SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%পেয়ালা%' OR titleBn LIKE '%পেয়ালা%' OR descriptionEn LIKE '%পেয়ালা%' OR descriptionBn LIKE '%পেয়ালা%' OR slug LIKE '%পেয়ালা%' OR metaTag LIKE '%পেয়ালা%' OR metaDescription LIKE '%পেয়ালা%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি কাঠের তৈরি বাটিতে ঠান্ডা পানি, মধু, নবীয, দুধ, ছাতু ইত্যাদি পানীয় পান করেছেন। উনার সেই মুবারক পান পাত্রটি ছিল প্রশস্ত। উনার দৈর্ঘ্য থেকে প্রস্থ বেশি ছিল। উনার কিনারায় লোহার, অপর বর্ণনায় রুপার পাত বা বেড়ী লাগানো ছিল। পাত্রটি মজবুত ও দীর্ঘস্থায়ী করার জন্য সে পাত বা বেড়ী স্বয়ং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি লাগিয়েছেন। অন্য বর্ণনায় উনার বিশিষ্ট খাদিম হযরত আনাস ইবনে মালিক রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি লাগিয় বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
وَمَن يَبْتَغِ غَيْرَ الْإِسْلَامِ دِينًا فَلَن يُقْبَلَ مِنْهُ وَهُوَ فِي الْآخِرَةِ مِنَ الْخَاسِرِينَ .
অর্থ: “যে ব্যক্তি সম্মানিত দ্বীন ইসলাম ছাড়া অন্য কোন দ্বীন তালাশ করে, অনুসরণ-অনুকরণ করে, তার থেকে সেটা গ্রহণ করা হবে না। সে অবশ্যই ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে যাবে। (পবিত্র সূরা আলে ইমরান শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ: ৮৫)
আফসুসের বিষয় হচ্ছে বর্তমানে দেখা যায় যে, অনেক মুসলমান হীনমন্যতায় ভোগার কারণে মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক পালন করা থেকে দূরে সরে কাফির-মুশরিক, মুনাফিকদের অনুসরণ করে থাকে। তাদের দ্রব্য-সামগ্রী ব্যবহার করে থাকে। ন বাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি এবং উনার মহাসম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনারা এবং হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা যেসকল প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদী, আসবাবপত্রসহ যাবতীয় সরঞ্জামাদী ব্যবহার করেছেন বা ব্যবহার করার জন্য মহাসম্মানিত আদেশ মুবারক করেছেন; সেসকল দ্রব্যাদী ও আসবাবপত্রকে মহাসম্মানিত সুন্নতী আসবাবপত্র বলা হয়।
মূলত নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার এবং সম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত আবু আব্দুল্লাহ মুহম্মদ ইবনুল হুসাইন তারুগান্দী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি একদিন পবিত্র মক্কা শরীফ উনার এক বাজারে গিয়েছিলেন। দেখলেন, এক বৃদ্ধ এক ক্রীতদাসীকে বিক্রি করবার জন্য দাঁড়িয়ে আছে। ক্রীতদাসীর শরীরের রং ফ্যাকাসে হয়ে গেছে, শরীর ভীষণ রোগা ও দূর্বল, কিন্তু চেহারা বেশ নূরানী। বৃদ্ধ লোকটি বলছে, সে বিশ দীনারের অধিক মূল্যে এই বাঁদীকে বিক্রি করবে এবং তার দোষ-ত্রুটির জন্য তাকে ফেরৎ দেয়া যাবেনা।
তখন হযরত আবু আব্দুল্লাহ মুহম্মদ ইবনুল হুসাইন রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বৃদ্ধের কাছে গিয়ে বাঁদীর দোষ-ত্রুটি সম্বন্ধে জিজ্ঞেস করলেন বাকি অংশ পড়ুন...
হাবীবী শাহযাদা কিবলা
হাবীবী শাহযাদা কিবলা
আপনি যে অতি-অনুপম
আপনার শানে সবই যে কম
আপনাতে ধন্য সিলসিলা
হাবীবী শাহযাদা কিবলা
আপনি এই কবির কবিতা
আপনি মোর ইশকেরই পিতা
আপনাতে আশিক উজ্বালা
হাবীবী শাহযাদা কিবলা
মুহাব্বতের তামাম দাবী
আপনি বিনে বেকার সবি
আপনার পানে ভাসাই ভেলা
হাবীবী শাহযাদা কিবলা
আপনায় যে দেখেছে একবার
হারাম হলো জাহান্নাম তার
আপনাতে নাজাত ফয়সালা
হাবীবী শাহযাদা কিবলা
আপনার দ্বারে করি আরজি
চাহি নিছবত চাহি মারজি
দিয়েন আমায় ঝুটা পেয়ালা
হাবীবী শাহযাদা কিবলা
বাকি অংশ পড়ুন...
