SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%মনিবের%' OR titleBn LIKE '%মনিবের%' OR descriptionEn LIKE '%মনিবের%' OR descriptionBn LIKE '%মনিবের%' OR slug LIKE '%মনিবের%' OR metaTag LIKE '%মনিবের%' OR metaDescription LIKE '%মনিবের%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
ঐতিহাসিক খন্দকের জিহাদে খন্দক খননের পরামর্শদানকারী হযরত সালমান ফারসী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার পবিত্র দ্বীন ইসলাম গ্রহণের ওয়াকিয়া:
হযরত সালমান ফারসী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, রহমতুল্লিল আলামীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে যমীনে প্রেরণ করলেন। তিনি পবিত্র মক্কা শরীফে যতদিন থাকার থাকলেন। আমি গোলামী জীবনে ব্যস্ত থাকায় নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার কোন খবর প বাকি অংশ পড়ুন...
ঐতিহাসিক খন্দকের জিহাদে খন্দক খননের পরামর্শদানকারী হযরত সালমান ফারসী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার পবিত্র দ্বীন ইসলাম গ্রহণের ওয়াকিয়া:
পাদ্রী বললো, হে বৎস! মহান আল্লাহ পাক উনার কসম! আমার জানা মতে নাছীবীনের একজন ব্যক্তি আছে। যে আমাদের দ্বীনের উপর অটল আছেন। সে অমুক। আপনি তার সাথে মিলিত হোন।
হযরত সালমান ফারসী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বলেন, অতঃপর যখন সে মারা গেলো এবং তাকে দাফন করা হলো, তখন আমি নাছীবীনের লোকটির সাথে মিলিত হলাম এবং আমার বিষয়ে ও আমার সাথী যে নির্দেশ দিয়েছিলেন তাকে তা বললাম। সে বললো, আপনি আমার কাছে অবস্থান কর বাকি অংশ পড়ুন...
ফযীলত ও মর্যাদা:
ব্যক্তিগত জীবনে হযরত ইবনে উমর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু ছিলেন মহৎ ও নিঃস্বার্থ চরিত্রের। এ জন্য তিনি সর্বত্র উচ্চ সম্মান পেতেন। হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের মধ্যে উনাকে অন্যতম মুফ্তি ছাহাবীরূপে গণ্য করা হয়।
হাদীছ শরীফ বর্ণনাকারী হিসাবে তিনি ছিলেন অত্যন্ত সতর্ক। তিনি নিজের পক্ষ হতে রেওয়ায়েতের মধ্যে কোন হ্রাস-বৃদ্ধি করতেন না। তিনি ১৬৩০টি হাদীছ শরীফ বর্ণনা করেছেন। উনার মধ্যে ১৭০টি মুত্তাফাক আলাইহি অর্থাৎ ইমাম বুখারী ও ইমাম মুসলিম রহমতুল্লাহি আলাইহি উনারা উভয়েই বর্ণনা করেছেন। ৮ বাকি অংশ পড়ুন...
(১৩) হযরত আবুল খায়ের আকতা রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি এক সময় লেবাননের পাহাড়ে থাকতেন। একদিন সেই দেশের বাদশাহ এসে ঐ পাহাড়ের সকল ফকীরকে একটি করে দীনার দিলেন। হযরত আবুল খায়ের আকতা রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনিও দীনার গ্রহণ করলেন। কিন্তু তিনি সঙ্গে সঙ্গে উনার এক সঙ্গীর কোলে দীনারটি ফেলে দিলেন। অতঃপর তিনি উনার সঙ্গীসহ মাল-সামানা নিয়ে শহরের দিকে রওয়ানা হলেন। ঘটনাক্রমে তাড়াহুড়ার মধ্যে তিনি বিনা অজুতে পবিত্র কুরআন শরীফ উঠিয়ে নিজের সঙ্গে নিলেন।
উনারা যখন একটি বাজারের সামনে এলেন তখন দেখলেন যে, একদল লোক কিছু চোরের খোঁজ করছে। লোকজন সূফীদের বাকি অংশ পড়ুন...
