নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘আমার সেই উম্মতের জন্য আমার শাফায়াত মুবারক ওয়াজিব, যে উম্মত আমার হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে মুহব্বত করেন।’ সুবহানাল্লাহ!
আজ সুমহান ও বরকতময় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ১০ই রজবুল হারাম শরীফ। সুবহানাল্লাহ! রাইহানু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমাম সিবতু রসূল আছ ছানী আলাইহিস সালাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র শাহাদাতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ! পাশাপাশি সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুত তাসি’ মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার এবং হযরত সাইয়্যিদুল উমাম আর রবি’ আলাইহিস সালাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ! এছাড়া নাছারাদের বিরুদ্ধে মুসলমানদের মহান বিজয় ঐতিহাসিক ইয়ারমুক জিহাদ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
এই মহাসম্মানিত দিবস উপলক্ষে সকলের জন্য দায়িত্ব ও কর্তব্য হচ্ছে- উনাদের মহাপবিত্র সাওয়ানেহ উমরী মুবারক এবং মুসলমানদের গাইবী মদদপূর্ণ বীরত্বপূর্ণ ইতিহাস আলোচনা করার লক্ষ্যে মাহফিল করা এবং পবিত্র মীলাদ শরীফ ও দোয়া মুনাজাত করা। আর সরকারের জন্যও দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে- মাহফিলসমূহের সার্বিক আনজাম দেয়ার সাথে সাথে উনাদের মহাপবিত্র জীবনী মুবারক এবং মুসলমানদের গাইবী মদদপূর্ণ বীরত্বপূর্ণ ইতিহাস সমস্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পাঠ্যসূচিতে অন্তর্ভুক্ত করা।
, ৩০ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১২:০০:০০ এএম ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) মহাপবিত্র ক্বওল শরীফ-১
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, রাইহানু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদুনা হযরত ইমাম সিবতু রসূল আছ ছানী আলাইহিস সালাম তিনি ছিলেন সিবত্বতু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদাতুনা হযরত উমামাহ আলাইহাস সালাম উনার ছোট ভাই। তিনি আনুষ্ঠানিক হিজরত মুবারক উনার ১৩ মাস ১৬ দিন পূর্বে পবিত্র মক্কা শরীফে পবিত্র ২৬শে মুহররমুল হারাম শরীফ পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করেন।
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যে সাইয়্যিদুনা হযরত ইমাম সিবতু রসূল আছ ছানী আলাইহিস সালাম উনাকে কত বেশি মুহব্বত মুবারক করতেন সে সম্পর্কে পবিত্র হাদীছ শরীফে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সাইয়্যিদুনা হযরত ইমাম সিবতু রসূল আছ ছানী আলাইহিস সালাম উনাকে লক্ষ্য করে ইরশাদ মুবারক করেছেন, “অন্য সবার থেকে সাইয়্যিদুনা হযরত ইমাম সিবতু রসূল আছ ছানী আলাইহিস সালাম উনার উপর আমার অধিকতর হক্ব রয়েছে।” সুবহানাল্লাহ! সম্মানিত হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে আরও বর্ণিত রয়েছে যে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সম্মানিত মক্কা শরীফ বিজয়ের সময় যেই উট মুবারক-এ আরোহণ মুবারক করে সম্মানিত মক্কা শরীফ-এ প্রবেশ করেছেন, সেই একই উট মুবারক-এ সাইয়্যিদুনা হযরত ইমাম সিবতু রসূল আছ ছানী আলাইহিস সালাম তিনিও সম্মানিত অবস্থান মুবারক করছিলেন। সুবহানাল্লাহ! এখান থেকেই স্পষ্ট হয়ে যায় যে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সাইয়্যিদুনা হযরত ইমাম সিবতু রসূল আছ ছানী আলাইহিস সালাম উনাকে কত বেমেছাল মুহব্বত করতেন। সুবহানাল্লাহ!
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, বিশুদ্ধ মতে সাইয়্যিদুনা হযরত ইমাম সিবতু রসূল আছ ছানী আলাইহিস সালাম তিনি দুনিয়ার যমীনে প্রায় সাড়ে ১৫ বছরের চেয়ে একটু বেশি সময় অবস্থান মুবারক করেন। সুবহানাল্লাহ! তিনি ছিলেন লম্বা, স্বাস্থ্যবান এবং অনেক শক্তিশালী। সুবহানাল্লাহ! তিনি ১৫ হিজরী শরীফ উনার পবিত্র ১০ই রজব শরীফ ইয়াওমুল আহাদ ইয়ারমুকের জিহাদে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বরকতময় শাহাদাতী শান মুবারক প্রকাশ করেন। সুবহানাল্লাহ!
