SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%যিন্দিগী%' OR titleBn LIKE '%যিন্দিগী%' OR descriptionEn LIKE '%যিন্দিগী%' OR descriptionBn LIKE '%যিন্দিগী%' OR slug LIKE '%যিন্দিগী%' OR metaTag LIKE '%যিন্দিগী%' OR metaDescription LIKE '%যিন্দিগী%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
সুওয়াল:
কেউ কেউ বলে থাকে যে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার যিন্দিগী মুবারক দু’ভাগে বিভক্ত। ১. ব্যক্তিগত যিন্দিগী, ২. নুবুওওয়াতী যিন্দিগী। তাদের এ বক্তব্য কতটুকু সঠিক? দয়া করে জানাবেন।
জাওয়াব:
মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্পর্কে তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
وَمَا مُحَمَّدٌ إِلَّا رَسُولٌ
অর্থ: নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি মহান আল্লাহ পাক উনা বাকি অংশ পড়ুন...
এবং আরো বলে দিলেন-
أَنَّ نَبِيَّ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يَقُولُ: مِنْ شَجَرَةٍ النُّبُوَّةِ وَمَوْضِعِ الرِّسَالَةِ وَمُخْتَلَفِ الْمَلَائِكَةِ، وَبَيْتِ الرَّحْمَةِ وَمَعْدَنِ الْعِلْمِ
অত্র পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বলা হচ্ছে, পবিত্র আয়াত শরীফ মুবারক উনার ব্যাখ্যায়।
فَإِنَّ اللهَ هُوَ مَوْلاهُ وَجِبْرِيلُ وَصَالِحُ الْمُؤْمِنِينَ وَالْمَلائِكَةُ بَعْدَ ذٰلِكَ ظَهِيرٌ
এখানে বলা হচ্ছে সকলে গোলাম, খাদিম। সেটাই মহাসমম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বলতেছেন যে দেখ, যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদেরকে পবিত্র করেছেন, কতো পবিত্র? উনারা এ বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে আরো বর্ণিত রয়েছে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সৃষ্টির পর থেকে যমীনে আগমনের পূর্ব পর্যন্ত শুধুমাত্র নূর মুবারক উনার ছূরত বা আকৃতি মুবারক-এ ছিলেন। আর হযরত ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে নূর মুবারক উনার দ্বারা সৃষ্টি বলা হয়। তাই বলে কি হযরত ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনারা কখনও একথা বলেছেন যে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উনাদের মতো? বললে কি শুদ্ধ হতো? কখনোই না। তাহলে মেছালী ছূরত মুবারক উনার কারণে তিনি অন্য মা বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে আরো বর্ণিত রয়েছে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সৃষ্টির পর থেকে যমীনে আগমনের পূর্ব পর্যন্ত শুধুমাত্র নূর মুবারক উনার ছূরত বা আকৃতি মুবারক-এ ছিলেন। আর হযরত ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে নূর মুবারক উনার দ্বারা সৃষ্টি বলা হয়। তাই বলে কি হযরত ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনারা কখনও একথা বলেছেন যে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উনাদের মতো? বললে কি শুদ্ধ হতো? কখনোই না। তাহলে মেছালী ছূরত মুবারক উনার কারণে তিনি অন্য মা বাকি অংশ পড়ুন...
সম্মানিত ক্বিয়াম শরীফ উনার প্রমাণ
(পূর্বে প্রকাশিতের পর)
উল্লেখ্য, বিশ্বখ্যাত ফিক্বাহ উনার কিতাব রদ্দুল মুহতার ও হুজ্জাতুল্লাহিল বালেগাহ কিতাবে উল্লেখ আছে যে, ক্বিয়াম তিন প্রকার-
(১) ক্বিয়ামে তাকাব্বুরী: এ প্রসঙ্গে পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
لَاتَقُوْمُوْا كَمَا يَقُوْمُ الْاَعَاجِمُ
অর্থ: “আপনারা আজমীদের মত (মাথা নিচু করে নমস্কারের ছূরতে) দাঁড়াবেন না। ” এরূপ ক্বিয়াম ইসলামী শরীয়ত উনার আলোকে সম্পূর্ণ নাজায়িয ও হারাম।
(২) ক্বিয়ামে হুব্বী: যেমন- সাইয়্যিদাতুন নিসা হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম তিনি সাইয়্যিদুল মুরসালীন, বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে অন্যত্র মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
يَا نِسَاءَ النَّبِيِّ لَسْتُنَّ كَأَحَدٍ مِنَ النِّسَاءِ
অর্থ: হে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নিসা আলাইহিন্নাস সালাম! অর্থাৎ উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম আপনারা অন্য কোন মহিলাদের মতো নন। (পবিত্র সূরা আহযাব শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ৩২)
এখানে বিশেষভাবে জানা আবশ্যক যে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিতা নিসা আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের অন্তর্ভুক্ত হওয়ার কারণে হযরত উম বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র ঈমান ও আক্বাইদই হচ্ছে সম্মানিত ইসলামী যিন্দিগীর মূল বিষয়। কেননা যে ব্যক্তি মহান আল্লাহ পাক উনার তাওহীদ বা একত্বে বিশ্বাসী নয় এবং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নুবুওওয়াত মুবারক ও রিসালত মুবারক উনার উপর যার ঈমান নেই তার পবিত্র নামায, পবিত্র রোযা, পবিত্র হজ্জ, পবিত্র যাকাত ইত্যাদি কোনো ইবাদতই গ্রহণযোগ্য নয়। ইবাদত পালন ও কবুল হওয়ার জন্য পূর্বশর্ত হচ্ছে ছহীহ ঈমান ও আক্বীদা।
অতএব, পবিত্র ঈমান তথা ইসলামী আক্বাইদ উনার কোনো একটি আক্বীদা অশুদ্ধ বা ত্রুটি হয়ে গেলে আমল কবুলযোগ্য হবে ন বাকি অংশ পড়ুন...
দুনিয়ার অর্থাৎ দুনিয়ার বুরায়ী বা খারাবী সম্পর্কে মহান আল্লাহ পাক পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে উল্লেখ করেছেন এবং মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে উল্লেখ করেছেন।
বস্তুতঃ প্রত্যেক মানুষের অন্তরে হয় মহান আল্লাহ পাক উনার মুহব্বত থাকবে অথবা গায়রুল্লাহ অর্থাৎ দুনিয়ার মুহব্বত থাকবে। যে কোন একটা মুহব্বতের ধারক-বাহক প্রত্যেক মানুষের অন্তর। একটা মুহব্বত থেকে অবশ্যই খালি থ বাকি অংশ পড়ুন...












