SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%পার্বত্য%' OR titleBn LIKE '%পার্বত্য%' OR descriptionEn LIKE '%পার্বত্য%' OR descriptionBn LIKE '%পার্বত্য%' OR slug LIKE '%পার্বত্য%' OR metaTag LIKE '%পার্বত্য%' OR metaDescription LIKE '%পার্বত্য%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
নিজস্ব প্রতিবেদক:
বাংলাদেশে বর্তমানে প্রায় ১ কোটি ৫৩ লাখ মানুষ তীব্র খাদ্য নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে রয়েছে। বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, চলতি বছরের সেপ্টেম্বর থেকে ডিসেম্বরের মধ্যে পরিস্থিতির আরও অবনতি হতে পারে এবং এ সংখ্যা বেড়ে প্রায় ১ কোটি ৮১ লাখে পৌঁছাতে পারে।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) প্রকাশিত আইপিসি-এর সর্বশেষ বিশ্লেষণে এ তথ্য উঠে এসেছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৬ সালের মে থেকে আগস্ট সময়ে বিশ্লেষণের আওতাভুক্ত জনসংখ্যার প্রায় ১৫ শতাংশ, অর্থাৎ প্রায় ১ কোটি ৫৩ লাখ মানুষ আইপিসি ফেজ-৩ বা তার বেশি মাত্রার তীব্র খাদ্য নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছে বাকি অংশ পড়ুন...
একটি দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং বৈশি^ক ভূ-রাজনীতিতে নিজেদের অবস্থান সুদৃঢ় করতে বিশাল সামরিক বাহিনী গঠন কেবল প্রথম পদক্ষেপ। কিন্তু সেই বাহিনীকে সুসংগঠিত, সদা-প্রস্তুত এবং রিয়েল-টাইম কমব্যাট অপারেশনে সচল রাখতে প্রয়োজন একটি যুগোপযোগী ও বিস্তৃত অবকাঠামোগত বিন্যাস। বাংলাদেশের প্রস্তাবিত ৫০ লক্ষাধিক বিশাল বাহিনীর জন্য বর্তমান সেনানিবাস ও গ্যারিসন কাঠামো যে একেবারেই অপ্রতুল, তা নতুন করে বলার অপেক্ষা রাখে না। এই বিশাল সৈন্যবহরের জন্য দেশজুড়ে কী পরিমাণ এবং কেমন সেনানিবাস, গ্যারিসন ও সেনাছাউনি প্রয়োজন-তা নিয়ে একটি সুদূরপ্রসা বাকি অংশ পড়ুন...
একবিংশ শতাব্দীর ভূ-রাজনীতি এবং যুদ্ধকৌশলের দ্রুত পরিবর্তনশীল প্রেক্ষাপটে যেকোনো সার্বভৌম রাষ্ট্রের জন্য তার প্রতিরক্ষা সক্ষমতা পুনর্বিন্যাস করা একটি যুগের দাবি। বাংলাদেশের মতো কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ ভৌগোলিক অবস্থানে অবস্থিত একটি দেশের জন্য প্রথাগত সমরাস্ত্রের পাশাপাশি জনবলের সর্বোচ্চ শারীরিক ও মানসিক সক্ষমতা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। এই প্রেক্ষাপটে, দেশের সার্বিক প্রতিরক্ষা প্রাচীরকে সুদৃঢ় করতে একটি বিশাল জনসংখ্যাকে- ৫০ লক্ষাধিক সেনাবাহিনীকে সর্বাগ্রে-সংগঠিত করে একটি দক্ষ স্ট্র্যাটেজিক বাহিনী হিসেবে গড়ে বাকি অংশ পড়ুন...
সরকারের প্রথম ছয় মাস পূর্তি সামনে রেখে আগামী আগস্ট মাসে মন্ত্রিসভায় রদবদল এবং কয়েকটি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পুনর্বণ্টনের বিষয়ে আলোচনা চলছে। বিষয়টি সম্পর্কে অবগত একাধিক সূত্র এ তথ্য জানিয়েছে। সূত্রগুলো বলছে, মন্ত্রীদের কর্মদক্ষতার মূল্যায়নের ভিত্তিতে কয়েকটি মন্ত্রণালয়ে পরিবর্তন আনা হতে পারে। একইসঙ্গে কয়েকজন মন্ত্রীর কাজের চাপ কমানো, কিছু মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পুনর্বিন্যাস এবং মন্ত্রিসভার আকার সামান্য বাড়ানোর বিষয়ও বিবেচনায় রয়েছে।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সূত্রগুলোর দাবি, দুই মন্ত্রীকে মন্ত্রিসভা থেকেও বাদ দেওয়া হতে বাকি অংশ পড়ুন...
