মন্তব্য কলাম
সম্মানিত দ্বীন ইসলামে কী প্রকৃতির মুহব্বত ও ঋতু প্রিয়তার কথা নেই? নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার কাছে শীতকাল যে কত প্রিয় তা অনেকেরই অজানা। শীতে আছে গণীমত (পর্ব -২)
, ১১ই রজবুল হারাম শরীফ, ১৪৪৬ হিজরী সন, ১৫ ছামিন, ১৩৯২ শামসী সন , ১২ জানুয়ারী, ২০২৫ খ্রি:, ২৭ পৌষ , ১৪৩১ ফসলী সন, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) মন্তব্য কলাম
শীতকালে যেসব আমল সহজেই করতে পারি-
১. শীতকালে রোযা রাখা
রোযা মহান আল্লাহ পাক উনার সন্তুষ্টি ও নেকী লাভের অন্যতম মাধ্যম। শীতকালের রোযায় স্বল্প সময় ব্যয় হয়। সুতরাং শীতকাল রোযা পালনের মোক্ষম সুযোগ। এ জন্য শীতকালের রোযাকে বিনা পরিশ্রমে নেকী লাভের মাধ্যম হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে।
প্রখ্যাত ছাহাবী হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসঊদ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেছেন, ‘শীতকালের রোযা হচ্ছে বিনা পরিশ্রমে যুদ্ধলব্ধ মালের অনুরূপ। ’ (তিরমিযী শরীফ, হাদীছ শরীফ নং ৭৯৭)
পূর্বে উদ্ধৃত পবিত্র হাদীছ শরীফ থেকে বিষয়টি একেবারে স্পষ্ট। শীতকালে দিন থাকে খুবই ছোট এবং ঠা-া। ফলে দীর্ঘ সময় না খেয়ে যেমন থাকতে হয় না, তেমনি তৃষ্ণার্ত হওয়ারও ভয় নেই। সুতরাং কারো যদি কাযা রোযা বাকি থাকে, তবে এটাই হলো সেগুলো আদায় করে নেয়ার মোক্ষম সুযোগ। তাছাড়া বেশি বেশি নফল রোযা রাখারও এটি সুবর্ণ সময়।
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, মহান আল্লাহ পাক উনার ওয়াস্তে যে ব্যক্তি একদিন রোযা পালন করলো, মহান আল্লাহ পাক তিনি প্রতিদানস্বরূপ জাহান্নাম এবং ওই ব্যক্তির মাঝখানে ৭০ বছরের দূরত্ব সৃষ্টি করে দিবেন। সুবহানাল্লাহ! (বুখারী শরীফ: ২৮৪০, মুসলিম শরীফ: ১১৫৩)
অতএব শীতের এই মওসুমে বেশি বেশি রোযা রাখা উচিত। বিশেষতঃ আইয়্যামে বীয অর্থাৎ হিজরী প্রতি মাসে তিনটি রোযা রাখা। তাছাড়া নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যে সকল মাসে নির্র্দিষ্ট নিয়মে রোযা রাখতেন উনার অনুসরণে সেসব দিনে রোযা রাখা।
২. তাহাজ্জুদ নামায আদায় করা
শীতকালে রাত অনেক লম্বা হয়। কেউ চাইলে পূর্ণরূপে ঘুমিয়ে আবার শেষরাতে তাহাজ্জুদ নামায পড়তে সক্ষম হবে। একদিকে ঘুমের যেমন কোনো কমতি হবে না অন্যদিকে মহান একটি ইবাদত আদায়ের পবিত্র অভ্যাস গড়ে উঠবে। মহান আল্লাহ পাক তিনি মু’মিনদের সম্বন্ধে বলেন, তাদের পার্শ্ব শয্যা থেকে আলাদা থাকে। তারা তাদের মহান রব তাআলা উনাকে ডাকে ভয়ে ও আশায় এবং আমি তাদেরকে যে রিযিক দিয়েছি, তা থেকে ব্যয় করে। (পবিত্র সূরা সাজদাহ শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ১৬)
