বাংলাদেশ সরকারের ঋণের তথ্য পর্যালোচনা করে দেখা যায়, স্বাধীনতার ৪৭ বছর পর তথা ২০১৮-১৯ অর্থবছর শেষে দেশী-বিদেশী উৎস থেকে সরকারের নেয়া ঋণ স্থিতি ছিল ৮ লাখ ৭৩ হাজার ২৩৬ কোটি টাকা। কিন্তু মাত্র পাঁচ বছর পর ২০২৩-২৪ অর্থবছরে এসে ঋণের এ স্থিতি ১৯ লাখ ২২ হাজার ৬৫৫ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যায়। সে হিসাবে এ পাঁচ বছরে সরকারের ঋণ বাড়ে ১০ লাখ ৪৯ হাজার ৪১৯ কোটি টাকা। অর্থাৎ স্বাধীনতা-পরবর্তী ৪৭ বছরে সরকার যে পরিমাণ ঋণ নিয়েছে, মাত্র পাঁচ বছরে তার চেয়ে বেশি ঋণ নিয়েছে পতিত শেখ হাসিনা সরকার। সরকারি এ ঋণের মধ্যে ৯ লাখ ৪০ হাজার ৭২৯ কোটি টাকা নেয়া হয়েছে দেশের অভ বাকি অংশ পড়ুন...
বর্তমানে বাংলাদেশকে যদি উন্নত করতে হয়, তবে দেশের প্রাকৃতিক সম্পদ উত্তোলন করতে হবে। পৃথিবীর অনেক দেশ নিজস্ব সম্পদ উত্তোলন করে অর্থনৈতিকভাবে উন্নত হয়ে গেছে। মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো এর সবচেয়ে বড় উদাহরণ। তেল, গ্যাস বিক্রি করে তারা এখন বিশ্বের অন্যতম ধনী। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য, বাংলাদেশে প্রচুর প্রাকৃতিক সম্পদ থাকার পরও আমরা সেগুলো উত্তোলন করতে পারছি না। নিজেদের প্রয়োজন মেটাচ্ছি বিদেশ থেকে আমদানি করা সম্পদ দিয়ে। ফলে আমরা অর্থ সংকটেই থেকে যাচ্ছি।
বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সম্পদ উত্তোলনের বিপক্ষে সবচেয়ে বড় যুক্তি হচ্ছে পরিবেশ বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
ছুটির দিনে কলকারখানা ও যানবাহনের চাপ তুলনামূলক কম থাকলেও বায়ুদূষণে বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত শহরের তালিকায় আবারও শীর্ষে উঠে এসেছে ঢাকা। গতকাল জুমুয়াবার সাধারণত ছুটির দিনগুলোতে বায়ুর মান কিছুটা উন্নতির প্রত্যাশা থাকলেও গতকাল সকাল থেকেই রাজধানীর আকাশ ধোঁয়াশায় আচ্ছন্ন হয়ে আছে।
সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বায়ুমান পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা আইকিউ এয়ারের তথ্যমতে, গতকাল জুমুয়াবার সকাল আটটার দিকে ঢাকার বায়ুমান বা স্কোর রেকর্ড করা হয়েছে ২৭৩, যাকে ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। গত বৃহস্পতিবারের ধারাবাহিকতায় বাকি অংশ পড়ুন...
অথচ দুর্নীতিগ্রস্থ বিদেশী ঋণ বা অডিয়াস ডেটের পক্ষে চূড়ান্ত দর কষাকষি করা ছিল অন্তর্বর্তী সরকারের নৈতিক দায়িত্ব
সে দায়িত্ব পালন না করে সরকার বৈষম্য বিরোধী চেতনায় কুঠারাঘাত করছে
বাংলাদেশ সরকারের ঋণের তথ্য পর্যালোচনা করে দেখা যায়, স্বাধীনতার ৪৭ বছর পর তথা ২০১৮-১৯ অর্থবছর শেষে দেশী-বিদেশী উৎস থেকে সরকারের নেয়া ঋণ স্থিতি ছিল ৮ লাখ ৭৩ হাজার ২৩৬ কোটি টাকা। কিন্তু মাত্র পাঁচ বছর পর ২০২৩-২৪ অর্থবছরে এসে ঋণের এ স্থিতি ১৯ লাখ ২২ হাজার ৬৫৫ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যায়। সে হিসাবে এ পাঁচ বছরে সরকারের ঋণ বাড়ে ১০ লাখ ৪৯ হাজার ৪১৯ কোটি টাকা। অর্থাৎ স বাকি অংশ পড়ুন...