বেহেশতের প্রতিটি দরজা মুবারক সাইয়্যিদুনা হযরত ছিদ্দীক্বে আকবর আলাইহিস সালাম উনাকে আহবান করবে। উম্মতের মধ্যে তিনি সর্বপ্রথম বেহেশতে প্রবেশ করবেন। এতোসব মর্যাদাসম্পন্ন হওয়া সত্ত্বেও তিনি বলতেন, “আফসুস! আমি যদি গাছ হতাম, যা কেটে ফেলা হয়।” অনেক সময় বলতেন, “আমি যদি ঘাস হতাম, যা পশু খেয়ে ফেলতো।” আবার কোনো সময় বলতেন, “আমি যদি কোনো মু’মিনের গায়ের পশম হতাম।” সুবহানাল্লাহ!
(১)
একদিন তিনি জঙ্গলে গিয়ে একটি জানোয়ারকে বসা অবস্থায় দেখতে পেয়ে এক দীর্ঘশ্বাস ফেলে বললেন, “হে জানোয়ার! তুমি কত সুখে-শান্তিতে আছো, খাও, পান করো, বৃক্ষের ছায়ায় বিচরণ ক বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত আছে-
عَنْ حَضْرَتْ اُمِّ الْمُؤْمِنِيْنَ الثَّالِثَةِ الصِّدِّيْقَةِ عَلَيْهَا السَّلَامُ قَالَتْ قَالَ لِىْ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أُرِيتُكِ فِي المَنَامِ ثَلٰثَ لَيَالٍ يَجِيءُ بِكِ الْمَلَكُ فِي سَرَقَةٍ مِّنْ حَرِيْرٍ فَقَالَ لِي: هٰذِهِ امْرَأَتُكَ، فَكَشَفْتُ عَنْ وَجْهِكِ الثَّوْبَ فَإِذَا أَنْتِ هِيَ، فَقُلْتُ: إِنْ يَكُ هٰذَا مِنْ عِنْدِ اللهِ يُمْضِهِ
অর্থ: সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ ছিদ্দীক্বাহ আলাইহাস সালাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, একদা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি আমাকে ইরশাদ মুবারক করলেন, আপনাকে তিন রাত্রি বাকি অংশ পড়ুন...
কিছু অনুসরণীয় দৃষ্টান্ত:
(৭)
এই সম্পর্কে একখানা ঘটনা মুবারক- এক বুযূর্গ ব্যক্তি তিনি নিজে বর্ণনা করেন যে, তিনি একবার স্বপ্নে দেখলেন, কিয়ামত কায়েম হয়ে গেছে। উনি হাশরের ময়দানে আছেন। উনার অনেক পিপাসা লেগেছে। উনি পানি খুঁজতেছেন। পানি পাবেন কোথায়? কে দিবে পানি? উনি চিন্তা করলেন, তাহলে সম্মানিত হাউযে কাওছার মুবারক উনার কাছে যাই। সেখানে গেলে যদি পানি পাওয়া যায়। উনি সম্মানিত হাউযে কাওছার মুবারক উনার কাছে আসলেন। এখানে এসে দেখেন সম্মানিত হাউযে কাওছার মুবারক উনার পানি বণ্টনকারী হচ্ছেন- সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছানী মিন আহলি বাইতি রসূলি বাকি অংশ পড়ুন...
কদু একটি লতা জাতীয় উদ্ভিদের ফল। সাইয়্যিদুনা হযরত ইউনুস আলাইহিস সালাম তিনি যেখানে মাছের পেট থেকে বের হয়েছেন সেখানে মহান আল্লাহ পাক তিনি একটি কদু গাছ উদগত করে দিয়েছিলেন।
এ প্রসঙ্গে পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
فَنَبَذْنَاهُ بِالْعَرَاءِ وَهُوَ سَقِيمٌ. وَأَنبَتْنَا عَلَيْهِ شَجَرَةً مِّنْ يَقْطِيْنٍ.
অর্থ: “অতঃপর আমি (সাইয়্যিদুনা হযরত ইউনুস আলাইহিস সালাম) উনাকে এক বৃক্ষলতা শূন্য উপকূলে (মাছের পেট থেকে) বের করলাম, তখন তিনি ছিলেন মারিদ্বী শান মুবারকে। আমি উনার (ছাউনী হিসেবে) এক লতাবিশিষ্ট বৃক্ষ (কদু গাছ) উদ্গত করলাম।” (পবিত্র সূর বাকি অংশ পড়ুন...
আমাদের শরীরে প্রায় তিন ভাগের দুই ভাগই পানি। সুস্থভাবে বেঁচে থাকতে তাই পানি পানের বিকল্প নেই।
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
كُلُوْا وَاشْرَبُوْا مِن رِّزْقِ اللَّهِ.
অর্থ: “তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনার দেয়া রিযিক্ব থেকে খাও ও পান করো।” (সম্মানিত ও পবিত্র সূরা বাক্বারা শরীফ: সম্মানিত ও পবিত্র আয়াত শরীফ ৬০)
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ سَيِّدَتِنَا حَضْرَتْ اُمِّ الْمُؤْمِنِيْنَ الثَّالِثَةِ الصِّدِّيْقَةِ عَلَيْهَا السَّلَامُ قَالَتْ كَانَ أَحَبُّ الشَّرَابِ إِلَى رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ الْحُلْوَ الْبَارِدَ.
অর্থ: “সাইয়্যি বাকি অংশ পড়ুন...












