SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%পরিধান%' OR titleBn LIKE '%পরিধান%' OR descriptionEn LIKE '%পরিধান%' OR descriptionBn LIKE '%পরিধান%' OR slug LIKE '%পরিধান%' OR metaTag LIKE '%পরিধান%' OR metaDescription LIKE '%পরিধান%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
বোরকা পরিধান করে হাত ও মুখ খোলা রেখে ঘর থেকে বের হওয়া হারাম ও কুফরী (৫ম অংশ) :
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে-
قَالَ رَسُول اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَنْ تَأَمَّلَ خَلْفَ امْرَأَةٍ مِنْ وَرَاءِ ثِيَابِهَا حَتَّى تَبَيَّنَ لَهُ حَجْمُ عِظَامِهَا لَمْ يَرِحْ رَائِحَةَ الْجَنَّةِ-
অর্থ: মহাসম্মানিত রসূল নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, যে ব্যক্তি কোন পর-নারীকে দেখতে গিয়ে তার কাপড়ের উপর দিয়ে শরীরের গঠন অনুভব করলো সে বেহেস্তের অর্থাৎ জান্নাতের সুবাস পর্যন্ত পাবেনা। (বাহরুর রায়িক শরহু কানযিদ দাকায়িক, আদ বাকি অংশ পড়ুন...
পরিচিতি:
হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আবদে নহম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি প্রসিদ্ধ মুযায়না গোত্রে পবিত্র বিলাদত শরীফ প্রকাশ করেন। তিনি বিশিষ্ট ছাহাবী হযরত আবদুল্লাহ ইবনে মুগাফফাল রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার চাচা। দ্বীন ইসলাম গ্রহণের পূর্বে হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আবদে নহম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার নাম ছিল আবদুল উয্যা। সম্মানিত দ্বীন ইসলাম গ্রহণ করার পর নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উনার নাম পরিবর্তন করে আবদুল্লাহ রাখেন। উনার উপাধি “যুল-বিজাদাইন” (ডোরাকাটা দু’কাপড়ের অধিকার বাকি অংশ পড়ুন...
বর্তমানের ভূ-রাজনৈতিক মানচিত্রে ৫১ কোটি জনসংখ্যার বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা চিরাচরিত সামরিক কৌশল দিয়ে অসম্ভব। এই বিপুল জনগোষ্ঠীর সুরক্ষায় ৫০ লক্ষ সৈন্যের এক বিশাল বাহিনী গঠন করতে হবে, তবে তাদের শুধু সংখ্যার দিক থেকে নয়, বরং গুণগত দিক থেকে 'সুপার সোলজার' বা অতি-মানবীয় শক্তিসম্পন্ন করে তুলতে হবে। আধুনিক যুদ্ধক্ষেত্রে এত বড় বাহিনীর গতিশীলতা ও আত্মরক্ষা নিশ্চিত করার একমাত্র উপায় হলো- 'মিলিটারি এক্সোস্কেলিটন' প্রযুক্তির সংযোজন। আর এই ব্যয়বহুল ও উচ্চপ্রযুক্তিগত স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে পারে প্রতিরক্ষা শিল্পে উদীয়মান বাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যা মহাসম্মানিত আমল মুবারক করেছেন, যে সব বস্তু বা সামগ্রী মুবারক ব্যাবহার মুবারক করেছেন, যে সমস্ত পোশাক মুবারক পরিধান মুবারক করেছেন এবং যে সকল মহাসম্মানিত খাদ্য মুবারক গ্রহণ করেছেন সেগুলোই মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সুন্নত মুবারক। সুবহানাল্লাহ!
এই মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সুন্নত মুবারক পালন করা, সুন্নতী খাদ্য মুবারকসমূহ গ্রহণ করা প্রত্যেক মুসলমানের জন্য ফরয। আর মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সুন্নতী খাদ্য সমূহ উনাদের মধ্যে অন্যতম হলেন “মহাসম্মানিত ও মহাপব বাকি অংশ পড়ুন...
বোরকা পরিধান করে হাত ও মুখ খোলা রেখে ঘর থেকে বের হওয়া হারাম ও কুফরী (৪র্থ অংশ) :
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে-
عن حَضْرَتْ أبي هريرة رَضِىَ اللّٰهُ تَعَالٰى عَنْه أنه قال المرأة كلها عورةٌ حتى ظفرها-
অর্থ: হযরত আবূ হুরাইরা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বলেন, মহিলাদের সমস্ত শরীরটাই পর্দার অন্তর্ভুক্ত। এমনকি তাদের নখসমূহও পর্দার অন্তর্ভুক্ত। (আদাবুন নিসা লি-আব্দিল মালিক ইবনে হাবীব -পৃষ্ঠা ২১৬)
عن حَضْرَتْ عبد الله بن جعفر رَضِىَ اللّٰهُ تَعَالٰى عَنْه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لا يحل للمرأة المسلمة أن يدخل عليها غلامٌ محتلمٌ فيرى كفيها! ولا تكتحل عنده ولا تلبس عنده ثوباً ولا تخلعه ولا تؤاكله إلا أن বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র ঈদের নামাযের পদ্ধতি স্বাভাবিক নামাযের মতো নয়। যেমনঃ ঈদের দুই রাকায়াত নামাযে কোনো আযান, ইক্বামাত নেই। এতে অতিরিক্ত ছয়টি তাকবীর রয়েছে। সেগুলো আদায়ের নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে। নিম্নে সেই নিয়মগুলো তুলে ধরা হলো :
পবিত্র ঈদের নামায আদায় করার পদ্ধতিঃ
পবিত্র ঈদুল আদ্বহা উনার নিয়ত-
نَوَيْتُ اَنْ اُصَلِّىَ لِلهِ تَعَالى رَكْعَتَىْ صَلوةِ الْعِيْدِ الْاَضْحى مَعَ سِتَّةِ تَكْبِيْرَاتٍ وَاجِبُ اللهِ تَعَالى اِقْتَدَيْتُ بِهذَا الْإِمَامِ مُتَوَجِّهًا اِلى جِهَةِ الْكَعْبَةِ الشَّرِيْفَةِ اَللهُ اَكْبَرُ.