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, ইমামুর রাসিখীন, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুত তাসি’ মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ১৯৫ হিজরী সনের পবিত্র ১০ই রজবুল হারাম শরীফ জুমুয়াবার রাতে পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করেন।
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুত তাসি’ মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি পবিত্র আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবম ইমাম। জাহিরী বাতিনী তথা ইলমে ফিক্বাহ ও ইলমে তাছাউফ সকল প্রকার ইলমের তিনি ছিলেন অধিকারী। অতীব অল্প বয়সে ইমামতী শান মুবারক প্রকাশ করেন। সুবহানাল্লাহ! সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুত তাসি’ মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার কুনিয়াত বা উপনাম মুবারক আবু জা’ফর। তাই উনাকে দ্বিতীয় আবু জাফরও বলা হয়।
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, ইমামুর রাসিখীন, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুত তাসি’ মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ২২০ হিজরী সনের পবিত্র ৬ই যিলহজ্জ শরীফ ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ করেন। সুবহানাল্লাহ! উনার পবিত্র মাজার শরীফ বাগদাদ শরীফ-এ স্বীয় দাদা সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুস সাবি’ আলাইহিস সালাম উনার পিছন দিকে অবস্থিত। তিনি যমীনে ২৫ বছর ৪ মাস ২৬ দিন অবস্থান মুবারক করেন। সুবহানাল্লাহ!
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি যে মুসলমানদেরকে দায়িমীভাবে গাইবি মদদ করেন, এ বিষয়টি যে সমস্ত জিহাদে দিবালোকের চেয়েও সুস্পষ্ট হয়েছে তার মধ্যে ইয়ারমুক জিহাদ অন্যতম। আমীরুল মু’মিনীন, সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার খিলাফত মুবারককালে ১৫ হিজরী সনের ৫ই রজবুল হারাম শরীফ ইয়াওমুছ ছুলাছা শরীফ ইয়ারমূকের জিহাদ মুবারক শুরু হয়। এই সম্মানিত জিহাদ মুবারক-এ সম্মানিত মুসলমানদের সৈন্যসংখ্যা ছিলেন ৩৫ হাজার। আর খ্রিস্টানদের সৈন্যসংখ্যা ছিলো ২ লাখেরও বেশি। তবে সরাসরি ময়দানে উপস্থিত ছিলো ২ লাখ। ৫ই রজবুল হারাম শরীফ ইয়াওমুছ ছুলাছা শরীফ থেকে পবিত্র ১০ই রজবুল হারাম শরীফ ইয়াওমুল আহাদ পর্যন্ত একাধারে ৬ দিন সম্মানিত জিহাদ মুবারক হয় এবং পবিত্র ১০ই রজবুল হারাম শরীফ সম্মানিত মুসলমানদের চূড়ান্ত বিজয়ী শান মুবারক প্রকাশ পায়। সুবহানাল্লাহ! সম্মানিত মুসলমানরা ইয়ারমুকের জিহাদ মুবারক-এ ১ লাখের চেয়েও অধিক খ্রিস্টানদেরকে হত্যা করেন। আর সম্মানিত মুসলমানদের মধ্যে ৩ হাজার জন সম্মানিত শাহাদাতী শান মুবারক প্রকাশ করেন। সুবহানাল্লাহ! উনাদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন রাইহানু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদুনা হযরত ইমাম সিবতু রসূল আছ ছানী আলাইহিস সালাম তিনি। সুবহানাল্লাহ! এ জিহাদের মাধ্যমে রোম শাসক ও সৈন্য বাহিনী ভীত সন্ত্রস্ত হয়ে পলায়ন করে এবং পর্যায়ক্রমে রোম সাম্রাজ্যের অস্তিত্ব বিলীন হয়ে যায়।
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, হযরত সাইয়্যিদুল উমাম আর রবি’ আলাইহিস সালাম তিনি ১৪৪৩ হিজরীর পবিত্র ১০ই রজবুল হারাম ইয়াওমুস সাবত (শনিবার) ইশরাকের ওয়াক্তে সকাল ৭:৪৭ মিনিটে পবিত্র বিলাদতী শান প্রকাশ করেন। উনার মহাসম্মানিতা মাতা হযরত নাক্বীবাতুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি আর উনার মহাসম্মানিত পিতা হযরত শাফিউল উমাম আলাইহিস সালাম। হযরত সাইয়্যিদুল উমাম আর রবি আলাইহিস সালাম তিনি হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের বিশেষ ব্যক্তিত্ব।
