১২৬৩ সনে সাইয়্যিদুশ শুহূর, শাহরুল আ’যম, পবিত্র রবীউল আউওয়াল শরীফ উনার ২৮ তারিখ, ইয়াওমুস সাবত (শনিবার) হুগলী জেলার ফুরফরা শরীফে পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করেন।
পবিত্র নসব মুবারক:
ফুরফুরা শরীফের হযরত মুজাদ্দিদে যামান রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি খলীফাতু রসূলিল্লাহ হযরত ছিদ্দীক্বে আকবর আলাইহিস সালাম উনার বংশধর এবং হযরত মাওলানা মনছুর বাগদাদী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার ১৫তম নিম্নপুরুষ। সুবহানাল্লাহ!
হযরত মনছুর বাগদাদী রহমতুল্ল বাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার দীদার মুবারকে তাশরীফ মুবারক নেয়ার অর্থাৎ পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশের বছর হচ্ছেন ১১ হিজরী এবং সে বছরের পবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ অর্থাৎ ১২ই রবীউল আউওয়াল শরীফ। উক্ত মুবারক মাস উনার ১ম দিন থেকে এই শামসী সনের ০ বছর ১ম মাস ১ম দিন শুরু হয়েছে।
তাহলে যে বছর শামসী সন গণনা করা হবে, তত বছর পূর্বে নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিছালী শান মুবারক সংঘটিত হয়েছিল।
তাহলে খুব সহজেই নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লা বাকি অংশ পড়ুন...
ঢাকার সোনারগাঁয়ে পবিত্র দ্বীন ইসলাম প্রচার করার জন্য যারা এসেছিলেন উনাদের মধ্যে হযরত হাজী বাবা সালেহ রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার নাম উল্লেখযোগ্য। হযরত বাবা সালেহ রহমতুল্লাহি আলাইহি বাংলায় স্বাধীন সুলতানদের একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা ছিলেন। তিনি সুলতান জালালউদ্দিন ফতেহ শাহের শাসনামল থেকে আলাউদ্দিন হোসেন শাহের শাসনকাল পর্যন্ত দীর্ঘ সময় সোনারগাঁও অঞ্চলে ছিলেন। কোন কোন বর্ণনা অনুযায়ী তিনি প্রশাসনিক একজন দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ছিলেন।
১৪৮২ খৃ: তিনি বন্দরে শীতলক্ষ্যা নদীর বামতীরে একটি মসজিদ নির্মাণ করেন। ১৫০৪ খৃ: তিনি আমীন বাকি অংশ পড়ুন...
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুয যামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
রাজারবাগ দরবার শরীফ উনার আয়োজনে সাইয়্যিদুশ শুহূর, শাহরুল আ’যম পবিত্র রবীউল আউওয়াল শরীফ উনার সম্মানার্থে এবং সাইয়্যিদু সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ মহাসম্মানিত ১২ই শরীফ উনাদের সম্মানার্থে বিশেষ ইন্তেজামে ৯০ দিনব্যাপী ঐতিহাসিক বিশেষ মাহফিল ১৪৪৮ হিজরী উনার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন গতকাল ইয়াওমুস সাবত (শনিবার) বাদ মাগরিব করা হয়েছে।
রাজারবাগ শরীফ সুন্নতী জামে মসজিদে বাদ মাগরিব আনুষ্ঠানিকভাবে সাইয়্যিদুনা হযরত শাফিউল উমাম আলাইহিস সালাম ও সাইয়্যিদুনা হযরত হাদীউল উমাম আলাইহিস সালাম উনাদের আজিমুশ্বান তাশরীফ মু বাকি অংশ পড়ুন...
চিত্র-০১: পবিত্র মসজিদে জুমুয়ার ঐতিহাসিক ছবি
আল জুমুয়া মসজিদ (আরবি: مسجد الجمعة), এছাড়াও মসজিদটি বনী সেলিম মসজিদ, আল গুবাইব মসজিদ বা আতিকাহ মসজিদ হিসেবে পরিচিত, মসজিদটি পবিত্র মদীনা শরীফ শহরে অবস্থিত। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এবং হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা পবিত্র মক্কা শরীফ থেকে পবিত্র মদীনা শরীফে হিজরত মুবারকের সময় প্রথমবারের মত এই স্থানে পবিত্র জুমার নামাজ আদায় করেছিলেন।
মসজিদের অবস্থান:
মসজিদটি পবিত্র মদীনা শরীফ শহরের দক্ষিণ-পশ্চিমে, ওয়াদি রানুনার বাকি অংশ পড়ুন...
