অল্প বয়সে বিবাহ করার ব্যাপারে সমাজে যে অসুস্থ মানসিকতা তৈরী হয়েছে এই অসুস্থ প্রচারণার শিকার হয়ে বর্তমানে মুসলমানরাও এর বিরুদ্ধে বলছে নাউযুবিল্লাহ!
আধুনিক বিজ্ঞান এবং মেডিক্যাল সাইন্স এবং আজকে থেকে হাজার বছর পরের বিজ্ঞান ও মেডিক্যাল সাইন্স একমাত্র মহান আল্লাহ পাক তিনিই জানেন। সুতরাং তিনি যেটা হালাল করেছেন, সেটা হালাল হিসেবেই মেনে নিতে হবে। ইহাই ঈমানদারের পরিচয়। এবার আসা যাক- মেডিক্যাল সাইন্সের প্রেক্ষাপটে অল্প বয়সে বিবাহের বিরুদ্ধে প্রপাগান্ডার কিছু অজানা দিক তুলে ধরার সম্পর্কে-
সম্মানিত ইসলামে চিকিৎসা নেয়ার ব্যাপার বাকি অংশ পড়ুন...
নতুন জুতা পরলে অনেকের পায়ে ফোসকা পড়ে যায়। খুবই ব্যথা এবং যন্ত্রণায় ভুগতে হয় ফোসকা পড়লে। ফোসকা ফেটে গেলে আবার স্থানটি ঘা তে পরিণত হতে পারে। তাই ফোসকার বিষয়টি হেলাফেলায় নেওয়া উচিত নয়। জেনে নিন করণীয়।
১) ফোসকাতে ব্যান্ডেজ লাগিয়ে দিলে ঘষা খাওয়া থেকে রক্ষা পাবে। ব্যান্ডেজের আঠালো দুই প্রান্তকে এমনভাবে লাগিয়ে নিন যেন প্যাডের অংশটি ফোসকার ওপর উঁচু হয়ে থাকে। অর্থাৎ ব্যান্ডেজ দিয়ে ফোসকাকে এমনভাবে ঢেকে দিতে হবে যেন তা তাঁবুর মতো দেখায়। এই ঘরোয়া উপায়টি ফোসকাকে ঘষা খাওয়া, নোংরা বা জীবাণুযুক্ত কিছু থেকে সুরক্ষিত রাখার পাশাপাশি বাতাস চ বাকি অংশ পড়ুন...
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, রহমাতুল্লিল আলামীন মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি ১৪৪১ হিজরী শরীফ উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ৬ই যিলহজ্জ শরীফ লাইলাতুছ ছুলাছা শরীফ (মঙ্গলবার) মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ফালইয়াফরহূ শরীফ অর্থাৎ সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ মাহফিল মুবারক-এ ইরশাদ মুবারক করেন, “সুন্নাত মুবারক ছাড়া তো কোনো দিন তাকমীলে পৌঁছা যাবে না। কোনো আমল পূর্ণতায় পৌঁছবে না। একখানা সুন্না বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
জনগণের স্বার্থের বিরুদ্ধে ঢাকা-দিল্লি সম্পর্কে কোনো সিদ্ধান্ত নেবে না সরকার। এই অবস্থান স্পষ্ট করে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ বলেছেন, ভারতকে এড়িয়ে যাবার সুযোগ নেই। তবে পারস্পরিক আস্থা ও স্বার্থ নিশ্চিত করেই এগোবে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক।
এককভাবে কোনো দেশের প্রতি বিএনপি সরকারের নির্ভরতা বা দুর্বলতা নেই দাবি করে শামা ওবায়েদ জানান, সংসদে আলোচনা ছাড়া বিদেশিদের সাথে চুক্তি হবে না। আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক করে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফেরানো বড় চ্যালেঞ্জ মনে করেন তিনি।
যদিও নয়া সরকারের পররাষ্ট্রমন বাকি অংশ পড়ুন...