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, এই মহাসম্মানিত দিবস উপলক্ষে সকলের জন্য দায়িত্ব ও কর্তব্য হচ্ছে- উনাদের পবিত্র সাওয়ানেহ উমরী মুবারক এবং মুসলমানদের গাইবী মদদপূর্ণ বীরত্বপূর্ণ ইতিহাস আলোচনা করার লক্ষ্যে মাহফিল করা এবং পবিত্র মীলাদ শরীফ, পবিত্র ক্বিয়াম শরীফ করা। আর সরকারের জন্যও দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে- মাহফিলসমূহের সার্বিক আনজাম দেয়ার সাথে সাথে উনাদের মহাপবিত্র জীবনী মুবারক এবং মুসলমানদের গাইবী মদদপূর্ণ বীরত্বপূর্ণ ইতিহাস সমস্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাঠ্যসূচিতে অন্তর্ভুক্ত করা।
-০-
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
আসন্ন মহাপবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাস হচ্ছেন- শাহরুন আ’যীম অর্থাৎ মহাসম্মানিত মহান মাস। সুবহানাল্লাহ! তাই প্রত্যেকের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে- মহাপবিত্র রমাদ্বান শরীফ উনার হক্ব যথাযথ আদায় করার জন্য এখন থেকেই সার্বিক প্রস্তুতি গ্রহণ করা। আর খাছ করে সরকারের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য ফরয হচ্ছে- এ মহাসম্মানিত মাস উনার পবিত্রতা রক্ষার্থে এখন থেকেই গান-বাজনা, খেলাধুলা, বেপর্দা-বেহায়াপনাসহ সর্বপ্রকার হারাম-নাজায়িযসহ শরীয়ত বিরোধী যাবতীয় কার্যক্রম কঠোরভাবে বন্ধ ঘোষণা করে দেয়া।
১৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
প্রত্যেকের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হলো- পবিত্র সাহরী, পবিত্র ইফতার ও পবিত্র নামায উনাদের সময়সূচি প্রকাশ ও প্রচার করার সময় পূর্ণ সাবধানতা অবলম্বন করা। কেননা, সামান্য অসাবধানতা ও গাফলতির কারণে কোটি কোটি মুসলমানের ফরয রোযা নষ্ট হয়ে যেতে পারে। নাউযুবিল্লাহ!
১৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
বাংলাদেশে পবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাস উনার চাঁদ তালাশ করতে হবে- আগামী ২৯শে শা’বান শরীফ ১৪৪৭ হিজরী, ২০ তাসি’ ১৩৯৩ শামসী, ১৮ই ফেব্রুয়ারী ২০২৬ খৃঃ, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) দিবাগত সন্ধ্যায়। পবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাস উনার ১, ২, ৩, ৬, ৭, ৯, ১১, ১২, ১৫, ১৭, ১৮, ১৯, ২১, ২৩, ২৫, ২৬, ২৭ এবং ২৯ তারিখ পবিত্র আইয়্যামুল্লাহ শরীফ উনাদের অন্তর্ভুক্ত। সুবহানাল্লাহ!
১৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ফায়ছালা মুবারক হচ্ছেন- পর্দা করা ফরয, বেপর্দা হওয়া হারাম, ছবি তোলা ও তোলানো হারাম, তন্ত্র-মন্ত্র, ভোট-নির্বাচন করা হারাম, খেলা-ধুলা করা হারাম, গান-বাজনা করা ও শোনা হারাম, সুদ ও ঘুষ দেয়া ও নেয়া হারাম, অর্থাৎ পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের বিরোধী সর্বপ্রকার আইন-কানুন, নিয়ম-নীতি, তর্জ-তরীকা মানা ও অনুসরণ করা এবং কাফির-মুশরিক, বেদ্বীন-বদদ্বীনদেরকে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করা ও তাদেরকে অনুসরণ করা সম্পূর্ণরূপে হারাম।
১৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
সম্মানিত শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে মুসলমান উনাদের জন্য- কোনো অবস্থাতেই সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনাকে বাদ দিয়ে সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার খেলাফ বেদ্বীনী-বদদ্বীনী, নিয়ম-নীতি, তর্জ-তরীকা, আইন-কানুন, গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র, রাজতন্ত্র ইত্যাদি তালাশ করা, গ্রহণ করা, আমল করা, অনুসরণ করা জায়িয নেই; বরং সম্পূর্ণরূপে হারাম ও কুফরী।
