পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ يَزِيْدَ بْنِ بَابَـنُـوْسَ رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِ قَالَ دَخَلْنَا عَلَى اُمِّ الْمُؤْمِنِيْنَ الثَّالِثَةِ حَضْرَتْ )عَائِشَةَ( الصّـِدِّيْـقَةِ عَلَيْهَا السَّلَامُ فَـقُلْنَا يَا اُمَّ الْمُؤْمِنِيْنَ مَا كَانَ خُلُقُ رَسُوْلِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ؟ قَالَتْ كَانَ خُلُقُهُ الْقُرْاٰنَ تَـقْرَؤُوْنَ سُوْرَةَ الْمُؤْمِنِيْنَ؟ قَالَتِ اقْـرَأْ {قَدْ اَفْـلَحَ الْمُؤْمِنُـوْنَ} قَالَ حَضْرَتْ يَزِيْدُ رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِ فَـقَرَأْتُ {قَدْ اَفْـلَحَ الْمُؤْمِنُـوْنَ} اِلٰى {لِفُرُوْجِهِمْ حَافِظُوْنَ} قَالَتْ هٰكَذَا كَانَ خُلُقُ رَسُوْلِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ.
অর্থ: “হযরত ইয়াযীদ ইবনে বাবানূস রহমতুল্লাহি আলা বাকি অংশ পড়ুন...
তবে ছহীহ বর্ণনা যে, যিনি মহাসম্মানিত হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যারা বাঁদী, খাদিমা এরা হালাল হওয়ার পরেও তিনি কোন বাঁদী কোন খাদিমার সাথে কখনও কোন নিসবত মুবারক স্থাপন করেননি। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! সেটাই বলে দিচ্ছেন, আপনার যারা অধিনস্থ তাদেরকে আপনার জন্য হালাল করে দেয়া হলো। তবে
مِمَّا أَفَاءَ اللهُ عَلَيْكَ
মহান আল্লাহ পাক তিনি আপনাকে ‘ফাই’ দিয়েছেন। অর্থাৎ গণিমতের মাল হিসাবে অথবা যুদ্ধ জিহাদ করে যাদেরকে লাভ করতে পেরেছেন। এখানে একটি কুফরী আক্বীদ বাকি অংশ পড়ুন...
‘ইবনে হিশাম, আর রওদ্বুল উন্ফ, আল বিদায়াহ্ ওয়ান নিহায়াহ্, দালাইলুন নুবুওওয়াহ্, আস সীরাতুল হালাবিয়্যাহ্, আল ইকতিফা, উয়ূনুল আছার, ইমতাউল আসমা, সুবুলুল হুদা ওয়ার রশাদ, তারীখুল খমীস, শারহুয যারক্বানী, তাফসীরে ইবনে আব্বাস, জালালাইন, কাশ্শাফ, বায়যাবী, নাসাফী, দুররে মানছূর ইত্যাদি তাফসীরগ্রন্থসহ’ আরো অন্যান্য অনেক কিতাবে বর্ণিত রয়েছে, ‘একদিন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি জাদ্দ ইবনে ক্বাইসকে বলেন, ‘এই বছর কি বানূ আছফার অর্থাৎ রোম বাহিনীর বিরুদ্ধে জিহাদের জন্য বের হবে না?’ এ কথা শুনে জাদ্দ ইবন ক বাকি অংশ পড়ুন...
কা’ব ইবনে আসাদের অঙ্গীকার ভঙ্গ:
একজন বলেই ফেললো-
كَانَ مُحَمّدٌ يَعِدُنَا أَنْ نَأْكُلَ كُنُوزَ كِسْرَى وَقَيْصَرَ
‘সম্মানিত মুসলমানরা স্বপ্ন দেখছেন যে, উনারা কিসরা ও কায়সার বিজয় করবেন। ’
হযরত ইবনে ইসহাক্ব রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, হারিসা ইবনে হারিস গোত্রের আউস ইবনে কায়যী তার গোত্রের একটি বড় মজলিসে বলে উঠলো, ইয়া রসূলাল্লাহ! ইয়া হাবীবাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আমাদের বাড়ি-ঘর অরক্ষিত এবং শত্রুর মুখে। আপনি যদি দয়া করে অনুমতি মুবারক দিতেন তাহলে আমরা বাড়িতে চলে যেতাম। কারণ আমাদের বাড়ি হচ্ছে, পবিত্র মদীনা শরীফ উনার বাইরে। কিন্তু দ বাকি অংশ পড়ুন...
