রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুজ জামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “মসজিদে হারাম শরীফে প্রবেশে বাধা দেয়া, মহান আল্লাহ পাক উনার কাছে অনেক বড় অন্যায়।” পবিত্র হজ্জ বাকি অংশ পড়ুন...
উম্মুল কুরআন পবিত্র সূরা ফাতিহা শরীফ উনার মধ্যে নির্দেশ করা হয়েছে যে, নিয়ামতপ্রাপ্ত বান্দা উনাদের পথে চলার জন্য। এ সম্পর্কে পবিত্র সূরা নিসা শরীফ উনার ৬৯ নং পবিত্র আয়াত শরীফ উনার মধ্যে উক্ত নিয়ামতপ্রাপ্ত বান্দা উনাদের সম্পর্কে উল্লেখ করা হয়েছে যে, উনারা হচ্ছেন নবী, ছিদ্দীক, শহীদ ও ছলিহ। সুবহানাল্লাহ। অর্থাৎ নবী হচ্ছেন এক স্তর এবং আরেক স্তর হচ্ছেন ছিদ্দীক, শহীদ ও ছলিহ। আমরা জানি, হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের যামানা শেষ হয়ে গেছে বা অতিবাহিত হয়ে গেছে। এখন ওলীআল্লাহ উনাদের যামানা অব্যাহত রয়েছে। বর্তমান যামানায় আমরা তো ন বাকি অংশ পড়ুন...
“দুইটি কিতাব মুবারক- ‘ইস্তিাওয়া এবং কুদরত’ এই দুইটির ব্যাখ্যা পৃথিবীর ইতিহাসে এই পর্যন্ত কেউই করতে পারেনি। যত বড় ইমাম-মুজতাহিদ যাই বলো, কেউ করতে পারেনি। দুনিয়ার সমস্ত কিতাব, সারা পৃথিবীর সমস্ত কিতাব যদি এক পাল্লায় দেয়া হয়, আর আমার এই দুইটি কিতাব মুবারক যদি এক পাল্লায় দেয়া হয়, এই দুইটি কিতাব মুবারক উনাদের ওযন বেশি হবেন। (সুবহানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম!) এটা মনে রাখবে।” (পবিত্র ২৯শে রমাদ্বান শরীফ এবং পবিত্র ১৩ই শাওওয়াল শরীফ ও পবিত্র ১৫ই শাওওয়াল শরীফ ১৪৪৭ হিজরী শরীফ) বাকি অংশ পড়ুন...
যে সকল মহাসম্মানিত ব্যক্তিত্ব মুবারক নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত গোলামী মুবারক উনার আনজাম মুবারক দিয়ে বেমেছাল কামিয়াবী মুবারক হাছিল করেছেন, উনাদের মধ্যে অন্যতম হচ্ছেন সাইয়্যিদাতুনা হযরত শায়মা আলাইহাস সালাম তিনি। সুবহানাল্লাহ! উনার সবচেয়ে বড় পরিচয় মুবারক- তিনি হচ্ছেন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত দুধ বোন আলাইহাস সালাম। সুবহানাল্লাহ! তাহলে উনার শান-মান, ফাযায়িল-ফযীলত, বুযূর্গী-সম্মান মুবারক কত বেমেছাল, সেটা স বাকি অংশ পড়ুন...
“দুইটি কিতাব মুবারক- ‘ইস্তিাওয়া এবং কুদরত’ এই দুইটির ব্যাখ্যা পৃথিবীর ইতিহাসে এই পর্যন্ত কেউই করতে পারেনি। যত বড় ইমাম-মুজতাহিদ যাই বলো, কেউ করতে পারেনি। দুনিয়ার সমস্ত কিতাব, সারা পৃথিবীর সমস্ত কিতাব যদি এক পাল্লায় দেয়া হয়, আর আমার এই দুইটি কিতাব মুবারক যদি এক পাল্লায় দেয়া হয়, এই দুইটি কিতাব মুবারক উনাদের ওযন বেশি হবেন। (সুবহানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম!) এটা মনে রাখবে।” (পবিত্র ২৯শে রমাদ্বান শরীফ এবং পবিত্র ১৩ই শাওওয়াল শরীফ ও পবিত্র ১৫ই শাওওয়াল শরীফ ১৪৪৭ হিজরী শরীফ) বাকি অংশ পড়ুন...
