SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%ফায়সালা%' OR titleBn LIKE '%ফায়সালা%' OR descriptionEn LIKE '%ফায়সালা%' OR descriptionBn LIKE '%ফায়সালা%' OR slug LIKE '%ফায়সালা%' OR metaTag LIKE '%ফায়সালা%' OR metaDescription LIKE '%ফায়সালা%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
إِنْ تُقْرِضُوا اللَّهَ قَرْضًا حَسَنًا يُضَاعِفْهُ لَكُمْ وَيَغْفِرْ لَكُمْ وَاللَّهُ شَكُورٌ حَلِيمٌ
অর্থ: “তোমরা যদি মহান আল্লাহ পাক উনাকে উত্তম ঋণ দাও তথা উনার পথে দান- ছদক্বা করো, খয়রাত করো তা হলে তিনি তোমাদেরকে তা বহু গুণে বাড়িয়ে দিবেন এবং তোমাদেরকে ক্ষমা করবেন। সুবহানাল্লাহ! মূলত খলিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি মহা গুণগ্রাহী ও অত্যন্ত সহনশীল”। (পবিত্র সূরা তাগাবুন শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ১৭)
বাকি অংশ পড়ুন...
সম্মানিত গাযওয়াতুল হুদাইবিয়াহ
বা হুদায়বিয়ার জিহাদ মুবারক:
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার কথা মুবারকের পরিপ্রেক্ষিতে সাইয়্যিদুনা হযরত ছিদ্দীকে আকবর আলাইহিস সালাম তিনি বললেন, “কি করতে হবে তা মহান আল্লাহ পাক তিনি এবং উনার রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ভাল জানেন, তবে আমরা এসেছি উমরাহ পালন করতে, যুদ্ধ করতে নয়। অবশ্য কেউ যদি আমাদের এবং মহান আল্লাহ পাক উনার ঘরের মধ্যে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে, তাহলে আমরা তাদের সাথে জিহাদে লিপ্ত হতে বাধ্য হবো।”
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূ বাকি অংশ পড়ুন...
৩২। কামিল শায়েখ উনার সন্তুষ্টি-অসন্তুষ্টি উভয়ের মধ্যে নিজের খায়ের বরকত জানবে।
কামিল শায়েখ যদি কোন মুরীদের প্রতি সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন তবে তা মুরীদ নিজের জন্য নিয়ামত মনে করে মহান আল্লাহ পাক উনার শুকরিয়া আদায় করবে।
আর যদি কোন কারণে কামিল শায়েখ কোন মুরীদের উপর অসন্তুষ্ট হন কিংবা অসন্তুষ্টিবশতঃ ছোহবত মুবারক ত্যাগ করতে বলেন, তথাপি ছোহবত মুবারক ত্যাগ করবে না। বরং অধিক মাত্রায় তওবা-ইস্তিগফার করতঃ ধৈর্যধারণ করবে। অসন্তুষ্টির কারণ তালাশ করে তার সঠিক তথ্য পেশ করে ওজরখায়ী ও ক্ষমা প্রার্থনা করবে। এটাই হচ্ছে, হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ বাকি অংশ পড়ুন...
(৪০৮)
{فَرُدُّوهُ إِلَى اللهِ وَالرَّسُول} أي: إلى كتاب الله وإلى رسوله صلى الله عليه وسلم ما دام حيا وبعد وفاته إلى سُنّته، والرُّد إلى الكتاب والسنة واجب إن وُجد فيهما، فإن لم يُوجد فسبيله الاجتهاد.
অর্থ: (তোমরা মহান আল্লাহ পাক ও উনার সম্মানিত রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার দিকে প্রত্যাবর্তন করো) অর্থাৎ মহান আল্লাহ পাক উনার কিতাব কুরআন শরীফ এবং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার দুনিয়াবী হায়াতে তাইয়্যিবা মুবারকে উনাকে আর উনার পর্দা মুবারক করার পর উনার সুন্নাহ শরীফ উনার দিকে প্রত্যাবর্তন করো। এমতাবস্থায় কিতাবুল্লাহ ও সুন্নতে রসূলিল্ বাকি অংশ পড়ুন...
এ বিষয়ের উপর চমৎকার একটা স্বপ্নের দলীল রয়েছে। হযরত মুহম্মদ বিন আলী সিরাজ রহমতুল্লাহি আলাইহি থেকে স্বপ্নের মাধ্যমে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার দীদারে ধন্য হয়ে এ বিষয়টা ফায়সালা এসেছে এভাবে-
أَخْبَرَنِـي الْحَسَنُ بْنُ صَالِحٍ اَلْعَطَّارُ رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيٍّ السِّرَاجِ رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِ قَالَ رَأَيْتُ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي النَّوْمِ فَقُلْتُ إِنَّ فُلَانًا التِّرْمِذِيَّ يَقُوْلُ إِنَّ اللهَ لَا يُقْعِدُكَ مَعَهٗ عَلَى الْعَرْشِ وَنَحْنُ نَقُوْلُ بَلْ يُقْعِدُكَ فَأَقْبَلَ عَلٰى شِبْهِ الْمُغْضِبِ وَهُوَ يَقُوْلُ بَلٰى وَاللهِ بَلٰى و বাকি অংশ পড়ুন...
