SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%দৃষ্টিপাত%' OR titleBn LIKE '%দৃষ্টিপাত%' OR descriptionEn LIKE '%দৃষ্টিপাত%' OR descriptionBn LIKE '%দৃষ্টিপাত%' OR slug LIKE '%দৃষ্টিপাত%' OR metaTag LIKE '%দৃষ্টিপাত%' OR metaDescription LIKE '%দৃষ্টিপাত%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র যিয়ারত মুবারক লাভের জন্য বেকারার হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহুমগণ
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার স্মরণ মুবারক-এ হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহুমগণ উনারা যখন ব্যাকুল হয়ে যেতেন, তখন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র স্মৃতি মুবারক উনাদের মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র যিয়ারত মুবারক লাভের আশায় বের হয়ে পড়তেন এবং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র কুদরত মুবারক উনার কাইফিয়্যাত মুবারক সম্পর্কে কল্পনাতীত বেমেছাল খোদায়ী ইলিম মুবারক বিতরণ:
আমার বলার মূল বিষয় হচ্ছে যে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বুলন্দী শান মুবারক যদি কেউ না বুঝে, তাহলে উনাকে সে সম্মান করবে কিভাবে? একটা লোককে যদি মানুষ না চিনে, তাহলে সম্মান করবে কিভাবে? একজন অনেক বড় বুযূর্গ লোক হেটে গেলো, লোকজন দেখলো; কিন্তু চিনে না। তাহলে তো সম্মান করতে পারবে না। সম্মান করা তো উচিত ছিলো। যেমন- হযরত রুহুল আমীন বশীরহাটী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি উনার কিতাবে উল্লেখ করেছেন যে, আ বাকি অংশ পড়ুন...
বোরকা পরিধান করে হাত ও মুখ খোলা রেখে ঘর থেকে বের হওয়া হারাম ও কুফরী (৩য় অংশ) :
মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ صَفِيَّةَ بنت شَيْبَة رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْها قَالَتْ: رَأَيْتُ حَضْرَتْ اُمّ الْمُؤْمِنِيْنَ الثَّالِثَة الصِّدِّيْقَة عَلَيْهَا السَّلَامُ طَافَتْ بالبيت وهي منتقبة-
অর্থ: হযরত ছফিয়্যাহ বিনতে শাইবা রহমতুল্লাহি আলাইহা উনার থেকে বর্ণিত: তিনি বলেন, আমি সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ ছিদ্দীক্বাহ আলাইহাস সালাম উনাকে নিক্বাব পরিহিতা অবস্থায় পবিত্র বাইতুল্লাহ শরীফ তাওয়াফ করতে দেখেছি। (আত্ব-ত্ববাকাতুল কুবরা লি-ইবনি স বাকি অংশ পড়ুন...
স্পর্শ করার দ্বারা যেমন ‘হুরমতে মুছাহারা’ সাব্যস্ত হয়, তেমনি দৃষ্টি দেয়া বা দেখার দ্বারাও হুরমত সাব্যস্ত হয়:
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لِيَسْتَأْذِنكُمُ الَّذِينَ مَلَكَتْ أَيْمَانُكُمْ وَالَّذِينَ لَمْ يَبْلُغُوا الْحُلُمَ مِنكُمْ ثَلَاثَ مَرَّاتٍ مِن قَبْلِ صَلَاةِ الْفَجْرِ وَحِينَ تَضَعُونَ ثِيَابَكُم مِّنَ الظَّهِيرَةِ وَمِن بَعْدِ صَلَاةِ الْعِشَاء ثَلَاثُ عَوْرَاتٍ لَّكُمْ
অর্থ: “হে ঈমানদারগণ! তোমাদের গোলাম-বাঁদীরা এবং তোমাদের মধ্যে যারা প্রাপ্ত বয়স্ক হয়নি তারা যেন তিন সময়ে তোমাদের কাছে আসতে অনুমতি গ্রহণ করে। ফজরের নামাযের পূর্বে, দুপুর বেলা যখন তোম বাকি অংশ পড়ুন...
স্পর্শ করার দ্বারা যেমন ‘হুরমতে মুছাহারা’ সাব্যস্ত হয়, তেমনি দৃষ্টি দেয়া বা দেখার দ্বারাও হুরমত সাব্যস্ত হয়:
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لِيَسْتَأْذِنكُمُ الَّذِينَ مَلَكَتْ أَيْمَانُكُمْ وَالَّذِينَ لَمْ يَبْلُغُوا الْحُلُمَ مِنكُمْ ثَلَاثَ مَرَّاتٍ مِن قَبْلِ صَلَاةِ الْفَجْرِ وَحِينَ تَضَعُونَ ثِيَابَكُم مِّنَ الظَّهِيرَةِ وَمِن بَعْدِ صَلَاةِ الْعِشَاء ثَلَاثُ عَوْرَاتٍ لَّكُمْ
অর্থ: হে ঈমানদারগণ! তোমাদের গোলাম-বাঁদীরা এবং তোমাদের মধ্যে যারা প্রাপ্ত বয়স্ক হয়নি তারা যেন তিন সময়ে তোমাদের কাছে আসতে অনুমতি গ্রহণ করে। ফজরের নামাযের পূর্বে, দুপুর বেলা যখন তোমা বাকি অংশ পড়ুন...
