SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%ফায়সালা%' OR titleBn LIKE '%ফায়সালা%' OR descriptionEn LIKE '%ফায়সালা%' OR descriptionBn LIKE '%ফায়সালা%' OR slug LIKE '%ফায়সালা%' OR metaTag LIKE '%ফায়সালা%' OR metaDescription LIKE '%ফায়সালা%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
(১)
দিনের শুরুটা হয় সূর্যের আলো দ্বারা। রাতের শুরুটা হয় চাঁদ উঠার দ্বারা। চাঁদ ও সূর্য উভয়ের অবস্থানই আসমানে। আসমান থেকেই বৃষ্টি হয়। কি পার্থিব জীবনে? কী মানবীয় জীবনে আসমানের গুরুত্ব অত্যাধিক। আসমান ছাড়া জীবন অকল্ঠবাকি অংশ পড়ুন...
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুয যামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে- “পবিত্র মসজিদে দুনিয়াবী কথা বললে চল্লিশ বছরের ইবাদত তথা নেকী নষ্ট হয়ে যায়।” “পবিত্র বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
فَلَا وَرَبِّكَ لَا يُـؤْمِنُـوْنَ حَتّٰـى يُـحَكِّمُوْكَ فِـيْمَا شَجَرَ بَـيْـنَـهُمْ ثُـمَّ لَا يَـجِدُوْا فِىْ اَنْـفُسِهِمْ حَرَجًا مِّـمَّا قَضَيْتَ وَيُسَلِّمُوْا تَسْلِـيْمًا
অর্থ: আপনার রব তা‘য়ালা মহান আল্লাহ পাক উনার ক্বসম! তারা কস্মিনকালেও ঈমানদার হতে পারবে না, যতক্ষণ পর্যন্ত না তারা আপনাকে তাদের সমস্ত বিষয়ে ফায়ছালাকারী হিসেবে মেনে না নিবে। তাদের অন্তরে কোনরূপ সংকীর্ণতা অনুভব করবে না। অতঃপর তারা আপনার সম্মানিত ফায়ছালা মুবারক উনাকে বিনা চূ-চেরা, ক্বীল-ক্বালে অন্তরের অন্তঃস্থল থেকে মেনে না নিবে। (পবিত্র সূরা নিসা : আয়াত শরীফ ৬à§ বাকি অংশ পড়ুন...
ওহাবী, সালাফী, কওমী, জামাতী
আয়রে সবাই আয়,
ঝগড়া ফাসাদ করবো না আর
শান্তিটা কাতরায়।
করে বরবাদ উস্কানি বাত,
হিংসা আগুন দিবস রাত ॥
দেওরে তা নিভায়।
আয়রে সবাই আয় ॥
রসুল প্রেমিক আমরা এসে
এক সাথে গুজরাই,
দুশমনে রসূল ক্ষতির মূল
ইয়াক্বীন করবো তাই।
মোরা করবো না আর গন্ডগোল,
পান করবো না তাগুতি ঘোল ॥
বেহুশের মজমায়।
আয়রে সবাই আয় ॥
আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াতের
মজবুত প্রাসাদে,
নববী মতেই কাটাই দায়িমান
নিশ্চিত নিরাপদে।
পরামর্শ করেই করি ফায়সালা
রাখবো না আর দ্বন্দ্ব জ্বালা ॥
ঐক্যের মোহনায়।
আয়রে সবাই আয় ॥
আকীদা-আমল স্বচ্ছ রাখি
সুন্নতী তরীকায়,
হà বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
فَلَا وَرَبِّكَ لَا يُـؤْمِنُـوْنَ حَتّٰـى يُـحَكِّمُوْكَ فِـيْمَا شَجَرَ بَـيْـنَـهُمْ ثُـمَّ لَا يَـجِدُوْا فِىْ اَنْـفُسِهِمْ حَرَجًا مِّـمَّا قَضَيْتَ وَيُسَلِّمُوْا تَسْلِـيْمًا
অর্থ: আপনার রব তা‘য়ালা মহান আল্লাহ পাক উনার ক্বসম! তারা কস্মিনকালেও ঈমানদার হতে পারবে না, যতক্ষণ পর্যন্ত না তারা আপনাকে তাদের সমস্ত বিষয়ে ফায়ছালাকারী হিসেবে মেনে না নিবে। তাদের অন্তরে কোনরূপ সংকীর্ণতা অনুভব করবে না। অতঃপর তারা আপনার সম্মানিত ফায়ছালা মুবারক উনাকে বিনা চূ-চেরা, ক্বীল-ক্বালে অন্তরের অন্তঃস্থল থেকে মেনে না নিবে। (পবিত্র সূরা নিসা : আয়াত শরীফ ৬à§ বাকি অংশ পড়ুন...
(৪৩২)
قَوْله تَعَالى: {فَإِنْ تَنَازَعْتُمْ فِي شَيْءٍ فَرُدُّوهُ إلَى اللَّهِ وَالرَّسُولِ}: قَالَ عُلَمَاؤُنَا: رُدُّوهُ إلى كِتَابِ اللهِ، فَإِذَا لَمْ تَجِدُوهُ فَإِلى سُنَّةِ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَإِنْ لَمْ تَجِدُوهُ فَكَمَا قَالَ عَلِيٌّ عليه السلام: مَا عِنْدَنَا إلَّا مَا فِي كِتَابِ اللهِ تَعَالى أَوْ مَا فِي هذِهِ الصَّحِيفَةِ أَوْ فَهْم أُوتِيهِ رَجُل مُسْلِم، وَكَمَا "قَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لِمُعَاذٍ رضى الله عنه: بِمَ تَحْكُمُ قَالَ بِكِتَابِ الله قَالَ فَإِنْ لَمْ تَجِدْ قَالَ بِسُنَّةِ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ فَإِنْ لَمْ تَجِدْ قَالَ أَجْتَهِدُ رَأْيِي وَلَا آلُو قَالَ الْحَمْدُ لله الَّذِي وَفَّقَ رَسُولَ رَسُولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم".
