SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%নৈকট্য%' OR titleBn LIKE '%নৈকট্য%' OR descriptionEn LIKE '%নৈকট্য%' OR descriptionBn LIKE '%নৈকট্য%' OR slug LIKE '%নৈকট্য%' OR metaTag LIKE '%নৈকট্য%' OR metaDescription LIKE '%নৈকট্য%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুয যামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার মনোনীত ও মাহবুব বান্দা-বান্দী উনাদের পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক ও পবিত্র বিছালী শান মুবারক উনাদের মাধ্যমে অ বাকি অংশ পড়ুন...
أَنْ تَعْبُدَ اللهَ كَأَنَّكَ تَرَاهُ
মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, এমনভাবে ইবাদত-বন্দেগী করবে যেন তোমরা যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক উনাকে দেখতে পাচ্ছ।
فَإِنْ لَّمْ تَكُنْ تَرَاهُ فَإِنَّهٗ يَرَاكَ.
যদি দেখতে না পারো তাহলে ধারণা করো যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি তোমাকে দেখতেছেন। ইহসানের দু’টা দরজা। কিন্তু প্রথমটার মধ্যে আরো অনেক হাক্বীক্বত মুবারক রয়ে গেছে। সে হাক্বীক্বত মুবারক কিছু প্রকাশ করা হয়েছিল এবং এর চাইতে আরো বাকি অংশ পড়ুন...
وَلٰكِنْ يَا حَضْرَتْ حَنْظَلَةُ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ سَاعَةً وَّسَاعَةً ثَلَاثَ مَرَّاتٍ.
মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বললেন, হে হযরত হানযালা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু! যে, হ্যাঁ ঠিকই আছে। কখনও আমার মহাসম্মানিত ছোহবত মুবারক ইখতিয়ার করলে এ রকম অবস্থা হবে আর কখনও দূরে গেলে এরকম হবে। আর এটিই হচ্ছে স্বাভাবিক। এটাই হচ্ছে স্বাভাবিক একটা অবস্থা। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!
তিনি এ মহাসম্মানিত কথা মুবারক তিনবার বললেন। এখন বলার বিষয় হচ্ছে, এটা হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়াল বাকি অংশ পড়ুন...
আরো বলা হচ্ছে,
عَنْ حَضْرَتْ اِمَامِ الاوّل عَلَيْهِ السَّلَامُ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: ্রنَحْنُ أَهْلُ بَيْتِ شَجَرَةِ النُّبُوَّةِ وَمَعْدِنُ الرِّسَالَةِ،
ইমামুল আউওয়াল সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহু আলাইহিস সালাম উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেছেন, আমরা হচ্ছি হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের অন্তর্ভূক্ত। নুবুওওয়াতের বৃক্ষ, রিসালতের মূল খনি,
لَيْسَ أَحَدٌ مِنَ الْخَلَائِقِ يَفْضُلُ أَهْلَ بَيْتِي غَيْرِيগ্ধ
সৃষ্টির কোন সৃষ্টি, সৃষ্টি হয়নি যারা হযর বাকি অংশ পড়ুন...
একাধিক পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, মহাসম্মানিত মহপবিত্র হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
لاَ تُؤْذِينِي فِي سَيِّدَتِنَا حَضْرَتْ اُمِّ الْمُؤْمِنِيْنَ الثَّالِثَةِ الصِّدِّيْقَةِ عَلَيْهَا السَّلَامُ
(পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে, এক নম্বর।) আমাকে কষ্ট দিও না সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ ছিদ্দীক্বাহ আলাইহাস সালাম উনার ব্যাপারে। মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, আমাকে কষ্ট দিও বাকি অংশ পড়ুন...
সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার পরিভাষায় খ্বালিক্ব, মালিক, রব মহান আল্লাহ পাক উনার সন্তুষ্টি ও নৈকট্য মুবারক লাভের উদ্দেশ্যে মহান আল্লাহ পাক উনার নাম মুবারকে নির্দিষ্ট তারিখে অর্থাৎ পবিত্র যিলহজ্জ শরীফ মাস উনার ১০, ১১ ও ১২ তারিখের যে কোন দিনে নির্দিষ্ট নিয়মে নির্দিষ্ট প্রাণী অর্থাৎ দুম্বা, মেষ, ভেড়া, খাসী, ছাগল, উট, গরু, মহিষ প্রভৃতি গৃহপালিত হালাল চতুষ্পদ প্রাণীসমূহকে মহান আল্লাহ পাক উনার পবিত্র নাম মুবারক উচ্চারণ করে যবেহ করাকে কুরবানী বলে।
পবিত্র কুরবানী হচ্ছে আবুল মুসলিমীন, সাইয়্যিদুনা হযরত খলীলুল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার সুন বাকি অংশ পড়ুন...