স্বীয় মুর্শিদ কিবলা উনার ছানা ছিফত:
সুলতানুল আরিফীন যাত্রাবাড়ীর হযরত মুর্শিদ কিবলা আলাইহিস সালাম তিনি উনার সম্মানিত মুর্শিদ কিবলা, হযরত ন’হুযূর কিবলা রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার জালালীয়ত স¤পর্কে বলেন, একবার কোন এক মজলিসে মুজাদ্দিদে যামান রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনিসহ হযরত ন’হুযূর কিবলা রহমতুল্লাহি আলাইহি উনারা বসা ছিলেন। এ সময় একটি জ্বীন আকাশ পথে উনাদের উপর দিয়ে উড়ে যাচ্ছিলো। মুজাদ্দিদে যামান রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি তা লক্ষ্য করেও কিছু বললেন না। হযরত ন’হুযূর কিবলা রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার নজরে আসা মাত্র তিনি উক্ত জ্বীনের প্ বাকি অংশ পড়ুন...
কুরাইশগণের মধ্যস্ততাকারী প্রেরণ:
এরপর উরওয়া নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের সম্পর্ক সৌকর্যের ক্ষেত্রে আন্তরিকতার দৃশ্য প্রত্যক্ষ করতে থাকে। অতঃপর স্বগোত্রীয় লোকজনদের নিকট ফিরে এসে বলে, ‘হে গোত্রীয় ভ্রাতৃবর্গ! মহান আল্লাহ পাক উনার কসম! আমি কায়সার ও কিসরা এবং নাজ্জাসীদের শাসকের দরবারে গিয়েছি, আমি কোন শাসককে দেখিনি যে, তার অনুসারী বা সঙ্গী সাথীগণ সেই শাসককে এতটুকু সম্মান প্রদর্শন করছে, যতটুকু নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হু বাকি অংশ পড়ুন...
আওলাদে রসূল সাইয়্যিদুনা হযরত খলীফাতুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি হচ্ছেন সেই মাদারযাদ ওলীআল্লাহ; যিনি মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার রসূল, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের ইলহাম-ইলকা মুবারক ব্যতীত উনার মুখ মুবারক খোলেন না। কোনো কিছুর দিকে দৃষ্টিপাত করেন না। তিনি যেন কোনো কিছু শুনতেই পান না ইলহাম-ইলকা ব্যতীত। তিনি মহান আল্লাহ পাক উনার নূর মুবারক দ্বারা সবকিছুই দেখেন। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পরিপূর্ বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র রোযা ফরয হওয়ার শর্তাবলী :
পবিত্র রোযা ফরয হওয়ার জন্য নি¤œবর্ণিত শর্তগুলো থাকা আবশ্যক :
১. মুসলমান হওয়া।
২. বালিগ হওয়া।
৩. জ্ঞান সম্পন্ন হওয়া।
৪. সুস্থ হওয়া।
৫. মুক্বীম হওয়া। অর্থাৎ মুসাফির না হওয়া। কেননা মুসাফিরের জন্য পবিত্র রোযা রাখার বাধ্যবাধকতা থাকে না। তবে মুক্বীম হওয়ার পর অবশ্যই তা ক্বাযা আদায় করতে হবে।
যাদের উপর রোযা ফরয নয় :
১. মুসাফিরের জন্য পবিত্র রোযা আদায় করা ফরয নয়। তবে আদায় করাই উত্তম। যদি মুসাফির অবস্থায় আদায় না করে তবে মুক্বীম হওয়ার পর অবশ্যই ক্বাযা আদায় করতে হবে।
২. অসুস্থ ব্যক্তির উপর পবিত্র রোযা আদায় ক বাকি অংশ পড়ুন...
আপদসমূহের মধ্যে অন্যতম হচ্ছে কুপ্রবৃত্তির আপদ। এটা বহুবিধ পাপের মূল কারণ। যৌবনের প্রথম থেকেই বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন না করলে মানুষ পাপসমুদ্রে নিমজ্জিত হয়ে থাকে। চক্ষুকে সংযত ও শাসনে রাখাই সতর্কতা অবলম্বনের উত্তম ব্যবস্থা।
আকস্মাৎ কোনো বেগানা ব্যক্তির প্রতি দৃষ্টিগোচর হলে তৎক্ষণাৎ তার দিক হতে দৃষ্টি ফিরিয়ে নিতে হবে এবং এরূপে সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে যেন পূণর্বার তৎপ্রতি দৃষ্টি পতিত না হয়। এরূপে প্রথম থেকেই চক্ষুকে সংযত ও শাসনে রাখা অপরিহার্য। কিন্তু প্রথমে স্বাধীনভাবে ছেড়ে দিয়ে শেষে তাকে বশীভূত করা দুঃসাধ্য হয়ে পড়ে। এ বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত খাজা সাইয়্যিদ আব্দুল্লাহ আকবরাবাদী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, আমার শায়েখ হযরত আদম বিন নূরী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার দরবার শরীফে পৌঁছে লক্ষ্য করলাম যে, হযরত শায়েখ রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার মুরীদ সকল উনার বাড়ির যাবতীয় কাজ নিজেদের মধ্যে বণ্টন করে নিয়েছেন। কোন একটি কাজও ফেলে রাখা হয়নি। সুতরাং বেশ কিছুদিন আমাকে অপেক্ষা করতে হলো।
অবশেষে একদিন লক্ষ্য করলাম যে, বন-জঙ্গল থেকে কাঠ আনার দায়িত্বে যারা নিয়োজিত, তারা দৈহিকভাবে অত্যন্ত দুর্বল ও জীর্ণ-শীর্ণ। এ দায়িত্ব পালন করা তাদের পক্ষে কিছুতেই সম্ভব নয়। আর আমি যেহেতু সুস্বাস্থ বাকি অংশ পড়ুন...