গতকাল জুমুয়াবার ‘ইনসাফ কায়েমকারী ছাত্র-শ্রমিক-জনতা’র যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত সমাবেশ থেকে দেশের সার্বভৌমত্ব, ঈমান ও দ্বীনী ঐতিহ্য সুরক্ষায় সরকারের প্রতি বেশকিছু দাবি ঘোষণা করা হয়েছে।
১. জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে উগ্র হিন্দুত্ববাদ-বিরোধী কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ ও রথযাত্রা নিষিদ্ধকরণ:
উগ্রবাদী সংগঠন নিষিদ্ধকরণ: র, ইস্কন, হিন্দু মহাজোট ও সনাতন বিদ্যার্থী সংগঠনসহ সকল প্রকার উগ্র হিন্দুত্ববাদী সংগঠন অবিলম্বে নিষিদ্ধ ও উচ্ছেদ করতে হবে।
অবৈধ মন্দির ও মূর্তি উচ্ছেদ: মুসলমানদের জায়গা এবং সরকারি খাস জমি দখল করে গড়ে ওঠা দেশের সকল অবৈধ স্ বাকি অংশ পড়ুন...
এ প্রসঙ্গে সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের নীতিনির্ধারক ও জাতীয় সংসদের সদস্যদের প্রতি প্রশ্ন নিবদ্ধ হয়, রাষ্ট্রের সংবিধান ও পরিকল্পনা-শৃঙ্খলা ভঙ্গ করে হলেও এ কাজগুলো এমপিদের মাধ্যমে কেন করতে হবে? এ কাজগুলো স্থানীয় সরকারের মাধ্যমে সম্পন্ন হলে এমপিদের অসুবিধা কোথায়? দেশের উন্নয়নই যদি শেষ পর্যন্ত সরকারের লক্ষ্য হয়, তাহলে তা কার মাধ্যমে হলো সেটি তো জরুরি নয়। জরুরি হচ্ছে, কাজটি মানসম্মতভাবে হলো কি না, সেটি। আর যার কাজ, সেটি তার মাধ্যমে হওয়াটাই তো একটি দক্ষ ও আদর্শ সরকারব্যবস্থার বৈশিষ্ট্য হওয়া উচিত।
এলজিইডি এরুপ প্রকল্প প্রণয়নে অতি উৎস বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
ঢাকার কারওয়ান বাজারে বাঁশের ঝুড়িতে স্তূপ করে রাখা কালো-বেগুনি রঙের জাম। কোথাও মানুষ হাত দিয়ে বেছে নিচ্ছেন পাকা ফল, কোথাও পিষে বের হচ্ছে গাঢ় বেগুনি রস। কিছু দূরে চোখে পড়ে আরেক দৃশ্য-এক ঝুড়ি ভরা গোলাপি-রঙা বিচির স্তূপ। কাছে যেতেই বিষয়টা আরও পরিষ্কার হলো। সাজিয়ে রাখা হচ্ছে জামের রসের ব্যাগ, অন্যদিকে জমা হচ্ছে বিচি। যেন একটি ফলের দুই ভিন্ন পরিণতি। এসব জামের রস পাড়ি জমায় বিদেশে, আর বিচি থেকে যায় দেশের মাটিতে। তবে সেই বিচিও ফেলনা নয়; এরও গড়ে উঠেছে আলাদা বাজার।
বর্ষা মৌসুম এলেই দেশের বিভিন্ন অঞ্চল-রাজশাহী, নাটোর, যশো বাকি অংশ পড়ুন...
যুক্তরাষ্ট্র যদি ইরানের বিদ্যুৎ অবকাঠামোতে হামলা চালায়, তাহলে লোহিত সাগরের প্রবেশদ্বার বাব আল-মান্দেব প্রণালী বন্ধ করে দেওয়ার জন্য ইয়েমেনের সশস্ত্র গোষ্ঠী হুথি বিদ্রোহীদের প্রস্তুত থাকতে বলেছে তেহরান।
ব্রিটিশ বার্তাসংস্থা রয়টার্সের সঙ্গে কথা বলা তিনটি সূত্র এ তথ্য জানিয়েছে। যদি এমন পদক্ষেপ নেওয়া হয়, তবে বিশ্ব জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর এর মারাত্মক প্রভাব পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিষয়টি ইরানের শীর্ষ নেতৃত্বের মধ্যে আলোচনা হয়েছে এবং ইতোমধ্যে হুথিদের কাছে এ-সং বাকি অংশ পড়ুন...
