SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%মেহেরবান%' OR titleBn LIKE '%মেহেরবান%' OR descriptionEn LIKE '%মেহেরবান%' OR descriptionBn LIKE '%মেহেরবান%' OR slug LIKE '%মেহেরবান%' OR metaTag LIKE '%মেহেরবান%' OR metaDescription LIKE '%মেহেরবান%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
প্রখ্যাত আলিম ও বিশিষ্ট ওলীআল্লাহ হযরত ফরীদুদ্দীন আত্তার রহমতুল্লাহি আলাইহি, যাঁর ভূয়সী প্রশংসা করেছেন হযরত শায়েখ সা’দী রহমতুল্লাহি আলাইহি, হযরত শায়েখ নিযামী ও হযরত মোল্লা জামী রহমতুল্লাহি আলাইহি। সেই মহান ব্যক্তিত্ব হযরত ফরীদুদ্দীন আত্তার রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার লিখিত বিশ্বখ্যাত ও বহুল পরিচিত তাযকিরাতুল আউলিয়া কিতাবে। এছাড়াও আরো অনেকের দ্বারা প্রণিত তাযকিরাতুল আউলিয়া নামক কিতাবে বর্ণিত- হযরত হাবীব আযমী রহমতুল্লাহি আলাইহি নামে বিশিষ্ট ওলীআল্লাহ উনার কথা, যিনি মহান আল্লাহ পাক উনার কাছে হাবীব নামে অভিহিত হয়েছিলেন। উ বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত কারশী মজ্জুব ছিলেন এক মহান বুযুর্গ। তিনি সর্বদা ইবাদত-বন্দেগী ও যিকির-ফিকিরে নিমগ্ন থাকতেন এবং সংসারের প্রতি উনার কিছুমাত্র আগ্রহ ছিল না। বিবাহের প্রচ- আগ্রহ থাকা সত্ত্বেও কেবল এই কারণে তিনি বিবাহ করেননি যে, “আমার দ্বারা হয়ত অপরের কষ্ট হবে।” কিন্তু জীবনের শেষভাগে এসে তিনি সকলের অনুরোধে বিবাহ করতে সম্মত হন। অতঃপর নিজের মুরীদগণকে বললেন, তোমরা আমার জন্য পাত্রী দেখ। তবে পাত্রীকে পূর্বাহ্নেই আমার বিস্তারিত অবস্থা জ্ঞাত করানোর পর উনার মতামত চাইবে। আমার জীবনের অবস্থা জানার পর যদি কেউ আমার নেকাহে আসতে সম্মত হয়, তবে তো ভাল; অন্ বাকি অংশ পড়ুন...
সাইয়্যিদায়ে জাহান
আম্মিজান আম্মিজান
মালিকা মেহেরবান
আম্মিজান আম্মিজান
অন্ধকার এই যুগে
এলেন ধরার বুকে
যখন কাঁপতেছিলো
উম্মাহ ধুকে ধুকে
তখন দু’হাত বাড়ান
আম্মিজান আম্মিজান
সকল কালো দিলে
দিলেন আলো জ্বেলে
তাইতো আনন্দে
ভেসে যাই ডানা মেলে
এই দিলের-ই ধারকান
আম্মিজান আম্মিজান
মমতার চাদরে
আশ্রয় দেন সাদরে
সকল দুঃখীকে
টেনে নেন দয়া ভরে
ঘুচান সব পেরেশান
আম্মিজান আম্মিজান
আড়াল থেকে গোলাম
ডাকি উম্মুল উমাম
অনুভব করতে চাই আপনায়
রোজ সুবহ-শাম
আরজি ভেজি সন্তান
আম্মিজান আম্মিজান
বাকি অংশ পড়ুন...
মুর্শিদী মারজান, শাহানশাহ সুলতান
মাওলা মেহেরবান, আমাদের শাহযাদাজান
মাদানী মেহমান, ধরায় তাশরীফান
আনন্দিত আশিকান, আমাদের শাহযাদাজান
রসূলী ছূরত, রহমানী ছিফত
দয়ালু দাতা মহিয়ান
কুবরা নিয়ামত, ইসলামী হুরমত
হাদিয়ে যামান
আমাদের শাহযাদাজান
সাইয়্যিদী নিয়াজ, সমাদ বেনিয়াজ
আগমনে ধন্য রমাদ্বান
উমাম শিরোতাজ, সেরা মহানাজ
আরাবী মুসকান
আমাদের শাহযাদাজান
দস্তে জুলফিকার, বলিষ্ঠ হুংকার
কম্পিত কারবালা ময়দান
এসেছেন আবার, দুলদুলের সাওয়ার
যাহরায়ী সন্তান
আমাদের শাহযাদাজান
খলীফা মানছুর, নূরুন আলা নূর
নূরানী করেন দো’জাহান
দয়ার সমুদ্দু বাকি অংশ পড়ুন...