অর্থ: মহঠবাকি অংশ পড়ুন...
রাজধানীসহ সারা দেশে কিশোর গ্যাংয়ের মাধ্যমে ছিনতাই, চাঁদাবাজি, ডাকাতি, মাদক ব্যবসা ও সম্ভ্রমহরণ এবং খুনসহ বড় অপরাধ বেড়েই চলেছে।
গুরুতর অপরাধে হাতেনাতে গ্রেফতারের পরও কয়েক সপ্তাহের মধ্যে এসব কিশোর দুর্বৃত্তদের আবার এলাকায় বুক ফুলিয়ে ঘোরাফেরা করতে দেখা যায়।
কিশোর আইনের নমনীয়তার কারণে অনেক অভিযুক্ত দ্রুত জামিনে বের হয়ে পুনরায় অপরাধে জড়াচ্ছে।
জাতিসংঘ শিশু অধিকার সনদে শিশু হিসেবে ১৮ বছরের কম বয়সী সকলকে গণ্য করা হয়েছে।
১৯৭৪ সালের শিশু আইনে শিশুর বয়স ১৬ পর্যন্ত ধরা হলেও ২০১৩ সালের শিশু আইনে বয়স করা হয়েছে ১৮
বাস্তবে জন্ম সনদে অà বাকি অংশ পড়ুন...
আল-ইহসান প্রতিবেদন:
ছাহিবাতু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, হাবীবাতুল্লাহ, ছাহিবায়ে নেয়ামত, রহমাতুল্লিল আলামীন, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “আপনার রব উনার নাম মুবারক স্মরণ করুন বা যিকির করুন এবং উনার দিকে মনোনিবেশ করুন। তিনি পশ্চিম-পূর্ব তথা সমস্ত কয়িনাতের রব, তিনি ব্যতীত কোনো ইলাহ নেই। উনাকে কার্য সম্পাদনকারী হিসেবে গà§ বাকি অংশ পড়ুন...
(৪২৫)
فصل في دلالة الآية على حجية القياس دلت هذه الايةُ على أنَّ القياس حُجَّة.
অর্থ: এই পরিচ্ছেদ হচ্ছে কিয়াস শরীয়ত উনার দলীল হওয়ার ব্যাপারে পবিত্র আয়াত শরীফ উনার প্রমাণ। অত্র পবিত্র আয়াত শরীফ প্রমাণ করেছে যে, পবিত্র কিয়াস সম্মানিত শরীয়ত উনার অকাট্য দলীল বা প্রমাণ। (তাফসীরুল লুবাব লি ইবনি আদিল, লেখক: হযরত আবূ হাফ্স উমর বিন আলী ইবনু আদিল দামিশ্কী হাম্বলী রহমতুল্লাহি আলাইহি, ওফাত: ৮৮০ হিজরী, পবিত্র সূরা নিসা শরীফ-৫৯)
(৪২৬)
فصل في تقديم الكتاب والسنة على القياس دَلَّت هذه الايةُ على أنَّ الكِتَاب والسُنة مُقدِّمان على القِياسِ مُطْلقاً فلا نَتْرُك العَمَل بهما بِسَبَبِ القِياسِ.
অর্থ: এই পরিচ্ছেদ হচ্ছে- বাকি অংশ পড়ুন...
(৪২২)
اختلفوا في اولى الامر: قال ابن عباس وجابر رضى الله عنهما وهو قول جماعة: هم العلماء والفقهاء، وقال ابو هريرة رضى الله عنه: هم الولاة والسلاطين، وقيل: هم امراء السرايا الذين بعثهم رسول الله صلى الله عليه وسلم في الحروب. وقال عكرمة رحمة الله عليه: اراد به ابا بكر وعمر عليهما السلام.
অর্থ: উলিল্ আমর উনার ব্যাপারে ইখতিলাফ রয়েছে। হযরত ইবনু আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুমা, হযরত জাবির রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু ও একদল মুফাসসিরীন কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনারা বলেন, উনারা হলেন হযরত উলামা ও ফুকাহা কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম।
হযরত আবূ হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনি বলেন, উনারা হলেন খলীফার তরফ থেকে দায়িত্ঠবাকি অংশ পড়ুন...
প্রত্যেক মুসলমানের জন্য আবশ্যক হচ্ছে, তিনি প্রতিটি ক্ষেত্রেই মহান আল্লাহ পাক এবং উনার মহাসম্মানিত হাবীব ও মাহবূব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের সকল আদেশ-নিষেধ মুবারক পরিপূর্ণ ভাবে মেনে চলবেন, মনগড়া আমল করবেন না। বরং মহাসম্মানিত সুন্নাহ শরীফ উনার অনুসরণ করবেন। এটাই প্রকৃত মুসলমানের পরিচয়।
একজন মুসলমানের মাথার তালু থেকে পায়ের তলা পর্যন্ত, হায়াত থেকে মউত পর্যন্ত, এক কথায় ক্বিয়ামত পর্যন্ত যত সমস্যাই উদ্ভব হোক না কেন, সকল বিষয়েরই ফায়সালা বা সমাধান সম্মানিত সুন্নাহ শরীফ উনার মধ্যে র বাকি অংশ পড়ুন...