বছরের ১২ মাসের মধ্যে সব মাস মহান আল্লাহ পাক উনার কাছে সমান মর্যাদার অধিকারী হলেও চারটি মাসের বিশেষ মর্যাদা ও ফযীলত রয়েছে। মর্যাদাপূর্ণ চার মাসের অন্যতম হলো পবিত্র যিলহজ্জ শরীফ মাস। এটি পবিত্র হজ্জ উনার মাস। ত্যাগের মহিমায় উদ্ভাসিত হওয়ার পবিত্র মাস। মহান আল্লাহ পাক উনার ও উনার মহাসম্মানিত হাবীব ও মাহবূব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের মহাসম্মানিত তাওয়াল্লুক-নিছবত মুবারক, নৈকট্য মুবারক হাছিল করার বরকতময় মাস। এসব মাসে যুদ্ধবিগ্রহ, কলহবিবাদকে সম্পূর্ণ হারাম ঘোষণা করা হয়েছে। বাকি অংশ পড়ুন...
যেটা বলা হচ্ছে-
لِـىْ مَعَ اللهِ وَقْتٌ لَا يَسْعٰنِـىْ فِيْهِ مَلَكٌ مُّقَرَّبٌ وَلَا نَبِـىٌّ مُّرْسَلٌ
‘এমন নিসবত, সম্পর্ক, মুহব্বত এর মধ্যে কারো প্রবেশ করার কোনো সুযোগ নেই। নৈকট্য লাভকারী ফেরেশতা হন অথবা হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনারাই হন না কেন।’
কারো এখানে কোনো সুযোগ নেই। সুযোগ আছে কি? পবিত্র কালিমা শরীফ উনার মধ্যে কেউ কিছু প্রবেশ করাতে পারবে? পারবে না। করালে সে কাফির হয়ে যাবে। কেউ প্রবেশ করতে পারবে না।
لَاۤ اِلٰهَ اِلَّا اللهُ مُحَمَّدٌ رَّسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ
‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহম্মদুর রসূলুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম।’
এ বাকি অংশ পড়ুন...
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুয যামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, ‘কুরবানী’ শব্দটি এসেছে ‘কুরব’ শব্দ থেকে। যার অর্থ নৈকট্য, সান্নিধ্য ও নিকটবর্তী হওয়া। পবিত্র কুরবানীর মাধ্যমে কোনো কিছু মহান আল্লা বাকি অংশ পড়ুন...
মহাসম্মানিত হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ أَبِي هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللهُ تعالى عَنْهُ، قَالَ جَاءَ رَجُلٌ إِلَى رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ يَا رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَنْ أَحَقُّ بِحُسْنِ صَحَابَتِي قَالَ رَسُول اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أُمُّكَ قَالَ ثُمَّ مَنْ قَالَ أُمُّكَ قَالَ ثُمَّ مَنْ قَالَ أُمُّكَ قَالَ ثُمَّ مَنْ قَالَ ثُمَّ أَبُوكَ. وَفِى رِوَايَةٍ اُخْرٰى أُمَّكَ ثُمَّ أُمَّكَ ثُمَّ أُمَّكَ ثُمَّ أَبَاكَ ثُمَّ أَدْنَاكَ أَدْنَاكَ.
হযরত আবূ হুরাইরা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একজন ছাহাবী আসলেন। এসে বললেন, ইয়া রসূলাল্লাহ! ইয়া হাবীবাল্লাহ ছল বাকি অংশ পড়ুন...
এক প্রসঙ্গে আমি আলোচনা করতেছিলাম-
فَلَمَّا قَضَىٰ زَيْدٌ مِّنْهَا وَطَرًا زَوَّجْنَاكَهَا لِكَيْ لَا يَكُونَ عَلَى الْمُؤْمِنِينَ حَرَجٌ
এখানে পবিত্র আয়াত শরীফ উনার অর্থ মুবারক হচ্ছে সহজ সরল- হযরত যায়িদ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আস সাবিয়াহ আলাইহাস সালাম উনার সাথে উনার যে নিসবতুল আযীম শরীফ সম্পন্ন হয়েছিল তিনি সেটা থেকে মুক্ত হয়ে গেলেন, জুদা হয়ে গেলেন। ফায়সালা করে নিলেন। এরপর যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি বললেন-
زَوَّجْنَاكَهَا
মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্ল বাকি অংশ পড়ুন...
সনদ পর্যালোচনা:
এই হাদীছের একজন রাবী হচ্ছেন- সাঈফ ইবনে মিসকীন। তার সম্পর্কে পবিত্র হাদীছ শরীফ বিশারদ উনাদের কিছু বক্তব্য দেখা যাক।
হযরত ইমাম দারা কুত্বনী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি এবং হযরত আবূ হাতিম রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি অর্থাৎ উনারা বলেন-
وَسَيفُ بن مِسكِينٍ هَذا لَيس بِالقَوِيِّ
অর্থ: সাঈফ ইবনে মিসকীন তিনি শক্তিশালী নন। (আল ইলাল লিদ দারা কুত্বনী ১/২১৯, তাহক্বীকু জুযইম মিন ইলালি ইবনে আবী হাতিম ১/৬১)
হযরত মুহম্মদ ইবনে আলী ইবনে মুহম্মদ শাওক্বানী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন-
سيف بن مسكين وهو واه
অর্থ: সাঈফ ইবনে মিসকীন তিনি জারাহগ্রস্ত, ভিত্ত বাকি অংশ পড়ুন...












