اَلْمُقَدِّمَةُ (আল মুক্বদ্দিমাহ্)
(পূর্বপ্রকাশিতের পর)
ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি ১৪৪৫ হিজরী শরীফ উনার মহাপবিত্র ২৭শে রজবুল হারাম শরীফ লাইলাতুল জুমু‘আহ্ শরীফ সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ মাহফিল মুবারক-এ ইরশাদ মুবারক করেন, “ইদানিংকালে দেখা গেছে অতীতের অনেক আওলিয়ায়ে কিরাম, চিনা-অচিনা, জানা-অজানা উনারা অনেকে আসেন, ছোহবত মুবারক ইখতিয়ার করেন। (সুবহানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম!)
কয়েকদিন আগে হযরত আব্দুল হক্ব মুহাদ্দিছ দেহলব বাকি অংশ পড়ুন...
ক্বা’বা শরীফ যেমন একটা ক্বিবলা এদিক ফিরে নামায পড়তে হয়। অনুরূপভাবে আরশে আযীম হচ্ছে একটা কেন্দ্র, সেখান থেকে সমস্ত কিছু বণ্টিত হয়।
কুর্সী হচ্ছে একটা যমীন, আরশ হচ্ছে একটা আসন। আসন হিসেবে সেখানে নিয়ামতগুলো বর্ষিত হয়, আর সেখান থেকে কায়িনাতে বণ্টিত হয়। সুবহানাল্লাহ! আরশে আযীমের উপরে যে আলমে আমর রয়েছে, তারও উপরে হচ্ছে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার, উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র আব্বা আলাইহিস সালাম উনার এবং মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র আম্মা আলাইহাস সালাম উনার অর্থাৎ উনাদের, মহাসম্মানিত ও মহা বাকি অংশ পড়ুন...
চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক শেখ বাহার উল্লাহ শাহী জামে মসজিদ। নগরের পাঁচলাইশ থানার শুলকবহরের আব্দুল্লাহ খাঁন সড়কে এই মসজিদটির অবস্থান।
জানা যায়, মোঘল আমলে এ অঞ্চল অর্থাৎ চট্টগ্রাম যখন ইসলামাবাদ নাম নিয়ে সুবা বাংলার রাজধানী ছিলো, তখনই মসজিদটি প্রতিষ্ঠিত হয়। ধারণা করা হয়, ১৭৩৭ খৃ: মোঘল সুবেদার শায়েস্তা খাঁনের পৌত্র (নাতি) শেখ বাহার উল্লাহ এ মসজিদ প্রতিষ্ঠা করেন। উনার ইন্তেকালের পর মসজিদটি শেখ বাহার উল্লাহ শাহী জামে মসজিদ নামে পরিচিতি লাভ করে।
এই মসজিদ হতে মাত্র ৫০ গজ দূরেই শায়েস্তা খাঁনের রাজমহল। যা বর্তমান কোর্ট হিলে আদালত ভবন প্ বাকি অংশ পড়ুন...
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুজ জামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক উনার সন্তুষ্টি মুবারক হাছিলের উদ্দেশ্যে ইবাদত বা আমল করার নাম ইখলাছ। অর্থাৎ প্রত্যেক পুরুষ ও মহিলাকে ইখলাছ অর্জন কর বাকি অংশ পড়ুন...
ঢাকা মহানগরে যানজটের সাধারণ কিছু কারণ যেমন রয়েছে তদ্রুপ মূল বা প্রধান কিছু কারণও রয়েছে।
যানজটের কিছু সাধারণ কারণ:
১৩) অপর্যাপ্ত ট্রাফিক পুলিশ:
বর্তমানে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের অধীনে ঢাকায় প্রায় ৭০০ থেকে ৮০০টি নিয়মিত ট্রাফিক পয়েন্ট রয়েছে। এর নিয়ন্ত্রণে ট্রাফিক বিভাগের প্রায় ৪,০০০ থেকে ৪,৫০০ জন মোট জনবল রয়েছে। ঢাকার রাস্তায় প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১৫-২০ লাখ যানবাহন চলাচল করে, যা সামলানোর জন্য এই সংখ্যাটি অত্যন্ত অপ্রতুল। এছাড়া ঢাকার অনেক এলাকা ও রাস্তা রয়েছে যেখানে নিয়মিত যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে কিন্তু তা ট্রাফিক পয়েন্ট হিসেবে ঘ বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত ইমাম ইবনে রজব হাম্বলী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার কিতাব থেকে দলীল:
হযরত ইমাম ইবনে রজব হাম্বলী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি উনার ‘লাত্বায়িফুল মা‘আরিফ’ কিতাবের ২৭৮ নং পৃষ্ঠায় আরো বলেন,
اَرْكَانُ الْاِسْلَامِ الَّتِىْ بُنِىَ الْاِسْلَامُ عَلَيْهَا خَمْسَةٌ اَلشَّهَادَتَانِ وَالصَّلٰوةُ وَالزَّكٰوةُ وَصِيَامُ رَمَضَانَ وَالْحَجُّ فَاَعْيَادُ عُمُوْمِ الْمُسْلِمِيْنَ فِى الدُّنْيَا عِنْدَ اِكْمَالِ دَوْرِ الصَّلٰوةِ وَاِكْمَالِ الصِّيَامِ وَالْحَجُّ يَجْتَمِعُوْنَ عِنْدَ ذٰلِكَ اِجْتِمَاعًا عَامًا فَاَمَّا الزَّكٰوةُ فَلَيْسَ لَهَا وَقْتٌ مُعَيَّنٌ لِيَتَّخِذَ عِيْدًا بَلْ كُلُّ مَنْ مُلِمُّ نِصَابًا فَحَوْلَهٗ بِحَسْبِ مِلْكِهٖ وَاَمَّا الشَّهَادَتَانِ فَاِكْمَال বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
وَذَكِّرْهُمْ بِاَيَّامِ اللهِ اِنَّ فِـىْ ذٰلِكَ لَاٰيٰتٍ لِّكُلِّ صَبَّارٍ شَكُوْرٍ
অর্থ: “আর আপনি তাদেরকে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র আইয়্যামুল্লাহ শরীফ অর্থাৎ মহান আল্লাহ পাক উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বিশেষ বিশেষ দিন মুবারক সম্পর্কে স্মরণ করিয়ে দিন, জানিয়ে দিন। নিশ্চয়ই এই বিশেষ বিশেষ দিন মুবারকসমূহ উনাদের মধ্যে প্রত্যেক ধৈর্যশীল ও শুকুরগুজার বান্দা-বান্দী, উম্মত উনাদের জন্য সম্মানিত আয়াত অর্থাৎ নিদর্শন মুবারক, উপদেশ মুবারক, মুহব্বত-মা’রিফাত, নিসবত-কুরবত, রেযামন্দি-সন্তুষ্টি মুবারক নিহিত রয়েছেন।” সুবহ বাকি অংশ পড়ুন...
