কিছু অনুসরণীয় দৃষ্টান্ত:
(৭)
এই সম্পর্কে একখানা ঘটনা মুবারক- এক বুযূর্গ ব্যক্তি তিনি নিজে বর্ণনা করেন যে, তিনি একবার স্বপ্নে দেখলেন, কিয়ামত কায়েম হয়ে গেছে। উনি হাশরের ময়দানে আছেন। উনার অনেক পিপাসা লেগেছে। উনি পানি খুঁজতেছেন। পানি পাবেন কোথায়? কে দিবে পানি? উনি চিন্তা করলেন, তাহলে সম্মানিত হাউযে কাওছার মুবারক উনার কাছে যাই। সেখানে গেলে যদি পানি পাওয়া যায়। উনি সম্মানিত হাউযে কাওছার মুবারক উনার কাছে আসলেন। এখানে এসে দেখেন সম্মানিত হাউযে কাওছার মুবারক উনার পানি বণ্টনকারী হচ্ছেন- সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছানী মিন আহলি বাইতি রসূলি বাকি অংশ পড়ুন...
কদু একটি লতা জাতীয় উদ্ভিদের ফল। সাইয়্যিদুনা হযরত ইউনুস আলাইহিস সালাম তিনি যেখানে মাছের পেট থেকে বের হয়েছেন সেখানে মহান আল্লাহ পাক তিনি একটি কদু গাছ উদগত করে দিয়েছিলেন।
এ প্রসঙ্গে পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
فَنَبَذْنَاهُ بِالْعَرَاءِ وَهُوَ سَقِيمٌ. وَأَنبَتْنَا عَلَيْهِ شَجَرَةً مِّنْ يَقْطِيْنٍ.
অর্থ: “অতঃপর আমি (সাইয়্যিদুনা হযরত ইউনুস আলাইহিস সালাম) উনাকে এক বৃক্ষলতা শূন্য উপকূলে (মাছের পেট থেকে) বের করলাম, তখন তিনি ছিলেন মারিদ্বী শান মুবারকে। আমি উনার (ছাউনী হিসেবে) এক লতাবিশিষ্ট বৃক্ষ (কদু গাছ) উদ্গত করলাম।” (পবিত্র সূর বাকি অংশ পড়ুন...
আমাদের শরীরে প্রায় তিন ভাগের দুই ভাগই পানি। সুস্থভাবে বেঁচে থাকতে তাই পানি পানের বিকল্প নেই।
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
كُلُوْا وَاشْرَبُوْا مِن رِّزْقِ اللَّهِ.
অর্থ: “তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনার দেয়া রিযিক্ব থেকে খাও ও পান করো।” (সম্মানিত ও পবিত্র সূরা বাক্বারা শরীফ: সম্মানিত ও পবিত্র আয়াত শরীফ ৬০)
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ سَيِّدَتِنَا حَضْرَتْ اُمِّ الْمُؤْمِنِيْنَ الثَّالِثَةِ الصِّدِّيْقَةِ عَلَيْهَا السَّلَامُ قَالَتْ كَانَ أَحَبُّ الشَّرَابِ إِلَى رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ الْحُلْوَ الْبَارِدَ.
অর্থ: “সাইয়্যি বাকি অংশ পড়ুন...
বনূ কুরাইজা সম্পর্কে হযরত সা’দ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার ফায়সালা মুবারক:
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عن حضرت أَبِي سَعِيدٍ الْخدْرِيِّ رضي الله تعالى عنه قَالَ لَمَّا نَزَلَتْ بَنُو قُرَيْظَةَ عَلَى حُكْمِ سَعْدٍ هُوَ ابْنُ مُعَاذٍ بَعَثَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَكَانَ قَرِيبًا مِنْهُ فَجَاءَ عَلَى حِمَارٍ فَلَمَّا دَنَا قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قُومُوا إِلَى سَيِّدِكُمْ فَجَاءَ فَجَلَسَ إِلَى رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ لَهُ إِنَّ هؤُلاَءِ نَزَلُوا عَلَى حُكْمِكَ قَالَ فَإِنِّي أَحْكُمُ أَنْ تُقْتَلَ الْمُقَاتِلَةُ وَأَنْ تُسْبَى الذُّرِّيَّةُ قَالَ لَ বাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি শীতল- ঠান্ডা এবং মিঠা পানি যা লবণাক্ত নয় এমন পানি পান মুবারক করতেন। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নিকট ইহা ছিল উনার অত্যন্ত প্রিয়। সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ ছিদ্দীক্বাহ আলাইহাস সালাম তিনি বর্ণনা করেন-
عَنْ سَيِّدَتِنَا حَضْرَتْ اُمِّ الْمُؤْمِنِيْنَ الثَّالِثَةِ الصِّدِّيْقَةِ عَلَيْهَا السَّلَامُ قَالَتْ كَانَ أَحَبُّ الشَّرَابِ إِلَى رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ الْحُلْوَ الْبَارِدَ.
