SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%রহীম%' OR titleBn LIKE '%রহীম%' OR descriptionEn LIKE '%রহীম%' OR descriptionBn LIKE '%রহীম%' OR slug LIKE '%রহীম%' OR metaTag LIKE '%রহীম%' OR metaDescription LIKE '%রহীম%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
পবিত্র বাই’আতে রিদ্বওয়ান:
চুক্তির শর্তসমূহ হচ্ছে যথাক্রমে নিম্নরূপ:
১. ১০ বছর পবিত্র মক্কা শরীফ উনার কুরাইশ ও মুসলমানদের মাঝে যে কোনো ধরনের যুদ্ধবিগ্রহ বন্ধ থাকবে।
২. মুসলমানরা এ বছর পবিত্র ওমরাহ মুবারক পালন না করেই পবিত্র মদীনা শরীফ এ ফিরে যাবেন। মুসলমানরা চাইলে আগামী বছর পবিত্র ওমরাহ পালনের জন্য আসবেন, তবে তিন দিনের বেশি পবিত্র মক্কা শরীফ এ অবস্থান করতে পারবেন না। পবিত্র মক্কা শরীফ এ মুসলমানদের অবস্থানের সময় পবিত্র মক্কাবাসীরা অন্যত্র আশ্রয় নেবে।
৩. মুসলমানরা আত্মরক্ষার জন্য শুধুমাত্র কোষবদ্ধ তরবারী আনতে পারবেন। এছাড় বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র বাই’আতে রিদ্বওয়ান:
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
لَا يَدْخُلُ النَّارَ إِنْ شَاءَ اللَّهُ مِنْ أَصْحَابِ الشَّجَرَةِ أَحَدٌ الَّذِينَ بَايَعُوا تَحْتَهَا.
অর্থ: ইনশাআল্লাহ! পবিত্র গাছের নিচে বাইয়াত গ্রহণকারী হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের মধ্য থেকে কেউই জাহান্নামে প্রবেশ করবেন না। অর্থাৎ উনারা জান্নাতী। সুবহানাল্লাহ!”
অর্থাৎ, এখানে أَصْحَاب الشَّجَرَةِ (গাছের অধিবাসীগণ) বলতে সেই সমস্ত হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদà বাকি অংশ পড়ুন...
কিতাবে বর্ণিত রয়েছে, একবার এক ব্যক্তি পবিত্র মদীনা শরীফ উনার মধ্যে অবস্থান করে দই খাচ্ছিল। দই খেয়ে সে সমালোচনা করে বলেছিলো, মদীনা শরীফ উনার ‘দই টক’। নাউযুবিল্লাহ! সেই রাত্রিতে উক্ত ব্যক্তি স্বপ্নে দেখলো, স্বয়ং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করছেন, “হে ব্যক্তি, তুমি আমার পবিত্র মদীনা শরীফ উনার দইকে টক বলার ধৃষ্টতা দেখালে। তুমি এখনই আমার পবিত্র মদীনা শরীফ থেকে বের হয়ে যাও।”
অর্থাৎ পবিত্র মদীনা শরীফ উনার মধ্যে প্রস্তুতকৃত দই পবিত্র মদীনা শরীফ উনার প্রতিনিধিত্ব করে, যে à বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র বাই’আতে রিদ্বওয়ান:
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার কাছে সংবাদ পৌঁছলো যে, সাইয়্যিদুনা হযরত যূন নুরাইন আলাইহিস সালাম উনাকে শহীদ করা হয়েছে। তখন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করলেন-
لَا نَبْرَحُ حَتَّى نُنَاجِزَ الْقَوْمَ
অর্থ: এই (কাফির) সম্প্রদায়ের সাথে জিহাদ না করা পর্যন্ত আমরা এ স্থান ত্যাগ করবো না।
অতঃপর নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তঠবাকি অংশ পড়ুন...