আধুনিক ভূ-রাজনীতি এবং যেকোনো সম্ভাব্য জাতীয় নিরাপত্তার মহাবিপর্যয় মোকাবিলায় সামরিক প্রতিরক্ষার পরিধি কেবল সম্মুখ সমরাস্ত্রের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না। কোনো দেশের সার্বিক সার্বভৌমত্ব রক্ষার প্রধান ভিত্তি হলো তার সামরিক বাহিনীর টেকসই লজিস্টিকস এবং ব্যাক-আপ সাপোর্ট। এই সাপোর্টের মধ্যে সবচেয়ে সংবেদনশীল ও অপরিহার্য অংশটি হলো চিকিৎসা সক্ষমতা। সাম্প্রতিক বৈশি^ক প্রেক্ষাপটে যদি কোনো স্বাধীন রাষ্ট্রকে ৫০ লক্ষাধিক সম্ভাব্য বিশাল রিজার্ভ বা নিয়মিত সেনাবহরের দীর্ঘমেয়াদী যুদ্ধের প্রস্তুতি নিতে হয়, তবে তার জন্য যে বিশাল পরিমাণ বাকি অংশ পড়ুন...
বুধবার (১৫ জুলাই) দুপুরে নূরানীগঞ্জের আড়াইহাজা শরীফ চৌরাস্তায় তাঁত প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ও বেসিক সেন্টারের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা জানান। বক্তব্যের শুরুতে পার্বত্য অঞ্চলে বন্যাকবলিত তাঁতিদের সহযোগিতার বিষয়ে বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘ক্ষতিগ্রস্ত তাঁতিদের তালিকা করা হচ্ছে। দু-এক দিনের মধ্যে তালিকা প্রস্তুত হবে। এরপর রাষ্ট্রীয়ভাবে তাদের সহযোগিতা পৌঁছে দেয়া হবে।’ পাশাপাশি পাট শিল্পের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে তিনি বলেন, ‘পাট শিল্পকে সমৃদ্ধ করতে মানসম্মত বীজ উৎপাদনসহ বন্ধ হয়ে যাওয বাকি অংশ পড়ুন...
বুধবার (১৫ জুলাই) বিকেলে এক গণবিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানাং রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসন।গণবিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ্য করা হয়, ৭ জুলাই গণবিজ্ঞপ্তিতে জারি করা নির্দেশনা পরিবর্তনক্রমে সাজেক ভ্যালীসহ বাঘাইছড়ি উটজেলার সব পর্যটন কেন্দ্র পর্যটকদের ভ্রমণের জন্য উম্মুক্ত করা হলো।সাজেক রিসোর্ট মালিক সমিতির সভাপতি সুপর্ণ দেব বর্মণ বলেন, ‘রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসন সাজেকে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে নেয়ায় আমরা জেলা প্রশাসনকে ধন্যবাদ জানাই। নোটিশ পাওয়ার পরই আমরা আমাদের পেইজে জানিয়ে দিয়েছি। আশা করছি দ্রুতই বুকিং শুরু হবে। বন্ধকালীন সময়ে যে বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
বৃহত্তর চট্টগ্রামে এখনও পানিবন্দি অবস্থায় রয়েছেন সাড়ে লাখ লাখ মানুষ। চরম দুর্বিষহ জীবনযাপন করছেন দুর্গতরা।
চাহিদার তুলনায় অপ্রতুল ত্রাণ সহায়তার কারণে দুর্গত এলাকায় রীতিমত হাহাকার চলছে। বিশেষ করে জরুরি ওষুধপত্র এবং খাবারের তীব্র সংকট চলছে। মানুষের এ দুঃসময়ে পাশে নেই মন্ত্রী-এমপিসহ জনপ্রতিনিধিদের অনেকে। চিটাগাং চেম্বার, বিজিএমইএসহ ব্যবসায়ী সংগঠনগুলোও নির্বিকার। সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলোর তেমন কোন তৎপরতাও নেই দুর্গত এলাকায়।
রাজনৈতিক দলগুলোর উদ্যোগের সীমিত আকারে এলাকায় চলছে ত্রাণ তৎপরতা। বাকি অংশ পড়ুন...












