SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%পানিকপাট%' OR titleBn LIKE '%পানিকপাট%' OR descriptionEn LIKE '%পানিকপাট%' OR descriptionBn LIKE '%পানিকপাট%' OR slug LIKE '%পানিকপাট%' OR metaTag LIKE '%পানিকপাট%' OR metaDescription LIKE '%পানিকপাট%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্র কর্তৃপক্ষ জানায়, টানা বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে কাপ্তাই হ্রদের পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। যার কারণে হ্রদের আশেপাশের কয়েকটি উপজেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার শঙ্কা দেখা দিয়েছে। তাছাড়া পানি হ্রদের সর্বোচ্চ ধারণ ক্ষমতার কাছাকাছি পৌঁছে যাওয়ায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। জলকপাট খুলে দেওয়ায় প্রতি সেকেন্ডে ৯ হাজার কিউসেক পানি নিষ্কাশিত হচ্ছে। এছাড়াও বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ৫টি ইউনিটে বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে গিয়ে প্রতি সেকেন্ডে ৩২ হাজার কিউসেক পানি হ্রদ থেকে অপসারিত হচ্ছে। এর বিপরীতে বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ বাকি অংশ পড়ুন...
ফেনী সংবাদদাতা:
ভারতের উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও গত কয়েকদিনের অবিরাম বর্ষণে ফেনীর মুহুরী, কহুয়া ও সিলোনিয়া নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে। অতিরিক্ত পানির চাপ সামাল দিতে এবং দ্রুত বঙ্গোপসাগরে পানি নিষ্কাশনের লক্ষ্যে দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম ‘মুহুরী সেচ প্রকল্প’-এর ৪০টি পানিকপাটই খুলে দেওয়া হয়েছে।
এর ফলে নদীর পানি দ্রুতগতিতে সাগরে গিয়ে পড়ছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ এ স্থাপনাটি মূলত মুহুরী, কুহুয়া ও সিলোনিয়া নদীর পানি নিষ্কাশনের অন্যতম প্রধান পথ।
ভারতের ত্ বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
উজান থেকে নেমে আসা ঢলে তিস্তা নদীর পানি আবারও বৃদ্ধি পেয়েছে। নদীর পানি নিয়ন্ত্রণে রাখতে নীলফামারীর ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তা ব্যারাজের ৪৪টি পানিকপাট খুলে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। পানি বাড়তে থাকায় তিস্তা অববাহিকার চরাঞ্চল ও নি¤œাঞ্চলের বাসিন্দাদের মধ্যে বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
নদীর পানি বৃদ্ধির ফলে তিস্তা তীরবর্তী চরাঞ্চলের ফসলি জমিতে আবারও পানি প্রবেশ করতে শুরু করেছে। স্থানীয়দের দাবি, সোমবার রাত থেকে ডিমলা উপজেলার বিভিন্ন নি¤œাঞ্চলে বন্যার পানি ঢ়ুকতে শুরু করেছে।
ডিমলা উপজেলার পূর্ব ছাতনাই, খগাখড়িবাড়ী, টে বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
উজান থেকে নেমে আসা ঢলে তিস্তা নদীর পানি আবারও বৃদ্ধি পেয়েছে। নদীর পানি নিয়ন্ত্রণে রাখতে নীলফামারীর ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তা ব্যারাজের ৪৪টি পানিকপাট খুলে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। পানি বাড়তে থাকায় তিস্তা অববাহিকার চরাঞ্চল ও নি¤œাঞ্চলের বাসিন্দাদের মধ্যে বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
নদীর পানি বৃদ্ধির ফলে তিস্তা তীরবর্তী চরাঞ্চলের ফসলি জমিতে আবারও পানি প্রবেশ করতে শুরু করেছে। স্থানীয়দের দাবি, সোমবার রাত থেকে ডিমলা উপজেলার বিভিন্ন নি¤œাঞ্চলে বন্যার পানি ঢ়ুকতে শুরু করেছে।
ডিমলা উপজেলার পূর্ব ছাতনাই, খগাখড়িবাড়ী, টে বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব প্রতিবেদক:
উজানের ঢল ও ভারী বৃষ্টিপাতে লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলায় অবস্থিত দেশের সর্ববৃহৎ সেচ প্রকল্প তিস্তা ব্যারাজ পয়েন্টে বিপৎসীমার ১ সেন্টিমিটার ওপরে দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। এতে করে নিম্নাঞ্চলে পানি ঢুকে প্লাবিত হয়েছে।
গতকাল ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) বিকেল ৩টায় তিস্তা নদীর ডালিয়া পয়েন্টে পানিপ্রবাহ রেকর্ড করা হয়েছে ৫২.১৬ সেন্টিমিটার (স্বাভাবিক ৫২.১৫ মিটার)। যা বিপৎসীমার ১ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে।
এর আগে গতকাল রোববার দুপুর ১২টায় তিস্তার পানি বিপৎসীমার ৯ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হয় বাকি অংশ পড়ুন...
