SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%মানহীন%' OR titleBn LIKE '%মানহীন%' OR descriptionEn LIKE '%মানহীন%' OR descriptionBn LIKE '%মানহীন%' OR slug LIKE '%মানহীন%' OR metaTag LIKE '%মানহীন%' OR metaDescription LIKE '%মানহীন%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
নিজস্ব সংবাদদাতা:
বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলার ৯৮ নং পূর্ব ধানসাগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ১ জুলাই অন্য দিনের মতোই শুরু হয় শিক্ষা কার্যক্রম।
টিফিনের সময় সরকারি স্কুল ফিডিং কর্মসূচির আওতায় শিক্ষার্থীদের হাতে তুলে দেয়া হয় সেদ্ধ ডিম। কিন্তু কিছু সময় পরই বদলে যায় পুরো পরিবেশ। একের পর এক শিশু পেটব্যথায় কাতরাতে শুরু করে। কারো বমি বমি ভাব, কেউ তীব্র অস্বস্তিতে ছটফট করতে থাকে। দ্রুত তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হয়। চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরলেও ঘটনাটি শুধু একটি বিদ্যালয়ের সংকট নয়, বরং সারা দেশে পরিচালিত স্কুল বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
দেশের বাজারে প্রথমবারের মতো শিশুদের আনন্দ সামগ্রীর নিরাপত্তা ও মান নিশ্চিত করতে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এখন থেকে শিশুদের আনন্দ সামগ্রী উৎপাদন, আমদানি ও বাজারজাতের ক্ষেত্রে নির্ধারিত বাংলাদেশ মান (বিডিএস) অনুসরণ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। তবে এর বাস্তবায়ন কীভাবে হবে, কীভাবে মান নিয়ন্ত্রণ ও নজরদারি চলবে-সেটিই এখন বড় প্রশ্ন।
গত ২৩ জুন শিল্প মন্ত্রণালয় শিশুদের আনন্দ সামগ্রীসহ প্লাস্টিক ফিডিং বোতল, এলইডি লাইট, ভুট্টার ভোজ্যতেল, কংক্রিটের ব্লক, কৃত্রিম তন্তুর শাড়ি এবং নারী ও মেয়েদের পোশাকের কাপড়-এই সাতটি পণ্য বাকি অংশ পড়ুন...
সুনামগঞ্জ সংবাদদাতা:
হাওরের জেলা সুনামগঞ্জে বোরো ধান ঘরে তুলতে পারলে হাসি ফোটে কৃষকের মুখে। তবে সেই ধান রোপণ থেকে শুরু করে ঘরে তোলা পর্যন্ত চরম দুশ্চিন্তায় সময় পার করতে হয় এই অঞ্চলের কৃষকদের। তার কারণ উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল। যখন ঢল নামে তখন ফসল রক্ষা বাঁধ ভেঙে তলিয়ে যায় কৃষকের স্বপ্নের ধান।
তবে এবছর পাহাড়ি ঢলে বাঁধ ভাঙেনি। এবার কৃষকের স্বপ্নের ধান ডুবেছে অতিবৃষ্টিতে পানিবদ্ধতায়। অতিরিক্ত পানি ধরে রাখতে পারেনি বাঁধ। ফলে বাঁধের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন কৃষকরা।
হাওরের কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ২০১৭ সালে দ বাকি অংশ পড়ুন...