বানূ কায়নুকা ছিল হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে সালাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার ভ্রাতৃ সম্পর্কীয় গোত্র। তারা নিজেদেরকে অত্যন্ত শক্তিশালী ও সাহসী মনে করতো। পবিত্র শাওওয়াল শরীফের পনের বা ষোল তারিখ ইয়াওমুস সাবতিতে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি একদা ইহুদীদের বাজারে তাশরীফ মুবারক গ্রহণ করেন এবং তাদেরকে একত্রিত করে ইরশাদ মুবারক করলেন-
يَا مَعْشَرَ يَهُودَ احْذَرُوا مِنْ اللّهِ مِثْلَ مَا نَزَلَ بِقُرَيْشِ مِنْ النّقْمَةِ وَأَسْلِمُوا ، فَإِنّكُمْ قَدْ عَرَفْتُمْ أَنّي نَبِيّ مُرْسَلٌ تَجِدُونَ ذَلِكَ فِي كِتَابِكُمْ وَعَهْدِ اللّهِ إلَيْكُمْ- قَال বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র মদীনা শরীফ উনার সংখ্যাগরিষ্ঠ আউস ও খাযরাজ গোত্রের যারা মূল ছিলেন উনারা সম্মানিত হিজরত মুবারকের পূর্বে এবং পরে সম্মানিত দ্বীন ইসলাম গ্রহণ করেন। আউস ও খাযরাজ এই দু’গোত্রের সকলেই দ্বীন ইসলাম গ্রহণ করায় উনাদের সাথে সন্ধিচুক্তির কোন প্রশ্নই ছিলো না। তবে খাযরাজ গোত্রের মধ্যে মুনাফিক সর্দার উবাই বিন সুলূল নেতৃত্বে সামনে থাকলেও গোত্রের অধিকাংশই মুসলমান হওয়ায় উনাদের বিরুদ্ধে গিয়ে প্রকাশ্যে কিছু করার ক্ষমতা তার ছিলো না। সম্মানিত বদর জিহাদের পর সে এবং তার অনুসারীরা প্রকাশ্যে দ্বীন ইসলাম গ্রহণ করে। তবে সেসময় পবিত্র মদীন বাকি অংশ পড়ুন...
সাইয়্যিদুনা হযরত ছিদ্দীক্বে আকবর আলাইহিস সালাম তিনিও হযরত আনছার ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের প্রশংসায় বলেন-
يَا مَعْشَرَ الْأَنْصَارِ جَزَاكُمُ اللَّهُ خَيْرًا، فَوَاللَّهِ مَا مَثَلُنَا وَمَثَلُكُمْ إِلَّا كَمَا قَالَ طُفَيْلٌ الْغَنَوِيُّ لِبَنِي حَضْرَتْ جَعْفَرٍ رَضِىَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُ
অর্থ: “হে হযরত আনছার ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম! আপনাদেরকে মহান আল্লাহ পাক তিনি সর্বোত্তম প্রতিদান দিন, মহান আল্লাহ পাক উনার ক্বসম! আমাদের এবং আপনাদের অবস্থা ঠিক সেইরূপ যেরূপ তুফাইল গানাভী কবি উনার কবিতায় বর্ণনা করেছেন বানী জা’ফর রদ্বিয়াল্লাহু বাকি অংশ পড়ুন...
(পূর্ব প্রকাশিতের পর)
স্মরণীয় যে, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ¦তামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হযরত মুহাজির ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের মাঝে সেই সমস্ত সম্পদ বন্টন করে দিলেন যা ইহুদীদের থেকে গনীমত হিসাবে লাভ করেছিলেন। এখানে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ইচ্ছা মুবারক ছিলো, হযরত আনছার ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা যে হযরত মুহাজির ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু বাকি অংশ পড়ুন...
(পূর্ব প্রকাশিতের পর)
বনূ নাযীর সম্পর্কিত কবিতাবলী:
فَإِنّك لَوْ لَاقَيْتهمْ فِي دِيَارِهِمْ ... لَأُلْفِيت عَمّا قَدْ تَقُولُ مُنَكّبَا
আপনি যদি তাদের দেশে গিয়ে তাদের সাথে মিশতেন, তাহলে এখন যা কিছু বলছেন তা থেকে অবশ্যই নিজেকে দূরে রাখতেন। নাউযুবিল্লাহ!
سِرَاعٌ إلَى الْعُلْيَا كِرَامٌ لَدَى الْوَغَى ... يُقَالُ لِبَاغِي الْخَيْرِ أَهْلًا وَمَرْحَبَا
তারা উর্ধ্বগামীতায় বেগবান, রণক্ষেত্রে সজ্জন, কল্যাণপ্রার্থীর জন্য তাদের দুয়ার সদা খোলা, তারা তাকে জানায় স্বাগতম। নাউযুবিল্লাহ!
কাট্টা কাফির ইবনে মিরদাসের কবিতার জবাবে হযরত কা’ব ইবনে মালিক রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি কঠোর জব বাকি অংশ পড়ুন...
বনূ নাযীর সম্পর্কিত কবিতাবলী:
فَغُودِرَ مِنْهُمْ كَعْبٌ صَرِيعًا ... فَذَلّتْ بَعْدَ مَصْرَعِهِ النّضِيرُ
ফলে তাদের মধ্য থেকে কাট্টা কাফির কা’ব বিন আশরাফ জঘন্যভাবে বিশ্বাসঘাতকতা করেছিলো। তার নিহত হওয়ার পরপরই বানূ নাযীরও অপদস্ত ও লাঞ্ছিত হয়ে পড়লো।
عَلَى الْكَفّيْنِ ثُمّ وَقَدْ عَلَتْهُ ... بِأَيْدِينَا مُشَهّرَةٌ ذُكُورُ
খাপমুক্ত শাণিত তরবারি আমাদের হস্তগত হলো, যার কারণে তারা দু’হাত জোড় করে নত হলো। কাট্টা কাফির কা’বের উপর আমাদের প্রসিদ্ধ হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা বিজয়ী হলেন। সুবহানাল্লাহ!
بِأَمْرِ حَضْرَتْ مُحَمّدٍ صَلّى اللّهُ عَلَيْهِ وَسَلّمَ إذْ دَسّ বাকি অংশ পড়ুন...