রাঙ্গামাটি সংবাদদাতা:
লেকের পানি বেড়ে বিপদসীমা অতিক্রম করায় কাপ্তাই বাঁধের ১৬ পানিকপাট দিয়ে সাড়ে ৩ ফুট করে পানি ছাড়া হচ্ছে।
গতকাল ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) ভোররাত থেকে এ পরিমাণ পানি ছাড়া শুরু করা হয়েছে। এতে প্রতি সেকেন্ডে ৬৩ হাজার কিউসেক পানি কাপ্তাই লেক থেকে কর্ণফুলী নদীতে নিষ্কাশন হচ্ছে।
তথ্য নিশ্চিত করেছেন পানিবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ব্যবস্থাপক প্রকৌশলী মাহমুদ হাসান।
তিনি জানান, উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের কারণে কাপ্তাই লেকের পানি বিপদ সীমার উপর চলে যায়। তাই আজ ভোররাত ৩ টায় কর্ণফুলী জলবিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের ১৬ টি পান বাকি অংশ পড়ুন...
যশোর সংবাদদাতা:
অভয়নগর উপজেলার ভবদহের পানিবদ্ধতা নিরসনে ১৮ বছরে নেয়া হয় পাঁচটি প্রকল্প। খরচের পরিমাণ অন্তত ৭০০ কোটি টাকা। কিন্তু সুফল মেলেনি ভবদহ অঞ্চলের লাখ লাখ মানুষের। নানা অনিয়ম আর একের পর এক প্রকল্পের ব্যর্থতায় আশাহত এই এলাকার বাসিন্দারা।
এক সময় ভবদহ থেকে বারোহাটি বয়ে চলা নদীর প্রস্থ ছিল দেড় থেকে দুইশ মিটার। কিন্তু এখন সেটি নেমে এসেছে মাত্র ১৫ থেকে ২০ মিটারে আর গভীরতা মাত্র ৩ থেকে ৫ ফুট। একই অবস্থা ভবদহ অঞ্চলের অন্যসব নদ-নদীরও। এতে প্রায় প্রতি বছরই নদীর দুই কূল ছাপিয়ে প্লাবিত হয় সমতল।
যেখানে সাধারণত সেচ দিয়ে ভূগর্ভ বাকি অংশ পড়ুন...
রাজশাহী সংবাদদাতা:
দীর্ঘ ৪১ বছর পর রাজশাহীর চারঘাটে বড়াল নদ পুনরায় জীবন পেয়েছে। নদের নাব্য ও স্বাভাবিক প্রবাহ ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে বড়ালের ওপর নির্মিত স্লুইসগেট অপসারণ করা হয়েছে। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (বিডব্লিউডিবি) উদ্যোগে এ কাজ সম্ভব হয়েছে বলে জানায় উপবিভাগীয় প্রকৌশলী পার্থ।
জানা যায়, চারঘাট থেকে উৎপত্তি হওয়া পদ্মার শাখা নদ বড়াল নাটোর ও পাবনা অতিক্রম করে যমুনা নদীতে মিশেছে। ১৯৮৪ সালে পদ্মার বন্যা থেকে এলাকাবাসীকে রক্ষা করতে চারঘাটের বড়ালে তিনটি রেগুলেটরসহ স্লুইসগেট নির্মাণ করা হয়।
একসময় কৃষি, মৎস্য ও নৌপরিবহন বাকি অংশ পড়ুন...
