SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%রোযাদার%' OR titleBn LIKE '%রোযাদার%' OR descriptionEn LIKE '%রোযাদার%' OR descriptionBn LIKE '%রোযাদার%' OR slug LIKE '%রোযাদার%' OR metaTag LIKE '%রোযাদার%' OR metaDescription LIKE '%রোযাদার%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
রোযাদারের শৌচ করার নিয়ম:
রোযাদার হলে বড় ইসতিন্জার রাস্তা (পায়খানার রাস্তা) ঢিলা করে ফারাগাত মত শৌচ করবে না, চাপাভাবে বসে শৌচ করবে। ইহ্তিয়াত বা সতর্কভাবে পানি ব্যবহার করবে যেন মুস্তামাল পানি (ব্যবহৃত পানি) বড় ইসতিন্জার রাস্তা দিয়ে ভিতরে প্রবেশ না করে। রোযাদার ব্যক্তি শৌচকালে জোরে জোরে শ্বাস-প্রশ্বাস নিবে না। কারণ এতে করে মুস্তামাল পানি (ব্যবহৃত পানি) ভিতরে প্রবেশ করার সমূহ সম্ভাবনা থাকে। শৌচ করার পর পাক নেকড়া দিয়ে বড় ইসতিন্জার রাস্তা মুছে ফেলবে। নেকড়া না থাকলে টিসু দিয়ে, টিসু না থাকলে হাত দিয়ে ভালোভাবে মুছে ফেলবে যেন বিন্দুমাত বাকি অংশ পড়ুন...
ইসতিবরা যেভাবে বা যে নিয়মে করতে হয় :
(পূর্বে প্রকাশিতের পর)
ইসতিবরা করার সময় মানুষের সামনে উঠা বসা করা, হাঁটাচলা করা, উপুড় হওয়া, বিভিন্ন কসরত করা বিকৃতি, কদর্যতা, দৃষ্টিকটু অঙ্গভঙ্গি করার শামীল, যা নিষিদ্ধ।
যেমন “মাওয়াহেবে জালীল ফী শরহে মুখতাছার খলীল” কিতাবের ১ম খ-ের ৪০৮ পৃষ্ঠায় উল্লেখ আছে-
قَالَ فِي الْمَدْخَلِ: إذَا قَامَ يَسْتَبْرِئُ فَلَا يَخْرُجُ بَيْنَ النَّاسِ وَذَكَرُهُ فِي يَدِهِ وَإِنْ كَانَتْ تَحْتَ ثَوْبِهِ فَإِنَّ ذَلِكَ شَوْهَةٌ وَمُثْلَةٌ وَكَثِيرًا مَا يَفْعَلُ بَعْضُ النَّاسِ هَذَا وَقَدْ نَهَى عَنْهُ،
অর্থ : মাদখাল কিতাবে” উল্লেখ আছে, ছোট ইসতিন্জার (প্রস্রাবের) পর ইসতিবরা করার বাকি অংশ পড়ুন...
খলীফাতুল্লাহ, খলীফাতু রসূলিল্লাহ, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, আস সাফফাহ, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, হাবীবুল্লাহ, মুত্বহ্হার, মুত্বহ্হির, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম-মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, পবিত্র হজ্জ পালন করার প্রস্তুতি গ্রহণের মাস হচ্ছেন পবিত্র যিলক্বদ শরীফ মাস। সউদী ওহাবী ইহুদী সরকার বিগত আরবী মাসগুলো যেভাবে শুরু করেছে তাতে এটা নিশ্চিত বাকি অংশ পড়ুন...
বলা হয় যে, তওবার মাক্বামের মূল হচ্ছেন হযরত আবুল বাশার ছফিউল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার ক্বদম মুবারকের নিচে, তওবার মাক্বাম। হ্যাঁ, এসবের মালিক হচ্ছেন হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনারা। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! এরপরে
عَابِدَاتٍ
আব্দিয়াতের মাক্বাম। ইলমুত্ তাছাওউফের পরিভাষায় বান্দার সর্বোচ্চ মাক্বাম হচ্ছে, আব্দিয়াতের মাক্বাম। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! সেই মাক্বামেরও উনারা মালিক হবেন। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! এ বাকি অংশ পড়ুন...
