সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
(১)
মহান আল্লাহ পাক উনার মা’রিফাত-মুহব্বত মুবারক হাছিল করতে হলে আমাদেরকে অনিবার্যভাবে নিবিষ্ট ও নিবেদিত হতে তথা ফানা ও বাক্বা হতে হবে সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়িন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্ বাকি অংশ পড়ুন...
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুজ জামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আল আ’শিরাহ আলাইহাস সালাম তিনি হচ্ছেন ১০ম উম্মুল মু’মিনীন আলাইহাস সালাম। উনার মহাসম্মানিত ও পবি বাকি অংশ পড়ুন...
ছদাক্বাতুল ফিতর কতটুকু দিবেন :
যাদের উপর ছদাক্বাতুল ফিতর ওয়াজিব অর্থাৎ পবিত্র ঈদের দিন ছুবহি ছাদিক্বের সময় যাদের নিকট নিছাব পরিমাণ (সাড়ে ৭ ভরি স্বর্ণ অথবা সাড়ে ৫২ ভরি রূপা অথবা এর সমপরিমাণ মূল্য) সম্পদ থাকে তাদের প্রত্যেককেই নিজ নিজ এলাকা অনুযায়ী দুই মুদ (আধা ছা’) গম যা বর্তমান মেট্রিক পদ্ধতির হিসেবে অনুযায়ী ১৬৫৭ গ্রাম আটা বা এর সমপরিমাণ মূল্য দান করতে হবে।
এ প্রসঙ্গে হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আবূ ছু’আইর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার বর্ণিত পবিত্র হাদীছ শরীফ ছাড়া আরো অনেক হাদীছ শরীফ বর্ণিত রয়েছে-
كنا نؤدى زكوة الفطر على عهد رسول الله صلى الله عل বাকি অংশ পড়ুন...
আল-ইহসান প্রতিবেদন:
ছাহিবাতু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, হাবীবাতুল্লাহ, ছাহিবায়ে নেয়ামত, রহমাতুল্লিল আলামীন, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে, দুনিয়াতে কেউ যদি মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ‘মুহম্মদ’ নাম মুবারক ও মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ‘আহমদ’ নাম মুবারক রাখে তাহলে ওই ব্যক্তিকে জাহান্নামের আগুন পোড়াবে না। অর্থাৎ সে জান্ন বাকি অংশ পড়ুন...
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুজ জামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন,‘আবূ দাউদ শরীফ, মিশকাত শরীফ’ কিতাব উনাদের মধ্যে বর্ণিত রয়েছে- “হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে সা’লাবা অথবা সা’লাবা ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আবু সু বাকি অংশ পড়ুন...
যখন তিনি বললেন-
فَلَمَّا نَبَّأَهَا بِهٖ
তিনি কিছু বললেন আর কিছু বললেন না। বাতিল ফিরক্বা যারা তাদের অন্তরে গালিজ, তারা বলে থাকে তিনি কিছু প্রকাশ করলেন, কিছু চুপিয়ে রাখলেন। নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ! তিনিতো ওহী মুবারক দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। যতটুকু বলার জন্য যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি বলেছেন ঠিক ততটুকুই তিনি বলেছেন। এছাড়া আর যা বলেছেন, এখন আর তা বলার প্রয়োজন নেই, তাই তিনি সেটা বলেননি। এ কথাটা আমি আগেও বলেছি, সবসময় আমরা বলে থাকি। সৃষ্টির শুরু থেকে সমস্ত ইলিম মুবারক হাদিয়া মুবারক করা হয়েছে। পবিত্র কুরআন বাকি অংশ পড়ুন...
সম্মানিত রমাদ্বান শরীফ হচ্ছে শাহরুন আযীম’ অর্থাৎ সম্মানিত মহান মাস। এই সম্মানিত মাসে মহান আল্লাহ পাক তিনি আসমানের দরজাসমূহ খুলে দেন, জাহান্নামের দরজাসমূহ বন্ধ করে দেন, জাহান্নামের আযাব বন্ধ করে দেন, রহমতের দরজাসমূহ খুলে দেন এবং শয়তানকে শৃঙ্খলাবদ্ধ করে দেন। সুবহানাল্লাহ!
এই সম্মানিত মাস হচ্ছে তাক্বওয়া (আল্লাহ ভীতি) হাছিলের মাস। মহান আল্লাহ পাক তিনি এই সম্পর্কে ইরশাদ মুবারক করেন, “হে ঈমানদাররা! তোমাদের উপর রোযা ফরয করা হয়েছে। যেরূপ ফরয করা হয়েছিলো তোমাদের পূর্ববর্তী উম্মতদের উপর। এর মাধ্যমে তোমরা অবশ্যই তাক্বওয়া (আল্লাহভী বাকি অংশ পড়ুন...
সম্মানিত ই’তিকাফ উনার গুরুত্ব এবং তা শেষ দশকেই করার দলীল:
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি প্রতি বছর পবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাস উনার শেষ দশকে সম্মানিত ই’তিকাফ মুবারক করেছেন।
এ প্রসঙ্গে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে -
عَنْ سَيِّدَتِنَا حَضْرَتْ اُمِّ الْمُؤْمِنِيْنَ الثَّالِثَةِ الصِّدِّيْقَةِ عَلَيْهَا السَّلَامُ قَالَتْ كَانَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَعْتَكِفُ الْعَشْرَ الْاَوَاخِرَ مِنْ رَمَضَانَ.
অর্থ: সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ ছিদ্দীক্বাহ আলাইহাস সালাম উনার বাকি অংশ পড়ুন...
সাইয়্যিদাতুন নিসায়ি ‘আলাল আলামীন, উম্মু আবীহা, বিনতু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদাতুনা হযরত আন নূরুছ ছালিছাহ আলাইহাস সালাম উনার সবচেয়ে বড় পরিচয় মুবারক হচ্ছেন, তিনি হলেন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত বানাত (মেয়ে) আলাইহাস সালাম। সুবহানাল্লাহ! নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত হযরত বানাত আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের মধ্যে তিনি হচ্ছেন ‘আছ ছালিছাহ তথা তৃতীয়া’। সুবহানাল্লাহ! তিনি শুধু মহান আল্লাহ পাক তিনি ন বাকি অংশ পড়ুন...
পুরুষের ক্বমীছ ও মহিলাদের ক্বমীছের মধ্যে পার্থক্য :
মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে রয়েছে-
عَنْ حَضْرَت دِحْيَةَ بْنِ خَلِيفَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ أُتِيَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِقَبَاطِيَّ فَأَعْطَانِي مِنْهَا قُبْطِيَّةً فَقَالَ اصْدَعْهَا صَدْعَيْنِ فَاقْطَعْ أَحَدَهُمَا قَمِيصًا وَأَعْطِ الْآخَرَ امْرَأَتَكَ تَخْتَمِرُ بِهِ فَلَمَّا أَدْبَرَ قَالَ وَأْمُرِ امْرَأَتَكَ أَنْ تَجْعَلَ تَحْتَهُ ثَوْبًا لَا يَصِفُهَا-
অর্থ: হযরত দিহইয়া ইবনে খলীফা রদ্বিয়াল্লাহু তায়া’লা আনহুমা উনার থেকে বর্ণিত: তিনি বলেন, মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আ বাকি অংশ পড়ুন...
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুজ জামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র সূরা ক্বদর শরীফে ইরশাদ মুবারক করেন, “নিশ্চয়ই আমি পবিত্র ক্বদর উনার রাত্রিতে পবিত্র কুরআন শরীফ নাযিল করি। বাকি অংশ পড়ুন...