চট্টগ্রাম সংবাদদাতা:
৯ হাজার ৮০০ কোটি টাকা খরচের পরও পানিবদ্ধতার ভোগান্তি থেকে মুক্তি পাচ্ছে না নগরবাসী। ২০১৭ সাল থেকে এ নিয়ে কাজ শুরু করেছে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (চউক)। ৫ হাজার ৬১৬ কোটি টাকা ব্যয়ে পানিবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পের কাজ শুরু হলেও পরে কয়েক দফায় ব্যয় বাড়িয়ে এই প্রকল্পের খরচ দাঁড়িয়েছে ১৪ হাজার ৩৮৯ কোটি টাকায়। সঙ্গে যুক্ত হয়েছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক) ও পানি উন্নয়ন বোর্ড। এরই মধ্যে প্রকল্পের প্রায় ৬৮ শতাংশ অর্থ খরচ হয়ে গেছে। কিন্তু মাঝারি কিংবা ভারি বৃষ্টিপাত হলেই নগরীর নিম্নাঞ্চল ডুবে যাচ্ছে।
সূত্র জা বাকি অংশ পড়ুন...
লালমনিরহাট সংবাদদাতা:
কয়েকদিনের টানা বৃষ্টি ও উজানের পাহাড়ি ঢলে তিস্তা নদীর পানি আবারও বাড়তে শুরু করেছে। ফলে লালমনিরহাটসহ উত্তরের কয়েকটি জেলায় তিস্তা পাড়ের হাজারো মানুষ বন্যায় শঙ্কায় আছেন। এ কারণে পানি নিয়ন্ত্রণে ব্যারাজের ৪৪টি পানিকপাট খুলে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
গতকাল রবিবার সকাল ৯টায় তিস্তার পানি সমতল রেকর্ড করা হয়েছে ৫১.৮৬ মিটার (অটো গেজ), যা বিপৎসীমার মাত্র ৩০ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে (বিপৎসীমা ৫২.১৫ মিটার)।
জানা গেছে, তিস্তা নদীর পানি বাড়লে আগে ক্ষতিগ্রস্ত হয় চরাঞ্চলগুলো। তিস্তাপাড়ে চর রয়েছে ৭৬টি। এসব এলা বাকি অংশ পড়ুন...
নীলফামারী সংবাদদাতা:
ভারত থেকে নেমে আসা ঢল আর টানা বৃষ্টিতে তিস্তার পানি বিপৎসীমা ছুঁইছুঁই করছে। পানির চাপ সামলাতে খুলে দেওয়া হয়েছে তিস্তার ৪৪ পানিকপাট। ফলে তিস্তার পানি বেড়ে নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে।
গতকাল ইয়াওমুস সাবত (শনিবার) সকাল থেকে তিস্তা নদীর পানি বেড়ে বিপৎসীমার ৫ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তবে পানি আরও বেড়ে বিপৎসীমা অতিক্রম করার আশঙ্কা করছে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)।
পাউবো ডালিয়া বিভাগের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের পানি পরিমাপক নূরুল ইসলাম জানান, ভারী বৃষ্টিপাত আর বাকি অংশ পড়ুন...
রংপুর সংবাদদাতা:
পানি ধারণক্ষমতা কমে গেছে তিস্তা নদীর। উজানের পলিতে ভরাট হয়েছে নদীর বুক। ফলে বর্ষায় ভারতে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিতে তিস্তায় বন্যা দেখা দিচ্ছে। ফসল, ঘরবাড়ি, রাস্তাঘাটসহ অবকাঠামোর ব্যাপক ক্ষয়-ক্ষতি হচ্ছে। অপরদিকে শুস্ক মৌসুমে তিস্তা নদী শুকিয়ে মরা খালে পরিণত হচ্ছে। অনেক স্থানে হেঁটে নদী পাড়াপাড় হন স্থানীয়রা। পানি উন্নয়ন বোর্ড বলছে, প্রতি বছর দুই কোটি টনের বেশি পলি আনছে তিস্তা।
জানা যায়, বর্ষা মৌসুমে বেশি বৃষ্টি হলে গজলডোবা বাঁধের সবগুলো পানিকপাট খুলে দেয় ভারত। এতে হু হু করে পানি ঢুকে পড়ে তিস্তা নদীতে। পানি বাকি অংশ পড়ুন...