১২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার নামে মানবপ্রণীত গণতন্ত্র ও ভোট-নির্বাচন করা ও প্রার্থী হওয়া সম্পূর্ণরূপে হারাম, নাজায়িয ও কুফরীর অন্তর্ভুক্ত। নাউযুবিল্লাহ! অতএব, মুসলমানদের জন্য ফরয হচ্ছে- কাফিরদের প্রণীত গণতন্ত্র ও ভোট-নির্বাচনসহ সর্বপ্রকার মতবাদ বাদ দিয়ে হযরত খুলাফায়ে রাশিদীন আলাইহিমুস সালাম উনাদের অনুসরণে সম্মানিত খিলাফত আলা মিনহাজিন নুবুওওয়াহ মুবারক সম্পর্কে ইলম অর্জন করে সে অনুযায়ী আমল করা।
১১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
পবিত্র ইসলামী শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে- মহিলাদের জন্য পাঁচ ওয়াক্ত, জুমুয়া, ঈদাইন, তারাবীহসহ সর্বপ্রকার নামাযের জামায়াতের জন্য মসজিদ বা ঈদগাহে যাওয়া হারাম ও কুফরী। এ ব্যাপারে ইজমায়ে আযীমত প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। যা অস্বীকার ও অমান্য করা কাট্টা কুফরী ও চির জাহান্নামী হওয়ার কারণ। অতএব মুসলিম দেশের সরকারের জন্য ফরয হচ্ছে- মসজিদ ও ঈদগাহসমূহে মহিলাদের জামায়াত বন্ধ করে দেয়া।
১০ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
সরকার ও ব্যবসায়ীদের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হলো- পবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাসে রোযাদার উনাদের প্রতি সহানুভূতির লক্ষ্যে প্রতিটি পণ্যের মূল্য সহনশীল ও নাগালের মধ্যে রাখা । কেননা, অতিরিক্ত মুনাফা লাভের উদ্দেশ্যে মওজুদ করে বাজারে দ্রব্যমূল্য বাড়ানো পবিত্র ইসলামী শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে সম্পূর্ণরূপে হারাম ও নাজায়িজ। নাউযুবিল্লাহ!
০৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
যিনি যত বেশি পবিত্র সুন্নত মুবারক উনার পাবন্দ হবেন, তিনি তত বেশি মর্যাদা বা সম্মানের অধিকারী হবেন। সুবহানাল্লাহ! কাজেই জিন-ইনসানরা যদি মহান আল্লাহ পাক উনার অসন্তুষ্টি থেকে পরিত্রাণ পেতে চায় এবং কাফির-মুশরিকদের যুলুম-নির্যাতন থেকে বাঁচতে চায়, তাহলে তাদের জন্য ফরয হলো- সর্বাবস্থায় সম্পূর্ণরূপে মহাপবিত্র কুরআন শরীফ ও মহাপবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের উপর ইস্তিক্বামত হওয়া এবং কাফির তথা ইহুদী, মুশরিক, বৌদ্ধ, মজুসী, নাছারা, বেদ্বীন, বদদ্বীন, ফাসিক-ফুজ্জারদের অনুসরণ ও অনুকরণ থেকে পরিপূর্ণরূপে বিরত থাকা।
০৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
মহাসম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার ফতওয়া অনুযায়ী- মুসলমানদের জন্য কোনো অবস্থাতেই বিধর্মীদেরকে অনুসরণ-অনুকরণ করা, তাদের সাথে মিল-মুহব্বত রাখা, বন্ধুত্ব করা জায়িয নেই বরং কাট্টা হারাম ও কুফরী। তাই সকল মুসলমানের জন্য ফরয হচ্ছে, প্রত্যেক অবস্থায় এবং দায়িমীভাবে সমস্ত বিধর্মীদের সর্বপ্রকার নিয়ম-নীতি, তর্জ-তরীক্বা থেকে আন্তরিকভাবে দূরে থাকা।
০৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
আজ বেমেছাল বরকতময় পবিত্র ১৭ই শা’বান শরীফ। সুবহানাল্লাহ! সাইয়্যিদাতুন নিসা, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আল হাদিয়াহ্ ‘আশার আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ! তাই সকলের জন্য দায়িত্ব ও কর্তব্য হচ্ছে- এ মহান দিবস উপলক্ষে খুশি প্রকাশ করার পাশাপাশি উনার প্রতি সর্বোচ্চ হুসনে যন পোষণ করে উনাকে মুহব্বত করা, অনুসরণ-অনুকরণ করা ও উনার যথাযথ গোলামী মুবারক উনার আঞ্জাম দেয়া।
০৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
আজ দিবাগত রাতটিই পবিত্র লাইলাতুম মুবারকাহ বা লাইলাতুন নিছফি মিন শা’বান অর্থাৎ পবিত্র বরাত শরীফ উনার বরকতময় রাত। সুবহানাল্লাহ! যা মুসলমানদের জন্য দোয়া, ক্ষমা বা মাগফিরাত, তওবা কবুলের খাছ রাত, বিপদ-আপদ, আযাব-গযব থেকে নাজাত এবং এক বছরের হায়াত-মউত ও রিযিকের ফায়ছালার রাত। সুবহানাল্লাহ!
০৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার)












