SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%ফায়সালা%' OR titleBn LIKE '%ফায়সালা%' OR descriptionEn LIKE '%ফায়সালা%' OR descriptionBn LIKE '%ফায়সালা%' OR slug LIKE '%ফায়সালা%' OR metaTag LIKE '%ফায়সালা%' OR metaDescription LIKE '%ফায়সালা%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
(১)
তখন সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার খিলাফতকাল। ভাতা নির্ধারণ হলো সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছানী আলাইহিস সালাম উনার এবং সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছালিছ আলাইহিস সালাম উনাদের সম্মানার্থে। এদিকে বাকি অংশ পড়ুন...
তিনি বললেন, আচ্ছা এখানে ফায়সালা শেষ হলো, অতঃপর চলেন মহাসম্মানিত মদীনা শরীফ উনার মধ্যে। উনাকে নিয়ে গেলেন। হযরত খাজা উছমান হারূনী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি মহাসম্মানিত মদীনা শরীফ উনার মধ্যে গিয়ে মহাসম্মানিত মহাপবিত্র রওজা শরীফ উনার পাশে দাঁড়ালেন। আর হযরত খাজা ছাহেব রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি মাথা নিচু করে দাঁড়িয়েছিলেন। উনার মাথাটা সম্পূর্ণ উনার পা-নূরুদ দারাজাত মুবারক উনার দিকে দাঁড়ায়েছিলেন। তিনি চুপ হয়ে রয়েছেন কোন কথা নাই উনার। উনার শায়েখ সালাম দিলেন এবং বললেন ইয়া রসূলাল্লাহ, ইয়া হাবীবাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! বাকি অংশ পড়ুন...
যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি বললেন,
سُنَّةَ اللهِ فِي الَّذِينَ خَلَوْا مِن قَبْلُ
যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি বললেন, এটা আগে থেকেই ফায়সালা মুবারক করে রাখা হয়েছে। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! এটা আগে থেকেই ফায়সালা, নতুন করে ফায়সালা না। যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক উনার মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক, উনার তর্জ-তরীক্বা মুবারক।
وَلَنْ تَجِدَ لِسُنَّةِ اللهِ تَبْدِيلًا
যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক উনার সুন্নত মুবারক উনার কোন পরিবর্তন নেই। সু বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের দলীল অনুযায়ী হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস্ সালাম উনাদের স্বপ্ন মুবারকও যেখানে পবিত্র ওহী মুবারক উনার অন্তর্ভুক্ত সেখানে উনাদের জাগ্রত অবস্থার বিষয়গুলো কি পবিত্র ওহী মুবারক উনার বাইরে ছিল? কখনই নয়। যদি তাই হয় তাহলে পবিত্র ওহী মুবারক উনার ফায়সালাকৃত বিষয়ের জন্য উনাদেরকে দোষারোপ করা কি করে শুদ্ধ হতে পারে?
কাজেই, উনাদের সাথে যদি ভুল বা গুনাহর বিষয়টি সম্পৃক্ত করা হয় তাহলে একইসাথে এটাও সম্পৃক্ত হয়ে যায় যে, মহান আল্লাহ পাক তিনিই পবিত্র ওহী মুবারক নাযিলে ভুল করেছেন এবং তিনিই উনাদেরকে গুনাহ ক বাকি অংশ পড়ুন...
তাহলে ফয়সালাটা কি হবে? মৃত্যুদন্ডতো একটা স্বাভাবিক বিষয়। মাত্র তার গরদানটা ফেলে দেয়া হলো। মাথাটা শেষ করে দেয়া হলো। যমীনে সে ইন্তেকাল করলো এটাতো স্বভাবিক বিষয়। আরো অনেক রয়ে গেছে। এতটুক শুধু না। তার মৃত্যুদন্ড দিলেই শেষ না, এটাতো শুরু হলো তার শাস্তি। এখন অনন্তকাল ধরে তার শাস্তি চলতেই থাকবে। এই শাস্তি থেকে সে কোনদিন রেহাই পাবে না। এমন কঠিন শাস্তি দেয়া হবে যেটা কল্পনাতীত। নাউযুবিল্লাহ! তাহলেতো বিষয়টা ফিকির করতে হবে। তাহলে উনাদের শান-মান মুবারক, ফাযায়িল-ফযীলত মুবারক কতটুকু, বুযূর্গী মুবারক তাহলে কতটুকু? এটা ফিকির করতে হবে। উনাদে বাকি অংশ পড়ুন...