অন্যত্র মহান আল্লাহ পাক তিনি বলেন, তারা রাত্রির সামান্য অংশেই নিদ্রা যেত। (পবিত্র সূরা যারিয়াত শরীফ: ১৭)
৩. পূর্ণরূপে ওযূ এবং নামাযের অপেক্ষা
শীতকালে সবকিছু ঠা-া হয়ে থাকে। পানি বরফের মতো হয়ে যায়। কাজেই ওযূ করা কঠিন হয়ে পড়ে। বিশেষ করে ইশা ও ফজরের নামাযের জন্য ওযূ করা খুবই কষ্টকর হয়। শীতের তীব্রতায় কষ্টের কারণে মহান আল্লাহ পাক তিনি নেকীর মাত্রাও বাড়িয়ে দেন। শীতে পরিপূর্ণভাবে ওযূ করা অনেক নেকীর কাজ। উপরন্তু এর আকর্ষণীয় প্রতিদান রয়েছে।
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, আমি কি তোমাদের এমন কিছু শিখিয়ে দিবো না; যার কারণে মহান আল্লাহ পাক তিনি পাপ মোচন করবেন এবং জান্নাতে আপনাদের মর্যাদা বৃদ্ধি করবেন? ছাহাবীগণ বললেন, হ্যাঁ আয় মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! তিনি বললেন, মন না চাইলেও ভালোভাবে ওযূ করা, অধিক পদক্ষেপে মসজিদে যাওয়া এবং এক নামাযের পর আরেক নামাযের জন্য অপেক্ষা করা। (মুসলিম শরীফ: ২৫১)
৪. কাপড় দান করা
দুনিয়ার বহু অঞ্চলে নির্যাতিত মুসলমানগণ শরণার্থী শিবিরে কিংবা নিজদেশে আর্থিক অসচ্ছলতা হেতু মানবেতর জীবন যাপন করেন। ঠা-া থেকে আত্মরক্ষার জন্য তাদের নিকট পর্যাপ্ত কাপড়ের ব্যবস্থা নেই। শীতের আমেজে স্বচ্ছল ব্যক্তিরা উষ্ণ পোশাক পড়ে যখন শীতকে উপভোগ করে, তখন লাখো মানুষ একটু উষ্ণতার জন্য জুবুথুবু হয়ে খড়কুটো জ্বালিয়ে জীবনটাকে টেনে নিয়ে যায়। মানবিক এবং ইসলামিক উভয় দৃষ্টিকোণ থেকে ওইসব মানুষের পাশে দাঁড়ানো বিত্তবানদের ওপর জরুরি। শুধু বিত্তবান নয়, সাধারণ মানুষও সাধ্যমতো এগিয়ে আসতে পারেন।
একজন মুসলমানকে কাপড় দান করার কী ফযীলত- সে বিষয়ে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, যে মু’মিন অপর বস্ত্রহীন মু’মিনকে কাপড় পরিয়ে দিল মহান আল্লাহ তায়ালা তিনি ওই ব্যক্তিকে জান্নাতের সবুজ কাপড় পরিয়ে দিবেন। (সুনানে তিরমিযী: ২৪৪৯, মুসনাদে আহমাদ: ১১১১৬)
কোনো বর্ণনায় এসেছে: মহান আল্লাহ পাক তিনি তাকে জান্নাতি পোশাক পরিয়ে দিবেন। সুবহানাল্লাহ! (আত তারগিব ওয়াত তারহিব, ২/৯২)
৫. শীতার্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো
শীত নিবারণের মতো পোশাক-পরিচ্ছদ সব মানুষের থাকে না। খাদ্য-পুষ্টি ও বাসস্থানের অভাবে অনেকেই শীতে মানবেতর জীবন-যাপন করে। সাধ্যমতো তাদের পাশে দাঁড়ানো ঈমানের দাবি।
শীত-গ্রীষ্ম সবই মহান আল্লাহ পাক উনার অপরূপ সৃষ্টির বিচিত্র রূপ। রাত-দিনের পরিবর্তন, ঋতুবৈচিত্র এবং সৃষ্টির অনুপম নৈপুণ্যতা সবই মহান আল্লাহ পাক উনার মহিমা। ঋতুর পরিবর্তনে শীত ও গ্রীষ্ম আসে। একসময় তীব্র শীত আবার একসময় তীব্র গরম অনুভূত হয়। শীত ও গ্রীষ্মের তীব্রতা আসে জাহান্নামের নিঃশ্বাস থেকে।