আমেরিকা ততক্ষণ মুসলমানদের ক্ষতি করতে অর্থ খরচ করতে পারবে, যতক্ষণ সারাবিশ্বজুড়ে তার ডলারে চাহিদা থাকবে। আর ডলারের চাহিদা তখনই হবে, যখন আমরা প্রচুর আমদানি করবো। আমদানি করা মানে মানে বিদেশী পণ্য ক্রয় করা, সেটা যে দেশেরই হোক না কেন। ইউরোপ-আমেরিকা, ভারত, চীন, মিডলইস্ট কিংবা এশিয়া যেখান থেকেই আমরা পণ্য ক্রয় করি, বাংলাদেশের সীমানার বাইরে থেকে কিছু ক্রয় করতে হলে আমাদেরকে ডলারের স্মরণাপন্ন হতে হয়। এজন্য ভারত থেকে পণ্য কিনতে হলে আমাকে আগে আমেরিকা থেকে ডলার কিনতে হয়, চীন থেকে পণ্য কিনতে হলেও আগে যুক্তরাষ্ট্র থেকে ডলার কিনতে হয়, মিডলইস্ট বাকি অংশ পড়ুন...
ইসলাম স্বভাবগতভাবেই পরিবেশবান্ধব, পরিবেশ রক্ষার প্রতি যতœশীল। তাই তো ইসলামের
দৃষ্টিতে পানি অপচয় করা, অহেতুক গাছ নষ্ট করা, বিনা কারণে পশুপাখির প্রতি নির্দয় আচরণ করা গর্হিত
কাজ। এমনকি যুদ্ধেও ফসল ধ্বংস করতে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এই সত্যকে সামনে নিয়ে পরিবেশ
রক্ষার আন্দোলনে নেমেছে ইন্দোনেশিয়া।
যার নাম তারা ঠিক করেছে ‘গ্রিন
ইসলাম’।
ইন্দোনেশিয়ায় গ্রিন ইসলামের
উত্থান:
ইন্দোনেশিয়া বহু বছর ধরে পরিবেশ
সংকটে জর্জরিত, বন উজাড়, পাম তেলের প্লানটেশন, পিটল্যান্ড আগুন, কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ, নদীদূষণ-সব মিলিয়ে দেশটি দক্ষি বাকি অংশ পড়ুন...
রামপাল তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রকে পশুর নদ ও সুন্দরবন বিনাশী আখ্যায়িত করে এটি বন্ধের দাবি জানিয়েছে পরিবেশ আন্দোলনকারীরা। বাগেরহাটের মোংলা উপজেলার নারিকেলতলায় এক জনসমাবেশ থেকে এ দাবি জানানো হয়।
অনুষ্ঠানের আয়োজন করে পরিবেশ নিয়ে কাজ করা সংগঠন ‘ধরিত্রী রক্ষায় আমরা’ ও ‘পশুর রিভার ওয়াটারকিপার’।
জনসমাবেশে বক্তারা বলেন, ভারতের স্বার্থে বনবিনাশী এই বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করা হয়েছে। অবিলম্বে এ প্রকল্প বাতিলসহ নিরাপদ পানি, বায়ু এবং টেকসই জীবিকার ব্যবস্থা করতে হবে। সুন্দরবনের প্রাণ পশুর নদ দূষণের ফলে মাছসহ পানিজ প্রাণীর অস্তিত্ব হু বাকি অংশ পড়ুন...
৪৭টি নদী ও ১৬৩ বিল, ৩শ’রও বেশি ক্যানেল, ১ লাখ ২০ হাজার পুকুর তথা
চলনবিলের ধ্বংসকারী এবং কোটি মানুষের জীবন-জীবিকা নষ্টকারী ও বিস্তীর্ণ এলাকার পরিবেশের মৃত্যু ঘটিয়ে রবি ঠগের বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন কী?
পরিবেশ বাদী চেতনার মৃত্যু ঘটায় না?
তথাকথিত পরিবেশ বাদীদের মুখোশ উন্মোচন করে না?