অর্থ: “সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিন বাকি অংশ পড়ুন...
জিহাদে অংশগ্রহণ:
হযরত আবদুল্লাহ ইবনে সালাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি সর্বপ্রথম খন্দকের জিহাদে অংশ গ্রহণ করেন। খন্দকের জিহাদের পরে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে সকল জিহাদেই তিনি অংশগ্রহণ করেছেন।
সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার খিলাফত আমলে বায়তুল মুকাদ্দাস শরীফ ও জাবিয়া বিজয়ে তিনি অন্যতম অংশীদার ছিলেন। তিনি নিহাওয়ান্দ বিজয়েও অংশগ্রহণ করেছিলেন। (সিয়ারু আ’লামিন নুবালা)
ইমামুল আউওয়াল, সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনার খিল বাকি অংশ পড়ুন...
আমাদের শরীরে প্রায় তিন ভাগের দুই ভাগই পানি। সুস্থভাবে বেঁচে থাকতে তাই পানি পানের বিকল্প নেই।
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
كُلُوْا وَاشْرَبُوْا مِنْ رِّزْقِ اللهِ.
অর্থ: “তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনার দেয়া রিযিক্ব থেকে খাও ও পান করো। ” (সম্মানিত ও পবিত্র সূরা বাক্বারা শরীফ: সম্মানিত ও পবিত্র আয়াত শরীফ ৬০)
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ أُمِّ الْمُؤْمِنِيْنَ الثَّالِثَةِ الصِّدِّيْقَةِ عَلَيْهَا السَّلَامُ قَالَتْ كَانَ أَحَبُّ الشَّرَابِ إِلٰى رَسُوْلِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ الْـحُلْوَ الْبَارِدَ.
অর্থ: “সাইয়্যিদাতুনা হ বাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
مَنْ تَمَسَّكَ بِسُنَّتِي عِنْدَ فَسَادِ أُمَّتِي فَلَهُ أَجْرُ مِائَةِ شَهِيدٍ
অর্থ:- “যিনি আমার উম্মতের ফিতনা-ফাসাদের যুগে কোন একখানা মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক আঁকড়িয়ে ধরবেন, উনাকে একশত শহীদের ছাওয়াব প্রদান করা হবে। ” সুবাহানাল্লাহ!
কেমন একশত শহীদের ছাওয়াব? হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা সম্মানিত বদর এবং উহুদ জিহাদে শহীদ হয়ে যেই মর্যাদা মুবারক হাছিল করেছেন ঠিক সেই রকম মর্যাদা মুবারক হাছিল করবেন।
বর্তমান সময়ে বিভিন্ন ধরনের খাব বাকি অংশ পড়ুন...
ইসলামী ইতিহাসে শাহাদাত শব্দখানা অনেক ক্ষেত্রেই ব্যবহার করা হয়। কিন্তু কেন এ শব্দের এত ব্যবহার? কারা এমন ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। কি তাদের পরিচয়?
খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে মুসলিম উম্মাহর সবচেয়ে নিকৃষ্ট ও বড় শত্রু হিসেবে ইহুদী ও মুশরিক এই দুই জাতিকে চিহ্নিত করেছেন। একথা দিবালোকের চেয়েও সুস্পষ্ট যে, ইসলামী ইতিহাসের সমস্ত শোক সংবাদের নেপথ্যেই রয়েছে এই দুই জাতির ষড়যন্ত্র। সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছানী মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার শাহাদাত মুবারকের জন্ বাকি অংশ পড়ুন...
উনার কতিপয় কারামত মুবারক:
(৬)
“তাওয়ারীখে আযীবা” কিতাবের ৫০ পৃষ্ঠায় উল্লেখ আছে, একবার হযরত সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরেলবী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি “কুএল” নামক স্থানে ছিলেন। এমতাবস্থায় আকবর আলী খাঁ নামক একজন লোক উনাকে শহীদ করার ইচ্ছায় অস্ত্রসহ সেখানে উপস্থিত হলো। হযরত সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরেলবী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি ইলহাম কর্তৃক অবগত হয়ে উনার মুরীদদেরকে বললেন, ‘এমন নামধারী এক ব্যক্তি আমার নিকট আসতেছে তাকে ভিতরে আসতে বাধা দিও না।’ একটু পরে সেই অস্ত্রধারী লোকটি উনার সামনে এসে বসে গেলো এবং বললো, ‘আপনার নিকট আমার কিছু জিজ্ঞাসা কর বাকি অংশ পড়ুন...