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
(১)
পবিত্র রমাদ্বান শরীফ উনার সঙ্গে পবিত্র যাকাত উনার এক নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে। কেননা রোযা হচ্ছে দেহের জন্য পবিত্র যাকাতস্বরূপ। সম্পদের যেরূপ পবিত্র যাকাতের হুকুম রয়েছে, তদ্রƒপ শরীরের পবিত্র যাকাত হিসেবে রোযাকে গণ্ বাকি অংশ পড়ুন...
অসুস্থতার কারণে রোযা না রাখার হুকুম:
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ اَبِيْ هُرَيْرَةَ رَضِىَ اللهُ تَعَالـٰى عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَنْ أَفْطَرَ يَوْمًا مِّنْ رَّمَضَانَ مِنْ غَيْرِ رُخْصَةٍ وَلَا مَرَضٍ لَـمْ يَقْضِ عَنْهُ صَوْمَ الدَّهْرِ كُلَّهٗ وَاِنْ صَامَهٗ.
অর্থ: “হযরত আবূ হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বলেন। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, যে ব্যক্তি ওজর অথবা রোগ ব্যতীত রমাদ্বান শরীফ মাসের একটি রোযা ভঙ্গ করবে, সে যদি তার পরিবর্তে সারা বছরও রোযা রাখ বাকি অংশ পড়ুন...
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুজ জামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছানিয়াহ আলাইহাস সালাম উনার সম্মানিত ইসম বা নাম মুবারক হচ্ছেন: সা বাকি অংশ পড়ুন...
উনারা কেমন হতেন? উনাদের ছিফত মুবারক কি হতো, সেটা বলে দিচ্ছেন।
مُسْلِمَاتٍ
উনারা মুসলমান। একদম খালিছ মুসলমান।
مُّؤْمِنَاتٍ
খালিছ মু’মিন, ঈমানদার। অর্থাৎ এমন মুসলমান যে, মুসলমানিত্বের চুড়ান্ত মাক্বামের মালিক উনারা। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!
وَلاَ تَمُوتُنَّ إِلاَّ وَأَنتُم مُّسْلِمُونَ
তোমরা মুসলমান না হয়ে ইন্তেকাল করো না, সেই মাক্বাম মুবারক।
مُسْلِمَاتٍ مُّؤْمِنَاتٍ
এমন মু’মিনীন, কেমন?
لاَ يُؤْمِنُ أَحَدُكُمْ حَتَّى أَكُونَ أَحَبَّ إِلَيْهِ مِنْ وَالِدِهِ وَوَلَدِهِ وَالنَّاسِ أَجْمَعِينَ.
এমন মু’মিন যে মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব ছল্লাল্লা বাকি অংশ পড়ুন...
সম্মানিত রমাদ্বান শরীফ হচ্ছে শাহরুন আযীম’ অর্থাৎ সম্মানিত মহান মাস। এই সম্মানিত মাসে মহান আল্লাহ পাক তিনি আসমানের দরজাসমূহ খুলে দেন, জাহান্নামের দরজাসমূহ বন্ধ করে দেন, জাহান্নামের আযাব বন্ধ করে দেন, রহমতের দরজাসমূহ খুলে দেন এবং শয়তানকে শৃঙ্খলাবদ্ধ করে দেন। সুবহানাল্লাহ!
এই সম্মানিত মাস হচ্ছে তাক্বওয়া (আল্লাহ ভীতি) হাছিলের মাস। মহান আল্লাহ পাক তিনি এই সম্পর্কে ইরশাদ মুবারক করেন, “হে ঈমানদাররা! তোমাদের উপর রোযা ফরয করা হয়েছে। যেরূপ ফরয করা হয়েছিলো তোমাদের পূর্ববর্তী উম্মতদের উপর। এর মাধ্যমে তোমরা অবশ্যই তাক্বওয়া (আল্লাহভী বাকি অংশ পড়ুন...