গত ১৮ আগস্ট, ২০২৫ কালের কন্ঠ সহ গণমাধ্যমে প্রধান উপদেষ্টার বরাতে খবর শিরোনাম হয়েছে- ‘প্রকৃতি ও পানির প্রতি আমাদের সদয় হতে হবে’
খবরে বলা হয়- ইউনূস জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ ২০২৫-এর উদ্বোধন করেছে। রাজধানীর আগারগাঁওয়ে চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত এক অনুষ বাকি অংশ পড়ুন...
কুমিল্লা সংবাদাদতা:
সদর দক্ষিণ উপজেলার বেলতলী এলাকায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের বিভাজকে লাগানো অর্ধশতাধিক বকুলগাছ কেটে ফেলার ঘটনায় একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তার ব্যক্তির নাম আজমির হোসেন। এ ঘটনায় সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগ থানায় মামলা করেছে।
গত শনিবার রাতে বেলতলী এলাকায় অভিযান চালিয়ে আজমির হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন কুমিল্লা সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ সেলিম। গতকাল ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) তাকে আদালতে পাঠানো হবে। আজমিরের বাড়ি সদর দক্ষিণ উপজেলার সাওড়াতলী গ্রামে হলেও তিনি বে বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব প্রতিবেদক:
জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিশনের কার্যালয় বাতিল, স্টারলিংকের নেটওয়ার্ক বাতিল, আমেরিকার সাথে দেশবিরোধী বাণিজ্য ও নিরাপত্তাচুক্তিসহ দেশবিরোধী-দ্বীন বিরোধী সকল গোপনচুক্তি বাতিলসহ বিদেশী দালাল গাদ্দারদের উৎখাত করে ইনসাফ প্রতিষ্ঠার দাবীতে গতকাল বাদ জুমুয়া রাজারবাগ সুন্নতী জামে মসজিদ প্রাঙ্গণ থেকে এক বিরাট গণমিছিল বের করেছেন সাধারণ মুসল্লী সমাজ।
মিছিলটি রাজধানীর রাজারবাগ, শাহজাহানপুর, শান্তিনগর, মালিবাগ, এলাকা প্রদক্ষিণ করে।
মিছিল শেষে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তারা যেসব কারণে ক্ষমতাসীন তথাকথিত অন্তর্র্বত বাকি অংশ পড়ুন...
রামপাল তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রকে পশুর নদ ও সুন্দরবন বিনাশী আখ্যায়িত করে এটি বন্ধের দাবি জানিয়েছে পরিবেশ আন্দোলনকারীরা। বাগেরহাটের মোংলা উপজেলার নারিকেলতলায় এক জনসমাবেশ থেকে এ দাবি জানানো হয়।
অনুষ্ঠানের আয়োজন করে পরিবেশ নিয়ে কাজ করা সংগঠন ‘ধরিত্রী রক্ষায় আমরা’ ও ‘পশুর রিভার ওয়াটারকিপার’।
জনসমাবেশে বক্তারা বলেন, ভারতের স্বার্থে বনবিনাশী এই বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করা হয়েছে। অবিলম্বে এ প্রকল্প বাতিলসহ নিরাপদ পানি, বায়ু এবং টেকসই জীবিকার ব্যবস্থা করতে হবে। সুন্দরবনের প্রাণ পশুর নদ দূষণের ফলে মাছসহ পানিজ প্রাণীর অস্তিত্ব বাকি অংশ পড়ুন...
আমাদের মাতৃভূমিতে দ্বীন ইসলাম বিরোধী বিদেশী সাম্রাজ্যবাদীদের দালালেরা দেশের সার্বভৌমত্ব এবং দেশের মানুষের ঈমানী অনুভূতিতে বিভিন্ন কৌশলে আঘাত করে যাচ্ছে। রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোতে এবং মানুষের ঈমানের সঙ্গে জড়িত সংবেদনশীল পদগুলোতে বসে আছে কাফির-মুশরিকদের দালাল মুনাফিকরা অথবা মুসলমান ছূরতে ছদ্মবেশী কাফির-মুশরিকরাই। এরা দেশকে গৃহযুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গেছে এবং ভয়াবহ বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির মাধ্যমে দেশকে অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক প্রায় অচলাবস্থার দিকে ঠেলে দিয়েছে। দেশকে এমন এক কৌশলগত সংকটে ফেলে দিয়েছে যে বাকি অংশ পড়ুন...