১৯৭৯ সালে চীনে এক সন্তান নীতি চালু করা হয়। এর লক্ষ্য ছিল জন্মহার কমানো এবং জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার কমানো। দীর্ঘদিন ধরে কার্যত জোর করে এই নীতি মানতে বাধ্য করা হত। জোর করে গর্ভপাত করানো হতো। ভ্রুণ নষ্ট করানো হতো। এক সন্তানের বেশি সন্তান জন্ম নিলে সেই সন্তানকে বহিরাগত বলা হতো। নীতি ভঙ্গের কারণে জরিমানা দিতে হতো। সেটা পরিশোধ না করলে ঘর খালি করে জিনিসপত্র বা পোষাপ্রাণী নিয়ে যাওয়া হতো। অনেক সময় গ্রেফতারও করা হতো।
পরবর্তীতে ২০১৬ সালে এক সন্তান নীতি বাতিল করা হয়। এর বদলে দুই সন্তানের জন্মে ছাড় দেয়া হয়। কিন্তু গত কয়েক বছর ধরে সেই নীতিও প বাকি অংশ পড়ুন...
শীতকালের পরিচিত অভিযোগ হচ্ছে শীতবস্ত্র পরিধান করেও হাত-পা ঠান্ডা হয়ে জমে যাচ্ছে। বিশেষ করে ভোর বা গভীর রাতে হাত-পা যেন বরফের মতো ঠান্ডা লাগে। বাংলাদেশে শীত তুলনামূলক কম হলেও এই সময়ে এমন সমস্যা অনেকের মধ্যেই দেখা যায়। কেউ এটাকে স্বাভাবিক শীতের প্রতিক্রিয়া ভেবে এড়িয়ে যান, আবার কেউ অস্বস্তিতে ভোগেন দীর্ঘ সময় ধরে। কিন্তু জানা আবশ্যক, সব সময় এই ঠান্ডা লাগা শুধু আবহাওয়ার কারণে হয় না?
পুষ্টিবিদরা জানান, অনেক ক্ষেত্রে শীতে হাত-পা অতিরিক্ত ঠান্ডা হওয়ার পেছনে লুকিয়ে থাকতে পারে শরীরের ভেতরের কিছু গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা বিশেষ করে ভিটামি বাকি অংশ পড়ুন...
১৯৭৯ সালে চীনে এক সন্তান নীতি চালু করা হয়। এর লক্ষ্য ছিল জন্মহার কমানো এবং জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার কমানো। দীর্ঘদিন ধরে কার্যত জোর করে এই নীতি মানতে বাধ্য করা হত। জোর করে গর্ভপাত করানো হতো। ভ্রুণ নষ্ট করানো হতো। এক সন্তানের বেশি সন্তান জন্ম নিলে সেই সন্তানকে বহিরাগত বলা হতো। নীতি ভঙ্গের কারণে জরিমানা দিতে হতো। সেটা পরিশোধ না করলে ঘর খালি করে জিনিসপত্র বা পোষাপ্রাণী নিয়ে যাওয়া হতো। অনেক সময় গ্রেফতারও করা হতো।
পরবর্তীতে ২০১৬ সালে এক সন্তান নীতি বাতিল করা হয়। এর বদলে দুই সন্তানের জন্মে ছাড় দেয়া হয়। কিন্তু গত কয়েক বছর ধরে সেই নীতিও প বাকি অংশ পড়ুন...
খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “(আমার সম্মানিত হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি জানিয়ে দিন, আমি তোমাদের নিকট কোনো বিনিময় চাচ্ছি না। আর চাওয়াটাও স্বাভাবিক নয়; তোমাদের পক্ষে দেয়াও কস্মিনকালে সম্ভব নয়। তবে তোমরা যদি ইহকাল ও পরকালে হাক্বীক্বী কামিয়াবী হাছিল করতে চাও; তাহলে তোমাদের জন্য ফরয-ওয়াজিব হচ্ছে- আমার হযরত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে মুহব্বত করা, তা’যীম-তাকরীম মুবারক করা, উনাদের খিদমত মুবারক উনার আনজাম দেয়া। ” (পবিত্র সূরা শূরা শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ২৩)
পবিত্র কালামুল্লাহ শ বাকি অংশ পড়ুন...












