শীতকালে যেসব আমল সহজেই করতে পারি-
১. শীতকালে রোযা রাখা
রোযা মহান আল্লাহ পাক উনার সন্তুষ্টি ও নেকী লাভের অন্যতম মাধ্যম। শীতকালের রোযায় স্বল্প সময় ব্যয় হয়। সুতরাং শীতকাল রোযা পালনের মোক্ষম সুযোগ। এ জন্য শীতকালের রোযাকে বিনা পরিশ্রমে নেকী লাভের মাধ্যম হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে।
প্রখ্যাত ছাহাবী হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসঊদ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেছেন, ‘শীতকালের রোযা হচ্ছে বিনা পরিশ্রমে যুদ্ধলব্ধ মালের অনুরূপ।’ (তির বাকি অংশ পড়ুন...
প্রকৃতি মহান আল্লাহ পাক উনার শিল্প বা নিদর্শন। পবিত্র দ্বীন ইসলামে শুধু মাতৃভূমি, মাতৃভাষার প্রতি মুহব্বতের কথাই বর্ণনা হয়নি পাশাপাশি বর্ণিত হয়েছে প্রকৃতি এমনকি ঋতুর প্রতিও গভীর অনুরাগের কথা, ভালো লাগার কথা।
আমরা আমাদের চারপাশের প্রকৃতিতে নানা ধরনের ফল-ফুল ও সুন্দর সুন্দর প্রাকৃতিক দৃশ্য দেখতে পাই। এগুলো একজন ঈমানদারের কাছে স্রেফ মহান আল্লাহ পাক উনার নিদর্শন মনে হয়।
পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেছেন, ‘এবং তিনি সেই সত্তা যিনি ভূতলকে বিস্তৃত করেছেন এবং তাতে অটল পাহাড় ও নদ-নদী সৃষ্টি করেছ বাকি অংশ পড়ুন...
মনে করুন, সৌরজগতের বাইরে থেকে ছুটে আসা রহস্যময় কোনো বস্তু হঠাৎই পৃথিবীর দিকে ধেয়ে এলো। ঠিক কোথায় আঘাত হানতে পারে? এটা জানতে নতুন এক গবেষণায় উচ্চঝুঁকির অঞ্চল চিহ্নিত করেছেন বিজ্ঞানীরা।
মিশিগান স্টেট ইউনিভার্সিটির করা এই গবেষণায় বলা হয়েছে, পৃথিবীর নিরক্ষীয় অঞ্চলের (ইকুয়েটর এলাকা) প্রতি আন্তর্মহাজাগতিক বস্তুর আঘাতের ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি। তুলনামূলকভাবে উত্তর গোলার্ধ যেখানে পৃথিবীর প্রায় ৯০ শতাংশ মানুষ বাস করে, সেখানে আঘাত লাগার সম্ভাবনাও সামান্য বেশি।
গবেষকরা কম্পিউটার সিমুলেশন ব্যবহার করে এসব বস্তু পৃথিবীর দিকে এলে তাদের গ বাকি অংশ পড়ুন...
২য় মাস হচ্ছে صفر ‘ছফর’: অর্থাৎ শূন্য, খালী মাস। যেহেতু এ মাসে আরবগণ যুদ্ধ ও ছফরের উদ্দেশ্যে গৃহ ত্যাগ করতো এবং এ কারণে তাদের ঘর-বাড়ীগুলো খালী থাকতো, এজন্য এ মাসকে صفر ‘ছফর’ নামে অভিহিত করা হয়। যেমন: কোন ঘর খালি হলে বলা হয়- صفر الـمكان অর্থাৎ স্থানটি খালি হয়েছে। صفر শব্দের বহুবচন اصفار যেমন: جمل শব্দের বহুবচন اجمال।
৩য় মাস হচ্ছে ربيع الاول রবীউল আউওয়াল শরীফ’: অর্থাৎ বসন্ত ঋতুর প্রথম মাস।
৪র্থ মাস হচ্ছে ربيع الثانى ‘রবীউছ ছানী বা ربيع الاخر ‘রবীউল আখির’: অর্থাৎ বসন্ত ঋতুর দ্বিতীয় মাস। এ মাস দুটিতে যেহেতু আরবে বসন্ত কাল ছিলো, তাই এ মাস দুটির নামকরণ ربيع الاو বাকি অংশ পড়ুন...
