“মুগনী” কিতাবে উল্লেখ আছে- لَهْوَ الْحَدِيْثِ ‘লাহ্ওয়াল হাদীছ’ হচ্ছে- গান-বাজনা, সঙ্গীত। এ আয়াত শরীফ দ্বারা তা হারাম সাব্যস্ত হয়েছে। যে ব্যক্তি এটাকে হালাল জানবে সে কাফের হবে।
وَفِىْ جَامِعِ الْفَتَاوَى اِسْتِمَاعُ الْمَلَاهِى وَالْجُلُوْسُ عَلَيْهَا وَضَرْبُ الْمَزَامِيْرِ وَالرَّقْصُ كُلُّهَا حَرَامٌ وَمُسْتَحِلُّهَا كَاِفرٌ.
অর্থ: জামিউল ফতওয়াতে” উল্লেখ আছে, গান-বাজনা শ্রবন করা, গান-বাজনার মজলিসে বসা, বাদ্য-যন্ত্র বাজানো, নর্তন-কুর্দন করা সবই হারাম। যে ব্যক্তি এগুলোকে হালাল মনে করবে সে ব্যক্তি কাফের।
বাকি অংশ পড়ুন...
আমির বিন তুফাইল ও আরবাদ বিন ক্বাইস:
তারা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে শহীদ করার যে ষড়যন্ত্র করেছিলো, সেটা বাস্তবায়ন করার কোনো সুযোগ না পেয়ে হুমকি দিয়ে সেখান থেকে পালিয়ে যায়। হযরত মুয়াজ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু এবং হযরত উসাইদ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনারা তাদের ধাওয়া করেন। এক পর্যায়ে হযরত উসাইদ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি তাদেরকে লক্ষ্য করে বলেন, ‘ওরে মহান আল্লাহ পাক উনার দুশমনরা! তোদের উপর মহান আল্লাহ পাক উনার অভিশাপ বর্ষিত হোক।’
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্ল বাকি অংশ পড়ুন...
মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حضرت عَبْدِ اللهِ بْنِ عُمَرَ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ أَنَّ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ الشَّهْرُ تِسْعٌ وَعِشْرُونَ لَيْلَةً فَلاَ تَصُومُوا حَتَّى تَرَوْهُ فَإِنْ غُمَّ عَلَيْكُمْ فَأَكْمِلُوا الْعِدَّةَ ثَلاَثِينَ.
অর্থ: হযরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, মাস ঊনত্রিশ রাত বিশিষ্ট হয়। তাই তোমরা চাঁদ না দেখে পবিত্র রোযা শুরু করবে না। যদি আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকার কারণে চাঁদ দেখা না যায় তাহলে তোমরা ত্র বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত ২৯৭ জন সংসদ সদস্যের গেজেট প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। একইসঙ্গে গণভোটের ফলাফলের গেজেটও প্রকাশ করা হয়।
গত জুমুয়াবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) রাতে ইসির জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদ এই গেজেট দুটি ইস্যু করেন।
ইসি ২৯৭টি আসনের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করে এবং আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী চট্টগ্রাম-২ ও ৪ আসনের ফলাফল স্থগিত রাখে। শেরপুর-৩ আসনে একজন প্রার্থীর মৃত্যুর কারণে ওই আসনে নির্বাচন আগেই স্থগিত করা হয়েছিল।
নির্বাচনে ২৯৭টি আসনের মধ্যে বিএনপি ২০৯টি আসনে জয়লাভ করে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্ বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেয়া ৫১টি রাজনৈতিক দলের মধ্যে জনরায়ে সংসদীয় আসন লাভ করতে সমর্থ হয়েছে মাত্র ৯টি দল। ৪২টি দলই আসনশূন্য অবস্থায় নির্বাচনী মাঠ ছেড়েছে।
নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, ঘোষিত ২৯৭ আসনের মধ্যে এককভাবে ২০৯ আসন পেয়ে বিশাল সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে বিএনপি। বাংলাদেশ জামাতের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৬৮ আসন লাভ করে। ১১ দলীয় জোটের শরিক হিসেবে এনসিপি পেয়েছে ৬ আসন। বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ২ আসনে জয়ী হয়েছে। এছাড়া একক একটি করে আসন পেয়ে সংসদে প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করেছে আরও পাঁচটি দল। সেগুলো হলো- ই বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দেশের একটি বড় অংশে জয়জয়কার দেখা গেছে বিএনপির। বরিশালের ছয়টি আসনেই নিরঙ্কুশ জয় পেয়েছেন ধানের শীষের প্রার্থীরা। লক্ষ্মীপুর জেলার সবকটি আসন জিতেছে বিএনপি। নোয়াখালী ছয়টি সংসদীয় আসনের মধ্যে পাঁচটিতেই জয় পেয়েছে বিএনপি। আর একটিতে জয় পেয়েছে ১১-দলীয় নির্বাচনি ঐক্যের মনোনীত এনসিপি প্রার্থী। ফেনীর তিনটি সংসদীয় আসনের মধ্যে সবকটিতেই জয়লাভ করেছেন বিএনপি প্রার্থীরা। কক্সবাজারের চারটি আসনের সবকটিতেই বিএনপির প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন। চট্টগ্রামের ১৬ আসনের ১৪টিতে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির মন বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
নিবন্ধিত ৫৯টি রাজনৈতিক দলের মধ্যে ৫১টি দল এবারের নির্বাচনে অংশ নেয়। নির্বাচনের ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা গেছে, অংশগ্রহণকারী ৫১ দলের মধ্যে ৪২ দলের কোনো প্রার্থীই জয়লাভ করতে পারেননি। মাত্র ৯টি দলের প্রার্থীরা সংসদে প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করতে পেরেছেন।
২৯৯ আসনে ভোট হলেও এখন পর্যন্ত ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে ২৯৭টির। এর মধ্যে বিএনপি ২০৯, জামায়াতে ইসলামী ৬৮ ও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ছয় আসনে জয়ী হয়েছে।
এ ছাড়া ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, গণঅধিকার পরিষদ, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি-বিজেপি, গণসংহতি আন্দোলন ও খেলাফত মজলিস একটি বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
নিবন্ধিত ৫৯টি রাজনৈতিক দলের মধ্যে ৫১টি দল এবারের নির্বাচনে অংশ নেয়। নির্বাচনের ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা গেছে, অংশগ্রহণকারী ৫১ দলের মধ্যে ৪২ দলের কোনো প্রার্থীই জয়লাভ করতে পারেননি। মাত্র ৯টি দলের প্রার্থীরা সংসদে প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করতে পেরেছেন।
২৯৯ আসনে ভোট হলেও এখন পর্যন্ত ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে ২৯৭টির। এর মধ্যে বিএনপি ২০৯, জামায়াতে ইসলামী ৬৮ ও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ছয় আসনে জয়ী হয়েছে।
এ ছাড়া ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, গণঅধিকার পরিষদ, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি-বিজেপি, গণসংহতি আন্দোলন ও খেলাফত মজলিস একটি বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এখন পর্যন্ত বেসরকারিভাবে ২৯৭টি আসনের চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। গতকাল জুমুয়াবার আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন ভবনে ইসি সচিব আখতার আহমেদ এই ফলাফল ঘোষণা করেন।
ইসি সচিব বলেন, সংসদ নির্বাচনে ৫৯.৪৪ ভোট পড়েছে। এবারের নির্বাচনে গণভোট পড়েছে ৬০.২৬ শতাংশ।
ঘোষিত ২৯৭ আসনের মধ্যে বিএনপি ও তার মিত্ররা পেয়েছে ২১২ আসন। জামাত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য পেয়েছে ৭৭ আসন, ‘ইসলামী’ আন্দোলন বাংলাদেশ ১টি, স্বতন্ত্ররা পেয়েছে ৭টি আসন।
বিএনপি একক দল হিসেবে পেয়েছে ২০৯টি আসন। বাকি অংশ পড়ুন...












