SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%রকমারি%' OR titleBn LIKE '%রকমারি%' OR descriptionEn LIKE '%রকমারি%' OR descriptionBn LIKE '%রকমারি%' OR slug LIKE '%রকমারি%' OR metaTag LIKE '%রকমারি%' OR metaDescription LIKE '%রকমারি%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
আউলিয়াকুল যত্মে গড়া আমাদের দেশখানা,
সার্বভৌম করতে রক্ষা ঘুমাইয়া থাকবোনা।
দেশ প্রেমিক আমরা মু’মিন উত্তম নাগরিক,
দেশ বাঁচাতে আমরা সবাই জাগনা রহিই ঠিক ॥
সবুজে ঘেরা রকমারি সব ফুলেল সৌরভে,
মৌ মৌ ঘ্রাণে মুখরিত অনন্য গৌরবে।
সহস্র প্রকার ফলের রসে মাতায় সর্বাধিক,
পাখ-পাখালির মিষ্টি যিকির বেষ্টনে চৌদিক ॥
ধান-গম-যব, ভুট্টাসহ নানা পদ ফসল,
চিচিঙ্গা, কদু, পটল, ঝিঙা, কুমড়া ও কাকরোল।
পুই, পালং, কলমি, কলই হাজারো শাকের চিক্,
তেগেই বিষাদ করছে আবাদ কৃষকরা কৌশিক ॥
দস্তা, তামা, কাশা, পিতল, লোহা, অ্যালুমিনিয়াম,
রাবার, তৈল-গ্যাসের খনি দেশেই অবিরাম।
দেà বাকি অংশ পড়ুন...
চলো ভাই চলো! সর্বশ্রেষ্ঠ ঈদে মীলাদি মাহফিলে,
জান্নাতি মায়ায় মিলবে তোমায় শান্তিটা শৃংখলে।
দলীলসমৃদ্ধ, কিতাব পত্রের, অসংখ্য সমাহার,
রয় তৈজসপত্র, সুন্নাহ সামগ্রী রকমারি উপহার ॥
বাজারি বয়ান, দিয়ে সুরখান, বহুদা দলীলহীন,
শুনবে এখানে সঠিক ওয়াজ, ঠকবে না কস্মিন।
নেইকো হেথায় হাসি-কান্নার কৌতুকি সমাচার,
ছাহাবী যুগের শুনতে তালিম চলো হে সমঝদার ॥
নেই কল্পিত সব গুজবি গপ্পের তর্জন গর্জন,
মার্জিত ভাষায় হচ্ছে বয়ান সালিনে অনুক্ষণ।
পাবে জান্নাতি, মানুষের সেথা, মধুময় ব্যবহার,
দেখতেই চলো রাজারবাগ শরীফ সুন্নতি দরবার ॥
ভাই ভাই সব মুসলমানেরা এক বাকি অংশ পড়ুন...
বাংলাদেশের কৃষি খাতের দুঃখজনক কথা হলো, কৃষক পণ্যের ন্যায্যমূল্য পায় না, আবার ভোক্তাও সস্তায় কিনতে পারে না। মাঝখানের এই বিশাল ‘দাম’ শুষে নিচ্ছে মধ্যসত্ত্বভোগীরা।
গুটিকয়েক প্রভাবশালী ব্যবসায়ী যখন রাজনৈতিক ক্ষমতার অংশীদার হয়, তখন তারা একটি শক্তিশালী ‘দাম নিয়ন্ত্রণকারী’ গোষ্ঠী তৈরি করে। এই গোষ্ঠীটি হিমাগার, সার এবং বীজের বাজারের ওপর একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে এবং নিজেদের স্বার্থেই রফতানী প্রক্রিয়াকে আমলাতান্ত্রিকভাবে জটিল করে রাখে, যাতে রফতানী সহজ হলে তাদের একচেটিয়া বাজার নিয়ন্ত্রণ ভেঙে না যায় এবং প্রান্তিক কৃষক বাকি অংশ পড়ুন...
বাংলাদেশের কৃষি খাতের দুঃখজনক কথা হলো, কৃষক পণ্যের ন্যায্যমূল্য পায় না, আবার ভোক্তাও সস্তায় কিনতে পারে না। মাঝখানের এই বিশাল ‘দাম’ শুষে নিচ্ছে মধ্যসত্ত্বভোগীরা।
গুটিকয়েক প্রভাবশালী ব্যবসায়ী যখন রাজনৈতিক ক্ষমতার অংশীদার হয়, তখন তারা একটি শক্তিশালী ‘দাম নিয়ন্ত্রণকারী’ গোষ্ঠী তৈরি করে। এই গোষ্ঠীটি হিমাগার, সার এবং বীজের বাজারের ওপর একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে এবং নিজেদের স্বার্থেই রফতানী প্রক্রিয়াকে আমলাতান্ত্রিকভাবে জটিল করে রাখে, যাতে রফতানী সহজ হলে তাদের একচেটিয়া বাজার নিয়ন্ত্রণ ভেঙে না যায় এবং প্রান্তিক কৃষক বাকি অংশ পড়ুন...