কিন্তু উনার অজুদ মুবারক বা যেটা মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার অস্তিত্ব মুবারক, সেটা উপলক্ষে যে মজলিস করা হয়ে থাকে, মাহফিল করা হয়ে থাকে সেটা হচ্ছে মীলাদুন্ নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার আগমন উপলক্ষে খুশি মুবারক প্রকাশ করে যে মাহফিলের ব্যবস্থা করা হয় সেটাই ঈদে মীলাদুন্ নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। সেটা সীরাতুন্ নবী বা অন্য কোন নাম দেয়া কখনও শুদ্ধ হবে না। কারণ সেটা দিয়ে মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব নূ বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র বিছালী শান মুবারক গ্রহণ:
কুরাইশ গোত্রের হিববান ইবনু আরেকা নামক এক ব্যক্তি হযরত সা‘দ ইবনে মুয়াজ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার উভয় বাহুর মধ্যবর্তী রগে তীর বিদ্ধ করেছিলো। নিকট থেকে উনার খোঁজ-খবর রাখার জন্য সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি মসজিদে নববী শরীফে একটি তাঁবু তৈরি করেছিলেন।
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি খন্দকের জিহাদ থেকে ফিরে এসে যখন হাতিয়ার রেখে গোসল মুবারক শেষ করলেন তখন হযরত জিবরাঈল বাকি অংশ পড়ুন...
যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেছেন,
قَوْلًا كَرِيمًا
পবিত্র আয়াত শরীফ নাযিল হয়ে গেছে। একজন সাধারন বাবা- মা তার সাথে সম্মান জনক কথা বলো।
فَلَا تَقُل لَّهُمَا أُفٍّ وَلَا تَنْهَرْهُمَا
তোমরা বাবা- মাকে উফ বলো না, উফ বলার সুযোগ দিও না। তোমরা এমন কথা বলো না যাতে বাবা-মা ধমক দিতে পারেন। অথবা তুমি ধমক দিয়ে কথা বলো না।
فَلَا تَقُل لَّهُمَا أُفٍّ وَلَا تَنْهَرْهُمَا
উফ বলো না, উফ বলার সুযোগ দিও না। তোমরা এমন কথা বলো না যাতে বাবা-মা ধমক দিতে পারেন। অথবা তুমি ধমক দিয়ে কথা বলো না।
قَوْلًا كَرِيمًا
এবং সম্মানজনক কথা বলো
وَاخْفِضْ لَهُمَا جَنَاحَ الذُّ বাকি অংশ পড়ুন...
২. শর্তবিহীন হীলাহ্। যা জায়েয, শরীয়তসম্মত ও ফযীলতের কারণ। শরীয়তের পরিভাষায়, কোন মুসলমান ভাইয়ের উপকার করার জন্য তার তালাক প্রাপ্তা আহলিয়াকে (স্ত্রী) শর্ত-শারায়েত ব্যতীত বিবাহ করতঃ ঘরÑসংসার করে তথা একান্ত নির্জনবাসের পর তালাক্ব দেয়, তাকে হীলাহ্ বিবাহ বলা হয়। মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
فَاِنْ طَلَّقَهَا فَلَا تَحِلُّ لَه مِنْ بَعْدُ حَتّٰى تَنْكِحَ زَوْجًا غَيْرَهُ
অর্থ: অতঃপর যদি সে তার আহলিয়াকে (স্ত্রী) তিন তালাক্ব দেয়, তবে সে আহলিয়া (স্ত্রী) যে পর্যন্ত না তাকে ছাড়া অপর কোন আহাল বা স্বামীর সাথে বিবাহ বসবে, সে পর্যন্ত তার জন্য হালাল হবে না। (পব বাকি অংশ পড়ুন...
ছাহিবাতু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, হাবীবাতুল্লাহ, ছাহিবায়ে নেয়ামত, রহমাতুল্লিল আলামীন, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি সূরা আন’আম শরীফের ৭০ নং আয়াত শরীফে ইরশাদ মুবারক করেন, “ঐ সমস্ত লোকদেরকে পরিত্যাগ করুন, যারা তাদের দ্বীনকে খেল-তামাশা হিসেবে গ্রহণ করেছে এবং পার্থিব জীবন যাদেরকে ধোঁকায় ফেলেছে এবং নছীহত করুন এ ব্যাপারে যে, প্রত্যেক ব্যক বাকি অংশ পড়ুন...