একজন মায়ের যদি দ্বীনের সঠিক বুঝ না থাকে তবে সেই মা তার সন্তানকে সঠিক পথে পরিচালিত করতে পারবে না। তাই বাবার দায়িত্ব হচ্ছে তার আহলিয়াকে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার সঠিক জ্ঞান শিক্ষা দেওয়া হয় এমন স্থানে নিয়ে গিয়ে সঠিক দ্বীনি বিষয়ে শিক্ষা লাভের ব্যবস্থা করে দিয়ে হাক্বীক্বী আল্লাহওয়ালী বানানো।
পক্ষান্তরে শুধুমাত্র মায়ের যদি দ্বীনি জ্ঞান থাকে আর পিতার দ্বীনি জ্ঞান না থাকে এক্ষেত্রে মা যদি সন্তানকে কোন দ্বীনি বিষয়ে আদেশ করেন বা দ্বীনি কথা বলেন এমতাবস্থায় পিতা সেই কথাকে গুরুত্ব না দিলে সন্তানও মায়ের কথা গুরুত্ব দিব বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি অন্যত্র ইরশাদ মুবারক করেন-
كَذَٰلِكَ كِدْنَا لِيُوسُفَ
অর্থ: এমনিভাবে আমি হযরত ইউসূফ আলাইহিস সালাম উনার জন্য হীলাহ্ বা হিকমত অবলম্বন করেছি (উনার ভাইকে আবদ্ধ করে রাখার জন্য) (সূরা ইউসূফ শরীফ -৭৬)
আলোচ্য আয়াত শরীফে ‘কাইদ’ দ্বারা উদ্দেশ্য হচ্ছে, হীলাহ্ বা কৌশল। হযরত ইমাম আবূ বকর জাসসাস রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, এর দ্বারা হীলাহ এর বৈধতা প্রমাণিত। আর তার দ্বারা স্বীয় হুকুক বা অধিকার হাসিলের জন্য হীলাহ্ অবলম্বন করার বৈধতা প্রতিয়মান হয়। কেননা মহান আল্লাহ পাক তিনি হযরত ইউসূফ আলাইহিস সালাম উনার কাজের উপর সন্তুষ্ট হয়ে বাকি অংশ পড়ুন...
প্রশাসনিক দায়িত্ব থেকে দূরে অবস্থান:
আমিরুল মু’মিনীন, সাইয়্যিদুনা হযরত যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম উনার খিলাফতযুগে তিনি প্রশাসনিক কর্মকা-ে অংশগ্রহণের সুযোগ লাভ করেন। সাইয়্যিদুনা হযরত যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম তিনি উনাকে কাজীর পদ গ্রহণের প্রস্তাব দেন। কিন্তু তিনি এই প্রস্তাব হতে রুখসত আরজী করেন এই বলে যে, আমি দুই ব্যক্তির মধ্যে ফায়সালা করি না, দুই ব্যক্তির ইমামতিও করি না। কারণ নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেছেন, কাজী তিন শ্রেণীর। এক, জাহিল। তাদের ঠিকানা জাহান্নাম। দু বাকি অংশ পড়ুন...
বর্ণনাকারী বলেন, সন্ধিপত্র লেখা শেষ হলে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি আমভাবে ঘোষণা করে দেন, লোকেরা যেন হুদায়বিয়ায় নিজ নিজ আনিত পশুগুলি কুরবানী করে দেয় এবং হলক্ব করে নেয়। পরপর তিনবার তিনি ঘোষণা দেন, কিন্তু ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুমগণ উনাদের মধ্যে নির্দেশ পালনের কোন লক্ষণ দেখা গেলো না। (সবাই অপেক্ষা করতে লাগলেন, কখন তিনি নিজেই কুরবানী ও হলক্ব করবেন)।
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি এ ব্যাপারে সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মি বাকি অংশ পড়ুন...
তাহলে কত পবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনারা। একমাত্র যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি এবং মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব নূরে মুজাসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনারা ছাড়া সব থেকে উনারা বেনিয়াজ। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! এটাই হচ্ছে ছমাদিয়াত ও ত্বহারাতের মাক্বাম। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! কাজেই বিষয়টা অত্যন্ত সুক্ষ্ম ও কঠিন বিষয় বুঝাটা। অত্যন্ত সুক্ষ্ম বিষয়, যে উনাদের শান-মান, ফাযায়িল-ফযীলত কতটুক বাকি অংশ পড়ুন...
হীলাহ্ বিবাহ জায়েয ও শরীয়ত সম্মত এবং ফযীলতের কারণ। তবে মুত্য়াহ্ বিবাহ ও মুওয়াক্কাত বিবাহ জায়েয নেই, হারাম এবং লা’নতের কারণ। কেউ কেউ হীলাহ্ বিবাহ, মুত্য়াহ্ ও মুয়াক্কাত বিবাহের মধ্যে পার্থক্য না বুঝার কারণে হীলাহ্ বিবাহকে নাজায়েয ও লা’নতের কারণ বলে থাকে। যা শরীয়ত সম্মত নয়।
শরীয়তের পরিভাষায়, কোন মুসলমান ভাইয়ের উপকার করার জন্য তার ত্বালাকপ্রাপ্তা আহলিয়াকে (স্ত্রী) শর্ত-শারায়েত ব্যতীত বিবাহ করে, ঘরÑসংসার করে তথা একান্ত নির্জনবাসের পর ত্বালাক্ব দেয়, তাকে হীলাহ্ বিবাহ বলা হয়। মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
فَاِنْ طَلَّقَهَا فَ বাকি অংশ পড়ুন...