সাহিত্যে পবিত্র হাদীছ শরীফ:
পবিত্র হাদীছ শরীফও সাহিত্যের এক যুগান্তকারী অধ্যায় মুবারক। পবিত্র হাদীছ শরীফ আরবী সাহিত্যের অমূল্য ভা-ার। পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাকে কেন্দ্র করে সাহিত্যের আরও বহু বিষয় সমৃদ্ধ হয়েছে। পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার ভাষা মুবারকগুলো অত্যন্ত উন্নত ও সুষমাম-িত।
আমিরুল মু’মিনীন, সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহু আলাইহিস সালাম তিনি সাহিত্যে অসামান্য পৃষ্ঠপোষকতা মুবারক করেছিলেন। পাশাপাশি তিনি একজন সুবক্তা, লেখক এবং মহাকবি হিসেবেও বিখ্যাত ছিলেন। সুবহানাল্লাহ! সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহà বাকি অংশ পড়ুন...
কক্সবাজার সংবাদাদতা:
১৪৬ কিলোমিটার আয়তনের এক সময়ের বহমান মাতামুহুরী নদী বর্তমানে দখল, দূষণ, অপরিকল্পিত বাঁধ দিয়ে মাছ চাষ এবং পলি জমে ভরাট হয়ে পড়ার কারণে মারাত্মকভাবে নাব্যতা সংকট দেখা দিয়েছে। এর ফলে একদিকে নদীতে পানিপ্রবাহ কমে যাওয়ায় কৃষিতে সেচ সংকট, অন্যদিকে পলি জমে ভরাট ও নদীর মাঝখানে দখলকা-ের কারণে মাছের নিরাপদ অভয়াশ্রম তথা জীববৈচিত্র্য নষ্ট হচ্ছে।
এমন পরিস্থিতিতে মাতামুহুরী নদী তীরের জনপদে বর্ষা মৌসুমে বন্যা ও নদী ভাঙনের ঝুঁকি বাড়ছে। পাশাপাশি সেচ সুবিধা অনিশ্চয়তায় নদীর তীরে রকমারি সবজি চাষাবাদ হুমকির মুখে পড়েছে।
মà§ বাকি অংশ পড়ুন...
নাটোর সংবাদদাতা:
দেশের একমাত্র ঔষধি পল্লী এখন নাটোরের ঐতিহ্যে পরিণত হয়েছে। প্রায় দিনই দর্শনার্থীরা আসছেন এই পল্লীতে এবং মুগ্ধতা নিয়ে ফিরে যাচ্ছেন। এই পল্লীতে বছরে শুধু অ্যালোভেরাই উৎপাদন হচ্ছে ১৫ হাজার টন। এছাড়া শিমুল মূল, অশ্বগন্ধাসহ উৎপাদন হচ্ছে ১৪০ ধরনের ভেষজ। উৎপাদিত এসব ভেষজের বাজার মূল্য অন্তত শত কোটি টাকা।
নাটোর সদর উপজেলার লক্ষ্মীপুর-খোলাবাড়িয়া ইউনিয়নের ১৫টি গ্রাম জুড়ে এই ভেষজ পল্লীর অবস্থান।
ইউনিয়নের প্রধান সড়কের প্রায় একই সমতলে থাকা ভেষজ পল্লী ছবির মত সুন্দর।
জানা যায়, ১৯৯৫ সালের দিকে খোলাবাড়িয়া এলাকার আ বাকি অংশ পড়ুন...
রমাদ্বান শরীফে সারাদিন রোযা রাখার পর ইফতারে ক্লান্তি মেটানো ও শক্তি ফেরাতে প্রয়োজন হয় ফলের। তাই এসময় কদর বাড়ে কমলা, মাল্টা, তরমুজ, আঙুরের মতো রসালো ফলের। তবে সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে ফলের দাম। রোযাদারসহ অনেকের কাছেই এখন দুঃসাধ্য হয়ে উঠছে রকমারি ফল।
বাজারে প্রতি কেজি আপেল ও মাল্টা বিক্রি হচ্ছে ৩০০-৩৩০ টাকায়। চীনা কমলা ৩২০, কালো আঙুর ৪৮০-৫০০, আনার আকার ভেদে ৪৫০ থেকে ৪৮০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
বাজারে ফল সরবরাহ কমে যাওয়ায় সব রকমের দেশি-বিদেশি ফল কেজি প্রতি ১০০-১৫০ টাকা বেড়ে গেছে।
ডলার সংকটে এলসি (ঋণপত্র) খোলার জটিলতায় ফল আমদঠবাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
পবিত্র রমযান শরীফকে কেন্দ্র করে ভিড় বাড়ছে কলকাতার নাখোদা মসজিদ সংলগ্ন জাকারিয়া স্ট্রিট এলাকায়। কারণ এখানে নানা ধরনের মুখরোচক খাবারের পসরা সাজিয়ে বসেছে দোকানিরা। যা আকৃষ্ট করছে ক্রেতাদের।
হালিম, বিরিয়ানি, নেহারি, লাচ্ছি থেকে শুরু করে ফালুদা, মাছের বিভিন্ন ধরনের খাবার, মুরগি, মাটন, বিফ হালিম, নল্লি নেহারি, রেশমি কাবাব, মাটন হালিম, ফিরনি, ঠান্ডা রুহ আবজাহ ছাড়াও বিভিন্ন খাবারের কেন্দ্রস্থল হয়ে উঠেছে মধ্য কলকাতার এই অঞ্চলটি।
বিভিন্ন ননভেজ কাউন্টার ছাড়াও রকমারি ফলের দোকান দেখা মেলে এখানে। ফল কেটে সাজিয়ে রেখে বিকà§ বাকি অংশ পড়ুন...