খোদ আখেরী রসূল, অতুল মর্যাদাবান,
আল্লাহ উনার পরেই, হাবীবী স্থান ॥
সৃষ্টি না যবে, ছিলো বিকাশ মান,
গুপ্ত ইলাহী, নিজে নন যাহিরান ॥
হুব্বি ছিফতে পাক হাবীব সৃষ্টি,
খুব ছূরত এক, নূরের সমষ্টি ॥
সমস্ত রূপ যে দিয়ে রহীম রহমান,
তারকা রুপেই রাখেন, ক্বারিবান ॥
ওই রূপেই আছেন, আউওয়াল আখির,
ওহে সমঝদার কে করবে ফিকির ॥
কখনও কখনও নিজেই হন যাহির,
কিছুক্ষণের সংসার জমীনে অবস্থান ॥
ও রূপের দর্শনে খোদ মজনু সুবহান,
ছলাত-ছালাম পড়েন নিয়ে মালায়িকান ॥
শুরু হতে এখনও আবাদুল আবাদান,
অক্ষম বর্ণনা দিতে এ তত্ত্বের খতিয়ান ॥
হাবীব খোদ উনার, নেইতো শরীক,
গুপ্ত ভেদখাঠবাকি অংশ পড়ুন...
কুরাইশ কাফির মুশরিকরা মধ্যস্ততাকারী প্রেরণ:
এদিকে যখন কুরাইশ কাফির মুশরিক যুবকরা দেখলো যে তাদের নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিরা সন্ধির পক্ষপাতি, তখন তারা নেতৃস্থানীয়দের এড়িয়ে স্বতন্ত্রভাবে একটি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করলো যে, রাত্রির অন্ধকারে এখান থেকে বেরিয়ে গিয়ে তারা মুসলমানদের তাবুগুলোতে প্রবেশ করবে এবং এমনভাবে ফিৎনা সৃষ্টি করবে যাতে যুদ্ধের আগুন জ্বলে উঠে। অতঃপর তাদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কাজ সম্পাদনের লক্ষ্যে রাতের আঁধারে ৭০ কিংবা ৮০ জন যুবক কাফির তানঈম পর্বতে অবতরণ করে হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের তাবà§ বাকি অংশ পড়ুন...
আল-ইহসান প্রতিবেদন:
ছাহিবাতু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, হাবীবাতুল্লাহ, ছাহিবায়ে নেয়ামত, রহমাতুল্লিল আলামীন, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “মহাসম্মানিত রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি তোমাদের মাঝে তাশরীফ মুবারক গ্রহণ করেছেন। তোমাদের জন্য কষ্টকর বিষয়গুলো উনার নিকট অসহনীয়। তিনি তোমাদের ভালাই চান। বিশেষ করে ঠবাকি অংশ পড়ুন...
কুরাইশ কাফির মুশরিকরা মধ্যস্ততাকারী প্রেরণ:
আলোচনায় নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি তাকেও সে সব কথাই বললেন, যা তিনি হযরত বুদাইল বিন ওয়ারাকা খুযায়ী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনাকে এবং পরবর্তীতে কুরাইশ কাফির-মুশরিকদের পক্ষ থেকে প্রেরিত মিকরায বিন হাফেস্কে বলেছিলেন। প্রত্যুত্তরে উরওয়া বললো, ইয়া রসূলাল্লাহ! ইয়া হাবীবাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! যদি আপনি নিজ জাতিকে নিশ্চিহ্ন করে দেন, তবে কি আপনার পূর্বের কোন আরব সম্পর্কে শুনেছেন যে, সে নিজ জাতিকে সমূলে নিশ্চিহ্ন করে দিয়েছà§ বাকি অংশ পড়ুন...
সম্মানিত গাযওয়াতুল হুদাইবিয়াহ বা হুদায়বিয়ার জিহাদ মুবারক:
অতঃপর হযরত বুদাইল বিন ওয়ারাকা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি কুরাইশগণের নিকট গিয়ে বললেন, ‘আমি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সঙ্গে সাক্ষাত মুবারক করে এসেছি। আমি উনার নিকট একটা কথা শুনেছি, যদি তোমরা চাও তাহলে আমি তোমাদের নিকট তা উপস্থাপন করবো।’ এ কথার প্রেক্ষিতে নির্বোধ এবং স্বল্প বুদ্ধিসম্পন্ন লোকেরা বললো, ‘আমাদের এমন কোন প্রয়োজন নেই যে, আপনি কোন কথা আমাদের নিকট বর্ণনা করেন।’ কিন্তু যারা বুদ্ধিমান তারা বললো, ‘আপনি নূরে ঠবাকি অংশ পড়ুন...