উগ্র হিন্দু জমি দখলদার সুদ ব্যবসায়ী কৃষ্ণ চন্দ্র ও তার পুত্র মুসলমান কৃষকদের উপরে গুলি বর্ষণ করে নির্বিচারে শহীদ করতো। মুসলমানদের কপালে বন্দুকের নল ঠেকিয়ে তৃপ্তি ও বিদ্রুপাত্মক হাসি হাসতো মুসলিম মালিকানাধীন জমি দখলদার উগ্র হিন্দুত্ববাদীরা।
রক্ষণশীল পত্রিকা হিন্দু রঞ্জিকা ‘র’ এক মন্তব্য প্রকাশে উঠে এসেছে, ‘ব্রিটিশ শাসনের অধীনে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত। ’
হিন্দু জমি দখলদারদের অত্যাচারে বাংলার অনেক মুসলমান নিজেদের ভিটে-মাটি ত্যাগ করতে বাধ্য হয়। ........আর সে সময় হিন্দুরা ইংরেজি শিক্ষা গ্রহণ করে ইংরেজকে তোষামোদ করে ব্রিটিশদের বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব প্রতিবেদক:
পারিবারিক পিছুটানকে উপেক্ষা করে দোকান কর্মচারী মবিন (১৭) বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে ঢাকার উত্তরায় মিছিলে যোগ দেন। মিছিলে পুলিশের গুলিতে দৃষ্টিশক্তিসহ এক কানের শ্রবণশক্তি হারায় মবিন। প্রতিবন্ধি এক ভাইকে রেখে পাঁচ মাস আগে মারা গেছে তার বাবা। মবিন দৃষ্টি ও শ্রবণশক্তি হারিয়ে ফেলায় তার চিকিৎসা করাতে গিয়ে নিঃস্ব মবিনের পরিবার। চিকিৎসক জানিয়েছে, অপারেশন করলে দৃষ্টিশক্তি হয়তো ফিরে পাওয়া যেতে পারে। আর এতে খরচ করতে হবে তিন থেকে চার লাখ টাকা।
জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ছাত্রদের ডাকে সাড়া দিয়ে নিজেই এখন হয়ে পড়েছেন অসহা বাকি অংশ পড়ুন...
উল্লেখ্য, যদি কোন ব্যক্তি মহান আল্লাহ পাক উনার হক্ব তথা নামায, রোযা, যাকাত, দান-ছদক্বা ইত্যাদি নেক কাজ যথারীতি আদায় করার পর তার মালিক বা মনিবের আদেশ-নিষেধ যথাযথ পালন করে, তাহলে সে ব্যক্তি দ্বিগুণ ছওয়াবের অধিকারী হবে। যদি তাই হয়ে থাকে, তাহলে হক্কানী-রব্বানী ওলীআল্লাহ যার উসীলায় মুরীদের দুনিয়া ও আখিরাতের সামগ্রিক কল্যাণ নিহীত। যার মাধ্যমে মহান আল্লাহ পাক উনার ও নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মা’রিফাত-মুহব্বত মুবারক হাছিল হয়। তাহলে সেই কামিল শায়েখ বা মুর্শিদ ক্বিবলা উনাকে যথাযথ তা’যীম বাকি অংশ পড়ুন...
মসজিদে নববী শরীফ ঝাড়ু দিতেন এক মহিলা ছাহাবী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহা। তিনি এসেছিলেন আবিসিনিয়া থেকে। আবিসিনিয়া হচ্ছে আজকের ইথিওপিয়া। এর অধিবাসীদের বলা হতো হাবশী। সেখানে অনেক দুঃখ কষ্টে দিনাতিপাত করতে হতো হাবশী ক্রীতদাসদেরকে। দুর্বল মহিলা, শিশু, পুরুষদের দাস হিসেবে বিক্রি করে দেয়া হতো। কাফির বেদুইন মনিবরা তাদেরকে দাস-দাসী হিসেবে কিনে নিয়ে অমানুষিক পরিশ্রম করাতো, গোলামদের অবর্ণনীয় নির্যাতনের শিকার হতে হতো। এই মহিলা ছাহাবী তিনি অনেক কষ্ট করে পবিত্র মদীনা শরীফে চলে আসেন। এখানে এসে দ্বীন ইসলাম উনার ছায়াতলে শান্তিময় পরিবেশ বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহপাক রাব্বুল আলামিন তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
يَاۤ أَيُّـهَا الَّذِيْنَ اٰمَنُـوْا قُـوْا أَنْـفُسَكُمْ وَأَهْلِيْكُمْ نَارًا
অর্থ: হে ঈমানদারগণ! তোমরা নিজেদেরকে এবং তোমাদের পরিবারবর্গকে জাহান্নামের আগুন থেকে বাঁচাও। (পবিত্র সূরা আত তাহরীম শরীফ উনার ৬ নং পবিত্র আয়াত শরীফ)
উক্ত পবিত্র আয়াত শরীফ উনার মধ্যে وَاَهْلِيْكُمْ “তোমাদের পরিবারকে জাহান্নামের আগুন থেকে বাঁচাও বা রক্ষা করো।” এর ব্যাখ্যা অনেক তবে সংক্ষেপে ব্যাখ্যা হলো পিতা-মাতা, আহলিয়া-স্ত্রী, সন্তান-সন্ততি ও গোলাম-বাঁদী অর্থাৎ সকলপ্রকার অধিনস্তদের বুঝানো হয়েছে। উল্লেখ্য, যিনি মূল বা প বাকি অংশ পড়ুন...