আমীরুল মু’মিনীন, খলীফাতুল মুসলিমীন, সাইয়্যিদু শাবাবি আহলিল জান্নাহ, সিবতু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আর রবি’ সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছানী আলাইহিস সালাম তিনি কোনো বাহন ছাড়া শুধুমাত্র হেঁটে ১৫ বার পবিত্র হজ্জ মুবারক সম্পাদন করেছেন। সুবহানাল্লাহ! একবার তিনি পবিত্র হজ্জ মুবারক করার জন্য হেঁটে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মক্কা শরীফ গমন করছিলেন। পথিমধ্যে উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নূরুদ দারাজাত মুবারক (মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ক্বদম মুবারক) ফুলে গেলেন। তা দেখে উনার খাদিম আরয করলো, হে আহলে বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লা বাকি অংশ পড়ুন...
মসনদে আজ মস্ত মেহেরবান
জানেরই জান পরানের পরান
তোহফায়ে রব্বে খোদা - মারহাবান মারহাবান
নবমী চাঁদে রিদ্বা - মারহাবান মারহাবান
জোড়ালো ধুম ক্বাছিদা- মারহাবান মারহাবান
পুলকিত হৃদয়ে আজান,
জানেরই জান পরানের পরান।
মোদের দোনো মাশুক,
দিলেন এমনই সুখ।
দেখে ফিদা হলো দোজাহান!
দিলে মিলে তাইতো খুশিরবান!
পেল দুনিয়া, সেরা হাদিয়া
দামাদাম খোশে হিয়া
নয়ই রমাদান, হলো সুমহান
নছীবে পেয়ে, শাহ জামান
মারকাজে আজ সজ্জা আলিশান!
শাহী প্রাসাদে, শাহী নিনাদে
ইন্তেজার আজ দল বেঁধে
মুখর কলতান, ঈদেরই লেহান
শানে শাফী আক্বাজান
দীদারে সব হবো ইতমিনান!
ঈদী আব বাকি অংশ পড়ুন...
ইহুদী যুবাইর ইবনে বাতা কুরাইযী:
এবার যুবাইর বললো, ‘হিজায ভূমিতে একটা পরিবার বাস করবে, আর তাদের কোন সম্পত্তি থাকবে না, তাহলে তারা বাঁচবে কি করে?’ হযরত ছাবিত ইবনে কাইস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি আবার নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার খিদমত মুবারকে গিয়ে বললেন, ইয়া রসূলাল্লাহ! ইয়া হাবীবাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! ‘তার সহায়-সম্পত্তি?’ নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বললেন, ‘তাও আপনার।’ হযরত ছাবিত ইবনে কাইস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু ত বাকি অংশ পড়ুন...
শাফিয়ে সারে জাহান
মুবারক শান আলীশান
মুর্শিদী ইশকে যিনি সর্বদা কুরবান
শাহ-দামাদজান মেহেরবান মেহেরবান
অপরূপ নূরী দামান
দিদারে মুশকিল আসান
দিওয়ানা সব আশিকান
মালিকে মাওলা মোদের শাহী মহিয়ান
শাহ-দামাদজান মেহেরবান মেহেরবান
মুবারক খাস দয়া-দান
ফায়িজে ফিদা বানান
সিলসিলা ঢেলে সাজান
মায়াবী কন্ঠে বলেন মামদুহী ফরমান
শাহ-দামাদজান মেহেরবান মেহেরবান
সর্বাধিক পাক অবস্থান
বয়ানে দিল বরকতান
জামালী শাহে যামান
হামেশা করতে থাকেন হক্বেরই আহবান
শাহ-দামাদজান মেহেরবান মেহেরবান
ছোহবতে জাগে ঈমান
আধারের হয় অবসান
মুরিদান খুব ভাগ্যবান
দ বাকি অংশ পড়ুন...
‘বাংলাদেশের জন্য একটি স্থায়ী সংবিধান রচনার উদ্দেশ্যে ১৯৭২ সালের ২৩শে মার্চ মাসে রাষ্ট্রপতি ‘বাংলাদেশ গণপরিষদ আদেশ’ নামে একটি আদেশ জারি করেন। আদেশ অনুসারে ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনে সাবেক পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদ ও পূর্ব পাকিস্তানের প্রাদেশিক পরিষদে এ অঞ্চল থেকে নির্বাচিত সকল সদস্য (১৬৯+৩১০=৪৭৯ জন) নিয়ে এই গণপরিষদ গঠিত হওয়ার কথা। কিন্তু মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন নিহত, স্বাভাবিক মৃত্যু এবং অন্য কারণে ৪৯ জন সদস্য বাদ পড়েন। বাকি ৪৩০ জন সদস্য নিয়ে গণপরিষদ গঠিত হয়। এদের মধ্যে মাত্র ৩ জন বাদে (২ জন স্বতন্ত্র ও ১জন ন্যাপ- মোজাফফর) বাকি বাকি অংশ পড়ুন...