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুয যামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প বাকি অংশ পড়ুন...
ইয়া শাফিয়া মা
মালিকায়ে আযিমা
মাদানী মুহতারমা
আম্মা, ঈদে বিলাদতে
আজি এসেছি সকল উম্মা
শাহরুল আ’যম, সপ্তমী চাঁদ
জনম জনম, মুবারকবাদ
ছল্লাল্লাহ সাইয়্যিদা আম্মাজি
ছল্লাল্লাহ সাইয়্যিদা আম্মাজি
সারা আলম, করছে নিনাদ
শাহী স্বাগতম, জয় জিন্দাবাদ
ছল্লাল্লাহ সাইয়্যিদা আম্মাজি
ছল্লাল্লাহ সাইয়্যিদা আম্মাজি
মোরা নালায়েক অধম (মা....)
চাহি নূরানী করম
ইয়া নূরে মুকাররমা
আম্মা, ঈদে বিলাদতে
আজি এসেছি সকল উম্মা
কুবরায়ী নাজ, রাসূলী নূর
গোলামের তাজ, আম্মা হুজুর
ছল্লাল্লাহ সাইয়্যিদা আম্মাজি
ছল্লাল্লাহ সাইয়্যিদা আম্মাজি
সুন্নি সিরাজ, উম্মে বাকি অংশ পড়ুন...
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
(১)
পবিত্র মাহে রমাদ্বান শরীফ কি করে শাহরুল্লাহ হলো? শাহরুল্লাহ অর্থ স্বয়ং খালিক মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার মাস। সুবহানাল্লাহ! কিন্তু তা কেন? এই উম্মাহর কাছে তার তাৎপর্য কী? মূলতঃ এই মহান মাসে যমীনে তাশরীফ মুবারক ন বাকি অংশ পড়ুন...
সুওয়াল:
এটি দিবালোকের ন্যায় স্পষ্ট যে, রজবুল হারাম মাসের ২৭ তারিখ ইছনাইনিল আযীম শরীফ রাতে পবিত্র বরকতময় মি’রাজ শরীফ হয়েছে। কিন্তু কিছু উলামায়ে ‘সূ’, নামধারী আলেম বিভিন্ন সম্প্রচারমাধ্যম, পত্র-পত্রিকা ও বই-পুস্তকের মাধ্যমে প্রচার করে থাকে যে, মি’রাজ শরীফের তারিখ নিয়ে মতভেদ রয়েছে। তাদের আপত্তি হলো, ২৭শে রজবের রাতেই মি’রাজ শরীফ হয়েছে এ কথা সঠিক নয়। নাউযুবিল্লাহ!
অতএব, এ বিষয়ে সঠিক জাওয়াব তুলে ধরে এর বিভ্রান্তি নিরসন প্রয়োজন।
জাওয়াব: (১ম অংশ)
পবিত্র মি’রাজ শরীফ অনুষ্ঠিত হয়েছে, পবিত্র রজবুল হারাম শরীফের ২৭ তারিখ ইছনাইনিল আযীম শরী বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র রজবুল হারাম শরীফ মাস উনার একটি নাম মুবারক হচ্ছেন আছম্ম (বধির)। অর্থাৎ যে কানে শুনে না। এ বিষয়টি সম্পর্কে কিতাবে এসেছে, প্রত্যেকটি মাস শেষ হলে মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট পেশ করা হয় এবং তা বান্দার ভালো-মন্দ সব বিষয়ের সাক্ষ্য প্রদান করে। পবিত্র রজব মাসকে যখন পেশ করা হয় মহান আল্লাহ পাক তিনি সে মাসকে সম্বোধন করে বলেন, হে মাহে রজব! লোকেরা কি আপনাকে ইজ্জত-সম্মান করেছে? রজব চুপ করে থাকেন। এভাবে দ্বিতীয় ও তৃতীয়বার তাকে জিজ্ঞাসা করেন। অতঃপর রজব মাস বলেন, হে আল্লাহ পাক! আপনি হলেন মহান ছাত্তার (দোষ-ত্রুটি গোপনকারী)। আপনি আপনার সৃষ্টিকে অপ বাকি অংশ পড়ুন...












