নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মানহানিকারীর একমাত্র শরঈ শাস্তি হচ্ছে ‘মৃত্যুদন্ড’ (৩৭)
, ২১ শাবান শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ১২ তাসি, ১৩৯৩ শামসী সন , ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রি:, ২৭ মাঘ, ১৪৩২ ফসলী সন, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ
কিছু অনুসরণীয় দৃষ্টান্ত:
(৭)
এই সম্পর্কে একখানা ঘটনা মুবারক- এক বুযূর্গ ব্যক্তি তিনি নিজে বর্ণনা করেন যে, তিনি একবার স্বপ্নে দেখলেন, কিয়ামত কায়েম হয়ে গেছে। উনি হাশরের ময়দানে আছেন। উনার অনেক পিপাসা লেগেছে। উনি পানি খুঁজতেছেন। পানি পাবেন কোথায়? কে দিবে পানি? উনি চিন্তা করলেন, তাহলে সম্মানিত হাউযে কাওছার মুবারক উনার কাছে যাই। সেখানে গেলে যদি পানি পাওয়া যায়। উনি সম্মানিত হাউযে কাওছার মুবারক উনার কাছে আসলেন। এখানে এসে দেখেন সম্মানিত হাউযে কাওছার মুবারক উনার পানি বণ্টনকারী হচ্ছেন- সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছানী মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি এবং সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছালিছ মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি অর্থাৎ উনারা। আর মালিক হচ্ছেন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি। ঐ বুযূর্গ ব্যক্তি (ওলীআল্লাহ) উনি উনাদের কাছে গিয়ে বললেন, আমাকে দয়া করে পানি দান করুন। আমার তো পিপাসা লেগেছে। উনারা কোনো গুরুত্বই দিলেন না, বুযূর্গ ব্যক্তির কোনো কথাই শুনলেন না। এরপর বুযূর্গ ব্যক্তি অনেক কাকুতি-মিনতি করলেন। কিন্তু উনারা কোনো গুরুত্ব দিলেন না। যখন সেই বুযূর্গ ব্যক্তি দেখলেন যে, এখানে তো কাজ হবে না। পানি তো পাওয়া যাবে না। তাহলে কী করা যেতে পারে? তখন ঐ বুযূর্গ ব্যক্তি চিন্তা করলেন, তাহলে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার কাছে যাই। উনি তো রহমাতুল্লিল আলামীন, যদি উনি দয়া করে পানি দেন। ঐ বুযূর্গ ব্যক্তি বললেন, আমি গিয়ে দেখলাম সম্মানিত হাউযে কাওছার মুবারক উনার এক পাশে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র তাশরীফ মুবারক এনেছেন। উনি এক জায়গায় একটা আসন মুবারক-এ বসে আছেন।’ আমি সালাম দিলাম। সালাম দিয়ে বললাম, ‘ইয়া রাসূলাল্লাহ! ইয়া হাবীবাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আমার তো অনেক পিপাসা লেগেছে। আমি সম্মানিত হাউযে কাওছার মুবারক উনার পানি চেয়েছিলাম সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছানী মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার এবং সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছালিছ মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার অর্থাৎ উনাদের নিকট। কিন্তু উনারা আমাকে পানি দেননি। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি শুনলেন। শুনে বুযূর্গ ব্যক্তির দিকে তাকিয়ে বললেন, ‘তোমাকে কি করে পানি দেওয়া যেতে পারে? অর্থাৎ তোমাকে পানি দেওয়া যাবে না। কারণ, তোমার একটা প্রতিবেশী রয়েছে, সে ইমামুল আউওয়াল হযরত র্কারামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনার শত্রু, উনার বিদ্বেষী। সে উনার বিরুদ্ধে নানা চূ-চেরা, ক্বীল-ক্বাল করে থাকে, উনার শান-মান মুবারক উনার খেলাফ কথা-বার্তা বলে থাকে। তুমি তার কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করোনি। কেন তুমি তার ব্যবস্থা নিলে না? এখন তুমি সম্মানিত হাউযে কাওছার মুবারক উনার পানি পাবে না।’
ঐ বুযূর্গ ব্যক্তি বললেন, ‘ইয়া রাসূলাল্লাহ! ইয়া হাবীবাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আমি তার বিরুদ্ধে যে ব্যবস্থা নিব; সে তো একটা গু-া প্রকৃতির লোক। আমি কিছু বলতে গেলে সে আমাকে শহীদ করে ফেলবে। এজন্য আমি কিছু বলতে পারি না। তখন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনি বললেন, ঠিক আছে। তাহলে এক কাজ করো। উনি নিজ থেকে একটা ছুরি মুবারক দিয়ে আমাকে বললেন, ‘তুমি এই ছুরি মুবারকটা নিয়ে এখনই যাও। যেয়ে ঐ লোকটাকে হত্যা করে আসো। তাকে যদি হত্যা করে আসতে পারো, তাহলে তোমাকে সম্মানিত হাউযে কাওছার মুবারক উনার পানি দেওয়া হবে।’ ঐ বুযূর্গ ব্যক্তি বলেন, ‘আমি তখন ছুরি মুবারকটা নিলাম। নিয়ে কুদরতীভাবে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার রহমত মুবারক-এ আমি ঐ লোকের বাড়িতে পৌঁছলাম। পৌঁছে তাকে ঘুমন্ত অবস্থায় দেখেছি। তখন আমি তাকে উক্ত ছুরি মুবারক দিয়ে জবেহ করে দিয়েছি, হত্যা করে ফেলেছি। কিন্তু ছুরি মুবারকটা ওখানে ফেলে এসেছি। তাকে হত্যা করার সময় কয়েক ফোঁটা রক্তের ছিটা আমার কাপড়ে লেগেছিল। আমি তাকে হত্যা করে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত খিদমত মুবারক-এ এসে বলেছি, ‘ইয়া রাসূলাল্লাহ! ইয়া হাবীবাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আমি ঐ কাফিরটাকে হত্যা করে এসেছি।’ তখন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বললেন, ‘ঠিক আছে; যাও। এখন তোমাকে সম্মানিত হাউযে কাওছার মুবারক উনার পানি দেওয়া হবে।’ বুযূর্গ ব্যক্তি বলতেছেন, ‘আমাকে তখন এক পেয়ালা সম্মানিত হাউযে কাওছার মুবারক উনার পানি দেওয়া হলো। আমি পান করেছি কিনা আমার স্মরণ নেই।’ আমার ঘুম ভেঙ্গে গেলো। তখন আমি শুনলাম, অনেক হইচই হচ্ছে বাহিরে! কিসের হইচই হচ্ছে? কিছুক্ষণ পর সংবাদ পেলাম আমার প্রতিবেশী ঐ গু-া প্রকৃতির লোকটাকে হত্যা করা হয়েছে। কে হত্যা করেছে? কারা হত্যা করেছে? অনেক লোকজন জমা হয়েছে। এরপর পুলিশ এসে সন্দেহ করে আশেপাশের কিছু লোকজনকে গ্রেফতার করে নিয়ে গেলো। সেই বুযূর্গ ব্যক্তি তিনি বললেন, ‘আমার হঠাৎ স্মরণ হলো স্বপ্নের কথা। তারপর যেয়ে দেখতে পেলাম, সত্যিই আমিই এই লোকটাকে হত্যা করেছি। আমি যেই ছুরি মুবারক দিয়ে তাকে হত্যা করেছি, সেই ছুরি মুবারকটা সেখানে পড়ে রয়েছেন।’
তখন বুযূর্গ ব্যক্তি চিন্তা করলেন, যাদেরকে গ্রেফতার করা হয়েছে এরা তো আসলে দোষী না। তারপর তিনি পুলিশ প্রধানের কাছে গিয়ে বললেন, আমার একটা জরুরী কথা আছে। আপনাকে একা একা বলতে হবে। ঐ পুলিশ প্রধানও ছিলেন একজন আল্লাহওয়ালা লোক। তিনি বললেন, ঠিক আছে। তিনি সব লোক কামরা থেকে বের করে দিয়ে বললেন, কী কথা? বুযূর্গ ব্যক্তি বললেন, এই লোকটাকে তো আমি হত্যা করেছি। পুলিশ প্রধান তখন বললেন, বলেন কি? আপনি বুযূর্গ লোক আপনি হত্যা করেছেন? বুযূর্গ ব্যক্তি বললেন, হ্যাঁ। পুলিশ বললেন, কেন হত্যা করেছেন? বুযূর্গ ব্যক্তি বললেন, ‘এই ব্যক্তি সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল আউওয়াল আলাইহিস সালাম উনার বিদ্বেষী ছিলো। যার কারণে স্বয়ং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি আমাকে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র আদেশ মুবারক করেছেন তাকে হত্যা করার জন্য এবং তাকে হত্যা করার জন্য আমাকে একটি ছুরি মুবারক দিয়েছেন। আমি সেই ছুরি মুবারক দিয়ে তাকে জবেহ করেছি, হত্যা করেছি। কাজেই, যাদেরকে আপনি গ্রেফতার করছেন, এরা কেউ দোষী না।’ এটা শুনে সেই পুলিশ প্রধান বললেন, ‘আপনি খুব উত্তম কাজ করছেন। আপনি চলে যান, অসুবিধা নেই। যাদেরকে গ্রেফতার করা হয়েছে, আমি এদেরকে এখনই ছেড়ে দেয়ার ব্যবস্থা করতেছি। তখন তাদেরকে ছেড়ে দেয়া হলো।”
মূল ফতওয়া হলো- মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কুরআন শরীফ, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ, সম্মানিত ইজমা শরীফ এবং সম্মানিত ক্বিয়াস শরীফ উনাদের আলোকে সম্মানিত শরীয়ত মুবারক উনার ফয়সালা মুবারক হচ্ছেন, যে ব্যক্তি সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ্বাতামুন নাবিয়্যীন, আকরামুল আউওয়ালীন ওয়াল আখিরীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে নিয়ে অথবা উনার সংশ্লিষ্ট যে কোনো বিষয় মুবারক নিয়ে বিন্দু থেকে বিন্দুতমও চূ-চেরা, ক্বীল-ক্বাল করবে অর্থাৎ উনার মহাসম্মানিত শান মুবারক উনার খিলাফ কোনো বক্তব্য পেশ করবে, বা কোন শব্দ ব্যবহার করবে অথবা কোনো কাজ করবে, অর্থাৎ যে কোনোভাবেই হোক না কেনো উনার মানহানি করার চেষ্টা করবে, সে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে গাল-মন্দকারী হিসেবে, উনার মানহানিকারী হিসেবে সাব্যস্ত হবে। না‘ঊযুবিল্লাহ! তার একমাত্র শরঈ শাস্তি হলো মৃত্যুদন্ড। সে নামধারী মুসলমান হোক বা কাফির হোক অথবা নাস্তিক হোক কিংবা যেকোনো ধর্মেরই অনুসারী হোক না কেন। তার তওবা গ্রহণযোগ্য হবে না। এমনকি যারা তাকে সমর্থন করবে, তাদেরও একমাত্র শরঈ শাস্তি মৃত্যুদন্ড। এ মৃত্যুদন্ড থেকে রেহাই পাওয়ার কোনো সুযোগ নেই।