সর্বজনমান্য ও নির্ভরযোগ্য বহু ইমাম-মুজতাহিদ এবং আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনাদের কর্তৃক নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশের মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র তারীখ মুবারক উনাকে ‘ঈদ, ঈদে আকবর ও ঈদে আ’যম’ হিসেবে গ্রহণ করার দলীল:
(৫) আল্লামা হযরত ইমাম আবূ আব্দুল্লাহ মুহম্মদ ইবনে ইবরাহীম ইবনে আবূ বকর আব্দুল্লাহ ইবনে মালেক ইবনে ইবরাহীম ইবনে ইয়াহ্ইয়া ইবনে আব্বাদ রিনদী মালিকী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার সম্মানিত শায়েখ বিশিষ্ট ওলীআল্লাহ হযর বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
শতাধিক বছরের মধ্যে সবচেয়ে শুষ্ক বসন্ত পার করছে যুক্তরাজ্য। গত মার্চ মাসের পর থেকে সেখানে এক ফোঁটা বৃষ্টিও পড়েনি। এতে মাটি একেবারে শুকিয়ে গেছে এবং পানিস্বল্পতায় ব্যাহত হচ্ছে কৃষি উৎপাদন। এমন পরিস্থিতিতে বৃষ্টির জন্য দোয়া করছে ব্রিটিশ কৃষকরা।
১৮৫২ সালের পর এবারই বসন্তকাল সবচেয়ে শুষ্ক রূপ ধারণ করেছে যুক্তরাজ্যে।
পূর্ব ইংল্যান্ডের পিটারবারো শহরের কাছে ৪০০ হেক্টর (৯৮৮ একর) নিজ জমির খামারে দাঁড়িয়ে হতাশাভরে নিজের চিনির বিট ও আলুর ক্ষেতের দিকে তাকিয়ে আছে ব্রিটিশ কৃষক অ্যাবলিট। পানির জন্য হাহাকার করা ফসলগুলো বাকি অংশ পড়ুন...
শীতকালে যেসব আমল সহজেই করতে পারি-১. শীতকালে রোযা রাখা
রোযা মহান আল্লাহ পাক উনার সন্তুষ্টি ও নেকী লাভের অন্যতম মাধ্যম। শীতকালের রোযায় স্বল্প সময় ব্যয় হয়। সুতরাং শীতকাল রোযা পালনের মোক্ষম সুযোগ। এ জন্য শীতকালের রোযাকে বিনা পরিশ্রমে নেকী লাভের মাধ্যম হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে।
প্রখ্যাত ছাহাবী হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসঊদ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেছেন, ‘শীতকালের রোযা হচ্ছে বিনা পরিশ্রমে যুদ্ধলব্ধ মালের অনুরূপ। ’ (তি বাকি অংশ পড়ুন...
প্রকৃতি মহান আল্লাহ পাক উনার শিল্প বা নিদর্শন। পবিত্র দ্বীন ইসলামে শুধু মাতৃভূমি, মাতৃভাষার প্রতি মুহব্বতের কথাই বর্ণনা হয়নি পাশাপাশি বর্ণিত হয়েছে প্রকৃতি এমনকি ঋতুর প্রতিও গভীর অনুরাগের কথা, ভালো লাগার কথা।
আমরা আমাদের চারপাশের প্রকৃতিতে নানা ধরনের ফল-ফুল ও সুন্দর সুন্দর প্রাকৃতিক দৃশ্য দেখতে পাই। এগুলো একজন ঈমানদারের কাছে স্রেফ মহান আল্লাহ পাক উনার নিদর্শন মনে হয়।
পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেছেন, ‘এবং তিনি সেই সত্তা যিনি ভূতলকে বিস্তৃত করেছেন এবং তাতে অটল পাহাড় ও নদ-নদী সৃষ্টি কর বাকি অংশ পড়ুন...
(৮) হাফিয আল্লামা মুহম্মদ ইবনে ইঊসুফ ছালিহী শামী শাফিয়ী রহমতুল্লাহি আলাইহি (বিছাল শরীফ ৯৪২ হিজরী শরীফ) তিনি বলেন, “মহান আল্লাহ পাক তিনি ঐ পাঠকের উপর রহম করুন! যিনি পাঠ করেছেন,
يَا مَوْلِدَ الْمُخْتَارِ اَنْتَ رَبِيْعُنَا * * بِكَ رَاحَةُ الْاَرْوَاحِ وَالْاَجْسَادِ
يَا مَوْلِدًا فَاقَ الْمَوَالِدَ كُلَّهَا * * شَرَفًا وَسَادَ بِسَيِّدِ الْاَسْيَادِ
لَا زَالَ نُوْرُكَ فِى الْبَرِيَّةِ سَاطِعًا * * يَعْتَادُ فِىْ ذَا الشَّهْرِ كَالْاَعْيَادِ
فِىْ كُلِّ عَامٍ لِلْقُلُوْبِ مَسَرَّةٌ * * بِسَمَاعِ مَا نَرْوِيْهِ فِى الْمِيْلَادِ
‘হে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বরকতময় ওযূদ পাক মুবারক! আপনি আমাদের বসন্তকাল, আপনার মাধ্যমে সমস্ত রূহ এবং জিসিম বাকি অংশ পড়ুন...