ত্বাহারাত কী:
ত্বাহারাত (طَهَارَةٌ) শব্দের আভিধানিক অর্থ হলো পবিত্রতা, পবিশুদ্ধতা। আর এর বিপরীত শব্দ হলো নাজাসাত (نَجَاسَةٌ)-এর অর্থ হলো অপবিত্রতা। এখানে ত্বাহারাত বলতে জাহেরী, বাতেনী উভয় প্রকার পবিত্রতাকেই বুঝানো হয়েছে। কোন মুসলমানের জন্য প্রথম কাজ হলো আক্বীদা শুদ্ধ করে পরিপূর্ণভাবে মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব মাহবূব নূরে মুজাস্সাম হাবীবুল্লাহ্্ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের মুবারক হুকুমের আনুগত্য প্রকাশ করা। আর এজন্য প্রয়োজন হলো হিংসা, অহংকার, মোহ, কাম-ক্রোধ ইত্যাদি বাতেনী না বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত মুজাদ্দিদে আলফে ছানী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি উনার এক মুরীদকে নছীহত করে চিঠি লিখলেন। সেই চিঠি মুবারকে অনেক নছীহত মুবারক করে শেষে লিখেছেন, জেনে রাখো, যতক্ষণ পর্যন্ত দশটি বস্তু নিজের প্রতি ফরয করে না নিবে ততক্ষণ পর্যন্ত কারো পরহেজগারী পূর্ণতা লাভ করবে না।
(১) গীবত হতে স্বীয় জিহ্বাকে রক্ষা করা।
(২) অন্যের প্রতি অন্যায় অসৎ ধারণা করা হতে বিরত থাকা।
(৩) কারো প্রতি তিরস্কার না করা।
(৪) হারাম বস্তু হতে চোখকে হিফাযত করা।
(৫) সত্য কথা বলা।
(৬) নিজের প্রতি মহান আল্লাহ পাক উনার অনুগ্রহসমূহের পরিচয় লাভ করা। যাতে আত্মগরিমা না আসতে পারে।
(৭) বাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাওয়ানেহ উমরী মুবারক জুড়ে মহান আল্লাহ পাক উনার কুদরত মুবারকের অসংখ্য বিস্ময়কর নিদর্শন প্রকাশ পেয়েছে। উনার পবিত্র জীবনের প্রতিটি অধ্যায়ই ছিলো ঈমানী চেতনা বৃদ্ধি ও হৃদয় জাগ্রত করার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত মুবারক। কখনো পবিত্র ওহী মুবারক নাযিলের মহিমান্বিত অবস্থা, কখনো হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের অতুলনীয় বিশ্বাস ও আনুগত্য; সব মিলিয়ে উনার পবিত্র সীরাত মুবারক মানবজাতির জন্য এক অনন্য আদর্শ মুবারক। তেমনই এক হৃদয়স্পর্শী ও অলৌকিক ঘ বাকি অংশ পড়ুন...
২২। কামিল শায়েখ উনার ব্যবহৃত খাছ কোন কিছুই ব্যবহার করবে না। উনার জায়নামায ও না’লাইন মুবারকের উপর পা রাখবে না। ওযূ-গোসলের স্থানে ওযূ-গোসল করবে না। ইস্তিঞ্জাখানার ক্ষেত্রেও একই হুকুম। (মাকতুবাত শরীফ)
পূর্বেই উল্লেখ করা হয়েছে যে, কামিল শায়েখ উনার সাথে সংশ্লিষ্ট সকল জিনিসই উনার মত সম্মান ও মর্যাদার অধিকারী। সুতরাং উনার সাথে সংশ্লিষ্ট সকল বিষয় বস্তুর প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়া, যথাযথ সম্মান ও মর্যাদা প্রদর্শন করা মুরীদের জন্য অতি আবশ্যক। অন্যথায় তার ইলিম ও আমলের বরকত উঠে যায়। আমলের শক্তি খর্ব হয়, অন্তর- নূরের অবসান ঘটে। সর্বোপরি তার বাকি অংশ পড়ুন...