সুনামগঞ্জ সংবাদদাতা:
হাওরের জেলা সুনামগঞ্জে বোরো ধান ঘরে তুলতে পারলে হাসি ফোটে কৃষকের মুখে। তবে সেই ধান রোপণ থেকে শুরু করে ঘরে তোলা পর্যন্ত চরম দুশ্চিন্তায় সময় পার করতে হয় এই অঞ্চলের কৃষকদের। তার কারণ উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল। যখন ঢল নামে তখন ফসল রক্ষা বাঁধ ভেঙে তলিয়ে যায় কৃষকের স্বপ্নের ধান।
তবে এবছর পাহাড়ি ঢলে বাঁধ ভাঙেনি। এবার কৃষকের স্বপ্নের ধান ডুবেছে অতিবৃষ্টিতে পানিবদ্ধতায়। অতিরিক্ত পানি ধরে রাখতে পারেনি বাঁধ। ফলে বাঁধের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন কৃষকরা।
হাওরের কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ২০১৭ সালে দ বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
রাজধানী ঢাকায় গণপরিবহনের সংখ্যা পর্যাপ্ত নয়। শহরে নির্দিষ্ট গন্তব্যে চলাচলে বাসের তীব্র সংকট ও মানহীন সেবার বিপরীতে মধ্যবিত্তের জন্য স্বস্তিদায়ক সিএনজিচালিত অটোরিকশার সংখ্যা মাত্র ১৫ হাজার। শহরের সড়কে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করার পরও সময়মতো সিএনজি পাওয়া দুষ্কর। পাওয়া গেলেও উচ্চ ভাড়ায় যাতায়াত করতে হয়। এদিকে সরকার গত কয়েক বছর ধরে সিএনজিচালিত অটোরিকশার নিবন্ধন বন্ধ রেখেছে।
বাংলাদেশে ২০০৩ সালে সরকার পরিবেশদূষণ কমানোর লক্ষ্যে রাজধানীতে ১৩ হাজার সিএনজিচালিত অটোরিকশার অনুমোদন দেয়। ২০০১ থেকে ২০০৭ সালের মধ্য বাকি অংশ পড়ুন...
দেশে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ নিত্তনৈমিত্তিক ঘটনা হয়ে দাড়িয়েছে। দুর্বল তদারকি, মানহীন যন্ত্রাংশ ও ব্যবহারকারীদের অসচেতনতার কারণে গ্যাস সিলিন্ডার এখন নীরব ঘাতক।
বিভিন্ন দুর্ঘটনার তদন্তে দেখা গেছে, অধিকাংশ বিস্ফোরণের পেছনে রয়েছে রেগুলেটর, পাইপ বা ভালভের ত্রুটি থেকে গ্যাস লিকেজ। লিকেজ হওয়া গ্যাস বদ্ধ ঘরে জমে গিয়ে চুলা জ্বালানো বা বৈদ্যুতিক স্পার্কে বিস্ফোরণ ঘটছে।
বিস্ফোরক অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, সিলিন্ডার কেনার সময় অবশ্যই মেয়াদ, সিল ও সেফটি ক্যাপ পরীক্ষা করা জরুরি।
সবার আগে দেখতে হবে সিলিন্ডারের গায়ে মেয়াদ দেয়া আছে ক বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
বাংলাদেশ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের পরিসংখ্যান বলছে, দেশের অগ্নিকা-ের প্রধান কারণ বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট। আর এই শর্টসার্কিটের পেছনে সবচেয়ে বড় দায় নকল ও নিম্নমানের বৈদ্যুতিক ক্যাবল এবং ত্রুটিপূর্ণ সার্কিট ব্রেকারের।
ফায়ার সার্ভিসের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মাইন উদ্দিন সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে জানিয়েছেন, দেশে প্রতিবছর গড়ে ২১ হাজারের বেশি অগ্নিকা- ঘটে, যার প্রায় ৪০ শতাংশই বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিটজনিত।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বহুতল বাণিজ্যিক ভবন ও আবাসিক ভবনে মানহীন ও নকল বৈদ্যুতিক ক্যাবল ব্যবহারই এস বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
চলতি বছর পুরো এশিয়ায় সবচেয়ে মানহীন মুদ্রা হয়ে দাঁড়িয়েছে ভারতের রুপি। একইসঙ্গে ২০২২ সালের পর রুপির মূল্য রেকর্ড হারে কমেছে। চলতি বছর রুপির অবনতির কারণ হিসেবে ভারতের রপ্তানি পণ্যের ওপর আমেরিকার উচ্চতর শুল্ক এবং দেশটির শেয়ারবাজার থেকে ব্যাপক হারে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের বের হয়ে যাওয়াকে বিবেচনা করা হচ্ছে।