হযরত আবু হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু থেকে বর্ণিত, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘জাহান্নাম তার মহান রব তাআলা উনার কাছে অভিযোগ করে বলে, আয় মহান রব তাআলা! আমার এক অংশ অপর অংশকে খেয়ে ফেলেছে। তখন মহান আল্লাহ পাক তিনি তাকে দুটি নিঃশ্বাস ফেলার অনুমতি প্রদান করেন। একটি নিঃশ্বাস শীতকালে, আর একটি গ্রীষ্মকালে। কাজেই তোমরা গরমের তীব্রতা এবং শীতের তীব্রতা পেয়ে থাকো। ’ (বুখারী শরীফ, হাদীছ শরীফ: ৩০৮৭)
৬. শীতের তীব্রতায় জাহান্নাম থেকে মুক্তি প্রার্থনা
শীতের তীব্রতা জাহান্নামের শীতলতার কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। কাজেই তীব্র শীতে জাহান্নামের কথা স্মরণ করে মহান আল্লাহ পাক উনার কাছে জাহান্নাম থেকে মুক্তি প্রার্থনা করা উচিত। হযরত আবু হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু থেকে বর্ণিত, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘যদি কোনো বান্দা তীব্র শীতের সময় বলে, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ (মহান আল্লাহ পাক তিনি ছাড়া কোনো ইলাহ নেই), আজকের দিনটি কতই না শীতল। আয় মহান আল্লাহ পাক! আপনি আমাকে জামহারির জাহান্নাম থেকে মুক্তি দিন। তখন মহান আল্লাহ পাক তিনি জাহান্নামকে লক্ষ্য করে বলেন, আমার এক বান্দা তোমার জাহান্নাম থেকে আমার কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করেছে। আমি তোমাকে সাক্ষ্য রেখে বলছি, আমি তাকে মুক্তি দিলাম। ’
মহান আল্লাহ তাআলা তিনি মু’মিন মুসলমানকে শীতকালে বেশি বেশি ইবাদত-বন্দেগী করার তাওফিক দান করুন। শীতকালকে নেক আমলের বসন্তকালে পরিণত করে দিন।
-আল্লামা মুহম্মদ ওয়ালীউর রহমান।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
ঈমান ও ইজ্জত হরণে হিন্দুত্ববাদী নীল নকশা ‘ভগওয়া লাভ ট্র্যাপ’-সরকার ও জনতাকে সতর্ক হওয়া এখন সময়ের দাবি ও ফরয
৩০ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
বাংলাদেশের বন্দর বিদেশিদের হাতে নয়, জাতির হাতেই থাক
৩০ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
নতুন জাতীয় মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ; একটি দেশ ও সার্বভৌমত্ব বিরোধী অধ্যাদেশ। অধ্যাদেশে বাঙ্গালীদের বাদ দিয়ে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর জন্য চালু হয়েছে কোটাপ্রথা, উপজাতি সন্ত্রাসী গোষ্ঠীকে সুবিধা দিতে সশস্ত্রবাহিনীও বিচারের আওতায়, পশ্চিমা অমানবিকতাকে প্রাধান্য।
২৯ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে বাসডুবির মর্মান্তিক ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি জরুরি
২৯ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
খনিজ সম্পদে ভরপুর সোনার বাংলা। অথচ অনুসন্ধানের অভাবে অনাবিষ্কৃত রয়ে গেছে বেশীরভাগ খনিজ সম্পদ। শুধু পার্বত্য চট্টগ্রামের অনাবিষ্কৃত তেল গ্যাসই দেশের চাহিদা মিটিয়ে দিতে পারে।