“দুইটি কিতাব মুবারক- ‘ইস্তিাওয়া এবং কুদরত’ এই দুইটির ব্যাখ্যা পৃথিবীর ইতিহাসে এই পর্যন্ত কেউই করতে পারেনি। যত বড় ইমাম-মুজতাহিদ যাই বলো, কেউ করতে পারেনি। দুনিয়ার সমস্ত কিতাব, সারা পৃথিবীর সমস্ত কিতাব যদি এক পাল্লায় দেয়া হয়, আর আমার এই দুইটি কিতাব মুবারক যদি এক পাল্লায় দেয়া হয়, এই দুইটি কিতাব মুবারক উনাদের ওযন বেশি হবেন। (সুবহানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম!) এটা মনে রাখবে।” (পবিত্র ২৯শে রমাদ্বান শরীফ এবং পবিত্র ১৩ই শাওওয়াল শরীফ ও পবিত্র ১৫ই শাওওয়াল শরীফ ১৪৪৭ হিজরী শরীফ) বাকি অংশ পড়ুন...
যিনি খালিক, যিনি মালিক, যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
وَمَنْ أَعْرَضَ عَنْ ذِكْرِيْ فَإِنَّ لَه مَعِيشَةً ضَنْكًا وَّنَحْشُرُه يَوْمَ الْقِيَامَةِ أَعْمٰی قَالَ رَبِّ لِمَ حَشَرْتَنِي أَعْمٰی وَقَدْ كُنْتُ بَصِيرًا قَالَ كَذٰلِكَ أَتَتْكَ اٰيَاتُنَا فَنَسِيتَهَا ۖ وَكَذٰلِكَ الْيَوْمَ تُنْسٰى
অর্থ: আর যে আমার যিকির তথা নিদর্শন মুবারক থেকে মুখ ফিরিয়ে নিবে তার দুনিয়াবী জিন্দেগী সংকীর্ণ হয়ে যাবে এবং কিয়ামতের দিন সে ব্যক্তি অন্ধ হয়ে উঠবে। তখন সে বলবে আয় আমাদের রব তায়ালা! আমাকে কেন অন্ধ করে উঠানো হলো? আমিতো চক্ষুষ্মান ছিলাম, আমারতো দৃষ্টিশক্তি ছিলো??? তখন মহান আল্লাহ পাক তিনি তাকে বলবে বাকি অংশ পড়ুন...
গতকাল জুমুয়াবার (১৭ এপ্রিল) রাজধানী ঢাকার মালিবাগ মোড়ে ফালইয়াফরাহু চত্বরে ‘ইনসাফ কায়েমকারী ছাত্র-শ্রমিক-জনতা’র উদ্যোগে এক বিশাল প্রতিবাদী জনসমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সমাবেশে বক্তারা দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের ধর্মীয় অনুভূতি রক্ষা, মুসলিম উম্মাহর স্বকীয়তা বজায় রাখা এবং রাষ্ট্রীয় অর্থ তছরুপ বন্ধের দাবিতে নিম্নলিখিত ৩ দফা দাবি উত্থাপন করেন।
সমাবেশের মূল ৩টি দাবি:
১। ইসলাম অবমাননাকারীদের শাস্তিতে ‘মৃত্যুদ-’ আইন প্রণয়ন:
সমাবেশে সংগঠনের আহবায়ক আরিফ আল খবীর বলেন, বাংলাদেশ মুসলিম প্রধান দেশ। এখানে বারবার প্রিয় নবীজী ছল্লাল বাকি অংশ পড়ুন...