অতএব, ‘নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিরুদ্ধে মানহানিকর বক্তব্য শুনে যেই দ্বীনদার আশিকে রসূল তিনি বরদাশত করতে না পেরে ঐ কুলাঙ্গারকে আঘাত করে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন এবং যাঁরা মালঊন কুলাঙ্গারের কুরুচিপূর্ণ ও মানহানিকর মন্তব্য দেখে বা পড়ে বিভিন্নভাবে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন, সম্মানিত শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে উনারা অপরাধী নন। এদেশের সরকার, আদালত ও প্রশাসনের উচিত উক্ত আশিকে রসূল উনাদের এই ঈমানী হিম্মতের যথাযথ মূল্যায়ন করা এবং উনাদের পূর্ণ নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা ও উনাদেরকে বেকসুর খালাছ প্রদান করা এবং তার পাশাপাশি কথিত ইমাম নামধারী ঐ গোস্তাখে রসূল ও কুলাঙ্গারকে এবং মালঊন কুলাঙ্গারকে গ্রেফতার করে হাজতে প্রবেশ করানো এবং তাদের উপর শরঈ শাস্তি মৃত্যুদন্ড বাস্তবায়ন করা। আর জনগণের ঈমানী দায়িত্ব হচ্ছে উক্ত কাজে পূর্ণ সমর্থন করা এবং সার্বিক সহযোগিতা করা।
কাজেই, প্রত্যেক মুসলমান পুরুষ-মহিলা, জিন-ইনসান, ছোট-বড়, সকলের জন্য ফরযে আইন হচ্ছে উপরোক্ত বিষয়ে ইলিম অর্জন করে নিজের সম্মানিত ঈমান হিফাযত করা।
-মুহাদ্দিছ মুহম্মদ আল আমীন।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
কদমবুছী করা খাছ সুন্নত মুবারক
০৫ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
ফতওয়া: নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার তরফ থেকে সম্মানিত কুরবানী মুবারক দেয়া প্রত্যেক উম্মতের জন্য ফরযে আইন (১১)
০৪ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার মহাসম্মানিত ক্বওল শরীফ
০৪ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
‘গরুর গোস্তে রোগ আছে’ এই সংক্রান্ত বাতিল হাদীছ ও তার খন্ডনমূলক জবাব
০৪ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
(সৃষ্টির ইতিহাসে এই প্রথম সাইয়্যিদুনা সুলত্বানুন নাছীর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার মহাসম্মানিত নূরুস সালাম মুবারক-এ পবিত্র কুদরত মুবারক উনার হাক্বীক্বত মুবারক প্রকাশ)- ২৭
৩০ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ্বাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সম্মানিত সম্বোধন মুবারক করার বিষয়ে কতিপয় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র লফয বা পরিভাষা মুবারক
৩০ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
(সৃষ্টির ইতিহাসে এই প্রথম সাইয়্যিদুনা সুলত্বানুন নাছীর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার মহাসম্মানিত নূরুস সালাম মুবারক-এ পবিত্র কুদরত মুবারক উনার হাক্বীক্বত মুবারক প্রকাশ)- ২৬
২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ্বাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সম্মানিত সম্বোধন মুবারক করার বিষয়ে কতিপয় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র লফয বা পরিভাষা মুবারক
২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
(সৃষ্টির ইতিহাসে এই প্রথম সাইয়্যিদুনা সুলত্বানুন নাছীর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার মহাসম্মানিত নূরুস সালাম মুবারক-এ পবিত্র কুদরত মুবারক উনার হাক্বীক্বত মুবারক প্রকাশ)- ২৫
২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার তরফ থেকে সম্মানিত কুরবানী মুবারক দেয়া প্রত্যেক উম্মতের জন্য ফরযে আইন (৮)
২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার মহাসম্মানিত ক্বওল শরীফ
২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ্বাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সম্মানিত সম্বোধন মুবারক করার বিষয়ে কতিপয় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র লফয বা পরিভাষা মুবারক
২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার)