২৮ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
বিদেশে যেতে ইচ্ছুক শিক্ষার্থীদের দশ লাখ টাকার ব্যাংক সহযোগিতার ঘোষণা- যুগপৎ দুর্ভাগ্যজনক এবং আত্মঘাতী যা মেধা পাচার, অর্থ পাচার এবং দেশীয় শিক্ষাব্যবস্থার উৎকর্ষতা সাধনে অবহেলার দৃষ্টিভঙ্গী। দেশীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষা ও গবেষণার মান বাড়াতে হবে মেধাবীদের যথাযথ মূল্যায়ন করে অতি সত্ত্বর দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে ইনশাআল্লাহ।
২৮ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
সন্ত্রাসী আম্রিকা যুদ্ধের নামে বাঁচতে চায়। ভূয়া অস্ত্র বেঁচে টাকা লুট করতে চায় ভূয়া আম্রিকানরা মনে করে আম্রিকা যুদ্ধে সেরা অথচ মেক্সিকো, স্পেন, জার্মানসহ কয়েকটি কাফের রাষ্ট্র ছাড়া কানাডা ভিয়েতনামসহ অনেক কাফের রাষ্ট্রের কাছেও তারা শোচনীয়ভাবে হেরেছে
২৬ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সুলতানুন নাছীর হযরত মুজাদ্দিদে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার বদ দোয়ার কারণে ইরানের একটি ২০ হাজার ডলারের শাহেদ-১৩৬ ড্রোন প্রতিরোধ করতে যুক্তরাষ্ট্রের ১০০ মিলিয়ন ডলার খরচ হচ্ছে। যা যুক্তরাষ্ট্রকে কঠিন অর্থনৈতিক শিক্ষার মুখোমুখি করেছে।
২৫ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
ইহুদী-খ্রিষ্টান-হিন্দুরা কোন মুসলিম দেশ ধ্বংস ও দখল করার আগে সে দেশে তাদের অপসংস্কৃতি চাপিয়ে দেয়। চলচ্চিত্র নামক বিধ্বর্মীদের জাহান্নামী সংস্কৃতির ফাঁদে মুসলিম উম্মাহ।
১৯ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ : জ্বালানিসংকট সামলাতে প্রয়োজন দক্ষ ব্যবস্থাপনা আমদানিনির্ভর জ্বালানিনীতির আত্মঘাতী সিদ্ধান্তে স্বাধীনতার পর থেকেই হাঁটছে বাংলাদেশ গভীর জ্বালানি সংকটের দিকে এগোচ্ছে দেশ দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতে অভ্যন্তরীণ অনুসন্ধান ও উৎপাদনের বিকল্প নেই
১৮ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ : জ্বালানিসংকট সামলাতে প্রয়োজন দক্ষ ব্যবস্থাপনা আমদানিনির্ভর জ্বালানিনীতির আত্মঘাতী সিদ্ধান্তে স্বাধীনতার পর থেকেই হাঁটছে বাংলাদেশ গভীর জ্বালানি সংকটের দিকে এগোচ্ছে দেশ দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতে অভ্যন্তরীণ অনুসন্ধান ও উৎপাদনের বিকল্প নেই
১৬ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
“বিশ্বের সব মুসলমান একটি দেহের ন্যায়”- এ হাদীছ শরীফের শিক্ষা মুসলমানেরা নেয়নি। কিন্তু কাফিররা এ হাদীছ শরীফের ফায়দা নিয়ে এত শক্তিশালী।
১৫ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার)












