ঈমানদারদেরকে সাবধান করা হয়েছে। এরপর কাফিরদেরকে বলা হচ্ছে-
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ كَفَرُوا لَا تَعْتَذِرُوا الْيَوْمَ
হে কাফিরেরা! আজকে তোমাদের কোন ওজর শোনা হবে না।
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ كَفَرُوا لَا تَعْتَذِرُوا الْيَوْمَ
হে কাফিরেরা! আজকে ওজর পেশ করো না, তোমরা কেন কুফরী করলে? কেন তোমরা হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের বিরোধিতা করলে?
إِنَّمَا تُجْزَوْنَ مَا كُنتُمْ تَعْمَلُونَ
তোমরা যা আমল করেছ তার বদলা অবশ্যই একশতে একশ’ তোমাদেরকে ভোগ করতে হবে। নাউযুবিল্লাহ!
এখানে এক রূকু, সাতটা পবিত্র আয়াত শরীফ। এখানে বলা হচ্ছে, হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্না বাকি অংশ পড়ুন...
এখানে যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি বলে দিলেন, অবশ্যই আমি পাল্টিয়ে দিতাম। তাহলে তিনি পাল্টিয়ে দিয়েছেন কি? নাউযুবিল্লাহ! তাহলে দেখা যাচ্ছে উনাদের চেয়ে শ্রেষ্ঠতম ব্যক্তিত্ব আর কেউ নেই। যারজন্য উনারাই সেই মুসলমানিত্বের মাক্বাম, ঈমানের মাক্বাম, ক্বনিতিনের মাক্বাম, তওবার মাক্বাম, আবদিয়াতের মাক্বাম এবং ছমাদিয়াতের মাক্বাম প্রত্যেকটা মাক্বামের হাক্বীক্বী উনারা মালিক। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! তাহলে উনাদেরকে নিয়ে চূ-চেরা, কীলকাল করা, এতো কল্প গল্প এসব বানিয়ে মিথ্যা বলা এর ক বাকি অংশ পড়ুন...
সন্তানসম্ভবা ও দুগ্ধদায়িনীর রোযা রাখার হুকুম :
গর্ভবতী ও দুগ্ধদানকারিণী যদি আশঙ্কাবোধ করে যে, রোযা রাখলে যথাক্রমে তাদের গর্ভস্থ ভ্রুণ ও দুগ্ধপানকারী সন্তান ক্ষতিগ্রস্ত হবে তাহলে তাদের জন্য রোযা না রাখা জায়িয হবে। পরে এর ক্বাযা আদায় করে নিবে। কাফফারা বা ফিদিয়া প্রদান করতে হবে না।
বয়ো-বৃদ্ধের রোযা রাখার হুকুম :
অতিশয় বৃদ্ধ যে রোযা রাখতে অক্ষম তার জন্য অনুমতি রয়েছে যে, সে রোযা ভঙ্গ করতে পারবে এবং প্রতিদিনের রোযার পরিবর্তে একজন মিসকীনকে তৃপ্তি সহকারে দু’বেলা খাওয়াবে অথবা খাদ্য দান করবে। এ প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ পাক রব্বুল আলাম বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি আদেশ মুবারক করেছেন-
يَا أَيُّـهَا الَّذِيْنَ اٰمَنُـوْا لَا تَـتَّخِذُوا الْيَـهُوْدَ وَالنَّصٰرٰى أَوْلِيَآءَ ۘ بَـعْضُهُمْ أَوْلِيَآءُ بَعْضٍ ۚ وَمَنْ يَـتَـوَلَّهُم مِّنْكُمْ فَإِنَّهُ مِنْـهُمْ ۗ إِنَّ اللهَ لَا يَـهْدِى الْقَوْمَ الظّٰلِمِيْنَ
“হে ঈমানদারগণ! তোমরা ইহুদী ও নাছারাদেরকে বন্ধু (অভিভাবক/সহচর/ উপদেষ্টা) হিসেবে গ্রহণ করো না। তারা একে অপরের বন্ধু। তোমাদের মধ্যে যে তাদেরকে বন্ধু বানাবে, সে তাদেরই অন্তর্ভুক্ত হবে। নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক তিনি যালিম সম্প্রদায়কে (ইহুদি-খ্রিস্টান, হিন্দু-বৌদ্ধ, কাফির-মুশরিক, বেদ্বীন-বদদ্বীনদেরকে) হিদায়াত দান করেন না।” অর্থা বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
وَلَاتَشَبَّهُوْا بِالْيَهُوْدِ وَلَابِالنَّصٰرٰى فَاِنَّ تَسْلِيْمَ الْيَهُوْدِ الْاِشَارَةُ بِالْاَصَابِعِ وتَسْلِيْمَ النَّصٰرٰى اَلْاِشَارَةُ بِالْاَكُفِّ
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, তোমরা ইহুদী ও নাছারাদের সাথে কোন অবস্থাতেই মিল রেখো না। এমনকি সালাম দেয়ার ব্যাপারেও না। ইহুদীরা সালাম দেয় আঙ্গুলীর ইশারা দ্বারা আর নাছারারা সালাম দেয় হাতের তালুর দ্বারা।” (উল্লেখ্য মুসলমানরা তাদেরকে কোন বিষয়েই অনুসরণ-অনুকরণ করবে না।) (তিরমিযী শরীফ, মিশকাত শরীফ)
বাকি অংশ পড়ুন...
মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حضرت عَبْدِ اللهِ بْنِ عُمَرَ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ أَنَّ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ الشَّهْرُ تِسْعٌ وَعِشْرُونَ لَيْلَةً فَلاَ تَصُومُوا حَتَّى تَرَوْهُ فَإِنْ غُمَّ عَلَيْكُمْ فَأَكْمِلُوا الْعِدَّةَ ثَلاَثِينَ.
অর্থ: হযরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, মাস ঊনত্রিশ রাত বিশিষ্ট হয়। তাই তোমরা চাঁদ না দেখে পবিত্র রোযা শুরু করবে না। যদি আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকার কারণে চাঁদ দেখা না যায় তাহলে তোমরা ত্র বাকি অংশ পড়ুন...
. ভূ-রাজনৈতিক আগ্রাসন এবং সন্ত্রাসী ইহুদীদের প্রতিপত্তি বিস্তার
“মুসলিম উম্মাহর এবং বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে বন্দর দখলদার, নব্য ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানী, বিশ্ব সন্ত্রাসী ইহুদী দস্যুদের দোসর ডিপি ওয়ার্ল্ড কতটা ভয়াবহ: একটি দ্বীনী সমঝ এবং ঈমানী দৃষ্টিভঙ্গি”
মহান আল্লাহ পাক তিনি মহাপবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে সমস্ত সৃষ্টির জন্য সর্বাবস্থায় সকল বিষয়ে নির্দেশনা মুবারক এবং হিদায়েত মুবারক দান করেছেন। মহান আল্লাহ পাক উনার মহাপবিত্র মহাসম্মানিত কালাম কুরআন শরীফ উনার পবিত্র সূরা মায়েদা শরীফ উনার ৮২তম আয়াত শরীফ উনার মধ্যে বাকি অংশ পড়ুন...
স্বর্ণযুগে মুসলমানরা সারা বিশ্বজুড়ে শাসন করেছিলেন, এই ইতিহাস আমরা পাঠ করি। কিন্তু এর পেছনে ছিলো মুসলমানদের জ্ঞান চর্চার বিস্তর ইতিহাস। মুসলমানরা সেই সময় জ্ঞান চর্চাকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিতেন।
হাদীছ শরীফে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “প্রত্যেক নর-নারীর জন্য জ্ঞান অর্জন করা ফরয।” হাদীছ শরীফে আরো ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “জ্ঞান হচ্ছে সমস্ত কল্যাণের মূল, আর অজ্ঞতা হচ্ছে সমস্ত অকল্যাণের মূল।” এ কারণে ছাহাবীগণ সব সময় নিজেদের জ্ঞান চর্চায় আবদ্ধ রাখতেন। জ্ঞান চর্চাকে মুসলমানরা কতটা গুরুত্ব দিতেন, এটা বুঝা যায়, বদর যুদ্ধের বন্দি মুক্তির ঘটনাক বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
وَدَّ كَثِيرٌ مِنْ أَهْلِ الْكِتَابِ لَوْ يَرُدُّونَكُمْ مِنْ بَعْدِ إِيمَانِكُمْ كُفَّارًا حَسَدًا مِنْ عِنْدِ أَنْفُسِهِمْ
অর্থ: আহলে কিতাব তথা ইহুদী-নাছারাদের অনেকেই হিংসামূলক মনোভাবের কারণে আকাঙ্খা করে যে, ঈমান আনার পর আবার তোমরা কাফির হও। (পবিত্র সূরা বাক্বারা: আয়াত শরীফ ১০৯)
বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ جَابِرٍ رَضِىَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُ عَنْ حَضْرَتْ عُمَرَ الْفَارُوقِ عَلَيْهِ السَّلَامُ أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لَئِنْ عِشْتُ إِنْ شَاءَ اللهُ لَأُخْرِجَنَّ الْيَهُودَ وَالنَّصَارَى مِنْ جَزِيرَةِ الْعَرَبِ.
অর্থ: “হযরত জাবির রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, যমীনবাসী হতে আমার পর্দা করার বিষয়টি যদি বিলম্বিত হতো, তাহলে আমি এই জাযিরাতু বাকি অংশ পড়ুন...
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুয যামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, উম্মু আবীহা, খইরু ওয়া আফদ্বালু বানাতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদাতুনা হযরত আন নূরুল ঊলা আলাইহাস সালাম উনার বাকি অংশ পড়ুন...
(২৫৫)
وَإِنْ تُطِعْ أَكْثَرَ مَنْ فِي الْأَرْضِ يُضِلُّوكَ عَنْ سَبِيلِ اللَّهِ إِنْ يَتَّبِعُونَ إِلَّا الظَّنَّ وَإِنْ هُمْ إِلَّا يَخْرُصُونَ.
অর্থ: আর যদি আপনি অর্থাৎ আপনার উম্মত পৃথিবীর অধিকাংশ লোকের কথা মেনে নেন, তবে তারা আপনার উম্মতকে মহান আল্লাহ তায়ালা উনার পথ থেকে বিপথগামী করে দিবে। তারা শুধু জল্পনা-কল্পনার অনুসরণ করে এবং সম্পূর্ণ অনুমানভিত্তিক কথা-বার্তা বলে থাকে। (পবিত্র সূরা আনয়াম শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ১১৬)
বুঝাই যাচ্ছে যে, অধিকাংশ লোকই গোমরাহ বা পথভ্রষ্ট থাকবে আর অল্পসংখ্যক লোক হিদায়াত উনার উপর প্রতিষ্ঠিত থাকবেন। গোমরাহদের নিদর্শন হলো- দলীল বিহীনভাবে বাকি অংশ পড়ুন...