বাংলায় নিয়ত করলে এভাবে করবে: মহান আল্লাহ পাক উনার সন্তুষ্টি মুবারক হাছিলের লক্ষ্যে পবিত্র বাকি অংশ পড়ুন...
বোরকা পরিধান করে হাত ও মুখ খোলা রেখে ঘর থেকে বের হওয়া হারাম ও কুফরী (৩য় অংশ) :
মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ صَفِيَّةَ بنت شَيْبَة رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْها قَالَتْ: رَأَيْتُ حَضْرَتْ اُمّ الْمُؤْمِنِيْنَ الثَّالِثَة الصِّدِّيْقَة عَلَيْهَا السَّلَامُ طَافَتْ بالبيت وهي منتقبة-
অর্থ: হযরত ছফিয়্যাহ বিনতে শাইবা রহমতুল্লাহি আলাইহা উনার থেকে বর্ণিত: তিনি বলেন, আমি সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ ছিদ্দীক্বাহ আলাইহাস সালাম উনাকে নিক্বাব পরিহিতা অবস্থায় পবিত্র বাইতুল্লাহ শরীফ তাওয়াফ করতে দেখেছি। (আত্ব-ত্ববাকাতুল কুবরা লি-ইবনি স বাকি অংশ পড়ুন...
সুওয়াল:
বোরকা কেমন হওয়া উচিত?
জাওয়াব:
বোরকা কালো হওয়াই উচিৎ। কারণ বোরকা পরিধান করা হয়ে থাকে বেগানা বা পরপুরুষের সাথে পর্দা রক্ষা করার জন্য এবং পরপুরুষের নিকট যাতে সৌন্দর্য প্রকাশিত না হয় সেজন্য। কালো ব্যতীত অন্য রংয়ের কাপড় পরিধানে সৌন্দর্য প্রকাশিত হয়, সেজন্য শুধুমাত্র কালো রঙের বোরকা পরিধান করাই আবশ্যক।
সুওয়াল:
পাতলা ও চিপা পোশাক পরিধান করা কতটুকু ঠিক?
জাওয়াব:
যেসব পাতলা ও চিপা পোশাক পরিধান করলে শরীর দেখা যায় তা পরিধান করা জায়িয নেই। এমন ধরনের পোশাক পরিধান করা উচিৎ যেন শরীর দেখা না যায়। কারণ পোশাক পরিধানের উদ্দেশ্যই হচ্ছ বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে রয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ اِبْنِ عُمَرَ رَضِىَ اللّٰهُ تَـعَالٰى عَنْهُ يَـقُوْلُ مَا قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي الْإِزَارِ فَـهُوَ فِي الْقَمِيْصِ
অর্থ: হযরত ইবনে উমর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, লুঙ্গি যেমন নিছফে সাক্ব পর্যন্ত পরিধান করতে হবে, তদ্রুপ জামাও নিছফে সাক্ব পর্যন্ত পরিধান করতে হবে। (আবূ দাউদ শরীফ, মু’জামুল আওসাত, শুয়াবুল ঈমান ৮/২২০)
মূলত, ক্বমীছ বা জামা ও ইযার বা লুঙ্গি সমান সমান হতে পারে আবার বাকি অংশ পড়ুন...
বোরকা পরিধান করে হাত ও মুখ খোলা রেখে ঘর থেকে বের হওয়া হারাম ও কুফরী (২য় অংশ) :
হজ্জের সময় ইহরাম অবস্থায় নিকাব পরিধান করা নিষেধ থাকলেও পরপুরুষ থেকে ইহরামের জন্য পরিহিত চাদর দ্বারা হাত ও মুখ আবৃত করা ফরয। যেমন এ বিষয়ে মহাসম্মানিত হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ اُمّ الْمُؤْمِنِيْنَ الثَّالِثَةِ الصِّدِّيْقَةِ عَلَيْهَا السَّلَامُ قَالَتْ كَانَ الرُّكْبَانُ يَمُرُّونَ بِنَا وَنَحْنُ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مُحْرِمَاتٌ فَإِذَا حَاذَوْا بِنَا سَدَلَتْ إِحْدَانَا جِلْبَابَهَا مِنْ رَأْسِهَا عَلَى وَجْهِهَا فَإِذَا جَاوَزُونَا كَشَفْنَاهُ-
অর্থ: সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মি বাকি অংশ পড়ুন...