গতকাল জুমুয়াবার (১৭ এপ্রিল) রাজধানী ঢাকার মালিবাগ মোড়ে ফালইয়াফরাহু চত্বরে ‘ইনসাফ কায়েমকারী ছাত্র-শ্রমিক-জনতা’র উদ্যোগে এক বিশাল প্রতিবাদী জনসমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সমাবেশে বক্তারা দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের ধর্মীয় অনুভূতি রক্ষা, মুসলিম উম্মাহর স্বকীয়তা বজায় রাখা এবং রাষ্ট্রীয় অর্থ তছরুপ বন্ধের দাবিতে নিম্নলিখিত ৩ দফা দাবি উত্থাপন করেন।
সমাবেশের মূল ৩টি দাবি:
১। ইসলাম অবমাননাকারীদের শাস্তিতে ‘মৃত্যুদ-’ আইন প্রণয়ন:
সমাবেশে সংগঠনের আহবায়ক আরিফ আল খবীর বলেন, বাংলাদেশ মুসলিম প্রধান দেশ। এখানে বারবার প্রিয় নবীজী ছল্লাল বাকি অংশ পড়ুন...
আসলে কারো কোন ইলিম নেই। সেটাই পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে অন্যত্র বলা হয়েছে। কি বলা হয়েছে?
إِنَّمَا الْعِلْمُ عِنْدَ اللهِ
নিশ্চয়ই ইলিম হচ্ছে যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক উনার কাছে। উনার থেকে মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সেই ইলিম মুবারক হাদিয়া মুবারক করা হয়েছে। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! এবং সেখান থেকে মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি, উনার থেকে মহাসম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনারা সেটা হাছিল বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বলেছেন, ইবলিস ওয়াসওয়াসা দিয়ে থাকে। কিন্তু ইবলিস সবচাইতে বেশী খুশি হয় কিসে জানা আছে? ইবলিসের মজলিশ বসে প্রতিদিন। যেমন- আলিম-ওলামাদের মজলিশ বসে থাকে। ঠিক তদ্রুপ ইবলিসের মজলিশ বসে থাকে পানির উপরে। প্রতিদিন দিনের শেষে বসে ইবলিসের মজলিশ। সে বসে তাদের সকলকে নিয়ে, যারা তার খাছ শারগেদ রয়েছে, অর্থাৎ বিশিষ্ট শয়তান যারা রয়েছে, তারা তার মজলিশে হাজিরা দেয়, উপস্থিত হয়। সেখানে উপস্থিত হওয়ার পরে ইবলিস সবাইকে জিজ্ঞ বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র ছওয়াব রেসানী করার নিয়ম :
(১) পবিত্র ইস্তিগফার শরীফ তিনবার-
اَسْتَغْفِرُ اللّٰهَ رَبِّ مِنْ كُلِّ ذَنْبٍ وَّاَتُوْبُ إِلَيْهِ وَلَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ اِلَّا بِاللهِ الْعَلِيِّ الْعَظِيْمِ.
(২) পবিত্র আউযুবিল্লাহ শরীফ ও পবিত্র বিস্মিল্লাহ শরীফসহ পবিত্র সূরা ফাতিহা শরীফ (আল্হামদু শরীফ) একবার।
(৩) পবিত্র বিস্মিল্লাহ শরীফসহ পবিত্র সূরা ইখলাছ শরীফ (কুল হুওয়াল্লাহ শরীফ) তিনবার।
(৪) পবিত্র ইশা’র নামায উনার পরে তরীক্বার যে পবিত্র দুরূদ শরীফ পড়া হয়, সেই পবিত্র দুরূদ শরীফ পাঁচবার; তা জানা না থাকলে মহাসম্মানিত দুরূদ শরীফ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ পাঁচবার পড়ে মুনাজাত করবে বাকি অংশ পড়ুন...












