ফতওয়া:
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার তরফ থেকে সম্মানিত কুরবানী মুবারক দেয়া প্রত্যেক উম্মতের জন্য ফরযে আইন (১৭)
, ২৫ যিলক্বদ শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ১৪ ছানী আশার, ১৩৯৩ শামসী সন , ১৪ মে, ২০২৬ খ্রি:, ৩১ বৈশাখ, ১৪৩৩ ফসলী সন, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) ফতওয়া বিভাগ
আপত্তিকারীদের দ্বিতীয় আপত্তি
উল্লেখিত পবিত্র হাদীছ শরীফসমূহ নাকি দ্বয়ীফ। আসলে পবিত্র হাদীছ শরীফ সম্পর্কে ইলিম-কালাম না থাকলে যা হয়, সেটাই হয়েছে।
সত্তাগতভাবে কোনো পবিত্র হাদীছ শরীফই দ্বয়ীফ বা দুর্বল নয়। রাবী বা বর্ণনাকারীদের অবস্থার ভিত্তিতে পবিত্র হাদীছ শরীফ বিশারদগণ এটা একটা পরিভাষা তৈরি করেছেন। সনদের দিক থেকে উক্ত পবিত্র হাদীছ শরীফসমূহ দ্বয়ীফ মনে হলেও উছূলের মানদ-ে মোটেও দ্বয়ীফ নয়। পবিত্র হাদীছ শাস্ত্রের একটা উছূল হচ্ছে, কোনো হযরত ইমাম মুজতাহিদ রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনারা যেই পবিত্র হাদীছ শরীফ দলীল হিসেবে গ্রহণ করেছেন সেটা আর দ্বয়ীফ থাকে না।
দলীল সমূহ
প্রথম দলীল
হযরত আল্লামা মুফতী আমীমুল ইহসান বরকতী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন,
فَاِذَا اِسْتَدَلَّ الْمُجْتَهِدُ بِحَدِيْثٍ كَانَ تَصْحِيْحًا لَه
“যখন মুজতাহিদ কোনো হাদীছ শরীফ দ্বারা দলীল গ্রহণ করেন তখন সেটা উনার নিকট ছহীহ হিসেবেই গণ্য হয়।”
দ্বিতীয় দলীল
আসরারুল মারফূআহ কিতাবে বর্ণিত রয়েছে-
اَنَّ الْمُجْتَهِدَ اِذَا اِسْتَدَلَّ بِحَدِيْثٍ عَلٰى حُكْمٍ مِنَ الْاَحْكَامِ فَلَا يَــتَصَوَّرُ اَنْ لَّا يَكُوْنَ صَحِيْحًا اَوْ حَسَنًا عِنْدَهٗ ثُمَّ لَا يَضُرُّهٗ دُخُوْلَ ضَعْفٍ اَوْ وَضَعَ فِىْ سَنَدِهٖ
“যখন মুজতাহিদ হুকুম ছাবেত করার জন্য কোনো হাদীছ শরীফ দ্বারা দলীল গ্রহণ করবেন, তখন এটা চিন্তা করা যায় না যে, সেই হাদীছ শরীফ উনার নিকট ছহীহ বা হাসান পর্যায়ের হবে না। অর্থাৎ তিনি এটাকে ছহীহ বা হাসান হিসেবে জেনেই দলীল গ্রহণ করেছেন। অতঃপর এই হাদীছ শরীফের সনদে কোনো দুর্বলতা বা ত্রুটি থাকলে কোনো সমস্যা নেই।”
তৃতীয় দলীল
বাহরুর রায়েক্ব কিতাবে বর্র্ণিত রয়েছে-
اَنَّ الْمُجْتَهِدَ اِذَا اِسْتَدَلَّ بِحَدِيْثٍ كَانَ تَصْحِيْحًا فَلَا يَحْتَاجُ اِلٰى شَىْءٍ بَعْدَهٗ
“যখন মুজতাহিদ হুকুম ছাবেত করার জন্য কোনো হাদীছ শরীফ দ্বারা দলীল গ্রহণ করেন, তখন সেটা ছহীহ হয়ে যায়। এরপর আর কোনো দলীলের প্রয়োজন হয় না।”
চতুর্থ দলীল
রদ্দুল মুহতার কিতাবে বর্ণিত রয়েছে-
اَنَّ الْمُجْتَهِدَ اِذَا اِسْتَدَلَّ بِحَدِيْثٍ كَانَ تَصْحِيْحًا لَهٗ كَمَا فِى التَّحْرِيْرِ
“যখন মুজতাহিদ কোনো হাদীছ শরীফ দ্বারা দলীল গ্রহণ করেন তখন সেটা উনার নিকট ছহীহ হিসেবেই গণ্য হবে। যেমনটা আত তাহরীর কিতাবে বর্ণিত রয়েছে।”
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
মূর্তি নির্মাণ করা এবং নির্মাণে সমর্থন করা ও এর সাথে সশ্লিষ্টতা হারাম ও কুফরী (৯)
২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
প্রায় ৭০০ বছর আগের ঐতিহাসিক ফতওয়া:
২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
প্রায় ৭০০ বছর আগের ঐতিহাসিক ফতওয়া:
২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ, পবিত্র ইজমা শরীফ ও পবিত্র ক্বিয়াস শরীফ উনাদের দৃষ্টিতে- চার মাযহাবের যে কোন একটি মাযহাব মানা ও অনুসরণ করা ফরয (৭৮)
২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ, পবিত্র ইজমা শরীফ ও পবিত্র ক্বিয়াস শরীফ উনাদের দৃষ্টিতে- চার মাযহাবের যে কোন একটি মাযহাব মানা ও অনুসরণ করা ফরয (৭৭)
১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
মূর্তি নির্মাণ করা এবং নির্মাণে সমর্থন করা ও এর সাথে সশ্লিষ্টতা হারাম ও কুফরী (৮)
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ, পবিত্র ইজমা শরীফ ও পবিত্র ক্বিয়াস শরীফ উনাদের দৃষ্টিতে- চার মাযহাবের যে কোন একটি মাযহাব মানা ও অনুসরণ করা ফরয (৭৬)
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
মূর্তি নির্মাণ করা এবং নির্মাণে সমর্থন করা ও এর সাথে সশ্লিষ্টতা হারাম ও কুফরী (৭)
০৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
মূর্তি নির্মাণ করা এবং নির্মাণে সমর্থন করা ও এর সাথে সশ্লিষ্টতা হারাম ও কুফরী (৬)
০১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
মূর্তি নির্মাণ করা এবং নির্মাণে সমর্থন করা ও এর সাথে সশ্লিষ্টতা হারাম ও কুফরী (৫)
১৮ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ, পবিত্র ইজমা শরীফ ও পবিত্র ক্বিয়াস শরীফ উনাদের দৃষ্টিতে- চার মাযহাবের যে কোন একটি মাযহাব মানা ও অনুসরণ করা ফরয (৭৫)
১৭ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
মূর্তি নির্মাণ করা এবং নির্মাণে সমর্থন করা ও এর সাথে সশ্লিষ্টতা হারাম ও কুফরী (৪)
১১ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার)