এদিকে ব্লুমবার্গের অর্থনৈতিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, রুপির মান স্থিতিশীল রাখতে গত জুলাই থেকে ৩০ বিলিয়ন ডলার সমমূল্যের বিদেশি মুদ্রা বিক্রি করে দিয়েছে দেশটির কেন্দ্রীয় রিজার্ভ ব্যাংক অব ইন্ডিয়া। মধ্য অক্টোবর বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
ঢাকার বিশুদ্ধ খাদ্য আদালতে শিশুসহ সবার জনপ্রিয় তিনটি খাদ্যপণ্যে মানের ঘাটতি ধরা পড়ায় সংশ্লিষ্ট তিন প্রতিষ্ঠানের মালিকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন।
গতকাল ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ) নুসরাত সাহারা বীথি মামলাগুলো আমলে নিয়ে তিন প্রতিষ্ঠানের মালিকের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। মামলাগুলো দায়ের করেন নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক মোহাং কামরুল হাসান।
ল্যাবরেটরি পরীক্ষায় মানসম্ বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব প্রতিবেদক:
আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দীর্ঘ সাড়ে ১৫ বছরে দেশের অন্যতম একটি ক্ষতিগ্রস্ত খাত ছিল শিক্ষা। বিতর্কিত শিক্ষানীতি ও কারিকুলাম প্রণয়ন, ক্ষতিকর বিভিন্ন সিদ্ধান্ত ও নিয়ম-নীতি, ভুল ও বিকৃত তথ্যসংবলিত পাঠ্যবই প্রকাশ, ক্যাম্পাসে সন্ত্রাস-নৈরাজ্য, নগ্ন দলীয়করণ, প্রশ্নফাঁস, সনদ জালিয়াতি, মানহীন শিক্ষক নিয়োগ, প্রকল্পের নামে লুটপাটসহ বিভিন্ন অনৈতিক কর্মকা-ের মাধ্যমে শিক্ষাব্যবস্থাকে হুমকির মুখে ফেলা হয়। শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে শুরু করে প্রাথমিক বিদ্যালয় পর্যন্ত ভয়াবহ দুর্নীতির বিস্তার ঘটে।
বর্তমান অন্তর্র্বতী সরকা বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব প্রতিবেদক:
বিনামূল্যের পাঠ্যবই ছাপানোর ক্ষেত্রে ছাপাখানাগুলোর কাছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) একরকম জিম্মি হয়ে পড়েছে। কিছুতেই মানহীন বই সরবরাহ ঠেকানো যাচ্ছে না।
গত বছর বিতরণ করা ৭৭টি প্রকাশনীর প্রায় ১৬ লাখ বই মানহীন হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। এনসিটিবি বলছে, ঘুরেফিরে এসব অভিযুক্ত প্রকাশনীকেই বই ছাপানোর কাজ দিতে হচ্ছে। শিক্ষা গবেষকদের মতে, ছাপা প্রক্রিয়ায় পরিবর্তন না এলে এই জিম্মিদশা থেকে মুক্তি মিলবে না।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর গত বছর বেশ তড়িঘড়ি করে বিনামূল্যের পাঠ্যবই ছাপাতে হয়েছিল। ফলে জানুয় বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব প্রতিবেদক:
বিনামূল্যের পাঠ্যবই ছাপানোর ক্ষেত্রে ছাপাখানাগুলোর কাছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) একরকম জিম্মি হয়ে পড়েছে। কিছুতেই মানহীন বই সরবরাহ ঠেকানো যাচ্ছে না।
গত বছর বিতরণ করা ৭৭টি প্রকাশনীর প্রায় ১৬ লাখ বই মানহীন হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। এনসিটিবি বলছে, ঘুরেফিরে এসব অভিযুক্ত প্রকাশনীকেই বই ছাপানোর কাজ দিতে হচ্ছে। শিক্ষা গবেষকদের মতে, ছাপা প্রক্রিয়ায় পরিবর্তন না এলে এই জিম্মিদশা থেকে মুক্তি মিলবে না।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর গত বছর বেশ তড়িঘড়ি করে বিনামূল্যের পাঠ্যবই ছাপাতে হয়েছিল। ফলে জান বাকি অংশ পড়ুন...












